Saturday, June 22, 2013

বাংলা ব্লগিং থেকে আয় করুন

সবাইকে সালাম দিয়ে শুরু করলাম জীবনের প্রথম পোস্ট । আসা করি সবাই ভাল আসেন । আমি যেহেতু নতুন তাই লিখতে খুব কষ্ট হচ্ছে । আশা করি ক্ষমা করেদিবেন ।
আসলে আমি অনেক দিন ধরে টেক টিউন্স পড়সি । কিন্তু কোনোদিন লিখার সাহস হয়নি । আজ সাহস করে লিখতে বসলাম ।
আমরা অনেকে গুগল অ্যাড সেন্স এর পিছনে ঘুরছি । কিন্তু সফল হইনি এর একটি কারন হল আমরা ইংলিশ এ অনেক দুর্বল । গুগল থেকে টাকা আয় করা কিন্তু অনেক পরিশ্রমের বেপার । কারন গুগল এর অ্যাড দেওয়ার জন্য সাইট কে PR1 হতে হয় । আমিও একসময় এর পিছনে অনেক ঘুরছি কিন্তু কোন সাফলতা পাইনি।
অন্য দিকে এক বড় ভাই গুগলে অনেক টাকা কামিয়ে ফেলেছে । তো একদিন আমি তাকে বলেই ফেলি ভাই আমি তো ইংলিশ এ দুর্বল , গুগল দিয়ে কি আয় করতে পারব ?
তিনি আমাকে বলে না , গুগল এর টাকা এত সহজে পাওা যায় না । আমি কিন্তু মেসে থাকি তাই মাসের ২০ তারিখ থেকে হাত ফাঁকা হওয়া শুরু হয় । তাই ভাই কে বলি ভাই আমি তো কপি পেস্ট সারা আর কিছুই পারি না । আপনার কাসে কি কোন এমন সাইট এর কাজ আসে যেখানে বাংলা লিখে টাকা আয় করা যায় ।
তিনি প্রথমে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ দেয় ,আমি সেটাও করতে পারিনা কারন কষ্ট অনেক আবার টাকা কম ।
শেষ এ তিনি একটা সাইট এর লিঙ্ক দেন সেখানে নাকি বাংলা ব্লগ সাইট এ ব্যানার অ্যাড দিয়ে টাকা আয় করা যায় । আমি ওটা চেষ্টা করি ।
শেষে ১ মাস পর কিছু টাকা পাই । এটা পেয়যা সাপোর্ট করে । তাই পেয়যা তে টাকা ত্রান্সফর দিয়ে আমার অই বড় ভাই এর মাস্টার কার্ড দিয়ে জীবনের প্রথম টাকা তুলি ।
আপ্নারা চাইলে নিচের লিঙ্ক গিয়ে জইন করতে পারেন । [বিঃদ্রঃ এটা কোন রেফারাল লিঙ্ক না ।তাছাড়া এই সাইট এ কোন রেফারাল সিস্টেম নাই । আমি শুধু আপনাদের উপকারে লিঙ্ক টা শেয়ার করলাম ।]
লিঙ্ক<----
আপনারা এই ব্লগটি একটু ঘেঁটে দেখতে পারেন। আমার অনেক কাজে লেগেছে এই ব্লগটি। আপনাদেরও লাগবে বলে বিশ্বাস করি।

আপনার পিসি থেকে শেয়ার করুন ইন্টারনেট ব্লুটুথ এর মাধ্যমে এবং আপনার মোবাইল এ ইন্টারনেট চালান ফ্রীতে

আপনার পিসি থেকে শেয়ার করুন ইন্টারনেট ব্লুটুথ এর মাধ্যমে এবং আপনার মোবাইল এ ইন্টারনেট চালান ফ্রীতে। কথা না বাড়িয়ে চলুন সরাসরি টপিক এ চলে যাই।
প্রথমে দেখে নিন কি কি লাগবে
১. ডেস্কটপ এর জন্য ব্লুটুথ ।
২. পিসিতে জাভা ইনস্টল থাকতে হবে ।
৩. Hiisi Suite Client  মোবাইলের জন্য । ( ডাউনলোড লিংক নীচে )
৪. Hiisi Suite Proxy পিসি জন্য । ( ডাউনলোড লিংক নীচে )
৫. ব্লুটুথ সমর্থিত মোবাইল ।
মোবাইলের ইনস্টলেশন :
১. Hiisi Suite Client  মোবাইলের জন্য  ডাউনলোড করুন ।
২. ফাইলগুলি এক্সট্র্যাক্ট করুন ।
৩. আপনার ফোন মেমরি বা মেমরি কার্ড  ফাইল গুলো কপি করুন ।
৪. সবগুলো ফাইল একই ফোলডারে কপি করুন ।
৫. তারপর hiisi.jad নামের  ফাইলটা মোবাইলে ইন্সটল করুন ।
৬. এখন একটি নতুন অ্যাপ্লিকেশন 'Hiisi Proxy' হিসাবে প্রদর্শিত হবে ।
পিসির ইনস্টলেশন :
১. Hiisi Suite Proxy পিসি জন্য  ডাউনলোড করুন ।
২. ফাইলগুলি এক্সট্র্যাক্ট করুন ।
৩. Pihatonttu এ ক্লিক করুন  এবং এডিট করুন ।
৪. আপনি নিম্নলিখিত কোড পাবেন :-
start javaw -Djava.library.path=. -cp .\lib\comm.jar;.\lib\jdic.jar;.\class Pihatonttu.PihatonttuMain COM15 null
৫. এখন COM port number এডিট করুন এবং Pihatonttu ওপেন করুন । (  আপনার COM পোর্ট খোঁজ এর নিয়ম নিচে )
৬. তারপর আপনি নিচের মত উইন্ডো পাবেন ।
৭.  এখন এটি মিনিমাইজ করুন ।

একসেস পয়েন্ট কনফিগারেশন :
১. প্রথমে আপনার মোবাইলের Settings->Phone settings->Connection->Destinations->Internet->Edit (May vary for your phone like Tools > Settings > Connection > Access points > Options >Advanced Settings এ ক্লিক করুন ।
২.  তারপর  Proxy server address 127.0.0.1
৩. এবং Proxy Port Number  1234
পিসির ইন্টারনেট সংযোগ :
১. আপনার ফোন মধ্যে ‘Hiisi Proxy’ ওপেন করুন ।
২. yes এ ক্লিক করুন  “ Allow Hiisi Proxy to use network and send or receive data”.

৩. ব্লুটুথ মোড নির্বাচন করুন এবং অপেক্ষা করুন ব্লুটুথ ডিভাইস অনুসন্ধান পর্যন্ত ।

৪. আপনার কম্পিউটারে ব্লুটুথ নাম সিলেক্ট করুন এবং এটি সিরিয়াল পোর্ট অনুসন্ধানের জন্য অপেক্ষা করুন । ( Hiisi Proxy আপনার পিসি মধ্যে চলমান হয় তা নিশ্চিত করুন)
৫.পরবর্তীতে দেখতে পাবেন  btspp :/ / .....
৬. এখন  আপনি প্রথমটি নির্বাচন করুন ।

৭. এখন  অপশন ক্লিক করুন এবং mark Check under Bluetooth connection এবং ওকে ক্লিক করুন ।
৮. এখন আপনি 'Hiisi Proxy-র ব্লুটুথ মোড পাবেন ।

৯. এখন অ্যাপ্লিকেশনটি বন্ধ না করেই ওয়েব ব্রাউজার  ওপেন করুন ।
১০. এরপর আপনার  কনফিগারেশন করা একসেস পয়েন্ট নির্বাচন করুন এবং ব্রাউজ করুন ।
১১.  এখন আপনি  মোবাইল থেকে যে সাইট ভিজিট করবেন তা আপনার পিসিতে দেখাবে ।

আপনার COM পোর্ট খোঁজ এর নিয়ম :
Open Device Manager and expand Ports (COM & LPT)
The first Bluetooth serial port should be the required one
In this example COM 15 should be used.
বিকল্প উপায়ে:
In bluesoleil software , Bluetooth ->My Device Properties.
Choose Services tab.
Note the first COM port.


ডাউনলোড লিংক : 
পিসি জন্য - http://cf.ly/1YKb
মোবাইলের জন্য - http://cf.ly/1YKd
চাইলে ঘুরে আসতে পারেন  --- Fan Page

এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য ২১০০০+ শব্দের সেরা ‘English টু বাংলা’ ডিকশনারি ব্যবহার করুন আর ফিদা হয়ে যান!!

অ্যান্ড্রয়েডের যুগে মোবাইলে বাংলা ডিকশনারি থাকবে না তা কি করে হয়। কিছু বাংলা মোবাইল ডিকশনারি পাওয়া যায় কিন্তু শব্দসংখ্যা খুবই কম। তবে এই ডিকশনারি যদি ব্যবহার করেন তাহলে মোবাইলে কম্পিউটারের মত শক্তিশালী একটি ইংলিশ টু বাংলা ডিকশনারির স্বাধ পেয়ে যাবেন।
English-Bangla dictionary নামের এই চমৎকার ডিকশনারিতে প্রায় ২১০০০+ শব্দ আছে। এমনকি সব শব্দের বাংলা উচ্চারণসহ বিস্তারিত অর্থ আছে। Barron’s GRE Word list সুবিধাও রয়েছে। অন্য যে কোন ডিকশনারি থেকে এটা যে সেরা তা একবার ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন।

এক নজরে সকল ফিচারঃ

  • অফলাইন অর্থাৎ ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে।
  • Barron’s GRE ওয়ার্ড লিস্ট সুবিধা রয়েছে।
  • অটো কমপ্লিশন ওয়ার্ড সুবিধা রয়েছে।
  • বাংলা উচ্চারণও শব্দের পাশে রয়েছে।
  • ২১০০০+ সংখ্যার বিশাল শব্দের সংগ্রহ।
  • অত্যন্ত গতি সম্পন্ন।

ডিকশনারি ইন্সটল করার ধারাবাহিক পদ্ধতিঃ

প্রথমেই এখান থেকে এই ফাইলটি ডাউনলোড করে মোবাইলে ইন্সটল করুন।
তারপর এই জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে।
ডাউনলোড করার পর BanglaDictionary জিপ ফাইলটি Extract করুন। এখন মোবাইলের মেমরি কার্ডে e2b নামের একটা ফোল্ডার তৈরি করুন। তারপর আনজিপ করা সেই ফাইলগুলো e2b ফোল্ডারে কপি করুন।
এবার পূর্বে ইন্সটল করা English-Bangla dictionary নামের অ্যান্ড্রয়েড এপসটি ওপেন করুন।
settings এ গিয়ে নিচের ছবির মতো চেক বক্স দুটোতে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।

offline data location নামের অপশনে গিয়ে /e2b নাম দিয়ে ok করুন।

এবার সেভ করে আপনার কাজ শেষ করুন। :D সার্চ বক্সে আপনার কাংখিত শব্দ লিখুন আর ফলাফল দেখুন নিমিষেই। :)

জিপ ফাইলে থাকা ইমেজগুলো যেভাবে হাইড করবেনঃ

e2b ফোল্ডারে এখন অনেকগুলো ইমেজ রয়েছে যা আপনার অ্যান্ড্রয়েড গ্যালারিতে দেখা যাচ্ছে যা বিরক্তিকর। তাই এই ইমেজগুলো গ্যালারিতে যেন না দেখা যায় অর্থাৎ এই ফোল্ডারটি গ্যালারি থেকে হাইড করতে হবে।
নোটপ্যাড ওপেন করে Save as type” option to All files (*.*) সিলেক্ট করুন। তারপর সম্পূর্ণ খালি নোট প্যাড ফাইলটি .nomedia নামে সেভ করুন। কোন সমস্যা হলে এই পোস্ট দেখুন।

এবার .nomedia ফাইলটি মেমরি কার্ডের e2b ফোল্ডারে কপি করুন। ব্যস কাজ শেষ। এখন গ্যালারিতে এই ফাইলগুলো আর দেখাবে না।

সিম্বিয়ান/জাভা মোবাইলের জন্য ডিকশনারিঃ

এই একই ডিকশনারিটি নোকিয়ার সিম্বিয়ান বা যে কোন জাভা মোবাইলে ব্যবহার করা যাবে। কিভাবে ব্যবহার করা যাবে তা বিস্তারিত জানুন এই পোস্টে।

কম্পিউটারের জন্য সেরা ডিকশনারিঃ

কম্পিউটারের জন্য সেরা ইংলিশ টু বাংলা ডিকশনারি ডাউনলোড করতে দেখুন এই পোস্ট।

গ্রাফিক্সের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে ভিজিট করুন http://cf.ly/1YKV

জয়েন করুন

প্রযুক্তি টিম অফিসিয়াল ফ্যান পেজ।
প্রযুক্তি টিম অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপ। di

[ম্যাজিক] রুমাল কেটে আবার জোড়া লাগান

জাদুঃ

মন্চে জাদুকর এস পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে । দর্শক দের বল্লোঃ আমি এই রুমালটা কেটে আবার জোড়া লাগিয়ে দিবো ।

আমরা অনেকেই ভাবি যে এটা নিশ্চয় মন্ত্র হবে । তাই আজ আমি ওই সব ভন্ড জাদুকরের মুখোশ খুলে দিলাম ।

উপকরন:

এই অবাক করা যাদুর খেলাটা দেখাতে হলে চাই একটা বারো ইন্চি সাইজের হলদে রং এর সিল্কের রুমাল । একই ধরনের হলদে সিল্কের একটা তিন ইন্চি সাইজের রুমাল অথবা কাপড় । আট ইন্চি লম্বা এবং এক ইন্চি ব্যাসযুক্ত একটা কাগজের টিউব । একটা ধারালো কাঁচি ।

প্রস্তুত প্রনালীঃ

যে কোন শক্ত ধরনের একটা কাগজ পাকিয়ে আট ইন্চি লম্বা এবং এক ইন্চি ব্যাসযুক্ত টিউবটি তৈরি করে নাও । টিউবটা তৈরি হওয়ার পর কাগজের খোলা দারটা আঠা দিয়ে জুড়ে নেবে । যাতে এটা খুলে না যায় । আঠা শুকিয়ে যাওয়ার পর একটা স্থায়ী টিউব তৈরি হয়ে গেলো ।

তিন ইন্চি সাইজের সিল্কের টুকরোটি টিউবের যে কোন একটা প্রান্তে দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে রাখবে । যাতে বাইরে থেকে সেটা দেখতে পাওয়া না যায় । আবার খুব বেশি ভেতোরেও ঢুকিয়ে দেবে না । এমন জায়গায় সেটা থাকবে যাতে ইচ্ছামতো আঙ্গূল দিয়ে বার করে আনা চলে ।
এই কায়দা করা টিউব এবং কাঁচিটা থাকবে টেবিলের ওপর । বারো ইন্চি সাইজের রুমালটা ভাঁজ করে পকেটে রেখে দেবে ।

এখন তুমি খেলাটা দেখানোর জন্য প্রস্তুত ।
কৈশলঃ

১২ ইন্চির রুমালটা নিয়ে বলবেন এটা আমি কেটে ফেলবো । আবার জোড়া লাগিয়ে দিবো ।
হাতের রুমালটা টিউবের ভেতোরে প্রবেশ করান এবং এক অংশ বাহিরে রাখুন । আবার টিউবের অন্য প্রান্তে এর ভেতোরের আগের থেকে রেখে দেয়া রুমালের কিছু অংশ বের করে দেন ।

তাহলে দেখা যাবে যে টিউবের দু পাশে রুমালের ২ অংশ বের হয়ে আছে । এবার একটা ধারালো কাঁচি দিয়ে ঠিক মাঝ খান দিয়ে কেটে দিন । তাহলে টিউবটি দুখন্ড হয়ে যাবে ।

সবাই ভাববে সত্যি সত্যি রুমালটা কেটে গেছে । এবার রুমালটা জোডা লাগানোর পালাঃ
কাটা টিউবটা একসাথে ধরে রুমালের দু মাথা ভেতোরে রেখে দিন । এবার আগে থেকে রাখা ৩ ইন্চির রুমালটা বের করে সবাইকে দেখান যে রুমালটা ঠিকই আছে ।
নোটঃ
আমি প্রোফেশনাল কোন জাদুকর নয় । তাই নিজের ভাষায় লিখলাম । কারো বুঝতে সমস্যা হলে প্লিজ কমেন্ট করবেন ।

Thursday, June 20, 2013

জলদি নিয়ে নিন ২৫ ডলার বোনাস সহ মাস্টারকার্ড ও জেনে নিন বাংলাদেশ থেকে পেপাল অ্যাকাউন্ট খোলা ও টাকা তোলার সহজ উপায় .

একটি Verifyed পেপাল Account থাকা যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আজকে এই লেখাটির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে একটি পেপাল Account তৈরী, Verify করার নিয়ম এবং পেপালের ডলার কিভাবে মাস্টার কার্ড এর মাধ্যমে উত্তোলন করার সর্বউত্তম উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। আসুন ধাপে ধাপে বিষয় গুলো আলোচনা করা যাক।

এই পোস্টে যেই বিষয় গুলো আলোচনা করা হবেঃ

  • একটি USA Verifyed Paypal Account করার উপায়।
  • একটি ফ্রী Payoneer এর Mastercard পাওয়ার উপায়।
  • US Virtual ব্যাংক এর মাধ্যমে পেপাল verifyed করার উপায়।
  • পেপাল এ payoneer এর mastercard যোগ করার নিয়ম।
  • Paypal এর ডলার Payoneer এর Mastercard এ নিয়ে আসার উপায়।
  • Paypal এর অ্যাকাউন্ট Personal থেকে Premiere এ Upgrade করার উপায়। ।
  • পেপাল নিয়ে আরও কিছু দিক নির্দেশনা।

প্রয়োজনীয় উপকরন এবং খরচঃ

  • USA এর ঠিকানা দিয়ে তৈরী করা একটি Paypal Account.
  • Verification এর জন্য Paypal অ্যাকাউন্ট এ ১-২ ডলার থাকতে হবে।
  • একটি Payoneer এর MasterCard।
  • Payoneer এর US Payment Service Active থাকা।

Paypal Account তৈরী করাঃ

প্রথমেই আপনাকে একটি Paypal Account তৈরী করতে হবে। Account  তৈরীর সময় নিচের বিষয় গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।
  • Account টি অবশ্যই USA এর ঠিকানা দিয়ে করতে হবে .
  • আপনার যদি National ID Card থাকে তাহলে ID Card এর অনুযায়ী নাম ব্যাবহার করবেন।
Paypal Account এ Sign Up করার নিয়মঃ
১। প্রথমেই Paypal এ প্রবেশ করে Signup  ক্লিক করুন.
২। এখন নিচের চিত্রের মত Select করুন এবং Get Started এ ক্লিক করুন।

৩। এখন Get Started এ ক্লিক করার পরে নিচের Page আসবে। নিচের চিত্রের মত ফরম টা পূরণ করুন । ( USA এর Address এবং ফোন নাম্বার এর জন্য http://www.fakenamegenerator.com ব্যাবহার করতে পারেন।

৪। সবকিছু ঠিক থাকলে Agree and Create Account ক্লিক করলে আরেক টি পেজ আসবে এবং একটি Captcha Code চাইবে Captcha Code টাইপ করে Submit করুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার Paypal Account এর রেজিস্ট্রেশান। এখন Email Check করে Email Verification করে নিন।

ফ্রী Payoneer  Mastercard এর জন্য আবেদন করাঃ

Payoneer হল একটি WorldWide ফ্রী মাস্টারকার্ড প্রদান কারি প্রতিষ্ঠান। Payoneer এর Prepaid ডেবিট MasteCard এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment Receive করতে পারবেন। যেমনঃ Odesk, Infolinks ETC. আজকে Payoneer নিয়ে বেশি আলোচনা করবনা। আজকে দেখাব কিভাবে Payoneer এর মাধ্যমে Paypal Account Verify করা যায়। এবং Payoneer এর US Payment Service ব্যাবহার করে কিভাবে Paypal এর ডলার Payoneer এর মাস্টার কার্ড এ আনা যায়।
Payoneer এর মাধ্যমে আপনি যেসব সুবিধা পাবেনঃ
  • একটি  Worldwide গ্রহণযোগ্য ফ্রী মাস্টারকার্ড পাবেন।
  • আমেরিকার একটি Virtual ব্যাংক Account পাবেন।
  • US Payment Service এর মাধ্যমে Paypal, Moneybookers, Google Addsence সহ বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment গ্রহন করতে পারবেন।
  • Payoneer এর Virtual US Bank Account দিয়ে Paypal Account Verify করতে পারবেন।
  • Payoneer এর Master Card দিয়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশের MASTERCARD Supported ATM Booth থেকে Dollar উত্তোলন করতে পারবেন।
আপনার যদি আগেই Payoneer এর MASTERCARD থাকে তাহলে নতুন করে আবেদন করার দরকার নাই। সাধারনত বিভিন্ন Company  এবং Payoneer এর Affliate Referal লিঙ্ক থেকে Payoneer এর কার্ড এর জন্য আবেদন করা যায়। যেমনঃ Infolinks, Odesk, Freelancer, ইত্যাদি। যাদের অইসব কোম্পানি তে Account নাই তাদেরকে আমার Affiliate Link দিচ্ছিঃ
১। প্রথমেই নিচের লিঙ্কে প্রবেশ করে Signup করে নিনঃ
PAYONEER SIGNUP LINK
(এইখান থেকে Signup করলে আপনি পাবেন ২৫ ডলার ফ্রী সাথে আমি নিজেও পাব ২৫ ডলার)
NB: আপনি প্রথম ১০০ ডলার লোড করার পরে ২৫ ডলার ফ্রী পাবেন। তাই কেউ শুধু ২৫  ডলার বোনাস এর আশায় হুদাই Payoneer Account খুলবেন না। আমি রেফারেল লিঙ্ক দেওার কারন হল । Payoneer এর Activation চার্জ হল ৩০ ডলার এর মত। তাই আপনি যদি Payoneer এর কার্ড ব্যাবহার করেন তাহলে এই ২৫ ডলার দিয়ে অন্তত Payoneer এর Activation চার্জ টা দিতে পারবেন। )
২। উপরের লিঙ্কে ক্লিক করার পরে SIGN UP এ ক্লিক করুন।  তখন  নিচের মত একটি পেজ পাবেন-

৩। এখন এইখানে ৩ টি ধাপ আপনাকে পুরুন করতে হবে।
  • Cardholder details
  • Card Account Information
  • Registration Verification
৪। এখন Cardholder Details এর বাম পাশে ক্লিক করে সঠিক ভাবে আপনার National ID Card/ Passport অনুযায়ী পূরণ করুন। নিচে একটি Sample দেওয়া হলঃ
First Name On Your ID:   MD MONZORUL
Last Name on Your ID:     HAQUE
Date of Birth:                      January/20/1964
Email Address:                   example@gmail.com (আপনার Email Address)
Retype Email Address:     example@gmail.com (পুনরায় আপনার Email Address)
Country:                              Bangladesh
Home Address:                  Vill-Sonarua, Word-3, Torgaon (আপনার বাসার ঠিকানা) -১ম লাইন
Kapasia, Gazipur-1730 (আপনার বাসার  ঠিকানা) -২য় লাইন
City:                                       Gazipur
Zip/Postal Code:                 1730 (পোস্টাল  কোড)
Phone Number:                 +8801700000000 ( আপনার ফোন নাম্বার) – এইখানে আপনার মোবাইল নাম্বার ও দিতে পারেন ।
Mobile Number:                +8801900000000 ( আপনার মোবাইল  নাম্বার)

৫। আপনার কার্ড যদি অন্য কোন ঠিকানায় আনতে চান তাহলে উপরের চিত্রের নিচের দিকে  দেওয়া Check Box এ টিক দিয়ে নতুন ঠিকানা দিনঃ

৬। এখন Card Account Information এর বাম পাশে  ক্লিক করুন এবং নিচের চিত্র অনুযায়ী তথ্য দিনঃ

৭। এখন Registration Verification এর বাম পাশে  ক্লিক করুন এবং নিচের চিত্র অনুযায়ী তথ্য দিনঃ
  • National ID Card
  • Passport
  • Driver Lisence
উপরের ৩ টির মদ্ধে যেকোনো  একটি সিলেক্ট করে ID Number দিনঃ

৮। এখন সব ঠিক ভাবে পূরণ করে Finish এ ক্লিক করুন । আপনার Payoneer এর Registration সম্পন্ন হল। এখন ২-৩ দিন সময় নিবে কার্ড Approve হওয়ার জন্য। কার্ড Approve হলে আপনাকে Shipping Date মেইল এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। সাধারনত কার্ড আসতে ২০ থেকে ৩০ দিন লাগে। DHL এর মাধ্যমে ৬০ ডলার খরচ করে ৩ দিনে আপনার কার্ড পেতে পারেন।
Note: Registration এর ২-১ দিন মদ্ধে Payoneer আপনাকে Mail করে National ID/ Passport or Driving Lisence এর Scan কপি আপলোড করতে বলবে ।
স্ক্যান করে পাঠিয়ে দিবেন ।
Thank you for applying for a Payoneer account!
We have received your application. Just one more step before we can approve it and send out your card.
Please provide us with a copy of a valid government-issued photo ID document in order for us to complete processing your application.
Acceptable forms of ID include driver’s license, passport and national ID. Please make sure the ID matches the details provided on your Payoneer card application and that the document is clear and has your name and your date of birth displayed clearly. Documents that are difficult to read can cause further delays, so please enlarge and lighten copies when you scan, for clear viewing.
You can scan your ID (we prefer a jpeg file, under 1MB) and upload it automatically to your account for us to review by using the link below:
Upload link
Or if you prefer, you can attach the file in reply to this e-mail. Please note that documents uploaded using the upload link above are reviewed more quickly than replies by e-mail.
Apni যেইটা দিয়া অ্যাকাউন্ট খুলসেন অই Document Scan করে আপলোড করলে ১ দিন এর মদ্ধে ই আপনার Payoneer এর Account Approve হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। Approve হলে নিচের মত একটা মেইল পাবেনঃ
Dear Md Monzorul,
Congratulations!
Your Payoneer Prepaid Debit MasterCard® card order has been approved!
Your card will be shipped by Regular mail.
Your card is estimated to arrive between 17 Apr 2013 and 24 Apr 2013
আপনি আরো যে যে কাজে কার্ডটি ব্যবহার করতে পারবেন???
  • অনলাইন শপিং।
  • অনলাইন বিল উত্তোলন ও প্রদান।
  • ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সার সহ অন্যান্য জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইটে টাকা উত্তোলন ও বিল প্রদানের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ফেসবুক, টুইটার, গুগুল প্লাস, গুগুল, ইয়াহু সহ অন্যন্য সকল সামাজিক যোগাযোগ সাইটে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

Payoneer  এর  Virtual US Bank Account 

চিন্তা করছেন কার্ড এর জন্য আতদিন  অপেক্ষা করবেন । কার্ড Approve হওয়ার সাথে সাথে আপনি পাবেন Payoneer এর US Virtual Bank Account এর ( Routing Number এবং Account Number) . কার্ড আসার আগেই আপনি এই Virtual Bank Account ব্যাবহার করে আপনার Paypal Verify করতে পারবেন। এই USA এর Virtual Bank Account কে Payoneer এর US Payment Service বলা হয়। আপনার Payoneer এর কার্ড Approve হলে আপনার Payoneer অ্যাকাউন্ট এ Login করুন তাহলেই US Payment Service নামে একটা option দেখতে পাবেন ।
NOTE: US Payment Service Option টা আপনার Payoneer এর অ্যাকাউন্ট  Approve হওয়ার পরে দেখতে পারবেন।

এখন US Payment Service এ ক্লিক করার পর আপনার US Virtual Bank Account এর তথ্য পাবেনঃ

পেয়ে তো গেলেন আপনার USA এর Virtual Bank এর Routing and Account Number. এইটা  হল Checking Account. এই ব্যাংক  দিয়ে এখন আপনি অনায়াশেই আপনার  USA এর ঠিকানা দিয়ে করা Paypal Account টি Verify করে নিতে পারবেন।

Paypal Account ব্যাংক Verify করা

প্রথমেই আপনার Paypal Account এ MINIMUM 1-2 $ Load করে নেন । ( তবে পেপাল এ  ডলার Load না করলেও মনে হয় সমস্যা নাই )।  আপনার Paypal Account এ লগিন করুন । এবং Get Verifyed এ ক্লিক করে Link A Bank Account এ ক্লিক করুন । এবং নিচের চিত্রের মত Payoneer US Payment Service এ Virtual Bank Acocunt এর Routing and Account Number দিয়ে Submit করুন ।

এখন পেপাল আপনার Account থেকে ২ টা Small Amount আপনার Bank এ Diposit করবে। অই ২ টা Amount আপনি আপনার Payoneer এর Account এ লগিন করে দেখতে পারবেন। সাধারনত ২ দিন সময় নিতে পারে। 

এখন Diposit হওয়া ২ টা amount আপনি আপনার Paypal এ লগিন করে Confirm Bank Account এ ক্লিক করে Submit করেন। তাহলেই আপনার Paypal Account টি verifyed হয়ে যাবে।


***Paypal এর মাধ্যমে বড় Amount লেনদেন এর ক্ষেত্রে অবশ্য করনীয়***

অনেকে অভিযোগ করেন যে বড় Amount এর Transaction করলে পেপাল অ্যাকাউন্ট লিমিট করে দেয়। আমরা যখন পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলি, তা থাকে Personal Account. পেপাল এ পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট এর কিছু Limitation থাকে। Personal Account সাধারনত ছোট Amount লেনদেন এর জন্য ব্যাবহার হয়ে থাকে। যেমনঃ পরিবার এর কাউকে কিছু টাকা দেওয়া, ছোট খাট বিল প্রদান ইত্যাদি। তাই Personal Account থেকে বড় Amount লেনদেন করলে পেপাল Account লিমট করে দিতে পারে। আসুন জেনে নেই এর সমাধান।
পেপাল এর অ্যাকাউন্ট ৩ প্রকারঃ
  • Personal
  • Premiere
  • Buisness
তাই আপনি যদি বড় Amount এর ডলার আদান প্রদান এর প্রয়োজন হয় তাহলে আপনার পেপাল অ্যাকাউন্ট টি ফ্রীতে Premiere Account এ Upgrade করে নিবেন।
Paypal Premiere Account এর সুবিধাঃ
Premier accounts are for members who will have a high transaction volume, need to accept credit card payments, or would like access to our special features not offered with Personal accounts. Premier accounts include all the benefits of Personal accounts, as well as our special features
পেপাল Premiere Account এর Special Features:
Send Money
Send payments to anyone with an email address.
Request Money
Request payments from anyone with an email address.
Auction Tools
Accept PayPal directly from your auction listings.
Automatically invoice your buyers.
Automatically remind bidders about your auctions.
Accept payments on your website.
Create PayPal buttons and accept instant payments from your website.
International Payments
Send and receive payments with members in 190 countries and regions.
PayPal Debit MasterCard BusinessCard®
Get instant access to the monehttp://adf.ly/QqF1Dy in your PayPal account.
Account Insurance
Your PayPal balance is FDIC insured up to $100,000.00 USD
Downloadable Log
Download your account history into a spreadsheet or Quicken.
Email-based customer service

আসুন দেখে নেই পেপাল এর Upgrade প্রক্রিয়াটিঃ

**প্রথমে পেপাল এ লগিন করে Upgrade এ ক্লিক করুন

**এখন নিচের চিত্রের মত Upgrade Now এ ক্লিক করু
**এখন নিচের চিত্রের মত Premiere Accouunt সিলেক্ট করে Continue এ ক্লিক করুন

* এখন একটি Confirmation বার্তা পাবেন।
****Premiere অ্যাকাউন্ট এর Special Features গুলা হলঃ

এভাবে Premiere Account এ Upgrade করার মাধ্যমে আপনি বড় Amount লেন দেন সহ অতিরিক্ত কিছু সুবিধা পাবেন ।

Paypal পরিপূর্ণ ভাবে Verify করা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা

আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন পরিপূর্ণ ভাবে Paypal Verify করা এবং সকল Limit Remove করার জন্য পেপাল এ ৩ টা Option আছে।
  • Link a Bank Account
  • Confirm your Social Security Number
  • Link and confirm your debit or credit card

উপরে আমরা ৩ টা Option দেখতে পাচ্ছি। যার মদ্ধে আমাদেরকে যেকোনো ২ টা Option Confirmed করতে হবে।
যেহেতু আমাদের ২ নাম্বার অপশন টা Verify করার সুযোগ নাই । তাই আমরা ১ এবং ৩ নাম্বার টা Confirm করব। ইতিমধ্যে আমি ১ নাম্বার টা Details বর্ণনা করেছি। এখন দেখাব কিভাবে ৩ নাম্বার অপশন টা Confirm করতে হয়। মনে রাখবেন সুধু Bank Account দিয়ে Verify করলে বড় Amount এর ডলার Transaction করলে সমস্যা হতে পারে। তাই ৩ নাম্বার অপশন যদি Confirm করতে পারেন তাহলে আর সমস্যা হবে না। ৩ নাম্বার অপশন টা Confirm করার জন্য আপনার Payoneer এর Mastercard টা হাতে পেতে হবে। এবং আপনার Payoneer Card এ ৩ ডলার থাকতে হবে। যা Verification এর জন্য Paypal কেটে নিবে যা ফেরত যোগ্য।
Payoneeer এর কার্ড হাতে পাওয়ার পরে আপনার Payoneer কার্ড Active করে নিন। এখন Paypal Account এ প্রবেশ করে View Limit এ ক্লিক করেন । তারপর Remove Limit এ ক্লিক করেন । এখন ৩ টা অপশন পাবেন। ৩ নাম্বার এ দেওয়া Link and confirm your debit or credit card এ ক্লিক করুন। এবং নিচের চিত্রের মত পূরণ করেন

এখন Continue এ ক্লিক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

এই কাজটি করার আগে আপনাকে অবশ্যই Payoneer Account এর ঠিকানা সাময়িক পরিবর্তন করতে হবে এবং পেপাল এ যেই ঠিকানা ব্যাবহার করসেন তা দিতে হবে। Paypal — Payoneer এর Country চেক করে না। আমরা এই সুযোগ টি ই কাজে লাগাব। কার্ড Confirm হলে আপনার Payoneer এর Account থেকে পেপাল ২ ডলার এর মত কেটে নিবে। যা পরে ফেরত দিয়ে দিবে।  এই কাজটি যদি করতে পারেন তাহলে আপনার Paypal Account পরিপূর্ণ ভাবে Verifyed হয়ে যাবে। তাই বড় Amount লেন দেন করলে আইভাবে ব্যাংক এবং কার্ড Verify করে নিবেন।

Paypal এর ডলার MasterCard এর মাধ্যমে  উত্তোলন করা

এখন আপনি যদি আপনার পেপাল এর ডলার মাস্টার কার্ড এ পাঠাতে চান । তাহলে আপনার পেপাল এর ডলার সুধু মাত্র আপনার যোগ কৃত ব্যাংক এ Withdraw দেন। তাহলেই আপনার ডলার আপনার Payoneer এর মাস্টার কার্ডে যোগ হবে। আমি নিজে এই পর্যন্ত ১০০০ + paypal ডলার এই উপায়ে আমার Payoneer এর কার্ডে এনেছি। Payoneer এর Virtual Bank Account মূলত আপনার Payoneer Mastarcard এর Account ই। Payoneer এর এই US Payment Service এর মাধ্যমে আপনি Paypal ছারাও যেসব কোম্পানি থেকে পেমেন্ট গ্রহন করতে পারবেন তা জানার জন্য নিচের লিঙ্কে দেখুন।

Payoneer US Payment Service

Payoneer এর US Payment Service এর মাধ্যমে Payment গ্রহন করলে Payoneer কে ১% চার্জ দিতে হবে। Paypal থেকে ১০০ ডলার পাঠালে আপনার আপনার Payoneer এর অ্যাকাউন্ট এ আসবে ৯৯ ডলার।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

  • সকল তথ্য আপনার National ID Card অনুযায়ী পূরণ করবেন।
  • প্রথম দিকে বড় Amount লেনদেন করবেন না। পরিমান আস্তে আস্তে বাড়ান।
  • আপনার Verifyed হওয়া পেপাল Account চেষ্টা করবেন একটি পিসি থেকে LOGIN করার।
  • সব সময় এক ISP ব্যাবহার করা ভাল। ( যেমনঃ রবি দিয়ে লগিন করলে সবসময় রবি ই ব্যাবহার করা ভাল)
  • বিনা প্রয়োজনে আপনার পেপাল অ্যাকাউন্ট এ লগিন করবেন না।
  • আপনার Mastercard হাতে পাওয়ার পরে কার্ডটি Paypal এর সাথে যোগ করে নিন।
  • পেপাল এবং Payoneer এ একই নাম ব্যাবহার করবেন। কারন Mastercard পেপাল এ যোগ করার সময় কাজে লাগবে।
  • বড় Amount লেনদেন এর জন্য অবশ্যই আপনার পেপাল Account টি ফ্রী তে Personal থেকে Premiere এ Upgrade করে নিবেন। ( তাহলে Account Limit হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে)।
অগোছালো লেখার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আশা করি পেপাল সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। কোন সমস্যা হলে এবং কিছু জানার জন্য কমেন্ট করে জানান।   সকলকে অনেক ধন্যবাদ। আমাকে facebook এ পাবে

ইমেইল মার্কেটিং: সম্ভাবনাময় ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার


email-marketingফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন জমা হচ্ছে অসংখ্য কাজ। দেখা যায় এসব কাজের মধ্যে অধিকাংশ কাজ পেতেই ফ্রিল্যান্সারদের তীব্র প্রতিদ্বন্দিতার সম্মুক্ষীণ হতে হয়।
তবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এমনও কাজ রয়েছে যেসব কাজের চাহিদা গগণচুম্বী; আবার কাজ পেতেও খুব বেশি প্রতিদ্বন্দিতার সম্মুক্ষীন হতে হয় না। এমনি একটি কাজ হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং। ইমেইল মার্কেটিং মূলত ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা সরাসরি বিপণন ব্যবস্থা। এ কাজে প্রধানত বায়ারের উল্লেখিত কোন পন্য সম্পর্কে সুন্দর একটি বিবরণ তৈরী করে গ্রাহকদের নিকট ইমেইল করতে হয়। এর ফলে গ্রাহকগণ ঐ পন্য সম্পর্কে জানতে পারে। ফলশ্রুতিতে ঐ পণ্য/পণ্যগুলির বিক্রি হওয়ার সম্ভাব্যতা বেড়ে যায়। একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় একজন ফ্রিল্যান্সার ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে মাসে ৫০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন। আপনি নিজেও ইমেইল মার্কেটিং করার মাধ্যমে নিজের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক ইমেইল মার্কেটিংয়ের আদ্যোপান্ত।  

ইমেইল মার্কেটিং কি
ইমেইল মার্কেটিং খুবই সহজ একটি কাজ। সহজভাবে বলতে গেলে কাউকে ইমেইল করা। ইমেইল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদেরকে কোন একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে কাস্টমারদের ইমেইল করতে হবে। ফলে কাস্টমার বা গ্রাহকগণ তাদের ইনবক্সে মেইলগুলি পেয়ে যাবে। ফলে গ্রাহকগণ ঐ পণ্যগুলি সম্পর্কে জানতে পারবে এবং হয়তো কেউ কেউ এ পণ্যগুলি কিনতে আগ্রহী হবে। এটির ফলে ঐ কোম্পানীর পণ্য বিক্রির হওয়ার সুযোগ আরো বাড়বে।
ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কে আমরা অনেকেই একটি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে থাকি। আমরা ইমেইল মার্কেটিং বলতে সাধারণত যেটা বুঝি সেটি হচ্ছে মানুষের কাছে স্প্যাম মেসেজ পাঠানো। কিন্তু বিষয়টি মোটেই ওরকম নয়। বরং ইমেইল মার্কেটিং যে কোন কোম্পানীর পণ্যগুলি সম্পর্কে গ্রাহকদের ডিরেক্ট জানানোর একটি কার্যকরী উপায়। আমরা একটি পরিষংখ্যানে দেখতে পাই ২০১১ সালে আমেরিকাতে ইমেইল মার্কেটিংয়ের জন্য ব্যয় করা হয় ১.৫১ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে ইমেইল মার্কেটিংয়ের পেছনে খরচ আরো বেড়েছে। এ খরচের পরিমাণ বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৪৮ বিলিয়ন ডলার। আরেকটি তথ্য ইমেইল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব বুঝতে আপনাকে সহায়তা করবে। আর সেটি হচ্ছে অনলাইনে যত বেচাকেনা হয তার ২৪ শতাংশই ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন ইমেইল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব কতখানি।
ইমেইল মার্কেটিং বর্তমান সময়ে অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনলাইনে কেনাবেচার বড় একটি নির্ভরতা হয়ে পড়েছে ইমেইল মার্কেটিং। এছাড়াও এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রেও এটি বেশ কার্যকরী। ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক থেকে এফিলিয়েশন প্রোডাক্ট সংগ্রহ করার মাধ্যমে অনেকেই বেশ ভালো অংকের অর্থ উপার্জন করছেন। ইমেইল মার্কেটিং খুবই সহজ সাপেক্ষ একটি কাজ। যার অনলাইন কাজ সম্পর্কে অল্প বিস্তর ধারণা আছে সেও ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজ করতে পারবে। একাজটি শুরু করার জন্য আপনি অভিজ্ঞ কারো নিকট থেকে সহায়তা নিতে পারেন।

ইমেইল মার্কেটিং কেন করা হয়

অনলাইনে বিভিন্ন কেনাবেচার সাইট রয়েছে। যেগুলি থেকে গ্রাহকগণ বিভিন্ন পণ্য কিনে থাকে। যেমন ‍amazon.com অনলাইন শপিংয়ের জন্য একটি তীর্থস্থান। কিন্তু সবাই তো আর প্রত্যেকদিনই আমাজনের সাইট ভিজিট করছে না। তো আমাজন সাইটে নতুন কোন প্রোডাক্ট আসলে যে ব্যক্তি ঐ সাইটে ভিজিট করছে না সে তো ঐ প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারছি না। সুতরাং যদি আমাজন সাইট কতৃপক্ষ ঐ ব্যক্তিটিকে তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে না জানায় তাহলে তারা একজন সম্ভাব্য ক্রেতাকে হারাল। সুতরাং আমাজান যদি তাদের নতুন প্রোডাক্ট সম্পর্কে ইমেইল মার্কেটিং করে থাকে তাহলে ঐ ব্যক্তি মেইলটি তার ইনবক্সে পেয়ে যাবে। ফলে সে প্রোডাক্টটি সম্পর্কে জানতে পারবে। যদি তার প্রোডাক্টটি পছন্দ হয় তাহলে সে এটি কেনার ব্যাপারে আগ্রহী হতে পারে অথবা কাউকে প্রোডাক্টটি সম্পর্কে জানাতে পারে। ফলে আমাজনের সাইট থেকে প্রোডাক্ট বিক্রি হওয়ার সম্ভাব্যতা বেড়ে যাবে। সুতরাং ইমেইল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব কতখানি সেটি এ উদাহরণ থেকেই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।

ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজের ধরণ

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কোন একটি নির্দিষ্ট কাজের চাহিদা কখনও বাড়ে আবার কখনওবা সেটি কমে যায়। অথবা কোন একটি নির্দিষ্ট কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগীতা এত বৃদ্ধি পায় যে কাজ পাওয়াটা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। তবে এ মুহূর্তে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্যে আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে ইমেইল মার্কেটিং। ইমেইল মার্কেটিং হতে যাচ্ছে আগামী দিনের অনলাইন আয়ের একটি বিশাল সেক্টর। ফ্রিল্যান্সারগণ ইমেইল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে কয়েক ধরনের কাজ করতে পারেন।
১. বায়ারের জন্য ইমেইলের তালিকা তৈরী করে দিতে পারেন।
২. ইমেইল মার্কেটিংয়ের টেমপ্লেট তৈরী করে সেটি বিক্রি করতে পারেন।
৩. বায়ারের জন্য তার প্রোডাক্ট বা বিষয়বস্তুর উপর ইমেইল মার্কেটিং করা।
৪. এছাড়াও একজন ফ্রিল্যান্সার লোকাল মার্কেটের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ইমেইল মার্কেটিং করতে পারেন্।

ইমেইল মার্কেটিং টেমপ্লেট তৈরী করুন, আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করুন

ইমেইল মার্কেটিং আপনার জন্য নানামুখী আয়ের পথ খুলে দিবে। আপনি যদি ইমেইল মার্কেটিং টেমপ্লেট তৈরী করতে পারেন তাহলে এটি বায়ারের কাছে বিক্রি করে আয় করার সুযোগ তো থাকছেই সাথে আরো রয়েছে themeforest সাইটেও টেমপ্লেট বিক্রি করে আয়ের সুযোগ। আপনার ইমেইল মার্কেটিংয়ের টেমপ্লেট ডিজাইনটি যত সুন্দর হবে এটির বিক্রয় মূল্য তত বৃদ্ধি পাবে। সাধারণত একটি ইমেইল টেমপ্লেট ৩০-৪৫ ডলার পর্যন্ত বিক্রি হয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন ইমেইল মার্কেটিং শুধুমাত্র আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটেই নয় বরং অনলাইনের অন্যান্য মাধ্যমের আয়ের দ্বারও আপনার জন্য প্রসারিত করবে।
ওডেস্কে ইমেইল মার্কেটিংয়ের অসংখ্য কাজ প্রত্যেকদিন জমা হচ্ছে। অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করছে। সুতরাং আপনিও কাজটি ভালভাবে শিখে নিয়ে শুরু করতে পারেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার। তো বন্ধুগণ চলুন দেখে নেওয়া যাক ওডেস্কে পোস্টকৃত একটি ইমেইল মার্কেটিং জব।
1
উপরের চিত্রে বায়ার তার কাজের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছেন এবং কাজটির জন্য তিনি কি ধরনের লোক চান সেটিও উল্লেখ করেছেন।
2
এ চিত্রটিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইমেইল মার্কেটিংয়ের এ কাজটি করার জন্য ১৭ জন ফ্রিল্যান্সার বিড দিয়েছে।

ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয়ের পরিমাণ

পূর্বেই জেনেছেন ইমেইল মার্কেটিংয়ে কাজের পরিধি ব্যাপক। যতই দিন এগোচ্ছে ততই ইমেইল মার্কেটিংয়ের চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের প্রসারের জন্য ইমেইল মার্কেটিংয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করছে। ফলে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলিতে কাজের পরিমানও বেড়েই চলছে। আসলে ইমেইল মার্কেটিং একটি সৃজনশীল কাজ। আপনি যে কোন পণ্যের বিবরণ যত সুন্দরভাবে ক্রেতার কাছে উপস্থাপন করতে পারবেন তত পণ্যটির বিক্রির সম্ভাব্যতা বেড়ে যাবে।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুশির সংবাদ হচ্ছে ওডেস্কে ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজের পরিমাণ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় ওডেস্কে বিদ্যমান কাজের শতকরা ১৫ ভাগই ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজ। ফ্রিল্যান্সারগণ বর্তমানে ঘন্টায় ৮-১০ ডলারে ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজ করছে। নতুন ফ্রিল্যান্সারগণ ঘন্টায় ৪-৫ ডলারে কাজ করছে। কাজের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আপনি আপনার কাজের মূল্য বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
এছাড়াও যদি আপনি ইমেইল মার্কেটিংয়ের টেমপ্লেট ডিজাইন করতে পারেন তাহলে আপনার আয়ের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে। সাধারণত একজন ইমেইল মার্কেটার মাসে ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন। তো বন্ধুগণ আর দেরি কেন, আপনিও শুরু করতে পারেন ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজ। এটির মাধ্যমেই আপনি গড়ে তুলতে পারেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার।

Saturday, June 15, 2013

সম্পূন্ন বিনামূল্যে Thread Manager V.2.2.0.0 সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আয় করুন (100% Genuine পেমেন্ট-প্রুফসহ)

এইপ্রোগ্রামেঅংশগ্রহণেরজন্যযাযাপ্রয়োজনঃ
A)  আপনারসদিচ্ছা
B) ইন্টারনেটসংযোগসহএকটিকম্পিউটার
C) ফ্রিই-ওয়ালেট (যেমনপেইজা, পেক্সামবাপারফেক্টমানি-তিনটিরমধ্যেযেকোনএকটিএকাউন্টহলেইচলবে) অথবাএকটিব্যাংকএকাউন্ট
অপূবএইআয়েরসূযোগগ্রহণকরতেনিন্মলিখিতধাপগুলিঅনুসরণকরুনঃ
1)           প্রথমে এই লিন্ক থেকে রেজিস্ট্রেশন করুন


রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে একটি ইমেল পাবেন! এরপর লগইন করুন
এবার পারসোলান ট্যাব এর নিচে প্রোফাইল এ ক্লিক করুন| ফোন নম্বর স্থানে দেশের কোড +(88) সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন| প্রয়োজনীয় তখ্য ও ব্যাংক একাউন্ট ডিটেল্স প্রদান করুন  এবং সেভ বাটন ক্লিক করুন|

আপনার মোবাইল এ 5 ডিজিটের কোড সম্বলিত একটি SMS যাবে +447937946882 নম্বর থেকে| একাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য  শুধু উক্ত কোড নম্বরটি উল্লেখ করে ফিরতি SMS দিন একই নম্বরে অথাত +447937946882 নম্বর -এ|

একাউন্ট ভেরিফাই হয়ে গেলে ডাউন লোড ট্যাবে ক্লিক করে 3.08 মেগাবাইটের Thread Manager V.2.2.0.0 সফটওয়্যারটি ডাউন লোড এবং ইন্সটল করুন|

ইন্সটল হয়ে গেলে Thread Manager V.2.2.0.0 সফটওয়্যারটি রান করান| লক্ষ করুন উপরের ছবির মতো আপনি বিনামূল্যের 1টি Thread পেয়েছেন
কিনা| না পেয়ে থাকলে টিকিট ট্যাবে ক্লিক করুন এবং নিচের ছবির মতো মেসেজ লিখে সেণ্ড করুন|

আশাকরি আধা ঘন্টার মধ্যে আপনার কাঙ্খিত Thread টি পেয়ে যাবেন| অতপর Thread Manager V.2.2.0.0 সফটওয়্যারটি রান করান আর স্বয়ংক্রিয়ভারে আয় করুন ইউ. এস. ডলার| এটি একটি সম্পূণ Automated and Instant Method of Earning Dollar.
বতমানে আপনি পুরা 24 ঘন্টা সফটওয়্যারটি রান করালে পাবেন 1 ডলারের মতো সন্পূণ ফ্রিতে যার মেয়াদকাল 30 দিন অথাং 30 ডলার মাত্র|প্রতি 24 ঘন্টা পরপর আপনার একাউন্ট আপডেটেড হবে, আজকের আয় আগামীকালকে আপনার একাউন্টে জমা হবে|  রয়েছে 2 লেভেল রেফালেরের সুবিধা| আর এর বেশী আয় করতে চাইলে আপনাকে 50 ডলার মূল্যের অতিরিক্ত এক, দুই বা ততোধিক Threads কিনতে হবে| সফটওয়্যারটি চললেই স্বয়ংক্রিয়ভারে ডলার আয় হতে থাকবে| আপনাকে কোন কিছুই করতে হবে না| সফটওয়্যারটি শুধু ঘুমের সময় চালালেও আপনি আয় করতে পারবেন প্রতি রাতে 50 সেন্টের মতো সম্পূন্ন বিনামূল্যে|| উপাজিত আয় 1 ডলার হলেই আপনি তাতক্ষণিক উত্তোলন করতে পারবেন পেইজা, পেক্সাম বা পারফেক্টমানি এর মাধ্যমে| যেমন আমি গত 10ই জুন তারিখে সাইটটিতে জয়েন করি অথাং মাত্র 4 দিনে আমি এই সফট্ওয়ারটি রান করে প্রথম পেমেন্ট হিসেবে 1.66 ডলার + দ্বিতীয় পেমেন্ট হিসেবে 1.93 ডলার,  মোট 3.59 ডলার Payza একাউন্টে তুলেছি|নিচের ছবিতে পেমেন্ট প্রুফ দেখুন|

Friday, June 14, 2013

কী-ওয়ার্ড রিসার্চের জন্য সেরা ১০টি টুল

যারা এস.ই.ও সেক্টরে যারা  কাজ করছেন একমাত্র তারাই বলতে পারবেন যে এস.ই.ও এর ক্ষেত্রে কী-ওয়ার্ড রিসার্চের গুরুত্ব। তবে আমি জাস্ট একটি কথাই বলতে চাই আপনি যদি ঠিক মত কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করতে না পারেন তাহলে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছাতে অনেক কষ্ট করতে হবে তবে আপনি যদি আপনার কী-ওয়ার্ড সঠিক ভাবে রিসার্চ করতে পারেন তাহলে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষে সহজেই পৌছাতে পারবেন।
যারা কী-ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে একেবারেই নতুন তাদের জন্য কিভাবে সঠিক ভাবে কী-ওয়ার্ড কিভাবে করতে হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আকারে একটি টিউন করবো । আজকের টিউনটি যাদের কী-ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে ধারনা আছে শুধু তাদের জন্যই আর আপনারা টিউনের টাইটেল দেখেই বুঝতে পারছেন যে আমি কি নিয়ে লিখবো হ্যাঁ আপনি ঠিকই বুঝেছেন আমি কী-ওয়ার্ড রিসার্চের জন্য সেরা ১০টি ফ্রী কী-ওয়ার্ড রিসার্চ টুল শেয়ার করবো।
keyword-research

১) Google Adwords Tool :

গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল সম্পর্কে কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। কারন এটি সম্পর্কে সবাই জানেন এবং প্রত্যেক ওয়েব মাস্টারের পছন্দের টুল হল এটি।
গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল এর লিংক click here

2) SEM Rush :

গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল এর পর SEM  Sush কেই আমরা সাজেস্ট করবো। এটি আপনার কী-ওয়ার্ড রিলেটেড সার্চ সাজেস্ট করে।
SEM Rush এর লিঙ্ক click here

৩) Spyfu :

Spyfu হল ওয়েব মাষ্টারদের পছন্দের অন্যতম একটি টুল । এই টুল দিয়ে আপনি দুই ভাবে আপনার কী-ওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন ।এটি আপনাকে হাই রেঙ্ক কী-ওয়ার্ড দেখানোর পাশাপাশি ওয়েব সাইট সম্পর্কিত সকল তথ্যও আপনাকে সাজেস্ট করে।
Spyfu এর লিঙ্ক click here

৪) Woorank Website Review টুল :

Woorank Website Review টুলের মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিটিটরদের কী-ওয়ার্ড, ব্যাকলিঙ্ক সহ প্রয়োজনীয় সব তথ পাবেন।
Woorank Website Review টুলবারের লিঙ্ক woorank.com

৫) Keyword Spy :

Keyword Spy ওয়েব মাষ্টারদের জন্য অনেক কাজের একটি টুল।
Keyword Spy আপনাকে কী-ওয়ার্ড সার্চ করার পর রেজাল্টের পাশাপাশি আপনার সিলেক্ত করা কী-ওয়ার্ড এর কম্পিটিটরদের সাজেস্ট করে । Keyword Spy আপনাকে Adwords, Yahoo এবং Bing থেকে ডাটা কালেক্ট কর শো করে।
Keyword Spy এর লিঙ্ক click here

৬) Keyword Discovery :

Keyword Discovery তে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড সার্চ করার পর কী-ওয়ার্ড রিলেটেড ১০০টি কী-ওয়ার্ড সাজেস্ট করবে। এই টুলটি আপনাকে ১০০টি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ডাটা কালেক্ট করে দিবে।
Keyword Siscovery এর লিঙ্ক click here

৭) Google Trends :

Google Trends অন্যতম একটি হ্যান্ডি টুল ।
এই টুল দ্বারা আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড এর দিন , সপ্তাহ এবং মাসিক হিসাবে বিবরন পাবেন।
Google Trends এর অফিশিয়াল লিঙ্ক   click here

৮) Word Stream Keyword টুল :

Word Stream Keyword টুল দ্বারা আপনি আপনার সার্চ করা কী-ওয়ার্ড এর সার্চ ভলিওম, ফ্রিকেয়ন্সি এবং আপনার প্রতিযোগীদের সাজেস্ট করবে।
Word Stream Keyword টুল এর অফিশিয়াল লিঙ্ক click here

৯) SEO Quake :

SEO Quake মজিলা ফায়ারফক্সের একটি টুলবার।
এটি দিয়ে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড প্রতিযোগীদের সাইটের বয়স, পেইজ র‍্যাঙ্ক, ব্যাকলিঙ্ক সহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য জানতে পারবেন।
SEO Quake ডাউনলোড লিঙ্ক click here

১০) Soovle :

Soovle সুন্দর, ফ্রী এবং খুব দ্রুততর একটি সাইট ।
এই সাইট আপনাকে সকল সার্চ ইঞ্জিন থেকে ডাটা কালেক্ত করে দিবে।
Soovle এর লিঙ্ক click here
আশা করছি নতুনদের কাজে লাগবে ।
ভালো লাগলে বা কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন।
কোন ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে প্রয়োজনীয় ৫ ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন!

অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ওয়ার্ডপ্রেস একটি সহজ সমাধান। কারণ ওয়ার্ডপ্রেসে প্রয়োজনীয় সব ফিচারের জন্য প্লাগইন পাওয়া যায়, যার অধিকাংশই বিনামুল্যের।
আমাদের কাছে অনেকেই অ্যাফিলিয়েটে সহায়ক বিভিন্ন তথ্য জানতে চান। তাদের জন্য বিনামুল্যের সেরা ৫ ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন নিয়েই এই লেখা।
১. প্রিটি লিংক লাইট
যারা বড় ধরণের কিংবা দেখতে খারাপ লিংক নিয়ে চিন্তিত তারা ‘প্রিটি লিংক লাইট’ প্লাগইনটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংককে এমনভাবে রুপান্তর করবে যে মনে হবে লিংকটি আপনার সাইটের অভ্যন্তরীন কোনো লিংক।
প্লাগইনটি প্রতিটি লিংকে ক্লিকের সংখ্যা প্রকাশ করে।
২. ডুপ্লিকেটর
আপনি যদি একাধিক অ্যাফিলিয়েট সাইট তৈরি করতে চান সেক্ষেত্রে প্রতিটি সাইটে থিম সেটআপ, প্লাগইন ব্যবহার, কাস্টোমাইজ করাসহ বিভিন্ন ধরণের কাজ থাকে। যা অনেক সময় নষ্ট করে ও ভোগান্তি দেয়। এক্ষেত্রে সহজ সমাধান এনে দিয়েছে ডুপ্লিকেটর প্লাগইন।
আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পর সেটি এই প্লাগইন এর মাধ্যমে কপি করে সহজেই আরেকটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। প্লাগইনটির মাধ্যমে সহজেই নিয়মিত ওয়েবসাইট ব্যাকআপ ও এক হোস্টিং থেকে আরেক হোস্টিংয়ে সাইটকে মুভ করা যায়।
Affiliate Plugin
৩. অ্যামাজান অ্যাফিলিয়েট লিংক লোকালাইজার
অ্যাফিলিয়েটের জন্য আরেকটি অসাধারণ প্লাগইন এটি। এই প্লাগইনটি ইনস্টল করে অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ডের সেটিং এরিয়াতে অ্যামাজান অ্যাফিলিয়েট আইডি অ্যাড করতে হয়। এরপর যখন সাইটটিতে কোনো অ্যামাজান প্রোডাক্ট লিংক ব্যবহার করা হয়, প্লাগইনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই লিংকে অ্যাফিলিয়েট লিংক হিসেবে রুপান্তর করে এবং লোকেশন অনুযায়ি অ্যামাজনের নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যায়। ফলে ব্যবহারকারীকে আলাদাভাবে অ্যাফিলিয়েট লিংক অ্যাড করার প্রয়োজন পড়ে না।
৪. পিন্টারেস্ট প্লাগইন
ইমেজ পিন করার মাধ্যমে সাইটে ট্রাফিক আনার ক্ষেত্রে অসাধারণ সামাজিক যোগাযোগ সাইট পিন্টারেস্ট! আর যেহেতু অ্যাফিলিয়েট সাইটে প্রথমত ইমেজের মাধ্যমে ক্রেতাদের আগ্রহী করে তোলা যায় তাই অ্যাফিলিয়েটের জন্য পিন্টারেস্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পিন্টারেস্ট প্লাগইনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কোনো পোস্টের ইমেজের উপর মাউস নিলে এটি সরাসরি পিন্টারেস্টে পিন করার সুযোগ দেয়, যা সাইটে ট্রাফিক বৃদ্ধি করে।
৫. পি৩ প্রোফাইলার
অনেকসময় সাইটে প্লাগইন ব্যবহারের ফলে সাইট খুব স্লো হয়ে যায়। একাধিক প্লাগইন ব্যবহার করলে কোন প্লাগইনটির কারণে এই সমস্যা হচ্ছে তা খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে কাজের একটি প্লাগইন পি৩ ‘প্রোফাইলার’। এই প্লাগইনটির মাধ্যমে কোন প্লাগইন কি সমস্যা করছে বা সঠিকভাবে সেটিং করা আছে কিনা সেটি জানা যায়। এছাড়া সাইটের স্পিড ও পারফরমেন্স বৃদ্ধিতে সহায়তা করে প্লাগইনটি।

আপনার ব্লগকে সার্চ রেজাল্টে প্রথম পেইজে নিয়ে আসার উপায়সমূহ

রত্যেক ব্লগারের স্বপ্ন থাকে তার ব্লগকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেইজে নিয়ে আসা ।
তবে এটি খুব একটা সহজ হয়ে উঠেনা যদি না আপনি রুল অনুযায়ী কাজ করেন ।
আপনার ব্লগকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসতে হলে রুল অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করার মাধমেই আপনি করতে পারবেন।
নিম্নে আমি গুগলের সম্প্রতি পান্ডা এবং পেঙ্গুইন আপডেডের রুল অনুযায়ী কিভাবে আপনার সাইটকে সার্চ রেজাল্টে এগিয়ে আনবেন এটি নিয়ে আলাপ করছি ।
তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে আসুন শুরু করি ।

images

  • হাই কোয়ালিটি ইউনিক কন্টেন্ট :


content-is-king

এক কথায় বলতেই হয় কন্টেন্ট ইজ কিং অলঅয়েস :)
একটা সময় ছিল যখন আপনি শুধু মাত্র ব্যাকলিঙ্ক করে আপনার সাইটকে র‍্যাঙ্ক করাতে পারতেন যদি আপনার কন্টেন্ট কপি পেস্টও হত ।
কিন্তূ এখন কি তা সম্ভব ?
না , সম্ভব না , তাইনা ?
কারন গুগলের পান্ডা এবং পেঙ্গুইন আপডেডের ফলে সব কিছুই পরিবর্তন হয়ে গেছে ।
আগে যারা যেই সাইট থেকে প্রতি মাসে ২০,০০০-৩০,০০০ টাকাও কামাতো তারা এখন কোন টাকাই তাদের সাইট থেকে ইঙ্কাম করতে পারছেনা তাই কন্টেন্ট এর গুরুত্ত এটি দ্বারা বুঝা যায় ।
তাই বর্তমানে আপনার সাইটকে র‍্যাঙ্ক করতে হলে হাই কোয়ালিটি ইউনিক কন্টেন্টের ভ্যালু অপরিসীম ।
পোস্টিং করার অনেক নিয়মই আছে তবে আমার মতে ১০০% ইউনিক ৪০০-৬০০ ক্যারেক্টারের পোস্ট করলেই যথেষ্ট ।
অনেক ব্লগার তার সাইটকে ওভার অপ্টিমাইজ করে ধরা খায় , তারা মনে করে ওভার কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি অথবা অন্য টেকনিক্স ফোলে করে র‍্যাঙ্কে এগিয়ে যেতে পারবে আসলে তা ভুল এতে নিজের সাইটের লাভের চেয়েও ক্ষতি বেশি হবে ।
একটা কথা যাই করেন  ন্যাচারেলি করবেন !
তাই পুরনো দিন ভুলে নতুন দিনে এগিয়ে যান ।

  • গেস্ট ব্লগিং :


Guest-blogging

অনেকেই গেস্ট ব্লগিং করেন না তবে বর্তমানে গেস্ট ব্লগিংয়ের ভূমিকা অপরিসীম ।
তবে সব ব্লগেই গেস্ট ব্লগিং করে কোন লাভ নেই আপনি অবশ্যই বেশ কিছু অথোরিটি সাইটে ব্লগিং করবেন।
এই অথোরেটি সাইটগুলো আপনার ব্লগকে সার্চ রেজাল্টে এগিয়ে আনার জন্য অনেক বেশি হেল্প করবে।
কারন আপনি যখন অথোরেটি সাইটে ব্লগিং করবেন তারা আপনাকে দুইভাবে সাহায্য করবে।
একটি হল অথোরেটি সাইটে পোস্ট করার মাধ্যমে আপনি গুড কোয়ালিটি অথোরেটি ব্যাক লিঙ্ক পাচ্ছেন যা আপনার সাইটের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ তাছাড়াও আপনি ব্লগিং কমিনিটির সাথে ভালো করে পরিচিত হতে পারছেন ।
তাছারা গেস্ট ব্লগিং করার জন্য ব্যাকলিংকের পাশাপাশি আপনি প্রচুর পরিমাণ টার্গেটেড ভিজিটর পাচ্ছেন।
তাহলে গেস্ট ব্লগিংয়ের গুরুত্ত কি সবাই বুঝতে পারছেন নিশ্চয় ?
তাহলে যারা এতদিন গেস্ট ব্লগিং করতেন না তারা আজকে থেকেই গেস্ট ব্লগিং শুরু করে ফেলুন :)

  • লং ট্রাইল কী-ওয়ার্ডের উপর গুরুত্ব দিন !


learn-seo-basics-long-tail1 (1)
মনে করেন আপনি একটি পোস্ট লিখছেন এবং এটির কী-ওয়ার্ড দিলেন ”Importance of Blogging” এবং আপনার টার্গেট হল এই কী-ওয়ার্ড এর কম্পিটেটরদের আপনার বিড করা তাহলে আপনার এই ধরনের কী-ওয়ার্ড নিয়ে কম্পিটেটরদের বিড করা অনেক কঠিন হবে । আবার আপনি যদি ”importance of blogging in 2013″ এই ধরনের লং ট্রাইল কী-ওয়ার্ড ইউস করেন তাহলে আপনি অনেক সহজেই আপনার কপিটিটরদের বিদ করতে পারবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন লং ট্রাইল কী-ওয়ার্ডের গুরুত্ত কেমন ?
সামনে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে বিস্তারিত আকারে একটি টিউন করবো সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন ।

  • ব্যাক লিঙ্ক :


prbacklinks

আগে সবাই এতো পরিমাণ ব্যাক লিঙ্ক ক্রিয়েট করতাম সাইটের জন্য যা আমরা নিজেই স্বীকার করতাম যে এটা স্পামের পর্যায়ে ।
তবে এখন স্পাম করলে আপনার খবর আছে যাই করবেন ন্যাচারেলি করবেন ভুলেও স্পাম আকারে ব্যাক লিঙ্ক করতে যাবেন না ।
ব্যাক লিঙ্ক করার জন্য আপনি যা যা করতে পারেন আমি Social Bookmark, Forum Posting, Guest Blogging, Link While, Relevant Blog Comment, RSS Submission, Directory Submission ইত্যাদি তবে স্পামের মত অতিরিক্ত করবেন নাহ ।
আর অনেকেই আছে সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যাক লিঙ্ক করে এটাতো অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন সাথে অনেক সাইট আছে যারা ফ্রী ব্যাক লিঙ্ক দেয় ঔ সব সাইটকেও এড়িয়ে চলবেন। তাছাড়াও অনেকেই পেইড ব্যাক লিঙ্ক ক্রিয়েট করে কিন্তূ আপনি কি জানেন এই পেইড ব্যাক লিঙ্ক গুলো কিভাবে করে ?
যদি না জেনে থাকনে তাহলে নিজ দায়িত্তে জেনে নিবেন । আপনার ব্যাক্তিগত সাজেশান হল আপনার যদি ব্যাক লিঙ্ক ক্রিয়েট করতে এতো আলসে লাগে আমাদের দেশে অনেকই আছে যারা আপনাকে অল্প টাকায় ন্যাচারেল ব্যাক লিঙ্ক ক্রিয়েট করে দিবে তাতে আপনারও লাভ হবে সাথে তাঁদেরও ।

আর একটি কাজ যেটি ব্যাক্তিগত ভাবে আমি করি এবং এটা যে কত কাজের তা আমিই জানি তাই আপনি ট্রাই করে দেখতে পারেন জানিনা আর কে করে :)
আপনার ব্লগে নতুন পোস্ট পাবলিশড করার পর পরই চেষ্টা করবেন সেই পোস্টের পারমালিংকের উপর অন্তত ৪-৫ টি হাই কোয়ালিটি অথোরিটি ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করা সেটা যেভাবেই হোক ।
হতে পারে গেস্ট ব্লগিং করে অথবা অন্য যে কোন উপায়ে ।
যদি আপনি এমন ভাবে ব্যাক লিঙ্ক করতে পারেন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার পোস্ট যে অতি শিগ্রই এগিয়ে আসবে সেই ব্যাপারে গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি :)

আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে প্রাক্তিকাল এই টিপস গুলোই আমি আপনাদের শেয়ার করলাম ।
যদি কোন ভুল হয় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেবন।
আর আপনার কোন সাজেশান থাকলে অবশ্যই বলবেন যে আপনার সাইটকে র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য আপনি কোন টিপস ফলো করেন পড়ে আমি আপনারটা অ্যাড করে পোস্ট ইডিট করে দেব।
অনেক কষ্ট হল পোস্টটি লিখতে যদি আপনারা এতে সামান্যতম উপকৃত হন তাহলে আমার কষ্ট সার্থক ।
ভালো লাগলে কমেন্টের মাধ্যমে উৎসাহ দিতে ভুলবেন নাহ :)