Friday, June 7, 2013

ক্রেগলিস্টে নতুন ও কাজে ইচ্ছুকদের জন্য সম্পূর্ণ বাংলায় ক্রেগলিস্ট টিউটোরিয়াল

আমাদের কাজের জন্য যা যা প্রয়োজন হবেঃ-

১.একাধিক ওয়েব ব্রাউজার একসাথে একাধিক মেইল ওপেন রাখার জন্য । তবে সর্বনিম্ন ২ টি ব্রাউজার হলেও কাজ করা যাবে। আপনি ( Mozila FireFox, Google Chrome, SeaMonkey, CometBird, Flock) ব্যবহার করতে পারেন।
২. জিমেইল অ্যাকাউন্ট (ইউএসএ এর নাম ভিত্তিক) ।
৩. জিমেইল অ্যাকাউন্ট ফোন ভেরিফাই করার জন্য ইউএসএ এর ফোন নম্বর ।
w4m ও জব পোস্ট উভয় কাজের জন্য মেইল তৈরি হয়ে গেলে মেইলটিকে অবশ্যই মাদার মেইল এ ফরওয়ার্ড করে দিতে হবে ।
মনে রাখতে হবে জব পোস্ট করার ক্ষেত্রে প্রতিটি মেইল কাজ শুরু করার আগে আমরা যে সিটিতে কাজ করবো তার আইপি দিয়ে তৈরি করতে হবে এবং w4m এ পোস্ট করার ক্ষেত্রে আগে থেকে মেইল তৈরি করে রাখা যেতে পারে তবে জবের জন্য মেইল পুরুষের নাম দিয়ে তৈরি করা ভালো এবং w4m এর জন্য অবশ্যই মেয়েদের নামে করতে হবে।

প্রথম ধাপঃ

আমরা যে সিটিতে কাজ করবো সেই সিটির প্রক্সি আইপি সক্স থেকে চালু করে নিতে হবে এবং চালু হয়ে গেলে নিশ্চিত হবার জন্য ওয়েব ব্রাউজারে টাইপ করতে হবে What is my ip ?
এরপর মেইল তৈরির জন্য আমেরিকান পুরুষ/ মহিলা এর নাম বাছাই করে নিতে হবে ।
বাছাই করা নাম দিয়ে মেইল তৈরি করতে হবে সেক্ষেত্রে ফোন নম্বরের স্থানে ইউ এস এর ফোন নম্বর ব্যবহার করতে হবে ।

দ্বিতীয় ধাপঃ ( মাদার মেইল ফরওয়ার্ড)

আপনার তৈরি মেইলটিকে মাদার মেইলে ফরওয়ার্ড করে দিতে হবে । এর জন্য আপনাকে দুই ব্রাউজারে দুটি মেইল ওপেন করতে হবে । একটিতে আপানর সদ্য তৈরি করা মেইল এবং অন্যটিতে মাদার মেইল ।

তৃতীয় ধাপঃ (সক্স ওপেন এবং প্রক্সি চালুর নিয়ম)

এবার দেখা যাক কিভাবে আপনি ইউএসএ আইপি ব্যবহার করার জন্য সক্স চালু করবেন
১. প্রথমে আপনাকে আপনার সক্সের জিপ ফাইলটি আনজিপ করে নিতে হবে।
২. এবার আনজিপ হলে সেটিকে শর্টকাট করে ডেস্কটপে নিতে হবে কেননা এটি পোর্টেবল । এর জন্য সবুজ চিহ্নিত Socks escort আইকন এর উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Send To > Desktop (create shortcut icon) এ ক্লিক করুন। ।
৩. এবার ডেস্কটপে সক্সের আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে। লগইন আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন। প্রবেশের পর বিভিন্ন দেশের নাম থেকে United States এ ক্লিক করুন।
এবার নিচে ইউএসএ এর বিভন্ন State দেখতে পাবেন এবং সেই State কয়টা প্রক্সি আছে সেটি দেখতে পারবেন। এবার আপনি যে State এ পোস্টিং করতে চান সেই State এ ক্লিক করুন। এরপর আপনি ঐ State এর সকল সিটি এর আইপি দেখতে পাবেন, এবার আপনি যে আইপি তে কাজ করতে চান সেই আইপিতে রাইট বাটন ক্লিক করে চালু Obtain To > Default profile এ ক্লিক করতে হবে।
এবার আমরা সক্স এর নিচের দিকে দেখতে পাব একটি সবুজ লাইট অন হয়ে গেছে, তার মানে সক্সটি এখন কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
যদি একটি ভালো মানের আইপিতে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে দেখতে হবে যে সেই আইপি এর পিং রেট 100ms থেকে 150ms এর মধ্যে আছে কিনা এবং ঐ একই আইপি এর Uptime 03:00:00 থেকে 10:00:00 আছে কিনা। এইসকল রেঞ্জ এর মধ্যে থাকা আইপি গুলোর স্পীড বেশি হয় এবং লাইভ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

চতুর্থ ধাপঃ (পোস্ট করা ও পোস্ট লাইভ নিশ্চিত হওয়া)

এতক্ষণ আমরা যা করেছি সেটি ক্রেগলিস্টে কাজ করার জন্য সেটআপ সমূহ দেখানো হয়েছে, এবার আমরা যা করবো সেটা হল প্রধান বিষয়। এখন এই ধাপে আমরা দেখব কিভাবে জব সেকশন এ পোস্ট করবেন এবং লাইভ হয়েছে তা বুঝবেন । তো চলুন শুরু করা যাকঃ
১ . ১ম,২য় ও ৩য় ধাপ ওকে করার পর আমাদের বায়ারের দেয়া পোস্ট লিস্ট এক্সেল ফাইলটি ওপেন করতে হবে
২. এখানে জব পোস্টের জন্য যে লিঙ্ক গুল দেয়া আছে সেখান থেকে যে সিটিতে পোস্ট করবেন সেটির জব সেকশন এর পোস্ট লিংক কপি করে ব্রাউজারে ওপেন করে নিন।
৩. এবার আমরা একটা ফর্ম ফেজ পাব যেখানে আমাদের পোস্ট এর টাইটেল , লোকেশন ,ইমেইল ( কাজের শুরুতে আমরা যে মেইল টি তৈরি করেছি সেটি) পোস্টের বর্ণনা , Compenstion এ কত পে করা হবে তা ও জব কি ধরনের হবে এসব ফিল্ড গুলো পূরণ করুন।
৪. এবার পেজের নিচে দিকে Continue এ ক্লিক করুন । এর পর পরবর্তী পেজ আসবে এবং এখানে ও Continue বাটন এ ক্লিক করুন।
৫. এখন একটি কনফার্মেশন লিঙ্ক আপনার নতুন মেইল এ যাবে। সেখান থেকে কনফার্মেশন লিংক এ ক্লিক করুন।
৬. এবার Terms & Condition এর পেজ আসবে। এবার নিচে Agree তে ক্লিক করুন।
পরবর্তী যে পেজ আসবে তার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারবো আমাদের পোস্ট লাইভ হয়েছে কি না ।
যদি ফোন নম্বর চায় তাহলে বুঝতে হবে লাইভ হয়নি ।
একই ভাবে আবার পুনরায় ওই জব লিঙ্ক ওপেন করে নতুন করে পোস্ট করুন ।এভাবে প্রতিটি মেইল ও প্রক্সি দিয়ে আপনি একটি সিটিতে ১৫ টি পর্যন্ত পোস্ট করতে পারেন।
যদি আপনার ৩ টি লাইভ হয় তাহলে এর পোস্ট করা যাবে না প্রতিটি পোস্টে ভিন্ন ধরনের জব পোস্ট করুন এবং প্রতিদিন একই সিটিতে পোস্ট না দেওয়াই ভালো ।

বোনাসঃ

এখানে ক্রেগলিস্টে ব্যবহারিত কিছু শব্দের সংজ্ঞা দেয়ার চেস্টা করবো এবং বেশ কিছু টিপস উল্লেখ করবো যার মাধ্যমে আপনি সহজেই পোস্ট লাইভ করতে পারবেন।

সক্সঃ

যে সফটওয়ার এর মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটার এর প্রক্সি পরিবর্তনের সাথে সাথে আইপি চেঞ্জ করতে পারেন।

লাইভঃ

লাইভ মানে হল আপনি যে পোস্ট করেছেন সেটি একটিভ অবস্থায় থাকা। পোস্টিং এর সময় যেসকল পোস্ট গুলো ক্রেগলিস্ট এপ্রুভ করে ফোন ভেরিফিকেশন ছাড়াই সেগুলোই হল লাইভ। এক্ষেত্রে আপনার যত বেশি লাইভ হবে আপনার লিড এর পরিমান তত বেশি হবে।

লিডঃ

আপনার লাইভকৃত পোস্ট এ যদি কেউ রিপ্লে দেয় তাহলে সেই রিপ্লে প্রথমে আপনার মাদার মেইল এ আসবে এবং সেখান থেকে তা ফরওয়ার্ড হয়ে আপনার কাউন্ট মেইল এ আসবে। তার মানে হচ্ছে যে প্রতিটি রিপ্লেই মানে হল এক একটি লিড, এ ধরনের ১০০০ টি রিপ্লেকে আমরা 1K বলে থাকি।

(flag) ফ্ল্যাগঃ

Flag মানে হল আপনার লাইভকৃত পোষ্টকে ডিলিট করে দেয়া। যখন ক্রেগলিস্ট এর মোডারেটর দেখে যে আপনার পোস্টিং এ স্প্যামিং হয়েছে বা পোস্টিং উপযুক্ত নয় তখন তারা সেই লাইভকে ডিলিট করে দেয়, আর এটাই হল ফ্ল্যাগ।

মাদার মেইলঃ

মাদার মেইল হল সেই ইমেল যে ইমেইল এ আপনার সকল প্রয়োজনীয় মেইল যেমন লিংক কনফার্মেশন, লিড, লাইভ এর মেইল গুলো আসবে সেটি।

কাউন্ট মেইলঃ

এই ইমেইল এ ফিল্টারিং এর মাধ্যমে শুধু মাত্র আপনার লিড গুলো আসবে। এবং আপনি এখান থেকেই বুঝতে পারবেন যে আপনার মোট কতটি লিড এসেছে।

কিছু প্রয়োজনীয় কথাঃ

১. ধৈর্য্য ধারন করে কাজ করতে থাকুন, যতক্ষণ পর্যন্ত লাইভ না হয় ততোক্ষণ ধৈর্য্য সহকারে পোস্ট করতে থাকুন। কারন ধৈর্য্য ছাড়া ক্রেগলিস্ট এ কাজ করে সফল হওয়া যায় না।
২. নিজে নিজে অ্যাড লিখে পোস্ট করার চেষ্টা করুন। এবং আকর্ষণীয় টাইটেল দিতে পোস্ট করুন। সেক্ষেত্রে লিড পাওয়ার সম্ভবনা খুবই বেশি থাকে।
৩. আপনার ইমেইল , লাইভ সহ সকল তথ্য নিয়মিত সংরক্ষণ করুন।
৪. প্রতিদিনের বায়ারের টার্গেট পূরণ করার চেষ্টা করুন।
৫. একই সিটিতে ৩ বার এর বেশি লাইভ করানো থেকে বিরত থাকুন।
৬. W4M এর লাইভ এর জন্য সবচেয়ে ভালো সময় বাংলাদেশের জন্য ভোর ০৫টা থেকে সকাল ১০ টা এবং সন্ধ্যা ০৫ টা থেকে রাত ১০টা। তাই চেষ্টা করুন এই সময়ের মধ্যে পোস্টিং করা ও লাইভ করানোর জন্য। তাহলে আপনি সবচেয়ে বেশি লিড পেতে পারেন। আর জব পোস্টিং এর জন্য সারা দিন রাতই লাইভ হয়।
৭. W4M এর লিড বেশি হয় এবং একসাথে অনেক লিড পাওয়া যায়,কিন্তু W4M এর ফ্ল্যাগ বেশি হয়। অন্যদিকে জব এ লিড ধীরে ধীরে আসতে থাকে কিন্তু ফ্ল্যাগ কম হয়।
৮. সক্স ব্যবহারে মিতব্যায়ি হোন । অযথা বার বার আইপি চেঞ্জ করবেন না। এতে করে আপনার জন্য বরাদ্দকৃত আইপি এর পরিমান কমে যেতে পারে, তাছাড়া ক্রেগলিস্ট বাদে ঐ আইপি দিয়ে অন্যকাজ করবেন না।
৯. সক্সে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে লগ আউট করে পুনরায় লগইন করুন। তাতেও যদি না হয় তাহলে পিসি রিস্টার্ট দিন।
১০ সক্স চালানর জন্য উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করুন, আর যারা এক্সপি ব্যবহার করেন তারা .Net 3.0 ইন্সটল করে নিন। অন্যথায় সক্স কাজ করবে না।
যারা সম্পূর্ণ নতুন তাদের কাজ করার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হতে পারে তবে সেক্ষেত্রে অন্যদের কাছ থেকে কিছুটা সাহায্য নিলে আশা করি কোন সমস্যা হবে না । আমাদের টিউটোরিয়ালটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্যা ধন্যবাদ।

মোবাইল নাম্বার না থাকলেও এবার আপনার ফেসবুক বা অন্য যে কোন অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করুন!!!

আমাদের অনেক সময় একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলবার দরকার হয়,কিন্তু অনেক সময় ফেসবুক বা  গুগল মোবাইল নাম্বার দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে বলে।
আমরা অনেক সময় সমস্যায় পড়ি এই নিয়ে।কারন দেখা যায় যে আমার যে মোবাইল নাম্বার ছিল  তা  দিয়ে আমি অন্য আরেকটা অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করে ফেলেছি কিংবা ভেরিফাই করবার মত এমন কোন মোবাইল নাম্বার আমার কাছে নেই। সে সমস্যার সমাধান আমরা এসএমএস বাইপাস করার মাধ্যমে খুব সহজেই করতে পারি।
প্রথমে  Click Here এই সাইটটিতে যান। এখানে বিভিন্ন দেশের অনেকগুলো মোবাইল নাম্বার দেখতে পারবেন। যে নাম্বারটি সবচেয়ে কম ব্যবহৃত হয়েছে অর্থাৎ যে নাম্বারটিতে সবচেয়ে কম মেসেজ এসেছে  (সাইট এই সব নাম্বার এর নিচে তা লেখা আছে) নাম্বার এ ক্লিক করুন। মেসেজগুলো দেখতে পাবেন। এবার আপনার যে সাইট অর্থাৎ Facebook,Gmail,Yahoo,Hotmail কিংবা অন্য যে কোন সাইট এ যেখানে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে চান  সেখানে  গিয়ে উক্ত নাম্বার দিন। দেশ সিলেক্ট করবার সময় receive-sms-online এর সাইট এ যে নাম্বার Choice করেছেন সেখানে কোন দেশের নাম্বার দেখে নিন। একটু পরেই ফেসবুক বা আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে মেসেজ চলে আসবে। পেজ রিফ্রেশ করে আপনার মেসেজ এ পাঠানো কোড বা লিঙ্ক দেখে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করুন। কোন নাম্বার যদি কাজ না করে তাহলে বুঝতে হবে ওই নাম্বার দিয়ে কেউ ভেরিফাই করে ফেলেছে,আরেকটা নাম্বার দিয়ে চেষ্টা করুন।

এসএমএস বাইপাস করার এমন আর কিছু সাইট হলঃ
Click here
Click Here
Click Here
Click Here
Click Here
Click Here
Tricks এর জন্য আমার ফেসবুক পেজ http://www.facebook.com/earntips2013 লাইক দিতে পারেন।
ধন্যবাদ...

Thursday, June 6, 2013

LinkedIn নিয়ে সহজ কিছু কথা।

LinkedIn এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশাদারী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক। এর সদস্য সংখ্যা ২০০ মিলিয়ন এর উপর। Alexa world র‍্যাঙ্ক ১৩ এবং বাংলাদেশে র‍্যাঙ্ক ১৭. সুতরাং বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব। তবে আপনি LinkedIn থেকে যদি  সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে চান তাহলে আপনাকে সকল ফিচার ব্যবহার করতে হবে।
LinkedIn টা ফেসবুকের মত না। ফেসবুক সামাজিক নেটওয়ার্ক আর LinkedIn পেশাদারী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক। এখানে আপনার উপস্থাপনটা হবে পরিপাটি। আপনার উপস্থাপনটা হবে সুন্দর, সাবলীল।
১. আপনার প্রোফাইলটা একটু ঘসামাজা করুনঃ
LinkedIn এ খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং অবহেলিত অংশ আপনার পেশাদারী 'প্রোফাইল'। কারণ এই খানে আপনাকে দেখাবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, শিক্ষা। সবচেয়ে বড়, আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। LinkedIn প্রোফাইলটা আপনার সাধারণ সিভি থেকেও শক্তিশালী হবে যদি আপনি একে ভালো করে সাজান, উপস্থাপন করেন। একটি সিভি সাধারণত দুই পাতার হয়, এই দুই পাতায় অনেকেই তার সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারে না। তাদের জন্য LinkedIn যেখানে আপনি আপনার প্রজেক্ট, পাবলিকেশন সব বিস্তারিত রাখতে পারেন।
LinkedIn এ একটা সুবিধা আপনি যাই করেন আপনার নাম দিয়ে সব সার্চ হবে। LinkedIn এর অনেকগুলো  widgets আছে, যেগুলো আপনি যোগ করেলে আপনার প্রোফাইল আরও ভালো হবে যেমন, আপনি একটি পুরস্কার পেলেন, একট কোর্স করলেন, আপনি কতগুলো ভাষা জানেন, আপনি সার্টিফিকেট পেলেন এই সব। এই widgets যোগ করতে চাইলে Profile > Edit Profile তারপর ডান পাশের widgets থেকে একটা একটা করে যোগ করুন।
আপনি আপনার পেশা হিসাবে একটি পেশাদারী ছবি যোগ করবেন। অনেকেই দেখবেন ছবি যোগ করে না। এইটা শুরু না হতেই শেষ এর মত অবস্থা হয়। কারণ যিনি আপনাকে চাকুরী দিবেন বা আপনার সাথে ব্যবসা করতে আসলো প্রথমেই দেখলো আপনার ছবি নাই, ওই সময়টায় নিজেকে বসান তাহলে বুঝবেন কেমন লাগে?
LinkedIn অনেক অংশ নিজে থেকে পূরণ করে। যেমন আপনার প্রোফাইল হেডলাইন। এইটা আপনার বর্তমান কাজে অংশটা আপনার হেডলাইন করে নিবে। ইচ্ছা করলে আপনি এইটা পরিবর্তন করতে পারেন। Profile > Edit Profile এ গিয়ে pencil symbol এ ক্লিক করুন। এইবার আপনার নিজের মত করে কিছু লিখুন।
আপনি যখন Edit Profile mode এ থাকবেন তখন, Skills & Expertise এ আপনার স্কিল গুলো যোগ করবেন। আপনি যা জানেন তাই যোগ করবেন।
LinkedIn এর প্রোফাইলের সব অংশ যখন পূরণ করবেন তখন এইটা একটা অনলাইন সিভি। তাই আপনার অনলাইন সিভিকে প্রতি মাসে আপডেট করবেন। আপনার যদি মনে না থাকে তাহলে আপনি যে কোন অনলাইন রিমান্ডার ব্যবহার করতে পারেন।
২. সবার সাথে যুক্ত হোন এবং যুক্ত থাকুনঃ
LinkedIn এ খুব গুরুত্বপূর্ণ অপশন অন্যান্য পেশাদারীদের সাথে যুক্ত থাকা এবং যুক্ত হওয়া। এই অপশন থেকে আপনি তাদের সাথে যুক্ত হবেন বা যুক্ত থাকবেন যাদের সাথে আপনি কাজ করছেন, করেছেন, যাদের সাথে ব্যবসা করেছেন, পড়াশুনা করেছেন, আপনার পেশায় নিয়োজিত অন্যান্য ব্যক্তি। LinkedIn এ আপনার ব্যক্তিগত ই-মেইলকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আপনি আপনার ই-মেইলের এ্যাড্রেস বুকে থেকে আপনার বন্ধু নির্বাচন করুন। Contacts > Add Connections থেকে আপনি আপনার ই-মেইলে লগ-ইন করুন। তবে নির্বাচনের সময় আপনি সর্তকতা রক্ষা করবেন কারণ যারা আপনার কাজে আসবে তাদের নির্বাচন করুন। আপনি আপনার পরিচয় দিন এবং তারপর তাকে আপনার নের্টওয়ার্কে আমন্ত্রণ জানান।
Skills & Expertise সেকশনে আপনি অন্য তার স্কিল অনুযায়ী (endorsements) মতামত / সমর্থন দিতে পারেন। তবে endorsement দেবার আগে দেখবেন তিনি এই টার যোগ্য কিনা।
৩. জব খোঁজা এবং কর্মী খোঁজার জন্য LinkedIn এর সার্চ অপশন অনেক শক্তিশালী। এর এ্যান্ডভান্স সার্চ অপশনে গেলে বিস্তারিত দেখতে পারবেন।
৪. গ্রুপে যোগদানঃ
LinkedIn এ বিভিন্ন পেশাজীবির বিভিন্ন গ্রুপ আছে। আপনি যে পেশার, সেই গ্রুপে যোগ দেন। এর ফলে দুইটা কাজ হবে আপনি আরো জানতে পারবেন। আবার আপনার কাজে দক্ষতা দেখে অন্য প্রতিষ্টান আপনাকে নতুন জবের অফার করতে পারে। জানার জন্য আপনি বিভিন্ন প্রশ্ন করতে পারেন, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। আপনি আপনার কাজ সবার কাছে উপস্থাপন করতে পারেন।
৫. এ্যাকাউন্ট আপগ্রেড করাঃ
আমরা সাধারণত ফ্রি একাউন্ট ব্যবহার করি। কিন্ত কিছু কিছু অপশন আছে তা ব্যবহারের জন্য আপনি মাসে $ 25 - $ 100 খরচ করতে পারেন। তবে আমরা যদি  ফ্রি অপশন গুলো ভালো করে ব্যবহার করি তাহলেও অনেক কাজে আসবে।
যদি আমার এই টিউনটি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে আমার পরিশ্রম সারর্থক। আর আমার লেখার ভূলগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ করছি। 

oDesk এর উপর শনির আছর”

গতকাল থেকে oDesk এ  বাংলাদেশি ফ্রীলেঞ্ছারদের account গনহারে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে । যাদের account গুলো এখন পর্যন্ত ভেরফিকেশান করা হই নি, শুধুমাত্র তাদের বেলায় এই অঘটন ঘটছে । অনেকে হইত নতুন কাজ পেয়েছেন অথবা একটা দুটা কাজ করছেন তাদের কাজ গুলো এখন আর করা যাচ্ছে না ।আর যাদের ইন্টার্ভিউ চলছিলো, তাদের ইন্টার্ভিউ গুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে । তাই বলা যাই, বাংলাদেশী ফ্রীলাঞ্চারদের মাথাই রীতিমত আকাশ ভেঙ্গে পরেছে । অনেক মেয়ে ফ্রীলাঞ্ছারদের দেখলাম হাউমাউ করে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে । ছেলেরা মানসিক ভাবে মোটামুটি শক্ত থাকলেও, তবে ইতিমধ্যে বড় ভাই, IT এক্সপার্ট , পীর ফকির এর বাড়িতে ছোটাছুটি শুরু করেছেন । সবার একটাই চিন্তা কিভাবে এই “শনির আছর” থেকে মুক্ত হওয়া যাই ????
সবার সুবিধারতে যানিয়ে রাখি, এই শনির আছর কে বৃহস্পতি করার উপাই শুদুমাত্র আপনার হাতে । কোন পীর ফকির এর উপদেশ/তাবিয/পানি পরা কোন কিছুই দরকার নেই । oDesk এর customer careএর সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে যে, তারা একটা জরিপ করার উদ্দেশে এই কু কাজ টি করছে । কিছুদিন ধরে, oDesk এ ভুয়া ফ্রীলাঞ্চার এর হার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গিয়াছিল । ফলে buyer দের রিয়েল ফ্রীলাঞ্ছার খুজে পেতে অনেক দুরভগ পোহাতে হতো । যদিও ভুয়া buyer সংখ্যাও কম নয় । তাই যাদের আইডি এখনও বাতিল হই নি অথবা হএ গেছে তারা সকেলেই আইডি ভেরিফিকেশান করে ফেলুন ।
আইডি ভেরিফিকেশান আর জন্য সবচেয়ে গুরুত্তপুরন যে জিনিশটি, তা হচ্ছে ব্যাংক statement. তবে ব্যাংক statement ব্যাংক এর সাধারন statement হলে হবে না । statement টি অবশ্যই ব্যাংক এ প্যাডে এবং ব্যাংক এর কালার লোগো যুক্ত হতে হবে । এই ধরনের statement সাধারনত ব্যাংক থেকে দিতে চাইবে না । আপনাকে একটি আবেদনপত্র এবং তার সাথে কয়েকটি ঝাঁরী দিতে হবে ব্যাংক অফিসার কে । তানাহলে সহেজে কালার statement বের করতে পারবেন না । ব্যাংক আপনাকে সাদেকালো নরমাল statement হাতে ধরিএ বিদায় করে দিবে । So be careful. এছারা আপনার ভোটার আইডি কার্ড অ্যান্ড পাসপোর্ট যদি থাকে তা হাথের কাছেই রাখবেন । যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সাবমিট করে দিবেন । তবে সবার ক্ষেত্রে এগুলা লাগছে না, শুধুমাত্র statement দিয়ে কাজ হএ যাচ্ছে ।
অতএব আর দেরি না করে, এখনই ব্যাংক এ চলে যান এবং অতি দ্রুত ভেরিফিকেশান করে ফেলুন । একবার ভেরফিকেশান হএ গেলে এরপর নাকে তেল দিয়া Bid করতে থাকুন । এবার আর কাজ পায়তে কষ্ট হবে না, কারন ভুয়া প্রোফাইল সব এই সুজুগে বাদ পরে যাবে এবং কাজ আর competition আগের চেয়ে অনেক কমে যাবে ।

ফ্ল্যাশ ড্রাইভ থেকে ইনস্টল করুন উইন্ডোজ

নিঃসন্দেহে উইন্ডোজ সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। আর আমরা সাধারণত উইন্ডোজ ইন্সটল করি সিডি বা ডিভিডি থেকে। সমস্যা হল আপনার সিডি/ডিভিডি রমে যদি সমস্যা থাকে, যেমন- কাজ না করে, নষ্ট বা সিডি/ডিভিডি ডিস্কে অন্য কোন সমস্যা থাকে, তখন কী করবেন? খুবই চিন্তার বিষয়! এ অবস্থায় আমাদের খুব বিপাকে পড়তে হয়। তবে আপনার কাছে যদি ৪ গিগাবাইট বা এর চেয়ে বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি ফ্লাস ডিস্ক থাকে তাহলে কোন চিন্তাই নেই।
ফ্লাস ডিস্ক হিসেবে আপনি নিতে পারেন পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড ইত্যাদি। যাক, এবার কাজের কথায় আসি। এখন কীভাবে সম্ভব? তাই না।
দেখুন নিচের ধাপগুলোঃ
১. প্রথমে ৪ গিগাবাইটের একটি ফ্লাসডিস্ক, উইন্ডোজের সিডি/ডিভিডি ও উইনটুফ্লাশ সফটওয়্যার নিন।
২. সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে যান Click Here
৩. কম্পিউটারে উইন্ডোজের সিডি বা ডিভিডি এবং ফ্লাসডিস্ক প্রবেশ করান।
৪. এবার সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে চালু করুন।
৫. WintoFlash Wizard থেকে Windows File Path এ সিডি/ডিভিডি ড্রাইভের ফাইলগুলো দেখিয়ে দিন এবং USB Device এ কম্পিউটারে সংযুক্ত ফ্লাসডিস্কটি দেখিয়ে দিন।
৬. এবার Next বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ইউএসবি ডিক্সটি বুটবেল হিসাবে তৈরী হবে।
এবার আসুন সেটআপ কার্যক্রমেঃ
১. প্রথমে বায়োস থেকে ফার্ষ্ট বুট হিসেবে Removal Devices নির্বাচন করুন।
২. এবার বায়োসের সেটিং সেভ করে বেরিয়ে আসুন।
৩. এবার ফ্লাসডিস্কটি বুট হলে 1st, text mode setup (Boot from flash again after finished) নির্বাচন করুন এবং সেট আপ করতে এন্টার চাপুন।
৪. এবার কম্পিউটার ফাইল কপি শুরু হবে। কপির পরে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে।
৫. এবার 2nd, GUI mode setup, continue setup + 1st start of Windows নির্বাচন করুন। তাহলে Setup শেষ হবে।
মন্তব্য করতে ভুলবেন না। ভুললেও মন্তব্য করবেন দয়া করে…………

এফিলিয়েট প্রজেক্ট নিজেকে তৈরী করুন

আসুন দেখি এফিলিয়েট প্রজেক্ট একজন usa বায়ারের কি কি  শর্ত থাকে?

প্রথমে যাটা দরকার আপনার পূর্বের কি কি কাজ করছেন তার Profile URL (ODESK PRFILE LINK)

প্রথমে দেখুন কি কি Skill দরকার?

#Native English Speaking Skills
#Affiliate Marketing
# Project Management
#Virtual Assistance
#Wordpress
#Online Marketing
এরপর আপনাকে যে সকল প্রশ্নের উওর দিতে হবে তা নিম্নরুপ:
১. আপনি কত দিন ধরে এফিলিয়েট মাকিটিং কাজ করছেন? আপনার eBay কাজ করার অভিঞ্জতা আছে কিনা?
২. আপনি কেন এই প্রজেক্ট নিজেকে যোগ্য মনে করেন।
৩. আপনি পূর্বে এফিলিয়েট মাকিটিং কোন প্রজেক্ট করে থাকলে তার লিংক দেন।
৪. আপনি কিভাবে একটি ওয়েবসাইট থেকে বিজনেস জেনারেট করেন তার একটি ওয়েবসাইট লিংক দেন /অথবা বর্ননা করেন।
৫. আপনার ইন্টারনেট নেট লাইড স্পীড কত?
৬. আপনার ইন্টারনেট নেট লাইন এবং বিদ্যুৎ পাওয়ার ব্যকআপ আছে কিনা।
উপরের সবকোয়ালিটি আপনার মাঝে থাকে তাহলে আপনার জন্য রয়েছে usa এফিলিয়েট জবের সুযোগ।
নিচের প্রজেক্ট Apply করতে পারেন।
সময় থাকলে ইন্টারনেট মাকিটিং নিয়ে লেখা আমার ব্লগটি ঘুরে আসুন
ধন্যবাদ,

Sunday, May 5, 2013

minuteworkers এর মাধ্যমে অনলাইনে আমার ১ম আয়. .. ধন্যবাদ জাকারিয়া ভাইকে..

আসসালামু আলাইকুম। সবাই ভালো আছেন নিশ্চয়ই। অনলাইনে আয় নিয়ে টিউন মানেই অগ্নিকুন্ডে নিজে নিজেই ঝাপ দেওয়া। তাই ভয়ে ভয়ে আছি। জাকারিয়া ভাইয়ের মাইক্রোওয়ার্কাস নিয়ে একটি টিউন পড়ে আমি minuteworkers এ জয়েন করি। কাজ করি এবং আজকে নিয়ে ২ বার পেমেন্ট পাই। জাকারিয়া ভাইয়ের টিউনটি দেখুন http://techtunes.com.bd/internet/tune-id/26853/
প্রথমে ১.৮০ ডলার এবং আজকে ১৪ ডলার। খারাপ কি? গতবারের ডলার গুলো আমি শাকিল ভাইয়ের টিউন পড়ে রেমিট টু সেল এর মাধ্যমে আমার সেলফোন এ ট্রান্সফার করি। minuteworkers এ অন্যান্য মাইক্রো ওর্য়াকস এর মতো প্রথম পেমেন্ট এর জন্য পিন নম্বর টম্বর এর ঝামেলা নেই। মিনিমাম পেআউট ১০ ডলার কিন্তু আপনি যদি ২ ডলার আর্ন করেন তবে আরলি পেমেন্ট চাইতে পারেন সে ক্ষেত্রে ১০% টাকা কম পাবেন। minuteworkers এ কয়েন গেম নামে একটি অপশন আছে যেখানে আপনি হেড অর টেইল গেম খেলে আর্ন করতে পারেন। কিন্তু তার জন্য মিনিমাম ০.৫ ডলার আপনার একাউন্ট এ থাকতে হবে। আপনি অনায়েসে প্রথম দিনই কাজ করে .৫০ ডলার পাবেন। আর পেমেন্ট ডেট হচ্ছে প্রতিমাসের ১৫ এবং ৩০ তারিখ। তাই ১৩ এবং ২৮ তারিখে পেমেন্ট অর্ডার করবেন। এর জন্য আপনার পেপাল একাউন্ট থাকতে হবে। আজ আর নয়
www.minuteworkers.com/register.php?ref=sunusa     Or Click Here Wait 5 sec than skip & created a accounts.
রেফারেল লিংক দিলাম, আমার রেফারেল এ আপনি জয়েন করলে আমি .০৫ ডলার পাবো। তাতে আপনার তো কোন ক্ষতি নেই, এই .০৫ ডলার আমার Consultancy fees হাহাহাহাহা। সব শেষে জাকারিয়া ভাইকে আবারো ধন্যবাদ এমন একটি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।  ধন্যবাদ সবাইকে।