Friday, January 25, 2013

ব্লগিংকে নিন আপনার পেশা হিসেবে।

শুরুতেই আপনাদের জানাচ্ছি ব্লগিং জগতের শুভেচ্ছা এবং টিউনারপেজকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ।
আমার ব্লগিং জীবনের সুত্রপাত এই টিউনারপেজ থেকেই। আমি ব্লগিং সম্পরকে কিছুই জানতাম না, কিন্তু আজ আমি সফল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্লগিং এর সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। এটা অনস্বীকার্য যে, প্রত্যেকটা ফ্রিলেঞ্ছার এর জীবন শুরু হয় ব্লগিং দিয়েই। তাই আজ আপনাদের ব্লগিং সম্পরকে কিছু বলব।

ব্লগিং কি?

ব্লগিং হল এমন একটি বিষয় যা ভাল লেখা-লেখি করতে পারলেই আয়ত্ত করা সম্ভব। আর ব্লগিং জগতে রয়েছে আয়ের এক বিশাল সুযোগ। আপনি আপনার জীবন পরিবর্তন করতে পারবেন মাত্র একটি ব্লগ দিয়েই। ব্লগ অনলাইন ইনকামের তুলনামুলুক ভাবে সবচেয়ে সহজ উপায়।

                                                  blog-icon

ব্লগ থেকে আয়ঃ

ব্লগ থেকে আয়ের রয়েছে এক বিশার সুযোগ। যেমন ধরি সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের এডসেন্স। বর্তমানে ব্লগারদের সবচেয়ে প্রিয় মাধ্যম এটি। এর মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন হাজার হাজার $ । । বাংলাদেশের এমন ব্লগার আছেন যারা মাসে ২ থেকে ৩ হাজার $ আয় করে থাকেন।

আপনি কেন পিছিয়ে পরবেন?

সবাই যখন আয় করছে আপনি কেন পিছিয়ে পরবেন? ব্লগিং এমন একটি পেশা, যেখানে আপনার অনেক বেশি জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। আপনি যদি একটু লেখা-লেখি করতে পারেন তাহলেই আপনি সাফল্য পেতে পারেন।

যেভাবে শুরু করবেনঃ

ব্লগিং এর জন্য প্রথমেই কোন ইনভেস্ট এর প্রয়োজন নেই। আপনি Blogger.com থেকেই বিনামূল্যে আপনার ব্লগিং জীবন শুরু করতে পারবেন।

কি জানতে হবে?

ব্লগিং এর জন্য আহামরি কিছু জানার প্রয়োজন নেই। ইন্টারনেটে ব্লগিং সম্পরকে প্রচুর তথ্য আছে। সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। আর আপনাকে জানতে হবে আপনি কি বিষয়ে ভাল জানেন। আপনি যেটা ভাল জানেন সেটা নিয়েই ব্লগিং শুরু করুন। একদিন নিশ্চয়ই সাফল্য পাবেন।

ব্লগারদের করনিয়ঃ

আপনি কি একজন সফল ব্লগার?
আপনি কি চান না যে আপনার জন্য একটি পরিবারে সচ্ছলতা আসুক। তাই যদি চান, আপনি যা জানেন তা সবার কাছে বিলিয়ে দিন। আপনার আয় কিন্তু কেউ কোনোদিন কেড়ে নিতে পারবে না। তাই ব্লগারদের অনুরধ করব, নিজেকে স্বার্থপর হিসেবে না দেখে নিজেকে শিক্ষক হিসেবে দেখুন।

আমি নতুন ব্লগারদের কথা চিন্তা করে একটি টেকনোলজি সাইট খুলেছি। ওয়েভ সাইটটিতে যদি ঘুরে আসতে চান তাহলে web trick 24 এ ক্লিক করুন।

                                           Web Trick 24

আশা করি সাইটটির সাথে আপনারা থাকবেন এবং সাইট এর ভাল মন্দ সম্পর্কে আমাকে জানাবেন।

ফ্রী ডাউনলোড করে নিন ফেস ডিটেক্ট সফটওয়্যার

LuxandBlinkProScreenshot1
সবাই কেমন আছেন আশাকরি সবাই ভালো আছেন । আমি আবার অনেক দিন পর টিউন করলাম । আমি আপনাদের আজকে একটি নতুন সফটওয়্যার উপহার দেব যা আমরা অনেকেই জানিনা । অসাধারন একটি সফটওয়্যার । ব
সফটওয়্যার টির নাম হল …Face Reconagation Login…
প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । তারপর ইন্সটল করেন ইন্সটল করার সময় আপনার পিসিতে যদি ওয়েব কেম লাগানো থাকে তাহলে আপনার ছবি উঠবে । তার পর আপনি ছবি করেন ।এখন পিসিটা অফ করে অনকরেন এখন আপনার ছবির সাথে আপনার ফেস মিলাবে যদি না মিলে পিসি ওপেন হবেনা ।
এটি ব্যবহারে আপনার পিসি নিরাপদে থাকবে আপনার পিসি অন্য কেউ ওপেন করতে পারবেনা । এটি লগিন সিস্টেম ব্যাবহার করে দেখেন কেমন লাগে ।
এখনি ডাউনলোড করেনিন ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ……………………………
আর যদি কোন সমস্যা হয় জানাবেন ।
ভালো লাগলে মন্তব করবেন ।

আপনার ব্লগে যুক্ত করুন নতুন Facebook comment box ।

আপনারা কেমন আছেন।আমি ভাল আছি । আমি আগে tunerpage এ  আপনার যে কোন ব্লগে facebook এর মত comment box যুক্ত করুন। এরূপ ১টি পোষ্ট করেছিাম । এখন লিখছি আর উন্নতমানের Facebook comment box কিভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করতে পারবেন। এর প্রধান সভিধা হল সকলেই কমেন্ট করার সুজুগ পায় এবং রিপলে দেয়ার ও লাইক দেয়ার সুভিদা।
প্রথমেই ডেমো দেখেনিতে পারেন

নিচের নিয়ম অনুসরন করুন।
প্রথম আার ব্লগ লগইন করুন
ashboard >>> Template >>> Edit HTML এবং এই নিয়মে যান
নিচের কোডটি  search করে বের করুন ( ctrl ও f বাটন একসাথে চাপলেই ছাচ box আসবে )
<b:includable id=’comment-form’ var=’post’>
আর উপরেরটি না পলে নিচের কোডট খুজুন।
<data:pos.body/>

এখন উপরের যেকোন ১টি কোড খুজেপেলে তার ঠিক পরে নাচের কোডটি বসান।
<p align=’left’>
<a alt=’FB comment box to your blog’ href=’http://imomniscient.blogspot.com/2012/12/how-to-add-facebook-comment-box-for.html’ target=’new’>
<img alt=” class=’icon-action’ src=’ http://1.bp.blogspot.com/–EqzHZfvcG0/UPrWFRL9OcI/AAAAAAAADFY/s_WnDlX_XEo/s1600/CommentsFB.png’/>
</a></p>
<div id=’fb-root’/>
<b:if cond=’data:blog.pageType == “item”‘>
<div style=’padding:0px 0px 0px 0px; margin:0px 0px 0px 0px;’>
<script src=’http://connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1′/>
<div>
<fb:comments colorscheme=’light’ expr:href=’data:post.url’ expr:title=’data:post.title’ expr:xid=’data:post.id’ width=’520′/>
</div>
<div style=’color:#fff; background-color:#3B5998;border: solid 1px #ddd; font-size:10px; padding:3px; width:510px;’>
Facebook Blogger Plugin: Bloggerized by <b>
<a alt=’FB comment box to your blog’ href=’http://imomniscient.blogspot.com/2013/01/how-to-add-new-facebook-comment-box-to.html’ style=’text-decoration:underline; color:#fff;’ target=’_blank’ title=’blogger templates’>imomniscient.blogspot.com</a>
</b> Enhanced by <b><a alt=’blogger widgets’ href=’http://imomniscient.blogspot.com/search/label/Blog’ style=’text-decoration:underline; color:#fff;’ target=’_blank’ title=’Blogger Widgets’>imomniscient.blogspot.com</a>
</b></div>
</div>
</b:if>
এখন আপনার সেভ করুন। দেখুন আপনার ব্লগে  Facebook comment box ট দোচ্ছে।

উইন্ডোজ কম্পিউটারের বেস্ট ১৭টি সফটওয়্যার ফ্রী ডাউনলোড

সালাম সবাইকে কেমন আছেন সবাই, আসা করি ভালো আছেন আজকে আমি কিছু সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি কম্পিউটার ব্যবহার করতে এই ১৭টি সফটওয়্যার অবশ্যই আপনার প্রয়োজন হবেই এবং এই বেস্ট ১৭টি সফটওয়্যার হচ্ছে ফ্রীওয়্যার। একদিকে আমরা যেমন পাইরেসি মুক্ত অনলাইন গরতে পারছি অন্যদিকে আমরা নিজেদের টেকি জগতের প্রয়োজনীয়তা মিটাতে সক্ষম হচ্ছি। তাহলে আর দেরি কেনো করবেন এখুনি ডাউনলোড করে নিন উইন্ডোজ কম্পিউটার এর বেস্ট ১৭টি সফটওয়্যার। এন্টি ভাইরাস, মিডিয়া প্লেয়ার, ফটো এডিটিং, ডিজে, টরেন্ট ডাউনলোড, চ্যাটিং, কনভার্টার, সহ যাবতীয় কম্পিউটার এর প্রয়োজন মিটাবে এই ১৭টি বেস্ট সফটওয়্যার।
Best-Free-Software-windows-e1328536754334

1)  VLC Media Player



2)  AVG Anti-Virus Free Edition 2012



3)  YouTube Downloader



4)  Malwarebytes Anti-Malware



5)  Advanced SystemCare Free



6)  TeamViewer



7)  Remote Computer Manager 4.5.2



8)  WinRAR (32-bit)



9)  MyVideoConverter



10)  Camfrog Video Chat



11)  PhotoScape



12)  uTorrent



13)  Skype



14)  PrimoPDF



15)  Avast Free Antivirus



16)  Virtual DJ



17)  Picasa


সাদা জাদু-৪: ভালোবাসার মানুষটিকে ভুলতে পারছেন না। কোন কাজে মন বসছে না। এই নিন সমাধান। না দেখলে ১০১% মিস

welcome_catwelome
-:-:-:যারা আগের পোস্ট টি মিস করেছেন :-:-:-
1. সাদা জাদু-১: ভালোবাসার মানুষটি এখন আপনার পিছনে ঘুরবে, আপনি নন। না দেখলে চরম মিস।(১৮+)
2. সাদা জাদু-২: যে কারো গোপন কথা জানুন খুব সহজে। না দেখলে ১০০% মিস।(১৮+)
3. সাদা জাদু-৩: এবার আপনিও বলবেন, “ভুত কই আছিস পারলে এদিকে আয়।” শরীর+বাড়ি বন্ধ+জিনে আছর করা রোগীর চিকিৎসা।(special)

আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজ সাদা জাদু নিয়ে মেগা সিরিজের ৪র্থ পোস্ট শুরু করছি।
প্রেম/ভালবাসার সঠিক সংজ্ঞা আমার জানা নেই। পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন মানুষের মতে ভালোবাসার সংজ্ঞা ও ভিন্ন ভিন্ন। আমার কাছে মনে হয় প্রেম আসলে একটা নেশা, আবার পাগলামি ও বলা জেতে পারে। প্রেমে কেউ না পরলে প্রেমের আসল অর্থ কিমবা অনুভুতি কেউ বুঝতে পারবে না। অনেকেই বলে কেউ ভালোবাসার মানুষের জন্য মরতে পারে না। প্রথম প্রথম আমিও এটাই বলতাম। কিন্তু এখন আর বলি না। কারন এখন আমি জানি সত্তিকার ভালোবাসার জন্য মানুষ তার জীবন বিসর্জন দিতে পারে। আত্মহত্যা মহাপাপ কিন্তু তখন আবেগের ভরে ভালো মন্দ বিচারের ক্ষমতা হারিয়ে যায়। তখন শুধু চারপাশে সেই মানুষটির মুখচ্ছবি ভাসতে থাকে। কোন কাজে মন বসা তো দুরের কথা, কাজ করতেই ইচ্ছা করে না। “লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট” এর ক্ষেত্রে এটা চরম আকার ধারন করে। যারা প্রেমে পরেছেন কিমবা প্রেম কারো উপর পরেছে তাঁরা আমার কথার সাথে একমত হবেন। আর যারা এরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হন নি তাঁরা আমার কথা গুলোকে পাগলের প্রলাপ মনে করছেন। যাই হোক যা সত্য তাই বলছি।
agcshowingsomelove9
কিন্তু বড় সমস্যা হয় তখন যখন ভালোবাসার মানুষটি আপনার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অথবা ছ্যাকা দিয়ে চলে যায়। আমার ভাষায় যেটা “বাঁশ খাওয়া প্রেম”। প্রায় ৯০ ভাগ প্রেমই হয় বাঁশ খাওয়া প্রেম। আর মাত্র ১০ ভাগ প্রেম সফল হয় মানে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু বাঁশ খাওয়া প্রেমের ক্ষেত্রে সেই ভালোবাসার মানুষটির কথা সবসময় মনে হয়, এতটা মিস করে যে বলার মত নয়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই দুজন দুজনকে ভালবাসলেও নিষ্ঠুর নিয়তির কাছে পরাজিত হতে হয়। আপনি জানেন যে তাকে আপনি পাবেন না তবুও সেই সব ক্ষেত্রে সেই মানুষটিকে ভুলে যাওয়া কঠিন হয়ে পরে।  অনেকেই পাগল পর্যন্ত হয়ে যায়। তখন পড়াশোনা, নামায ইত্যাদি ইত্যাদি কোন কিছুই ভালো মত হয় না। কিন্তু পড়াশোনা আর নামায জিবনের জন্য অতীব জরুরি। কিন্তু ইচ্ছা সত্ত্বেও মনোযোগ বসে না। আমার জিবনেও এরকম একটা কালো অধ্যায় আছে। মেয়েটি প্রথম আমাকে প্রথম প্রপোজ করে, আমিও তার প্রতি দুর্বল ছিলাম। কিন্তু মেয়েটি আমাকে ভালবাসলেও আমার সাথে প্রেম করতে রাজি নয়। তার প্রচণ্ড ফ্যামিলি গত সমস্যা রয়েছে। তার বাবা মা হয়ত মেনে নিবে না বা তাকে আর কোন দিন মেয়ে বলে পরিচয় দিবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমিও তাকে প্রচণ্ড ভালোবাসি, সে আমাকে অনেক ভালবাসে। আগে শুনতাম ছেলেরা মেয়েদের জন্য দাড়িয়ে থাকে কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ঐ মেয়েটিই আমার জন্য প্রতিদিন দাড়িয়ে থাকে। জানি অনেকেই বিশ্বাস করছেন না, কিন্তু সত্য। আমি সত্যিই এরকম ভালোবাসা জিবনেও দেখি নি। কিন্তু সে আমার সাথে কোন সম্পর্কে জড়াবে না। ফলে আমি কয়টা দিন অনেকটা পাগলের মত হয়ে গিয়েছিলাম, পড়াশোনা তো দুরের কথা, নামাজটাও ঠিক মত পরতে পারি নি। প্রাইভেট স্যারের কাছে পরীক্ষা দিতে গিয়ে একটা অঙ্ক করেছি, কিন্তু পরের দিন স্যার যখন খাতা দিলেন তখন বললেন আমি কি অঙ্ক দিয়েছি আর তুমি কি অঙ্ক করেছ। আমি বললাম কি বলেন স্যার, আমি ১০০% নিশ্চিত যে ঐ অঙ্কই আমাকে করতে দিয়েছেন। পরে স্যার যখন প্রশ্ন দেখালেন তখন আমি রীতিমত টাসকি খেয়ে গেলাম। পরে বুঝতে পারলাম ওর চিন্তায় আসলে সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। পরে আমি কিছু আমলের মাদ্ধমে এই অনাখাঙ্খিত পরিস্থিতির হাত থেকে মুক্তি পাই। আর সেটা নিয়েই আজকের পোস্ট।
মনের কু-ভাব দূর করার উপায়ঃ
কার্যপদ্ধতিঃ  সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে অজু করে নিচের আয়াত টি পাঠ করে শরীরে (বুকে) ফু দিলে ইনশাল্লাহ মনের কু-ভাব দূর হবে, মনের ভিতর কোন বাজে চিন্তা আসবে না। সকালে ফজর নামায পরে তারপর আয়াত টি পরে ফু দিলে খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। আমার ক্ষেত্রে ১ দিনেই কাজটা সফল হয়েছিল। কারো যদি ১ দিনে সম্পূর্ণ কাজ না হয় তবে এভাবে কয়েকদিন করতে থাকুন। ইনশাল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।  আর যতটা সম্ভব সেই মানুষটির স্মৃতি দূরে রাখার চেষ্টা করবেন, যেমন, ফোন নাম্বার, ছবি, কোন গিফট ইত্যাদি।
বিঃদ্রঃ অনেকেই আমাকে ফেসবুকে অনুরোধ করেছেন যেন আমি এটা পাবলিক্যালি এটা প্রকাশ না করি। কারন এতে অনেকেই এটার ভুল প্রয়োগ করবে। বিশেষ করে যারা প্রেম করছেন তাদের ভয় টা আরও বেশি, যদি তাদের ভালোবাসার মানুষটি এটা নিজের উপর প্রয়োগ করে। আমি কোন ভাই/বোনের মন ভাঙতে চাই না। চাই না কেউ তার ভালোবাসার মানুষটিকে হারিয়ে ফেলুক। তাই এই আয়াত টি টিউনার পেজ ব্লগ থেকে হিডেন রাখা হয়েছে। যাদের প্রয়োজন তাঁরা দয়া করে ফেসবুকের এই পেজে লাইক দিয়ে মেসেজ পাঠান। তাহলে আমি ইনশাল্লাহ আপনাকে আয়াতটি মেসেজ করে পাঠাবো।

আপনি কি জানেন আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন কি না?

আসলে অনলাইনে আয় করার জন্য কিছু যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।
আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে।
কম্পিউটার সম্পকে অনেক ভাল ভাবে জানতে হবে।
আপনাকে ওয়েব ল্যাগুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে যেমনঃ পিএইচপি ,  এইচটিএমএল , মাইএসকিউএল , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভা স্ক্রিপ্ট দক্ষ হতে হবে। তাছাড়া গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,,ফটোশপ , ফ্লাশ ,  আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
প্রচুর পরিমানে ধর্য্য থাকতে হবে, কারন এই সব কাজে সফলতা পেতে মাঝে মাঝে অনেক সময় লেগে যায়।
সাম্প্রতিক সময় ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
তবে আমি যেসব কথা বললাম তা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য অন্য দেশ এর থেকে আর বড় ধনের যোগ্যতার প্রয়োজন হতে পারে।
সেরা ৩টি উপায়:
সেরা তিনটি উপায় হল গুগল এডসেন্স, নিবন্ধ লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং পেশা ।
গুগল এডসেন্স:
গুগল এডসেন্স অনলাইনে টাকায় আয় অনেক বড় ও বিশ্বাস একটা পথ। এথেকে অনেকে অনেক পরিমানে টাকা আয় করতেছে। গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে তা জানা দরকার তাই না , আপনারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করেন , সে সময় দেখবেন বিভিন্ন পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড থাকে এবং তার নিচে লেখা থাকে এ্যাড বাই গুগল । আপনি বা অন্য কোন ভিজিটর ঐ  পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড ক্লিক করলে সাইট এর মালিক তার গুগল এডসেন্স একাউন্টে নিদির্ষ্ট পরিমান আয় জমা হয়ে যায় । আপনার একাউন্ট এ এক এডসেন্স $১০০ জমা হলে আপনি টাকা আনতে পারবেন । আর এটা চেক আর মাধ্যমে আনতে পারবে এবং যে কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এডসেন্স প্রোগ্রাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স । এদের পেমেন্ট ব্যবস্থাও অনেক ভাল এদের নামে এখন পযন্ত কোন খারাপ রিপোর্ট বেড় হয় নি । আসলে এটা সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল এর একটি প্রোগ্রাম । তাই খারাপ হয়ার কোন সুযোগ নেই ।
গুগল এডসেন্স আয় করতে হলে আপনা থাকতে হবে নিজের একটা ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্লগ । এবং শুধু ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে যে সব হয়ে হয়ে গেল তা না , আপনার ওয়েব সাইট প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে । মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর থেকে এর উপরে , তাছাড়া ভাল আয় করা সম্ভব না । এখন আপনার ওয়েব সাইট / ব্লগ যাই থাক আপনাকে প্রতিদিন মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর রাখতে হবে । ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকুক না কে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ ভাল হতে হবে , কারন বিডভারটাইজার ও গুগল এডসেন্স বাংলা সাইট এ সাপোর্ট করে না তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট হবে সম্পুর্ন ইংলিশে । আপনাকে ওয়েব প্রোগ্রামিং [সিএসএস , পিএইচপি , এইচটিএমএল] সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে যাতে আপনি আপনার সাইট বা ব্লগ কে ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন । ব্লগে লেখার হাত ভাল হতে হবে । আপনার লেখার হাত যদি ভাল না হয় তবে আপনি অনলাইনে থেকে আয় করা সম্ভব হবে । ভাল মানের লেখা লিখতে হবে , এবং লেখা অবশ্যই ইউনিক হতে হবে , কোন জায়গা থেকে কপি পেস্ট করে কিছু করতে পারবেন না ।
নিবন্ধ লিখে আয়:
কিছু ব্লগ বা সাইট আছে যাতে আপনি পোস্ট দিয়ে আয় করতে পারেন। আসলে এটা এমন যে আপনি যখন আপনি যখন কোন পোস্ট দিবেন ঐ সাইটে তখন এই সাইটের যা আয় হবে তার নিদিস্ট একটা অংশ আপনাকে দিবে। এর মধ্যে সব জনপ্রিয় ২টি সাইট হল https://payperpost.com ও http://www.loudlaunch.com। এদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক ভাল । তবে এগুলোতে পোস্ট দিতে হলে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে । পোস্ট কোয়ালিটি অনেক হাই হতে হবে। পোস্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। আর ভাল ভাবে জানতে সাইট দুটি ভাল ভাবে ঘাটেন। আর আমি পরে এগুলো নিয়ে আর আলোচনা করবো।
ফ্রিল্যান্সিং পেশা:
আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার ।
যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি অনেক এগিয়ে । এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে এবং তারা ভারত , পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ কে বেশি কাজ দিতে চায় কারন তারা কম মুল্য কাজ় গূলো করিয়ে নিতে পারে। তবে আমাদের চেয়ে ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগ টিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে।

Monday, January 21, 2013

অটো ব্লগিং করে মাত্র ১ মাসের মধ্যেই আয় করুন ১০০-৩০০ ডলার বা তার চাইতেও বেশী।

 যারা বর্তমানে বেকার আছেন, ওডেস্ক বা ফ্রিলেন্সারে হাজার বিড করেও কাজ পাচ্ছেন না মুলত তাদের জন্যই আমার আজকের এই পোস্ট। ইদানিং দেখা যাচ্ছে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সবাই উঠে পড়ে লেগেছেন কিন্তু সফল হচ্ছেন না। কিন্তু এর কারন কি তা কি একবারও ভেবে দেখেছেন? আমার মনে হয় না। সবাই যদি এক রাস্তায় চলেন তাহলে তো রাস্তায় ভিড় হবেই আর নিজের লক্ষে পৌছাতে সময় লাগবেই তাই না? ইদানিং দেখা যায় সবার আগ্রহ গুটি কয়েক পন্থা ধরেই। ওডেস্ক আর এডসেন্সই বর্তমানে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। এতে কি হচ্ছে? এতে কম্পিটিশন বাড়ছে কিন্তু আয়ের কোন চান্সই দেখা যাচ্ছে না। আমি বলব অনলাইনে আয়ের অনেক উপায় আছে এবং সেই রাস্তা দিয়ে অনেক আয়ও করা যায় যদি আপনি নিজের চোখ কান একটু খলা রাখেন, একটু কষ্ট করেন আর একটু বিকল্প চিন্তা করেন। তো প্রায় ২ মাস যাবত আমি একটা বিকল্প নিয়ে কাজ করেছি আর আমি বলব আমি মোটামুটি সফল এখন পর্যন্ত আর এও বলব খুব ভালো ১টা রাস্তা এইটা। তো আসেন দেখি কিভাবে কি করবেন।
অটো ব্লগিং এর নাম অনেকেই হয়ত শুনেছেন আবার হয়ত  অনেকেই শুনেন নাই। যারা শুনেন নাই তাদের বলছি, অটো ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনি আপনি ১-১০০০ ব্লগ পরিচালনা করতে পারবেন, পোস্টিং এর জন্য আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হবেনা আর সারাদিন বসে বসে পোস্টিং ও করতে হবেনা। যেমন নাম তেমন কাজ। বেশ কিছু ভালো ফিচার পাবেন অটো ব্লগিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। যেমনঃ আপনি ১০০০ ব্লগ ১টি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারবেন। আপনাকে জাস্ট ম্যানুয়ালি ব্লগ গুলকে তৈরি করে সেটিং করে নিতে হবে। অটো ব্লগিং সফটওয়্যার প্রতিদিন আপনার ব্লগে পোস্ট করে যাবে। তো কোন জায়গা থেকে অটো ব্লগিং সফটওয়্যার পোস্টিং করবে এইটা ১টা প্রশ্ন। উত্তর হল অটো ব্লগিং বিভিন্ন ব্লগের RSS FEED থেকে সম্পূর্ণ আর্টিকেল GRAB করতে পারে আর তারপর আপনার ব্লগে সেই আর্টিকেল পোস্ট করবে। এমনকি ১টা আর্টিকেলের সম্পূর্ণ কন্টেন্ট ছবি থেকে শুরু করে সব কিছুই GRAB করবে আর তারপর পোস্ট করবে। এখানে কথা থেকে যায় যে বর্তমানে গুগোল এলগরিদম অনুযায়ী গুগোল কপি পেস্ট পোস্ট পছন্দ করেনা। সমাধান হলঃ অটো ব্লগিং সফটওয়্যারে আপনি পাবেন ট্রান্সলেট করার ব্যবস্থা। যেকোনো আর্টিকেলকে যে কোন ভাষায় রুপান্তর করে তারপর আবার ইংলিশে রুপান্তর করবে। পুরো ব্যাপারটা ক্লিয়ার করিঃ ধরেন ১টা ইংরেজি আর্টিকেল, এইটাকে যদি প্রথমে ফিনিশ ভাষায় ট্রান্সলেট করি আর তারপর আবার ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করি তাহলে কিন্তু পুরো আর্টিকেলটাই ইউনিক হয়ে যায় যদিও আর্টিকেলের মান ভালো হবেনা। আর আমাদের এই আরনিং ক্যাম্পেইনে খুব ভালো মানের আর্টিকেল এর প্রয়োজন নাই। তাহলে দেখা গেল অটো ব্লগিং সফটওয়্যার দ্বারা ইউনিক আর্টিকেল দেয়া সম্ভব।
তো আপনি যদি প্রথমে ২০টা ব্লগ তৈরি করেন আর তারপর সবগুলো ব্লগকে অটো ব্লগিং সফটওয়্যার দ্বারা সেটিং করে নেন তাহলে অটো ব্লগিং প্রতিদিন আপনার সাইটে পোস্ট করবে। আর ১ মাসের মধ্যে আপনার সাইটে আপনি মিনিমাম ৫০০ ভিজিটর পাবেন। অবশ্য আপনাকে কিছু SEO এর কাজও করে নিতে হবে। আর কিভাবে SEO করবেন সেইটা আমি নিচে আলোচনা করেছি। এখানে আগে থেকেই বলে রাখা ভালো যে ব্লগ তৈরি করার আগে কিছু কি ওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে। Google Adwords টুলস দিয়ে আপনি কিছু লো কম্পিটেটিভ কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন আর কি ওয়ার্ডের EXACT LOCAL MONTH সার্চ ভলিউম যাতে মিনিমাম ১০০০ হয়। এবার ফ্রি ব্লগিং সাইট ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে ব্লগ খুলবেন আর আপনার কি ওয়ার্ড ডোমেইন নেম হিসাবে ব্যাবহার করবেন। এতে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং এ তারাতারি এসে পরবে। তো আমি ধরে নিলাম আপনি ২০ টা কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করে ২০টা ব্লগ খুলেও ফেলেছেন। এবার খুব সুন্দর ভাবে আপনার ব্লগকে একটু সাজিয়ে নিন আর অনপেজ ফ্যাক্টর গুলকে ঠিক ঠাক করে ফেলুন। অর্থাৎ সাইট টাইটেল, মেটা ডিসক্রিপশন, ইত্যাদি ইত্যাদি।
তো আসেন দেখে নেই কিভাবে আপনি অটো ব্লগিং দিয়ে কাজ করবেন। আমি এইখানে যে অটো ব্লগিং সফটওয়্যার দিব সেইটার নাম হল "AUTO BLOG SAMURAI" এর মার্কেট প্রাইস হল ------। কিন্তু আমি আপনাকে এইটার Crack ভার্সন দিব। যদি এতো টাকা দিয়ে আমাদের সফটওয়্যার কিনেই কাজ করতে হয় তাহলে এই পোস্টের কোন মূল্যই থাকবেনা। নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিবেন।
DOWNLOAD LINK
ইন্সটল করে crack ফাইলটা ইন্সটল ডাইরেক্টরিতে কপি করে নিবেন তাহলে ফুল ভার্সন হয়ে যাবে।
এবার সফটওয়্যার টা চালু করুন। উপরে বাম কোনা থেকে NEW সিলেক্ট করুন আর তারপর BLOG সিলেক্ট করুন।

একটা নতুন উইন্ডো আসবে সেইখানে আপনার ব্লগিং প্লাটফর্ম সিলেক্ট করুন। ব্লগার হলে ব্লগার আর ওয়ার্ড প্রেস হলে ওয়ার্ড প্রেস সিলেক্ট করুন। আমি এখানে ব্লগার এর সেটিং দেখাব যদিও ওয়ার্ড প্রেসের সেটিং ও প্রায় একি ধরনের। আপনার ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড দিবেন( Blogger Username & Password)। Connect And Get Blogs এ ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ড পর আপনার সব ব্লগের লিস্ট দেখতে পারবেন।

এবার আপনার ব্লগ সিলেক্ট করুন। তারপর নিচে থেকে Add Blog এ ক্লিক করুন। আপনার ব্লগ সাকসেসফুলি এড হয়েছে দেখানো হবে। আপনি FEED যুক্ত করবেন কিনা জানতে চাওয়া হবে আপনি YES এ ক্লিক করুন। এবার আপনার ব্লগের আর্টিকেলের জন্য ফিড খুজার পালা।
এইটা খুব একটা কঠিন কাজ না। আপনার ব্লগের যে কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করেছেন সেই কি ওয়ার্ড দিয়ে গুগোলে সার্চ দিন আর প্রথম ১০ টা সাইটের RSS FEED URL কপি করে নিন। তারপর  ENTER FEED DETAILS ১টা লিংক দিন, how to identify ঘরে যেকোনো ১টা নাম দিন। তারপর আপনার কোন ব্লগে এই ফিড থেকে আর্টিকেল পাবলিশ হবে তা সিলেক্ট করতে নিচে ADD To Blog এ ক্লিক করুন আর আপনার ব্লগ সিলেক্ট করুন।  এবার নিচে থেকে More Settings এ যান Article translet এর জন্য yes করুন আর সেটিং টা এইভাবে করুনঃ

Auto Detect Language ---------- Germany----------------------English
Finish করে বের হয়ে আসুন। এইভাবে আপনার সবগুল ব্লগকে ADD করে নিন। এবার আপনার ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করার সময়। মেইন উইন্ডো থেকে উপরে UPDATE এ ক্লিক করুন দেখবেন সকল ফিড গুলো ১টা ১টা করে আপডেট হচ্ছে। আপনার ব্লগে কোন আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তা সিলেক্ট করুন আর তারপর পাবলিশ করুন। আপনি schedule দিয়ে রাখতে পারেন আর আপনার দেয়া সময় অনুযায়ী আপনার ব্লগে আর্টিকেল পোস্ট হবে।
ব্লগ তো বানানো হল কিন্তু ভিজিটর ছাড়া ব্লগের মূল্য ১ পয়শাও নাই। আর ভিজিটর আনতে হলে আপনাকে অবশ্যই SEO করতে হবে। এখন কথা হল এই ২০ তা ব্লগের জন্য seo করতে গেলে তো জান বাহির হইয়া যাইব তাই না? ভাবতে পারেন ২০টা ব্লগের লিংক বিল্ডিং কতটুকু কঠিন কাজ হইতে পারে? এইজন্য আমি কাজটাকে সহজ করার জন্য ব্ল্যাকহাট টুলস ইউজ করছি। আমরা অটো ব্লগিং এর পাশাপাশি অটো লিংক বিল্ডিং ও করবো। আর এইজন্য আমরা ইউজ করবো SENUKE XCR টুলস। SEO এর সাথে জড়িত কিন্তু এই টুলসের নাম শুনেন নাই এমন ১টা লোকও আপনি দেখাতে পারবেন না। লিংক বিল্ডিং এর বস এই সফটওয়্যার। খুব দ্রুত লিংক বিল্ডিং করতে পারে। এই টুলস ইউজ করার জন্য আপনাকে প্রতি মাসে ১০০ ডলার এর উপর গুনতে হবে কিন্তু আমি আমি আগেই বলেছি ইনকাম করার আগে ১ পয়শাও খরচ করবো না। আর তাই এইটারও Crack ভার্সন আপনাদের দিলাম। নিচে ডাউনলোড লিংক দেয়া আছে।
Download Link
Senuke XCR দিয়ে আপনি সোশ্যাল বুকমার্ক, ওয়েব ২.০, ফোরাম প্রোফাইল, আর্টিকেল সাবমিশন সহ বহু ধরনের লিংক বিল্ডিং করা যায় আর টা হয় খুব দ্রুত। আসুন দেখি কিভাবে এই টুল ইউজ করে আপনি আপনার সাইটগুলোর জন্য লিংক বিল্ডিং করবেন।
এইখান থেকে আগে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন। এইটা পোর্টেবল ভার্সন তাই ইন্সটল করার দরকার নাই। ফোল্ডার খুলে Senuk চালু করুন। Verify ক্লিক করুন। যত পোপআপ মেনু আসবে সব no সিলেক্ট করুন। এবার NEW তে যাবেন আর তারপর ACCOUNT CREATION সিলেক্ট করবেন। ডান পাশের ঘর থেকে RANDOM PROFILE লেক্ট করে ইমেইল একাউন্ট তৈরি করেন।

ইমেইল একাউন্ট তৈরি হয়ে গেলে এবার সাইটে একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে। যদি আপনি সোশ্যাল বুকমার্ক করতে  চান তাহলে সোশ্যাল বুকমার্ক মারক করে উপর থেকে স্টার্ট বাটন ক্লিক করুন। তার আগে উপরে SELECT PROFILE ঘর থেকে আপনার প্রফাইল সিলেক্ট করে দিবেন।

দেখবেন আপনার সোশ্যাল বুকমার্ক সাইতগুলোতে একাউন্ট তৈরি করার কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনার কাছে ক্যাপচা চাইবে আপনি ম্যানুয়ালি ক্যাপচা লিখে দিবেন। আপনি চাইলে ২ ডলার খরচ করে ১ হাজার ক্যাপচা কিন্তেও পারবেন। তাহলে আপনাকে কষ্ট করে ক্যপচা পুরন করতে হবেনা। কিন্তু আমি আগেই বলেছিঃ ইনকাম করার আগে ১৳ খরচ করবনা।

ধরে নিলাম আপনার একাউন্ট ক্রিয়েট করা হয়ে গেছে তো এবার ইমেইল ভেরিফিকেশনের পালা। সেটাও আপনাকে করতে হবেনা SENUKE নিজে থেকেই ইমেইল ভেরিফিকেশন করে নিবে।
তো এবার আমাদেরকে সোশ্যাল বুকমার্ক করতে হবে। বর্তমান গুগোল এলগরিদমে সোশ্যাল বুকমার্ক খুবই পাওয়ারফুল আর খুব সহজেই এর দ্বারা লিংক বিল্ডিং করা যায়। তাই প্রতিটা পোস্টই পাবলিশ হবার পর সোশ্যাল বুকমার্ক করে নেয়া ভালো। এতে পোস্ট খুব দ্রুত গুগোল ইনডেক্স করে নেয়। আর খুব ভাল ট্রাফিকও পাওয়া যায়।
তো আবার মেইন মেনুতে চলে যান তারপর NEW সিলেক্ট করুন আর এইবার SOCIAL BOOKMARKING সিলেক্ট করুন। নতুন উইন্ডো আসবে সেইখানে উপর থেকে আপনার প্রোফাইল সিলেক্ট করুন। OUTPUT URL LIST এর ঘরে যেকোনো ১টি নাম দিন (এই লিস্ট থেকেই আপনার ব্যাকলিঙ্ক গুলো পাবেন।) ।এখন RSS LIST এর ঘরে যেকোনো ১টা নাম দিন।
এবার WEBSITE এর ঘরে যে সাইটের জন্য বুকমার্ক করতে চান সেই সাইট গুলোর লিংক দিন, আপনি চাইলে অনেকগুল লিংক দিতে পারেন। Title এর ঘরে পোস্ট এর টাইটেল দিন। TAGS এর ঘরে ট্যাগস দিবেন।
DISCRIPTION এর ঘরে ডিসক্রিপশন দিন । এগুল সবই স্পিন করে নেয়া হবে তাই ভয়ের কিছুই নাই। এবার ডান পাশের ঘরে SELECT/DESELECT SITE WITH ACCOUNT  মার্ক করুন। এতে যে সকল সাইটে আপনার একাউন্ট করা আছে সেই সাইট গুলোতেই শুধু বুকমার্ক করা হবে।

উপরে বাম পাশের কোনা থেকে START করুন। বুক্মারকিং করা শুরু হবে। ক্যাপচা চাইলে ক্যাপচা দিবেন।
এইভাবে আপনি খুব দ্রুত সকল সাইটের জন্য লিংক বিল্ড করতে পারবেন। আর যত লিংক বিল্ড করবেন ততই ভিজিটর আপনার সাইটে আসবে।
এবার আসি ইনকামের প্রসঙ্গে। ব্লগ তৈরি করা শেষ, SEO করা শেষ এবার তাহলে ইনকামের পালা। ইনকামের জন্য আমরা কয়েকটা সাইট ইউজ করবো সেইগুল হল এড লিফ, এড ফোক (অবাক হইয়া গেলাম ইংরেজি তে লিখলে পোস্ট ই পাবলিশ হয় না!!!) infolinks, clicksor. এই ৪টা সাইটে একাউন্ট করে নিন। এই ২ সাইটে ১৪০০ ক্লিক পরলে ১ ডলার আয় করা যায়। এইটা মিনিমাম। আমি সব মিনিমাম হিসাব করেই করেছি।
এডলিফ আর এডফোক সাইট থেকে URL SHORTEND করে আপনার সাইটে শেয়ার করবেন। পারলে entry script ও ব্যাবহার করতে পারেন। তো ধরা যাক ১ মাস পর আপনার প্রতিটা সাইটে ৫০০ জন করে ভিজিটর আসছে। তাহলে পেজভিউ হবে মিনিমাম ৯০০। আর এডলিফ সাইটে ক্লিক পরবে প্রতিদিন ২০০ করে। আপনার আছে ২০ টা সাইট তাহলে ২০ সাইটের জন্য ২০ গুন ২০০ = ৪০০০ ক্লিক। তাহলে দেখা যাচ্ছে প্রতিদিন ২০ টা সাইট থেকে আসছে ৩ ডলার। আর মাসে ৯০ ডলার।
এবার আসি Infolinks & Clicksor এর দিকে। প্রতিদিন যদি ৯০০ পেজ ভিউ হয় তাহলে ইম্প্রেশন আসবে ৫০০ থেকে ৬০০। আর যদি eCPM রেট ০.20 হয় তাহলে প্রতি সাইটের ডেইলি ইনকাম ১০০ সেন্ট। অর্থাৎ ২০ সাইটে ২ ডলার মাসে ৬০ ডলার। একি হিসাব আসবে clicksor এড থেকেও আর প্রতি মাসে এইখান থেকেও আয় হবে ৬০ ডলার। তাহলে সর্বমোট কত দাঁড়ালো?
৯০+.৬০+৬০=২১০ ডলার।
খুব কি অলৌকিক কিছু মনে হচ্ছে? আমার মনে হয় না। সম্ভব এবং খুবই সম্ভব। এইটা করার জন্য খুব খর আর কাঠ পুরাতে হবে না। চেষ্টা করেই দেখেন। সব ম্যাটেরিয়াল তো ফ্রিতেই পাচ্ছেন তাই না? অনেক কষ্ট হয়েছে সম্পূর্ণ পোস্ট লিখতে। যদি একজনও মনে করেন এইটা একটা উপকারী পোস্ট তাহলেই আমার এই কষ্ট সার্থক হবে। আমি সবসমই চেয়েছি ভালো কিছু শেয়ার করতে। আমি চাই আপনারাও সফল হন এগিয়ে নিয়ে যান আমাদের এই ছোট্ট দেশটাকে। পরবর্তীতে নতুন পোস্ট পাবেন কিভাবে Reddit আর Stumbleupon সাইট থেকে আপনার সাইটের জন্য প্রতিদিন ২ হাজার ভিজিটর নিয়ে আসবেন। পোস্টে সমস্যা পেলে বা কোথাও বুঝতে অসুবিধা হলে কমেন্ট করুন