Saturday, June 8, 2013

আলু দিয়ে আগুন ধরান ! কি ভয় পেলেন ?

আজ আর কনো কথা না বারিয়ে কাজের কথায় আসি । আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আলু দিয়ে আগুন ধরানো যায় ! কি ভয় পেলেন ! ভয় পাওার কিছু নাই । LED  লাইটের আগুন।

যা যা লাগবে

  1.  একাধিক আলু ।
  2. ২ টা বা তার বেশি zinc এর লুহা
  3. ২টা বা তার বেশি copper-এর লূহা
  4. কিছু তার । 
picture গুলা দেখেন আশা করি বুঝবেন। আর আমি তো মোটামোটি explain করেছিই।

১. দেখতেই পারতেছেন , এখানে ২টা আলু ,২ টা করে zinc আর copperএর লো হা । এগুল বাজারে  কিনতে পাবেন।
২. এখানেও বুঝতে পারতেছেন কি করতে হবে ।
৩. এখানেও কি কিছু বুঝেন নাই । আরে ভাই ! অই nail গুলা আলুতে ডুকাইতে হবে ।
৪. একাধিক আলু হলে এভাবে রাখেন । একাধিক আলুর দরকার হতে পারে কারন ১টা আলু দিয়ে অনেক সময় লাইট জ্বলে না । তাই একাধিক আলুর দরকার হয় । যেমন আমি ব্যবহার করেছি ।

৫. এখন আপনি একাধিক তার হলে এখানে আমি যে ভাবে আড়া আড়ি ভাবে লোহা দুইটা যোগ করলাম , আর বেশি আলু হলেও একি ভাবে যোগ করবেন । যত বেসি আলু হবে লাইটে তো তো বেশি power পাবেন ।এক তার copper লোহার সাথে আর আরেকটা zinc -এর লোহার সাথে সংযোগ করবেন ।
৬. এখন just আলুর বাকি দুই প্রান্ততে লাইটের দুই প্রান্ত যোগ করে দিন ।
লাইট জ্বলে উঠবেই ।আমার এই experiment -টা আপনার ভাল লাগলে facebook-এ আমাকে এড করতে পারেন । আমাকে শেখানেই পাবেন ।
আরেকটা কথা । কারো FB তে যদি Photo verification চায় তাহলে আমাকে ADD করতে পারেন। আমি এটা ঠিক করে দিতে পারি । তবে কিছু শর্ত সাপেক্ষে করে দিবো ।  আজ আর না অনেক রাত হলো ঘুমাইতে হবে।
আরেকটা কথা ভুলে গেলাম, এই experiment-টা গাজর দিয়াও করা যায় । হা...হা...
.......-.________
----/ \_)_______)  'Am here @ FACEBOOK.
...........    ()___)
................()__)
----\___()_)

আমার আরও টিউনসঃ

Friday, June 7, 2013

clickfair Earn অয়ার্নিং করার খুব সহজ একটি পদ্ধতি

ধাপ-1 Go this Link My link is here  
ধাপ-২:ওয়েবসাইটটি খুললে তার উপরে ডান দিকের Register লিখাটিতে ক্লিক করুন।
ধাপ-৩: এবার যে ফরমটি আসবে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে
Create My account  লিখাটিতে ক্লিক করুন
ধাপ-৪: এখন আপনি আপনার ইমেল অ্যাকাউন্টে গিয়ে ইমেলটি ভেরিফাই Link ক্লিক করুন একটা নতুন ট্যাব ওপেন হবে।
সফলতার সাথে একটি একাউন্ট করa সমর্থ হয়েছেন।
ধাপ-5:প্রথমে এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার ইউজার আই.ডি (User ID) ও পাসওয়ার্ড (Password) টাইপ করে Login ক্লিক করুন
ধাপ-6:লগিন হওয়ার পর অ্যাড দেখতে  View Ads ক্লিক করুন।
ধাপ-7:এরপর আপনি এ্যডগুলো দেখতে পাবেন।   Fixed Advertisements,   Micro Exposure,   Fixed Advertisements এর যেকোন একটা তে ক্লিক করুন। একটা নতুন ট্যাব ওপেন হবে। এবার কিছুখন অপেক্ষা করলে দেখবেন
Waiting for the advertisement to load..
এবার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। Page টির উপরের দিকে যতক্ষন Your click has been Validated লিখাটি না আসবে ততক্ষন পর্যন্ত আপনাকে ঐ Page এ থাকতে হবে। এর জন্য আপনাকে ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হতে পারে।

Thanks for watching Ai Lekha Asa Porjonto Wait korun 10 sec
হয়ে গেলে আগের পেজে চলে যান এবং হুবহু একঐ পদ্বতিতে বাকি যে Advertisement গুলো আছে সেগুলো দেখুন। এভাবে 12 ঘন্টা পরপর প্রতিটি বিজ্ঞাপন একবার করে ক্লিক করতে পারবেন।প্রতিটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য আপনি 0.00১ সেন্ট হতে 0.01 সেন্ট পেতে পারেন
My current status :
Golden Member + Direct referral  100 + Rented Refferral 2000
Daily earnings:
$20.00
Daily expenses:
$12.00
Daily profit:
$8.00
Weekly Profit:
$56.46
Monthly Profit:
$230.00
My daily referral click from 2000 RR is (1700–2200)click but my earning is daily $17–22
That means per referral daily gives me less than 1 click but I get profit from clickfair.
1700 click ÷ 2000 RR = 0.85 (it is less than 1 click)
But 1700 click × $0.01 per click = $17 daily earning
আমি এই পর্যন্ত যেতে একটা ট্রিচক follow করছি আর বিস্তারিত জানটা signup করার পর কল করুন .01947603260

গুগল অ্যাডসেন্স : ব্লগ লিখে হাজার ডলার!

প্রতিদিন কত ওয়েবসাইট ভিজিট করেন আপনি? কখনো কি খেয়াল করেছেন ‘অ্যাডস বাই গুগল’ বা ‘অ্যাডচয়েজ’ এমন লেখা বিজ্ঞাপন? এগুলো কোথা থেকে আসে জানেন? গুগল অ্যাডসেন্স থেকে! আপনি যদি অ্যাডস বাই গুগল লেখা কোন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন তাহলে উক্ত ওয়েবসাইটের মালিক গুগলের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রেভিনিউ পাবে। ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট আছে তার অধিকাংশ ওয়েবসাইটই এই গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করে থাকে।
গুগল অ্যাডওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতারা গুগলকে বিজ্ঞাপন দেয় আর সে বিজ্ঞাপনগুলো গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েবমাষ্টার বা ব্লগাররা তাঁদের সাইটে প্রদর্শন করে। এটি অনলাইনে টাকা উপার্জনের একটি বৈধ এবং জনপ্রিয় মাধ্যম, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করা যায়?
গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করতে হলে প্রথমেই যে জিনিসটা দরকার সেটা হচ্ছে একটি তথ্যবহুল ওয়েবসাইট বা ব্লগ; যেখানে নির্দিষ্ট কোন একটা বিষয়ের উপর প্রচুর তথ্য উপাত্ত থাকবে এবং বিভিন্ন সার্চ  ইঞ্জিন যেমন গুগল, ইয়াহু, বিং থেকে ভিজিটররা এসে ওয়েবসাইট বা ব্লগে তাদের আকাংখিত তথ্য এবং সমাধান পাবে। দ্বিতীয়ত, একটি গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টের জন্য গুগলের নিজস্ব প্রাইভেসি পলিসি এবং টার্মস অব সার্ভিসেস গুলো মেনে আবেদন করতে হয়। দুই ধাপের ভেরিফিকেশন প্রসেস সম্পন্ন হওয়ার পর গুগল অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে অ্যাপ্রুভাল দেয়।
আবেদন গৃহীত হওয়ার পর, ওয়েবমাস্টার বা ব্লগারকে অ্যাডসেন্স সাইট থেকে বিজ্ঞাপন জেনারেট করে তাদের নিজস্ব সাইটে বসাতে হয়। অ্যাডসেন্স রোবট সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে কন্টেক্সচুয়াল বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং ভিজিটররা উক্ত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা মাত্রই পাবলিশারদের অ্যাকাউন্টে প্রাপ্ত টাকাটা জমা হয়। প্রতি মাসের শেষের দিকে অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টধারীর ঠিকানায় চেক ইস্যু করে।
গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পেতে কতদিন লাগতে পারে?
গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পুরোপুরি নির্ভর করে ওয়েবসাইট বা ব্লগের কনটেন্ট এবং সাইটে আসা ট্রাফিকের উপর। কেউ যদি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার ঠিক ২ মাসের মধ্যেই প্রচুর পরিমান ট্রাফিক সাইটে আনতে পারে, তবে ঠিক ২ মাস পর থেকেই আয় করা সম্ভব। হতাশ না হয়ে, নিয়মিত ভালো মানের কনটেন্ট লিখে যেতে পারলে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে সাফল্য আসতে বাধ্য। যদি লেগে থাকার মতো ধৈর্য থাকে এবং নিয়মিত নতুন নতুন কনটেন্ট লিখে যাওয়া যায় তবে কেউ অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ শুরু করার ঠিক ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই সাফল্য পেতে পারে।
একজন অ্যাডসেন্স পাবলিশার মাসে কত টাকা আয় করতে পারে?
ব্লগ লিখে শত কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের তরুণদের মধ্যে। শুধু গুগল অ্যাডসেন্সের একটি আয়ের তথ্য দেই। গুগল অ্যাডসেন্স মূলত গুগলের একটি পণ্য। গতবছর গুগল এ পণ্য থেকে আয় করেছে ৭৭ হাজার ৬৮০ কোটি টাকারও বেশি বেশি পরিমাণ অর্থ (সূত্র: উইকিপিডিয়া)। তাঁরা মধ্য সুবিধা প্রদাণকারী হিসাবে কেটে রাখে।
এখন ৩২ শতাংশ থেকেই গুগলের যদি আয় হয় ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি, তাহলে ৬৮ শতাংশ পেয়ে অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের আয় কত হিসাব করে দেখেছেন কখনও? আর এ আয়ের মাত্র ১ শতাংশও যদি বাংলাদেশি তরুণরা পায় তাহলে মোট কি পরিমাণ অর্থ দেশে আসা সম্ভব একবার হিসাব করে দেখুন। অন্যান্য দেশের অনেক তরুণ-তরুণীরাই একমাত্র গুগল অ্যাডসেন্স থেকে মাসে ৩০ হাজার ডলারের উপরে আয় করছেন। সঠিক দিক নির্দেশনা আর নিয়মিত সাধনা করে গেলে বাংলাদেশিরাও সমপরিমাণ বা তারচেয়ে বেশি আয় করতে পারে প্রতি মাসে।
Al Amin Kabirকিভাবে গুগল অ্যাডসেন্সের চেক দেশে আনবেন এবং কোথায় ক্যাশ করাবেন?
গুগল অ্যাডসেন্সের চেক সাধারনত দুটি উপায়ে বাংলাদেশে আনা যায়। একটি হলো- ডাক বিভাগের সাধারণ সার্ভিসের মাধ্যমে অথবা ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। সাধারণ ডাক সার্ভিসের মাধ্যমে একটি চেক ১৫ থেকে ২০ দিনের মতো সময় নেয় ঠিকানামতো পৌছাতে। তবে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাত্র ৪ দিনের মধ্যেই চেক আনা সম্ভব। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় অনেক সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংক গুগল অ্যাডসেন্সের চেক ক্যাশ করে থাকে। সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংক অন্যতম। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে এক্সিম ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক গুগলের চেক ক্যাশ করে থাকে। লোকাল ব্যাংকগুলোতে ২০ থেকে ৪৫ দিনের মতো সময় লাগে একটি চেক ক্রেডিট হতে।

বাংলাদেশের তরুণরা গুগল অ্যাডসেন্সে কেমন করছে এবং তাদের সম্ভাবনা কতটুকু?

বাংলাদেশে এখন এমন গুগল অ্যাডসেন্স পাবলিশার রয়েছেন যারা ব্লগ লিখে আয় করছেন ৩ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত।বাংলাদেশি তরুণরাই যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছেন তা আমি নিজেও জানতাম না এতদিন, সম্প্রতি ব্যাংকে আমার চেক জমা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাংক অফিসারের মুখেই শুনেছি একজন তরুণের গল্প, যে কিনা প্রতিমাসেই ৩ থেকে ৫ হাজার ডলারের গুগল অ্যাডসেন্স চেক জমা দেয় প্রতিমাসে। বাংলাদেশে গুগল অ্যাডসেন্সে খুব ভালো করছে এরকম তরুন তরুনির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনেকেই প্রফেশনাল ব্লগিং এর দিকে নজর দিচ্ছে এবং উত্তরোত্তর নিজের দক্ষতা উন্নয়ন করে অ্যাডসেন্স থেকে বেশ ভালো অংকের টাকা আয় করছে। বর্তমানে প্রায় ৩৫ টি দেশের ভাষায় অ্যাডসেন্স চালু রয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলা ভাষায় এখনো অ্যাডসেন্স পাওয়া যায় না। অ্যাডসেন্স যদি বাংলা ভাষা সাপোর্ট করে; তবে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বাংলা ব্লগাররা প্রচুর আয় করার স্বপ্ন দেখতে পারে।
গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের কোথায় কোথায় উন্নতি করতে হবে?
গুগল অ্যাডসেন্স সেক্টরে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। গুগল অ্যাডসেন্সের সফলতা অনেকাংশেই কনটেন্টের উপর নির্ভর করে। ইন্টারনেটে কনটেন্ট তৈরি করতে হলে এবং এ থেকে আয় করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ইংরেজি কনটেন্ট ডেভেলপ করা জানতে হবে, অর্থ্যাৎ কনটেন্ট তৈরিতে যেমন দক্ষতা থাকতে হবে তেমনি ইংরেজিও ভালো লিখতে জানতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের অধিকাংশ তরুণ ইংরেজিতে খুবই দুর্বল, আর এ কারণেই কনটেন্ট ডেভেলপমেন্টে ভালো কিছু করতে পারেনা। ইংরেজি না জানা তাই আমাদের জন্য বেশ বড় একটি সমস্যা।গুগল অ্যাডওয়ার্ডের মাধ্যমে গুগল যত টাকা পায় তার ৬৮ শতাংশই দিয়ে দেয় অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের, আর মাত্র ৩২ শতাংশ পায় গুগল।
দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে, আমরা সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে জানিনা। একটি ব্লগ পোস্ট আমি লিখলাম, সেটি তো পাঠকের দোরগোড়ায় পৌছতে হবে, নাকি? কিন্তু অধিকাংশ নবীন ব্লগার জানেননা একটি ব্লগের মার্কেটিং আসলে কিভাবে করতে হয়। এজন্য কমিউনিটি তৈরি করা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা এবং ব্লগের ব্র্যান্ডিং সহ নানা বিষয় জানার প্রয়োজন হলেও আমরা সেগুলো ভালোমতো জানিনা। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, গুগলের অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যাওয়া। বাংলাদেশি কোন পাবলিশারের ওয়েবসাইটে একটু বেশি ক্লিক থ্রু রেশিও (সিটিআর) অর্থ্যাৎ ক্লিকের হার বেশি হলেই অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যায়। এ কারণেই অনেক ব্লগার মাঝপথে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আমি নিজেও একবারে ৩ লক্ষাধিক টাকা সহ গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ব্যান খেয়ে অনেকদিন ব্লগিং থেকে দূরে ছিলাম। যদিও ব্লগিং প্যাশন আমাকে ব্লগ লেখা থেকে বেশিদিন দূরে রাখতে পারেনি।
Blogging 1
শুধুমাত্র বেসিক ইংরেজি জ্ঞান এবং নিয়মিত লিখে যাওয়ার ধৈর্য্যই গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পাওয়ার মূলমন্ত্র। বাংলাদেশী তরুন এবং বেকার যুবকরা তাদের অলস সময়ের কিছুটা সময় এর পিছনে ব্যয় করলে তাদের জীবনধারাই পাল্টে যেতে পারে। টাকা উপার্জনের এই ফ্রি এবং বৈধ প্লাটফর্মটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগান গেলে বাংলাদেশ এই সেক্টর থেকেই প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতে পারে।
গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পেতে হলে কি কি জানা জরুরি?
গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য লাভের বেশ কতগুলো মূলমন্ত্র রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হচ্ছে:
    পাঠক যাতে আপনার ব্লগ পড়ে স্বাচ্ছন্দ্য পায় এবং তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো নোট করে রাখতে পাওে সেজন্য পয়েন্ট অথবা লিস্ট আকারে ব্লগ লিখুন। কখনো সার্চ ইঞ্জিনকে টার্গেট করে অযাচিত কিওয়ার্ড দিয়ে ব্লগ বানাবেন না। কারণ সার্চ ইঞ্জিনগুলো বড়জোর আপনাকে পাঠক এনে দিতে পারবে কিন্তু পাঠক যদি সাইটে বেশি সময় অবস্থান না করে তবে  কখনো বিজ্ঞাপনেও ক্লিক করবে না।
    একজন ব্লগারের লেখা পড়তেই পাঠকরা তাঁর ওয়েবসাইটে আসবেন। আর ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসা মানেই যখন সাফল্য তখন সাফল্য পেতে এই লেখার প্রতিই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া জরুরি। আপনি যত সুন্দর লিখতে পারবেন সাফল্যও ততদ্রুত আপনার দরজায় উঁকি দেবে।
    ব্লগে প্রতিটি আর্টিকেল পাবলিশ করার সময় রিলেটেড ছবি ব্যবহার করবেন। গবেষনায়  দেখা গেছে যে, আর্টিকেলে ছবি থাকলে তা বিজ্ঞাপনে ক্লিক বেশি পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কখনোই ছবির গা ঘেষে বিজ্ঞাপন বসানো যাবে না। ছবি থাকলে আর্টিকেল পড়তে মানুষজন আগ্রহী  হয় এবং বেশি সময় ধরে সাইটে অবস্থান করে। একটা জরিপে দেখা গেছে যে, একজন ভিজিটর যদি  বেশকিছু সময় ধরে সাইটে অবস্থান করে তবে তার মধ্যে আরো তথ্য জানার একটা আগ্রহ তৈরী হয় এবং তখনই কেবল সে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে।
    প্রথমেই খুব বেশি টাকা পাওয়া যায় এমন কিওয়ার্ড টার্গেট করে ব্লগ বানাবেন না। প্রথমে কমদামি কিওয়ার্ড টার্গেট করুন এবং সাইটে ভিজিটর আসতে শুরু করলে তারপর বেশি টাকা পাওয়া যায় এমন কিওয়ার্ড টার্গেট করুন।
    নিয়মিত ভালো মানের লেখা পাবলিশ করুন। লেখা কখনোই অন্য সাইট থেকে কপি করা যাবে না। লেখার মান ভালো হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যাবে। যেহেতু মোট ক্লিকের উপর টাকার পরিমাণ নির্ভর করে, সেহেতু যত বেশি সম্ভব ট্রাফিক আনা যায়, আয় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
    কপিরাইট করা ছবি ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইটেড ছবি ব্যবহার করলে গুগল যেকোন সময় অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দিতে পারে।
    উৎকট ছবি, উৎকট রং এবং অযাচিত উইজেট ব্যবহার করা যাবে না। এগুলো পাঠককে বিভ্রান্ত করে এবং সাইটের বাউন্স রেট বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়।
    মোটামুটি সার্চ হয় এরকম কিওয়ার্ড টার্গেট করে ব্লগ তৈরি করুন। গুগলের এক্সটারনাল কিওয়ার্ড টুল ব্যবহার করে, কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং ক¤িপটিটিভ এনালাইজ করে সঠিক কিওয়ার্ডগুলো নির্বাচন করুন এবং তার উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট তৈরী করুন। যত বেশি কনটেন্ট পাবলিশ করা যায়, আয়ের সম্ভাবনা ততই বেশি।
    একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে ব্লগিং করুন। জগাখিচুড়ি টপিক নিয়ে ব্লগিং করলে রিলেভেন্ট অ্যাডভারটাইজমেন্ট পাওয়া যায় না। ফলে বিজ্ঞাপনে ক্লিক পাওয়ার হার কমে যায়। সবচেয়ে ভাল হয় যদি গতানুগতিক টপিক সিলেক্ট না করে মার্কেট রিসার্চ করে এমন একটা টপিকে ব্লগিং করা যায় যেটা নিয়ে সচরাচর মানুষ ব্লগিং খুব কম করে। এতে করে কম্পিটিশন কম হয় এবং খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর পাওয়া যায় এবং বিজ্ঞাপনের কস্ট পার ক্লিকও (প্রতি ক্লিকের মূল্য) বেশি পাওয়া যায়।
    নিয়মিত সাইটের ট্রাফিক, সিটিআর (ক্লিক পড়ার হার) এবং পেজ ইম্প্রেশন মনিটর করুন। ইনভ্যালিড অথবা অস্বাভাবিক পরিমাণ ক্লিক পড়লে সাথে সাথে সেটা গুগলের কাছে রিপোর্ট করুন। এতে করে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়া থেকে বেঁচে যাবেন।

যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তারা একটু দেখুন।

সবাইকে অনেক অনেক সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। এটা সবার জানা যে, বিশ্বের সব ধরনের ব্যবসায়ীরাই চায় তাদের ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিতে, আরো প্রসার করতে তাই ইন্টারনেটের ব্যবসায়ীদের ও এর ব্যতিক্রম হতে দেখা যায় না। তবে ব্যবসা তো আর এমনি এমনি প্রসার লাভ করে না। একে বিভিন্ন উপায়ে প্রসারিত করতে হয়। আর এই উপায় গুলোর মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং হল প্রধান।
এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?:
ধরে নিন আপনি একটি সাইটে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এখন আপনার রেফারেন্সে যদি অন্য কউ ঐ সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে এবং এর বিনিময়ে আপনি যদি কোন ভাবে লাভবান হন তবে একে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। এফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার ইন্টারনেট থেকে আয়ের একটি ভালো উতস হতে পারে যদি আপনি মনোযোগ এবং শ্রম দেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং শুধু রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেই নয় আরো অনেক ভাবে করা যায়:
১. রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে।
২. ডাউনলোডের মাধ্যমে।
৩. পণ্য বিক্রির মাধ্যমে।
এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায় এমন কিছু সাইটের ঠিকানা:
1. Alert Pay
2. http://adf.ly/Q9Qrx
3. http://adf.ly/Q9Qvi
4. http://adf.ly/Q9Qxc
4. http://adf.ly/Q9Qzg
5. http://adf.ly/Q9R2Q
6. http://adf.ly/DiPb6
7. http://adf.ly/Q9R84
কিছু টিপস:
* ইউজার রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে আয় করতে চাইলে, বিভিন্ন ফোরামে, ওয়েবসাইটে এবং ব্লগে আপনি যে সাইটে রেজিস্ট্রেশন করাতে চাচ্ছেন সেই ওয়েব সাইট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখুন এবং একজন ব্যক্তি কেন সেখানে রেজিস্ট্রেশন করবে এবং লাভ টা কি হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করে আপনার রেফারেল লিং দিয়ে দিন।
* ডাউনলোড এর ক্ষেত্রে কোন সফটওয়ার, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি বা প্রয়োজনীয় কিছু ডাউনলোড করে বিভিন্ন ফোরামে এবং ওয়েব সাইটে সে সম্পর্কে লিখুন এবং আপনার ফাইলের লিংটি দিয়ে দিন।
* বিভিন্ন পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রেও উপরের টিপস গুলো কাজে লাগাতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

আর্টিকেল Writing এর সব গোপন কথা ফাঁস, আর্টিকেল লিখে ইনকাম করুন সহজেই ।

অনলাইনএ ইনকাম করার সব থেকে সহজ উপায় আর্টিকেল রাইটিং । আর্টিকেল লিখার একটি সহজ সিস্টেম-
  • ১. Google অথবা যে কোন Article Directory থেকে আপনার যে subject এর উপর article লিখতে হবে সেই রকম একটা সুন্দর Article কপি করে নিন ।
  • ২. Microsoft Office থেকে MS Word Open করুন, সরাসরি Paste করবেন না, Paste এ যান আর Paste Special Select করুন, Paste Special থেকে Unformatted Text Select করুন, Ok button Press করুন ।
  • ৩. আর্টিকেল এ Sentence এর word নীচে লাল দাগ বা অন্য কোন দাগ থাকলে বুজবেন Sentence এ কোন ভুল আছে ।
  • ৪. Word এর নীচে যদি লাল দাগ থাকে তবে বুজবেন Word টি ভুল, এবার Word এর উপর Mouse এর Cursor নিয়ে Right Button Press করুন আর Word টি correct করুন ।

  • ৫. Sentence এর নীচে যদি এরকম কোন সবুজ দাগ থাকে তবে বুজবেন Sentence টি সম্পূর্ণ না । নিজে থেকে Sentence টি correct করুন অথবা ৪ নম্বর নিয়ম Follow করুন ।
  • ৬. Keyword গুলোর মাঝে কোন Space রাখবেন না, যেমন (Search engine optimization টাকে আমরা Searchengineoptimization করব)
  • ৭. এবার Grammatical ভুল গুলো ঠিক করবো, একটা সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে, আপনি ২ দিনের trial ব্যবহার করতে পারেন বা কিনতে পারেন । সফটওয়্যার টির দাম ৯0$ ।
  • ৮. সফটওয়্যার টি install করে MS Word Open করুন আর গ্রামার ঠিক করুন ।
  • ৯. গ্রামার ঠিক করা হলে এই আর্টিকেল টি কে এই খানে কপি করে পেস্ট করবো আর নীচের অপশন থেকে Best Spin Every Other Word সিলেক্ট করে দেব ।
  • ১০. এবার স্পিন করা আর্টিকেল টির আবার Grammatical ভুল ঠিক করবো ।
  • ১১. হয়ে গেল আপনার আর্টিকেল লেখা। তবে সফটওয়্যার দিয়ে আর্টিকেল লিখলে আর্টিকেল এর মানে ঠিক থাকে না । আর্টিকেল স্পিন করার পর আপনাকে এই ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে । আর এই ভাবে আপনি ১০০% UNIQUE আর্টিকেল লিখতে পারবেন বলে আশা করি ।
  • ১২. তবে আপনি যদি Killer Article লিখতে চান তবে আপনাকে আর এক্তু বেশী কষ্ট করতে হবে ।

আর্টিকেল রি রাইট করার ১০ টি উপায় …..

আসলে আর্টিকেল এর ব্যাবহার আর এর প্রয়োজনীয়তা অনেক,শুধু মাত্র ভালো মানের আর্টিকেল হলে ই একটা সাইট খুভ ভালো ফলাফল আপনাকে দিতে পারে, যেহেতু  গুগুল  কনটেন্ট কে খুভ দাম দেয় তাই ভালো মানের আর্টিকেল এর কোনও বিকল্প নেই ,আর আর্টিকেল রিরাইট এর অনেক কাজ ও আছে বিভিন্ন মার্কেট প্লেস এ । আসুন তাহলে দেখি কি ভাবে ভালো মানের একটা আর্টিকেল লেখা যাবে রিরাইট করার মাধ্যমে ।
১.মুল লেখাটা পড়া
প্রথমে আপনাকে মুল লেখাটা খুব ভালো ভাবে পরতে হবে,আর আপনি যদি মুল লেখা টা ভালো করে পরেন তাহলে আপনি পরবর্তী লেখার জন্য একটা ভালো ধারনা পাবেন ।আর এটা খুব ই গুরুত্তপূর্ণ যে মূল লেখা না পরে আর্টিকেল রি রাইট করতে যাওয়াটা বোকামি ।
২।হেডলাইন পরিবর্তন
হেডলাইন পরিবর্তন এর জন্য প্রথমে কি ওয়ার্ড এর ব্যাপারে  লক্ষ্য রাখতে হবে,এখানে কি ওয়ার্ড লক্ষ্য রাখবেন মূল যে লেখাটা আছে অই টার ,যেমন যদি মূল কিওয়ার্ড থাকে ফুটবল তাহলে আপনি ফুটবল এর  সাথে মিল আছে এমন বিষয় নিয়ে আপনার কিওয়ার্ড নির্বাচন করবেন ।আপনি এমনভাবে হেডলাইন পরিবর্তন করবেন যাতে অই টা আকর্ষিণীয় হয়,এবং খুভ বেশি বড় যাতে না হয় ।
৩.সাব হেডিং
আপনার লেখা আর্টিকেল এ অবশ্যই একটা সাবহেডিং দিবেন ,কারন সাবহেডিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার কিওয়ার্ড কে একটা ভালো ফোকাস করতে পারবেন আর যেটা আপনার আর্টিকেল এর জন্য অনেক দরকারি ।তবে এই ক্ষেত্রে মূল কি ওয়ার্ড না দিয়ে প্রতিশব্দ ব্যাবহার করা ভালো ,যাতে করে পাঠক আপনার আর্টিকেল এর ব্যাপারে সব দিক দিয়ে ভালো একটা ধারনা পায় ।
৪।সূচনা প্যারাগ্রাফ এর পরিবর্তন
এখানে সূচনা প্যারাগ্রাফ বলতে আপনার প্যারাগ্রাফ এর প্রথম পেরা কে বুজানো হয়েছে ,আপনি প্রথমেই আপনার  প্যারাগ্রাফ এর এই পার্ট টা নতুন করে লিখবেন ,খুভ বেশি যে পরিবর্তন করবেন তা না ,মূল বিষয় তা ঠিক রেখে নিজে কিছু বিষয় লিখবেন ,আর এর জন্য আপনি যে প্রতি শব্দ ব্যাবহার করেছেন তা নিয়ে লেখাটা ভালো ,আপনার লেখাটা জেনো বিষয় বস্তুর বাইরে না হয় এই বেপার টা লক্ষ্য রাখবেন ।
৫.হেড লাইন তৈরি করা
এখানে হেড লাইন তৈরি করা বলতে বুজানো হয়েছে যে ,আপনি আপনার প্যারাগ্রাফ এর যে ভাগ গুলা করবেন তার প্রতিটার জন্য একটা হেড লাইন করাকে ।তবে প্যারাগ্রাফ কে ২ থেকে ৩ টা ভাগে ভাগ করা ই ভালো। আর তারপর আপনি যে আর্টিকেল টা কে মূল ধরে কাজ করছেন সেই আর্টিকেল এর পেরার প্রথম ২ থেকে ৩ টা লাইন আপনি আপনার হেড লাইন এর মত করে পরিবর্তন করবেন আর বাকি লেখা গুলুতে আপনার প্রতিশব্দ ব্যাবহার করার চেষ্টা করবেন ।
আজ এই পর্যন্ত  বাকি ৫ টা বিষয় নিয়ে লিখব আগামি পোস্ট এ সবাই ভালো থাকবেন । বাংলা লিখতে কিছুটা  সমস্যা হয় তাই বানান এর ব্যাপারটা একটু ক্ষমা সুন্দর ভাবে দেখবেন ।

আর্টিকেল ইউনিকনেস চেক করার কিছু সাইট !

গুগলের সম্প্রতিক আপডেডের ফলে এখন একটি সাইটকে র‍্যাঙ্ক করানো যেমন অনেক কষ্টের আবার অনেক ক্ষেত্রে সহজ ।
যদি আপনি আপনার সাইটকে সহজেই সার্চ রেজাল্টে সামনের দিকে দেখতে চান এবং অবশ্যই প্রথম পেইজে সেই ক্ষেত্রে আপনার হাই কোয়ালিটি ইউনিক কন্টেন্টের দিকে নজর দিতে হবে ।
আগের মত কপি পেস্টের যুগ অনেক আগেই শেষ তাই আপনাকে অবশ্যই ইউনিক আর্টিকেলের উপর নজর দিতে হবে।
এখন কথা হচ্ছে আপনি আর্টিকেল লিখছেন তবে সেটা কতটা ইউনিক সেটা আপনি বুঝতে পারছেন না , তাইনা ?
চিন্তার কোন কারন নেই আমি আপনাদের কে বেশ কিছু ফ্রী আর্টিকেল ইউনিকনেস চেকার সাইট দেব যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার আর্টিকেল কতাটা ইউনিক সেটা বুঝতে পারবেন ।



এগুলো নিয়ে বিস্তারিত বলার তেমন কিছুই নেই , আমি জাস্ট সাইট গুলো শেয়ার করছি আপনি সাইট গুলো ভিজিট করলেই বুঝতে পারবেন আশা করছি সমস্যা হবেনা আর সমস্যা হলেতো মাইসিস সব সময় আপনাদের পাশেই আছে ।

আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা সামনে নতুন পোস্ট নিয়ে আবার হাজির হব ইন শা আল্লাহ্‌ !
আশা করি এই পোস্টটি নতুনদের অনেক বেশি কাজে লাগবে ।
ভালো লাগলে অথবা কোন সমস্যা হলে জানাতে ভুলেবেন না।
এস.ই.ও, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ই-মেইল মার্কেটিং,  ব্লগিং অ্যান্ড অ্যাফিলিয়েট সহ যে কোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসার জন্য আমাদের মাইসিস ইন্সটিটিউট অফ আইটির  অফিশিয়াল পেইজে কানেক্টেড থাকতে পারেন।