Showing posts with label এফিলিয়েট মার্কেটিং. Show all posts
Showing posts with label এফিলিয়েট মার্কেটিং. Show all posts

Thursday, July 9, 2015

যাদের ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট আছে তাদের জন্য সহজ আয়ের একটি উপায়। ইউজাররা এড ক্লিক করতে হবে না, নিজে নিজেই ক্লিক হয়ে যাবে।update

আমরা অনেকে ইন্টারনেট থেকে সহজে আয় করতে চাই আসলে সহজে আয় করার জন্য কোন সহজ উপায় নেই। তাও অনেক খোজ খবর নিয়ে আপনাদের জন্য আজ একটি সহজ আয়ের পথ নিয়ে আসলাম । যারা এই সম্পর্কে জানেন তার কমেন্ট করে জানাবেন । এবং আপনি কত আয় করেছেন তা বলতে বুলবেন না।
PopAds.net - The Best Popunder Adnetwork

আসুন আসল কথায়

  • ১. কাজের নাম: বিজ্ঞান প্রকাশ করে আয় (পপ আপনার সাইটে কেউ ভিজিট করলে অটো বিজ্ঞাপন দেখাবে, ক্লিক করতে হবে না।)
  • ২. কারা আয় করতে পারবে? : যাদরে ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট আছে তারা ।
  • ৩. কত টাকা আয় হবে? : আপনার সাইটে ভিজিটর যতো বেশি আপনার আয়ও তত বেশি।
  • ৪. কত টাকা হলে উঠাতে পারব?: ১০ দশ ডলার।
  • ৫. কীভাবে উঠাব? : পেপাল, পেইজা ইত্যাদি।
আর কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাবেন উত্তর দেয়ার যথেষ্ট চেষ্টা করবো।

এইবার আসুন কাজ শুরু করি

  • ১. প্রথমে এইখানে ক্লিক করে  একাউন্ড করুন। একটি ফরম আসবে তা পূরণ করুন।
  • ২. এইবার হোম পেজের বাম পাশে দেখবেন Websites নামে একটা অপশন আছে, এইবার এই পেজ add new site  (একের অধিক সাইট বসাতে পারবেন।)ক্লিক করে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ যোগ করুন। (এপপ্রোপ করতে ২৪ ঘন্টা সময় নিবে)
  • ৩. এর পর আপনি কোড লগ অন করে  Get Codes এ যাবেন
  • ৪. সেখানে যে কোড আছে তা আপনার ওয়েব সাইটে বা ব্লগে HTML অংশে এড এ গেজেট এর মাধ্যমে যোগ করবেন। আর যাদের ওয়াপকা সাইট আছে তারা কোডটি Head auto content এ বসান।
  • ৫. কাজ শেষ।
  • ৬. আশা করি ১০-১৫ দিনের মধ্যে আপনার একাউন্ডে ১০ বা তার বেশি টাকা জমা হবে, যদি আপনার সাইটের ভিজিটর বেশি থাকে তো,।
  • আমি আমার এই সাইট টি তে ব্যবহার করি http://topchotigolpou.blogspot.com/

Monday, May 18, 2015

যে কারণে আমি আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পছন্দ করি

যখন আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শব্দটি শোনেন, কোন নামটি আপনার মনে প্রথম নাড়া দেয়?
আপনার যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে কোন জানাশোনা থাকে তাহলে প্রথম যে নামটি মনে আসবে, সেটি ক্লিকব্যাংক। আফটার অল, এটিই অ্যাফিলিয়েট ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বড় নাম। সাইটটির প্রোডাক্ট সংখ্যা অফুরন্ত, আর এর কমিশনের পরিমাণও অনেক বড় (অনেক ক্ষেত্রে ৭৫% পর্যন্তও কমিশন দেয় সাইটটি!), একটু খোঁজ করলে রিকারিং কমিশন সহ অনেক প্রোডাক্টের খোঁজও মিলবে। আর এক্ষেত্রে উক্ত প্রোডাক্টের ক্রেতা যতদিন প্রোডাক্টটি ব্যবহার করবেন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারও ততদিনই কমিশন পেতে থাকবেন!
ওয়াও!
এত্তসব সুবিধা রেখে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা কেনই বা অন্যকোন সাইটের কিংবা স্পেসিফিক প্রোডাক্টের অ্যাফিলিয়েট করবেন? না না- অন্যকোথাও যাওয়ার কোন মানেই নেই!
আর আমাজন ডটকম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং? কোন মানেই হয় না! আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং না করার অনেকগুলো কারণ আছে। সেগুলোর কয়েকটা আসলে আলোচনা করি।

অনেক কম কমিশন রেট

একটু আগেই যেমন বলেছি, ক্লিকব্যাংক অনেক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দেয়! আর আমাজনের অ্যাভারেজ কমিশন রেট মাত্র ৬.৫ শতাংশ! কেবলমাত্র কিছু ডাউনলোডেবল এবং স্পেসিফিক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে আমাজন সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দেয়। আবার অনেক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার রয়েছে যারা আমাজন থেকে মাত্র ৪ শতাংশ হারে কমিশন পান! ক্লিকব্যাংকের তুলনায় এটি নিতান্তই কম।

কঠিন প্রচারণা নীতি

ক্লিকব্যাংকের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা যেভাবে ইচ্ছা পণ্যের প্রচারণা চালাতে পারেন, ওয়েবসাইট- বিজ্ঞাপন- ইমেইল – সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্রই। খুব বড় ডিজাস্টার না হলে ক্লিকব্যাংকের অ্যাকাউন্ট কখনো বাদ হয়না। কিন্তু আমাজন এক্ষেত্রে বড্ড বেরসিক। আপনি চাইলে যেকোনভাবেই পণ্য প্রচারণা করতে পারবেন না। একটু নীতির বাইরে গেলেই আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে!

আসলে কি তাই? আমাজন কি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য খুব খারাপ?

আসলে লেখাটি যখন শুরু করেছি তখন নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই আমাজন হেটার হওয়ার একটা চেষ্টা ছিল, তবে এই দুটি নেগেটিভ পয়েন্ট ছাড়া আমাজন অ্যাফিলিয়েটের আর কোন নেগেটিভ পয়েন্ট খুঁজে পেলাম না। সত্যি কথা বলতে, এই দুটি কারণে যদি আপনি আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকে নেতিবাচক ভাবে নেন, তাহলে বলতেই হয় আপনি ‘মানি অন দ্যা টেবিল’ মিস করছেন!

তবুও আমি আমাজনেই…

আমাজন কম কমিশন দিলেও আমি খুশি। ক্লিকব্যাংক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তাই খুব একটা চেষ্টা করিনি কোনদিন। আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকে ভালবাসার কয়েকটি কারণ বলছি!

লোয়ার কমপিটিটিভ প্রোডাক্ট

পৃথিবীতে পাওয়া যায়, এমন অলমোস্ট সব প্রোডাক্টই আমাজন ডটকমে অ্যাভেইলেবল! ক্লিকব্যাংকের প্রোডাক্টগুলো খুবই কম্পিটিটিভ, বিক্রি করাও অনেক কঠিন। আমাজন ডটকমের ইলেকট্রনিক্স প্রডাক্ট ক্যাটেগরি ছাড়া অন্যসব প্রোডাক্টই মিড লেভেল কমপিটিটিভ। এমন কি কিছু ক্যাটেগরির প্রোডাক্ট আছে যেগুলো অনেক কম কমপিটিটিভ। সহজেই তাই আমাজনের প্রোডাক্ট বিক্রি করা যায়।
আর প্রাথমিকভাবে সহজেই ক্লিকব্যাংকে সফলতা পাওয়া যতটা না কঠিন, আমাজন ডটকমের প্রথম সেল আসা তত কঠিন নয়।

এক্স্যাক্ট ম্যাচ কিওয়ার্ড টার্গেট

ধরুন ক্লিকব্যাংকের একটা প্রোডাক্ট প্রমোট করবেন, ‘ওয়েট লস’ ইনফরমেশন প্রোডাক্ট। আপনি কোনভাবেই সরাসরি উক্ত প্রোডাক্টের নামে সার্চ ভলিউম খুঁজে পাবেন না। কিন্তু অধিকাংশ আমাজন প্রোডাক্টের নিজেরই সার্চ ভলিউম আছে। যেমন: আপনি ধরুন আপনি একটি ব্লগ তৈরি করেছেন যেখানে মাউন্টেন বাইক (সাইকেল) নিয়ে লেখালেখি করেন। আপনি আপনার ব্লগটিতে মাউন্টেন বাইক রিলেটেড কিওয়ার্ডে ট্রাফিক তো ড্রাইভ করাতে পারবেনই, সরাসরি মাউন্টেন বাইকের যে স্পেসিফিক ব্র্যান্ডগুলো আছে, সে ব্র্যান্ডনেমেও অনেক সার্চ ভলিউম আছে। আপনি চাইলে স্পেসিফিক সেই ব্যান্ডের নাম দিয়েও ট্রাফিক ড্রাইভ করাতে পারবেন। আর এক্ষেত্রে ট্রাফিক থেকে বায়ার কনভার্সন রেট অনেক ভাল থাকে।

অনেক ভাল কনভার্সন রেট পাওয়া যায়

ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিন্তু আমাজন ডটকমের নাম শোনেননি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না, বিশেষ করে আমাদের মূল টার্গেট মার্কেটে (যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের দেশগুলো)। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রচুর মানুষের আমাজনে অ্যাকাউন্ট আছে। ইন্টারনেটে কেনাকাটার জন্য আমাজন পৃথিবীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত নাম। আর তাই যখনই কেউ আমাজন ডটকমের কোন প্রোডাক্ট রেকমেন্ড করে, তখন ভিজিটররা সেটি অনেক বেশি বিশ্বাস করে, কেনার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়। অ্যাফিলিয়েট গুরু দের মতে, ক্লিকব্যাংক প্রোডাক্টগুলোর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি কনভার্সন রেট, এটি পরীক্ষিত।

বাল্ক প্রোডাক্ট বিক্রি

এটাই আমাজনের সবচেয়ে মজার বিষয়। ধরুন, আপনি একটি মাউন্টেন বাইক বিক্রির ওয়েবসাইট করেছেন, সেখানে সার্চ ইঞ্জিন থেকে, কিংবা অন্যান্য ফ্রি বা পেইড ট্রাফিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে আপনি সাইকেল প্রমোট করছেন। সাধারণত, যারা ক্রেতা, তাঁরা কেবল একটা সাইকেল কিনলেই চলবে না, এরসঙ্গে তাকে হেলমেট, অন্যান্য সাইক্লিং গিয়ারস এবং বডি গিয়ারস কিনতে হবে। আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের মজা হচ্ছে তিনি প্রচারণা চালাচ্ছেন কেবল সাইকেলের, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য প্রোডাক্টসমূহ [কারণ আগেই বলেছি, পৃথিবীর অলমোস্ট সব প্রোডাক্টই আমাজন ডটকমে পাওয়া যায়]। আর আমাজনে যেহেতু ফিজিক্যাল প্রোডাক্টই বেশি, অনেক ক্ষেত্রেই ক্রেতারা একের অধিক পণ্য কিনে থাকেন। যেটি ক্লিকব্যাংক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ক্ষেত্রে কখনো ঘটেই না বলতে গেলে। আর আমাজনে আপনার বিক্রির ভলিউম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাজনও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের কমিশন বাড়িয়ে দেয়।

রিলেটেড প্রোডাক্ট

আমাজন ডটকম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের কমিশন দেয় তার পাঠানো ভিজিটরের পণ্য কেনার পরিমাণের উপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ আপনি যদি কোন ভিজিটরকে আমাজন ডটকমে পাঠান, তাহলে উক্ত ভিজিটর মোট যত টাকার পণ্য কিনবেন আপনি ঐ সম্পূর্ণ টাকার উপর একটি কমিশন পাবেন। উপরের উদাহরণ ধরেই বলি, আপনি সাইকেল কিনতে চাচ্ছেন এমন একজন ভিজিটরকে আমাজন ডটকমে পাঠালেন। উনি অনেক ঘুরে ফিরে সাইকেল আর কিনলেন না, কিনলেন বডি বিল্ডিংয়ের কিছু ইনস্ট্রুমেন্টস!
এতে একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসাবে কিন্তু আপনার কোন লস হচ্ছে না, আপনি উক্ত ভিজিটর যে প্রোডাক্টই কিনুন না কেন, আপনি সেই অ্যামাউন্টের উপর ভিত্তি করে কমিশন পাবেন। আমাজন যেহেতু এই প্ল্যানেটের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট, আর এতে পৃথিবীর অলমোস্ট সব প্রোডাক্টই পাওয়া যায় তাই ক্রেতাও দেখা যায় কিছু না কিছু কিনেই আমাজন ছাড়ছেন!
ক’দিন আগেই আমার রিলেটেড প্রোডাক্ট এক্সামপল নিয়ে একটা পোস্ট লিখেছিলাম ফেইসবুকে, দেখতে পারেন। :)

 আমাজন প্রোডাক্ট পেইজ নিজেই একটা সেলস পেইজ!

আমাজন ডটকমের প্রোডাক্ট পেইজগুলো কখনো লক্ষ্য করেছেন? ফুল অব ইনফরমেশন! একজন ক্রেতা বায়িং ডিসিশন নেয়ার জন্য সাধারণত যে ধরণের তথ্যগুলো প্রয়োজন তা আমাজন ডটকমে রয়েছে। রয়েছে ইউজার রিভিউ, রেটিং থেকে শুরু করে প্রোডাক্টের একাধিক ছবি কিংবা ভিডিও। আর আমাজনের পেইজটা বেশ কনভার্সন ফ্রেন্ডলি, ভিজিটররা সহজেই তাই বায়ারে কনভার্ট হয়ে যায় এই সাইটে।
আজ মূলত আলোচনা করলাম আমাজন ডটকম অ্যাফিলিয়েট কেন আমি পছন্দ করি, আগামী পর্বে আলোচনা করবো কিভাবে আমাজন ডটকমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারবেন। সে পর্যন্ত, ভাল থাকুন।

Friday, April 24, 2015

ইমেইল মার্কেটিং এর অবিশ্বাস্য সফটওয়্যার ইমেইল বক্স

শুনতে মনে হয় ইমেইল মার্কেটিং জানি কত সহজ। কি আর লাগে তা তে? YouTube আছে হাজার ভিডিও। কাজ করতে গেলে ঠেলা বুঝা যায়, ১৪ রকম সমস্যা - এটা আছে ত ওটা নাই। Google খুজেঁ  ইমেইল পাওয়া যায় ঠিকই, কয়টা ভাল কয়টা খারাপ বুঝার উপায় নাই। ঐ তালিকায় মেইল পাঠালে একাউন্ট স্থগিত। এটা সেটা চেষ্টা করে করে কেল্লা ফতে, পরে গরু মেরে জুতা দান। কোটি কোটি ইমেল আইডি থেকে লাভ ত কিছু হয়না, মাঝ থেকে সময় অপচয়। এই ভাই বলে তার কাছে চাদের দেশের সার্ভার আছে, ঐ ভাই বলে তার কাছে মঙ্গলগ্রহ এর সার্ভার আছে। কাজের বেলায় সবই হাওয়া। 
ইমেইল সংগ্রহ এর অনেক সফটওয়্যার থাকলেও এখন কাজ করে না একটা ও। Google খুজেঁ কপি পেস্ট করতে করতে দিন পার। দিন শেষে জমা করা যায় ২০০-৪০০ ইমেল, ওখানে ও থাকে duplicate ইমেল। যাক সমস্যার কথা অনেক হয়ে গেল, এখন সমাধান টা বলি: অনলাইনে আসা নতুন সেবা  “ইমেইল বক্স”। 
বিস্ময়কর এক সফটওয়্যার ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য। মিনিটে Google থেকে আপনার মনের মত খুজেঁ নিয়ে আসতে পারে হাজার ইমেল। তাছাড়া সফটওয়্যার টি সক্ষম যে কোন লেখা থেকে ইমেল খুজঁতে। পাশা পাশি আপনি আপলোড করতে পারেন আপনার লিস্ট। সফটওয়্যার খোজেঁ নিবে duplicate ইমেল। আপনি সেভ করতে পারেন আপনার লিস্ট , কাজ করতে পারেন একাদিক লিস্ট নিয়ে।
বড় বিস্ময় এখনও বাকি, লিস্ট তৈরী করার পর আপনি ইমেইল বক্স এর দুই ধাপের যাচাই পদ্ধতি দিয়ে আপনি আপনার লিস্ট যাচাই করতে পারেন। প্রথম ধাপ যাচাই করবে ইমেল টি যথা রীতি বৈধ আছে কিনা এবং ইমেল টির ডমেন জীবিত আছে কিনা। দ্বিতীয় ধাপ যাচাই করবে ঐ ডমেনে এই ইমেল ব্যবহারকারী আছে কিনা। যদিও এই পদ্ধতি অনেক বেশী সময় নিবে। প্রত্যেক ধাপে-ই আপনি চাইলে আপনার লিস্ট রপ্তানি করতে পারেন। এই লিস্ট যাচাই কমিয়ে দিবে আপনার Bounce rate। 
যখন দ্বিতীয় প্রণালী আপনি সম্পন্ন করেছেন, ইমেইল বক্স এ আছে আপনার জন্য আরও একটি যাদু। দ্বিতীয় প্রণালী থেকে যাচাই করা ইমেল গুলোকে আপনি আপনার SMTP দিয়ে ইমেইল বক্স এর মাধ্যমে ইমেল পাঠাতে পারবেন। ইমেইল বক্স দিবে আপনাকে একাদিক SMTP ব্যবহারের সুবিধা। প্রকৃত সময় Track এর পাশা পাশি আপনি দেখতে পারবেন কারা কারা আপনার ইমেল দেখেছে ও ক্লিক করেছে। ইমেইল বক্স এ আছে Spam check, View Online, Unsubscriber, Subject Rotation সহ হাজারও সুবিধা। আমার মনে হয় এবার সফটওয়্যার-টার ব্যবহার নিজে দেখে নেয়া যাক।

Email BOX

Saturday, May 10, 2014

ইন্টারনেটে ইনকাম করুন মাসে ১০০-২০০ ডলার ফ্রী ব্লগ এর মাধ্যমে।। সহজে


আপনারা যারা অনলাইনে নুতুন কিন্তু অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করতে চান।।
আমি তাদেরকে মাসে ১০০-২০০ ডলার ইনকাম করার মত কাজ শিখিয়ে দিব...
জেইটা করে আপনি মাসে ভাল একটা এমাঊন্ট ইনকাম করতে পারবেন অনলাইন থেকে।।

আমার এই কাজটা শুধু নতুন দের জন্য আর যাদের অনেক ইচ্ছা আছে অনলাইনের মাধ্যমে ইনকামের কিন্তু পারতেছেন না...

বি দ্র:আপনাদের যাদের ইন্টারনেট এর স্পীড ৫১২ kbps বা তার চেয়ে বেশী তারা আমার সাথে স্কাইপি তে যোগাযোগ করবেন।।আমি আপনাদের সকল কাজ শিখিয়ে দিব।কিন্তু দয়া করে যাদের কাজ করার ইচ্ছা নাই কাজ করার তারা আমাকে স্ক্যাইপি তে অ্যাড করবেন না...

আমার স্কাইপি আইডি shohanbd211

আমাদের ফেসবুক গ্রুপ MAKE MONEY ONLINE এই খানে জয়েন করতে পারেন।

Tuesday, April 22, 2014

গ্রাফিক ডিজাইন বিক্রি করে মাসে আয় করুন ৫০০ ডলার, কোনরুপ বিড ছাড়াই

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে নিজের মেধা আর নিজের দক্ষতাকে পুরো বিশ্বের কাছে তুলে ধরার একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। আর এই ইন্টারনেট ব্যবহার করে পুরো বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে আপনি একদিকে যেমন নিজের মেধাকে করতে পারেন আরো সমৃদ্ধ
ঠিক তেমনি আপনি আপনার মেধা আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেটকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে বর্হি:বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেত পারেন। আর ইন্টারনেট বা অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য রয়েছে অসংখ্য উপায়। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে নিজের ওয়েব সাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আয়, ফ্রিল্যান্সিং, ইকমার্স, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদির মাধ্যমে আয়। তবে আমরা সচরাচর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় যেটি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি শুনে থাকি সেটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যেখানে আপনাকে আপনার দক্ষতা আর মেধার মনোনিবেশ ঘটিয়ে কাজ করতে হলে প্রথমে আপনাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোকেদের সাথে কাজ পাওয়ার জন্য বিডে অংশগ্রহন করে করতে হবে। আর আপনি যদি বিডে অংশগ্রহন করে সকলের মধ্য হতে নির্বাচিত হতে পারেন তবেই আপনি কাজ করার জন্য মনোনিত হবেন।মূলতঃ কাজের দক্ষতা, সুন্দর পোর্টফোলিও, কভার লেটার ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হওয়া যায়। কিন্তু একজন গ্রাফিক ডিজাইনার যদি বিডের মাধ্যমে কাজ না পান, তারপরও সে তার তৈরীকৃত ডিজাইনগুলি বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করেও অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনি এই বিড ছাড়াই গ্রাফিক ডিজাইন বিক্রি করে মাসে ভালো আয় করতে পারেন সে সম্পর্কে ।  
বিড ছাড়াই অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য রয়েছে অসংখ্য মার্কেটপ্লেস। আর তাদের মধ্যে অন্যতম একটি একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে graphicriver যেখানে আপনি আপনার আপনার তৈরীকৃত ডিজাইনগুলি বিক্রি করে অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন। এটি এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি প্রথাগত বাজারের ন্যায় একটি ডিজাইন একবার নয় বরং একাধিকবারও বিক্রি করতে পারবেন। তবে আপনাকে এক্ষেত্রে যে সকল ধাপ অনুসরন করতে হবে তা পর্যায়ক্রমে উপস্থাপন করছি।
ধাপ ১:  এ ধাপে প্রথমে আপনাকে graphicriver সাইটটিতে প্রবেশ করে আপনার ইউজারনেম, ইমেইল ঠিকানা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাইন আপ করতে হবে।
ধাপ ২: এ ধাপে আপনাকে আপনার প্রোফাইল পেজটি আকর্ষণীয়ভাবে পূরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনি কাস্টমারদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিতে পারেন যা আপনার জন্য লাভজনক হবে।
ধাপ ৩:  এ ধাপে আপনাকে জানতে হবে আপনি সেখানে কি কি ডিজাইন সাবমিট করতে পারবেন। এখানে আপনি সাবমিট করতে পারবেন ওয়েব এলিমেন্ট, বিজনেস কার্ড, লোগো ডিজাইন, ওয়েব টেমপ্লেটস, আইকন, অবজেক্ট গ্রাফিক, টেক্সারস, ভেক্টর গ্রাফিকস, ইত্যাদি।তাছাড়াও আপনি আরও সাবমিট করতে পারবেন ওয়েব ডিজাইনের বাটন, ফরমস, নেভিগেশন বার ইত্যাদি ।
ধাপ ৪: এ ধাপে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কি তৈরি করে সাবমিট করবেন। ধরুন আপনি সুন্দর একটি লোগো ডিজাইন করলেন। এর পর আপনার কাজ শুধু ঐ ডিজাইনটি নির্দিষ্ট ভাবে নিয়ম অনুসারে graphicriverসাইটটিতে উপস্থাপন বা সাবমিট করা । একবার ডিজাইন আপলোড বা সাবমিট করা হলে গ্রাফিকরিভার সাইট কর্তৃপক্ষ ৭২ ঘন্টা সময়ের মধ্যে আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার ডিজাইনটি গৃহীত হয়েছে কি হয়নি। আপনার ডিজাইনটি গ্রাফিক রিভার সাইট কর্তৃক গৃহীত হলে বাকি কাজ ঐ সাইটের দায়িত্ব প্রাপ্ত কতৃপক্ষই আপনার জন্য করে দেবে।
ধাপ ৫: এ ধাপে আপনার ডিজাইনের জন্য একটি মূল্য নির্ধারণ করা হবে। আর তা $১ থেকে $১০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে যা নির্ভর  করবে ডিজাইনের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে। যদি আপনার ডিজাইনটি বিক্রি হয় তাহলে প্রাথমিকভাবে ঐ সাইটের দায়িত্ব প্রাপ্ত কতৃপক্ষ প্রতিবার বিক্রির জন্য আপনার ডিজাইনের নির্ধারিত মূল্যের 40% আপনাকে প্রদান করবে।
আপনি কেমন আয় করতে পারবেন তা নির্ভর করবে আপনার ডিজাইন এর উপর। আর এ জন্য যথাসম্ভব সুন্দর ইউনিক ডিজাইন করুন যাতে কাস্টমারদের তা পছন্দ হয়। মনে করুন আপনার আপলোডকৃত ডিজাইনটি গৃহীত হল এবং এটির মূল্য ধরা হল ৫ ডলার। তাহলে এটি যদি প্রতি মাসে ১০০ বার বিক্রি হয় তবে মাস শেষে আপনার আয়ের পরিমান দাড়াবে ৫০০ ডলার। আর আপনি যদি প্রতি মাসে ৪ থেকে ৫ টি ডিজাইন আপলোড করতে পারেন এবং সবগুলিই সাইট কতৃক গৃহীত হয় তাহলে কিন্তু আপনার মাসিক আয় হবে লোভনীয় পর্যায়ের । তবে আপনাকে ভালো আয়ের জন্য অবশ্যই যথাসম্ভব ইউনিক ডিজাইন তৈরি করতে হবে

Thursday, April 10, 2014

অনলাইনে আয় : গুগল এ্যাডসেন্স VS বিডভারটাইজার আসুন দেখি কে এগিয়ে ?

আমরা যারা অনলাইনে আয় করি বা অনলাইনে আয়ের চেষ্টা করছি তাদের জন্য এই পোষ্ট খুবই গরুত্বপূর্ন বলে মনে করি আমি ।অনলাইনে আয় বলতে গুগল এ্যাডসেন্স কে এগিয়ে রাখি আমরা ।কিন্তু গুগল এ্যাডসেন্স তো সোনার হরিন ।দীর্ঘ ৩বত্‍সর পর চেষ্টার তাকে ধরতে পেরেছি ।এতো দিন বিডভারটাইজার নিয়ে কাজ করেছি আমি আজ আপনাদের কাছে উপস্থাপন করতে চাই এই দুইটার মধ্য কে এগিয়ে ?



বিডভারটাইজার এর সুবিধা গুলো হলোঃ
  • ১. বাংলা ওয়েবসাইটে বিঞ্জাপন দেয় ।
  • ২. সাইট সাবমিট করলে সহজে এ্যাপ্রোভ করে ।
  • ৩.কঠিন কোন শর্ত নাই .যেমন আমার সাইটে আমি অনেকবার ক্লীক করেছি ।
  • ৪.মাত্র ১০ ডলার হলে পেপাল ১০০ ডলার হলে চেক মাধ্যমে টাকা উঠানো যায় .প্রত্যক মাসে ৩০ তারিখে অবশ্যই পেমেন্ট পাওয়া যায় ।
  • ৫.গতকাল ১০০ ডলার পেমেন্ট পেয়েছি সাথে ৮ ডলার কনভেজ বোনাস হিসেবে পেয়েছি ।
  • ৬.বিডভারটাইজার আপনার সাইটের জন্য পার ক্লীক কত দিবে তা প্রথম থেকে নির্ধারন প্রত্যক ক্লিকে একই পরিমান আয় হবে.যেমন বাংলা সাইটের জন্য পার ক্লীক ৩সেন্ট থেকে ১০ সেন্ট ও ইংরেজী ও ভালো মানের সাইটের জন্য যেমনঃ আমার সাইটে পার ক্লীক $ ১ ডলার পর্যন্ত নির্ধারন করা আছে ।
  • ৭. এখানে বড় যে সুবিধাটি আছে একজন ব্লগার হিসেবে তা বলতে পারলাম না .কারন আমি চাইনা অন্য ব্লগারদের ক্ষতি হোক ।
  • এক কথায় কোন শর্তের জালে আপনাকে আবদ্ধ করেনা বিডভারটাইজার
অসুবিধাগুলোঃ এরা বেশী ইমেজ এ্যাড দেয়না বেশী টেক্সট এ্যাড বেশী দেয়।
যে সাইটের জন্য এ্যাড নিবেন ঐ সাইটেই কোড বসাতে হবে (প্রত্যক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা কোড নিতে হবে)
গুগল এ্যাডসেন্সঃ
  • ১.এরা সহজে এ্যাকাউন্ট এ্যাপ্রোভ করেনা ।
  • ২.বাংলা সাইট এ্যাডসেন্স নেয়না
  • ৩.বিভিন্ন শর্তের জালে আবদ্ধ করে রাখে ।
  • ৪. আমি হতাশ হয়েছি এত খড় কাঠ পুড়িয়ে একটা এ্যাকাউন্ট পেয়ে পার ক্লীক আয় ৮সেন্ট দেখে ।
গুগল এ্যাডসেন্সের বেশী সুবিধা হলো এরা ইমেজ এ্যাড বেশী দেয় যাতে প্রচুর
ক্লীক সম্ভবনা থাকে ।
আমার অভিঞ্জতা শেয়ার করলাম এবার যারা গুগল এ্যাডসেন্স পাননি তারা বিডভারটাইজার থেকে নিশ্চিন্তে এ্যাড নিতে পারেন ।আর যারা গুগল এ্যাডসেন্স পাবলিশার তাদের কে বলবো এ্যাডসেন্সের পাশাপাশি অন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে যাচাই করতে পারেন, এখানে দেখতে পারেন বা যোগ দিতে পারেন BidVertiser ধন্যবাদ । মতামতের আশায় রইলাম ।

Join Now  BidVertiser 

Kono Problem a join korun Amader Facebook Group A

Monday, March 31, 2014

Adsense এর বিকল্প !!! মাসে ইনকাম করুন ৪০০-৫০০ ডলার ১০০ % গারান্টেড

720x90 Adsense এর বিকল্প !!!
প্রিয় পাঠক, Adsense নিয়ে সমস্যায় আছেন ?  একাউণ্ট ব্যান হওয়া, এপ্রুভ না হওয়া,দীর্ঘ সময় রিভিউ ঝুলে থাকা মুক্তি পান আজই। অনেক সময় জমা হওয়া অনেকগুলো ডলার উত্তোলনের আগেই হয়ত আপনার আকাউন্ট ব্যান হয়ে গেছে।
adsense এর বিকল্প খুজছে  নিশ্চই?
অন্য যাদের পেয়েছেন তারা হয়ত ভাল এড দিচ্ছে না, ভাল পেমেন্ট দিচ্ছে না বা আপনার ইনকাম প্রায় শুন্যের কোঠায়। হতাশ হবার কিছু নেই আজকে শেয়ার করছি আমার দেখা মতে সবথেকে ভাল, high paying এবং adsense এর সেরা বিকল্প।
কি আছে এতে?
720x90 Adsense এর বিকল্প !!!
  • সহজ এবং ব্যাবহার উপোযোগী
  • আপনার জন্য নির্ধারিত একজন একাউণ্ট ম্যানেজার ২৪ ঘন্টা আপনাকে অনলাইনে সেবা দিবে। আপনি দরকার হলে স্কাইপিতে তার সাথে আপনার সমস্যা শেয়ার করতে পারবেন। দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।
  • সাইট approval এর কোন ঝামেলাই নেই।
  • সহজ payment পদ্ধতি
  • নূন্যতম ১ ডলার হলেই টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
  • তাতক্ষনিক উত্তোলন, যখন withdrawal request দিবেন তখনই পেমেন্ট
  • ক্লিক এবং ইম্প্রেশন এ ভাল রেট পাবেন
  • আপনার ব্লগে বেশি ভিজিটর থাকলে
  • আমার দেখা মতে আপনি এখান থেকেই সব থেকে বেশি রেফারেল কমিশন পেতে পারেন।
  • সব ধরনের ভাষা ও কন্টেন্ট সাপোর্ট করে।
  • এডাল্ট সাইট ও সাপোর্ট করে তবে আপনাকে সেক্ষেত্রে এডাল্ট ক্যাটাগরী নির্দেশ করে দিতে হবে এড বসানোর সময়।
  • Multi Ad যেমন Banner Ad,Slider Ad,Popup Ad,Layer Ad,Fullpage Ad ইত্যাদি সাপোর্ট করে।
720x90 Adsense এর বিকল্প !!! প্রত্যেক publisher-কে রেফার করার জন্য আপনি পাবেন তাৎক্ষনিক ৫০ ডলার এবং ২% করে তার ইনকামের উপর রয়্যালিটি কমিশন।
প্রত্যেক বিজ্ঞাপনদাতাকে রেফার করার জন্য আপনি পাবেন তাৎক্ষনিক ১০০ ডলার এবং ১% করে তার প্রদত্ত বিজ্ঞাপন খরচের উপর রয়্যালিটি কমিশন।
টাকা উত্তোলন করতে পারবেন Paypal,Payza এবং ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে। Paypal, Payza তাৎক্ষনিক আর ব্যাংক ট্রান্সফার হতে কয়েকদিন সময় লাগে।

তবে আর অপেক্ষা কেন? জয়েন করতে এখানে ক্লিক করুন

720x90 Adsense এর বিকল্প !!!

যেকোনো সমস্যায় আমাদের ফেসবুক গ্রুপ এ পোষ্ট করুন

Saturday, March 22, 2014

চিটিকা এড কি গুগলের চাইতেও ভাল?

আমরা অনেকেই গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আমার চেয়ে অনেক বেশি জানেন যে এটি সব এড নেটওয়ার্কের সেরা। যাহোক আমাদের অনেকেই জানেননা যে চিটিকা এডসেন্স এর সমপর্যায়ের এড নেটওয়ার্ক। বর্তমান ইন্টারনেট এড জগতে গুগল এডসেন্স এবং চিটিকা সেরা দুই কোম্পানি। তবে কিছু ক্ষেত্রে চিটিকা অনেক এগিয়ে আছে গুগল এডসেন্স থেকে।গত দুই বছরে চিটিকা এত বেশি বিস্তার লাভ করেছে যে আগামি কয়েক বছরের মধ্যে এটিই ইন্টরনেট এড জগতের গুরু হতে চলেছে।
চিটিকা বর্তমানে গুগলের এক নাম্বার প্রতিদ্বন্দী এবং মাথা ব্যাথার প্রধান কারন। চিটিকার পে পার ক্লিক রেট তুলনামুলক ভাবে গুগল এডসেন্সের চেয়ে বেশি। তাছাড়া চিটিকার টেক্সট এড গুগল এডসেন্সের টেক্সট এড এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি রিলেটেট এমন কি অনেক বেশি ক্লিক পাওয়া যায়। নিচে আমার গত এক মাসের ইনকামের একটি চিত্র দিলাম।
কেন চিটিকা এড গুগলের চাইতেও ভাল?

কেন চিটিকা এড গুগলের চাইতেও ভাল?

১. গুগলের ১০০১ টা পলিসি আছে যার একটি লঙ্ঘন করলে ব্যান খাওয়া নিশ্চিত এবং সব পলিসি  মেনে চলা অনেক কঠিন। কিন্তু চিটিকার সামান্য কিছু পলিসি আছে এবং সব পলিসি  মেনে চলা অনেক সহজ যদিও আপিন আমার মত নতুন হন।
২. চিটিকার সবচেয়ে বড় বড় গুন হল যখন ভিজিটর কোন এডে ক্লিক করে তখন এটি আপনার পেজ থেকে ভিজিটরকে নতুন ট্যাবে অন্য পেজে নিয়ে যায় ফলে ট্রফিক হারানোর ভয় কম থাকে, কিন্তু গুগল ঐ পেজই নতুন পেজ ওপেন করে এবং আপনার অনেক কষ্টের ট্রফিক নিয়ে যায় যা আপনি আর ফিরে পাবেননা।
৩.  যদি আপনার কিছু ভালো কন্টেন্ট এবং ভিজিটর থাকে তাহলে এপ্লাই করলেই চিটিকার এপ্রুভাল পাবেন কিন্তু হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট এবং ভিজিটর না থাকে গুগল এডসেন্স পাবেননা। তাছাড়া গুগল সামান্য কিছু ভাষার সাইট এপ্রুভ করে যার মধ্যে আমাদের প্রানের চেয়ে প্রিয় বাংলা ভাষা নেই!!! অন্যদিকে চিটিকা সব ভাষার সাইটই এপ্রুভ করে যার মধ্যে আমাদের প্রানের চেয়ে প্রিয় বাংলা ভাষাও আছে।
৪. গুগল সবাইকে সমান চোখে দেখেনা। আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়ার জন্য এক রকম পলিসি এবং বাকি জন্য অন্য রকম পলিসি। আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়াকে ডান চোখ দিয়ে এবং বাকি সবাইকে বাম চোখ দিয়ে দেখে যা কিছুটা বর্ণবাদের মত। যে কন্টেন্ট আমাদের সাইটে দিলে কপি কন্টেন্ট হয় সেই একই কন্টেন্ট বা তার চেয়েও নিন্ম মানের কন্টেন্ট আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়ার সাইটে দিলে ১০০% ইউনিক হয়। কন্তু চিটিকার এরকম কোন সমস্যা নেই।
৫. চিটিকাতে $১০ হলেই উত্তোলন করতে পারবেন কিন্তু গুগলে $১০০ এর কম উত্তোলন করতে পারবেন না। উপরন্তু আমি অনেককে দেখেছি যারা গুগলে $১০০ ইনকাম করার আগেই ১০ বার ব্যান খায়, আবার অনেকেই $১০০০ ইনকাম করে যাদের ৯৫% আমেরিকা, ইউরোপ আর অষ্ট্রেলিয়া থেকে, গুগলের ডান চোখের বদৌলতে। আমাদের দেশ খেকেও অনেকেই ইনকাম করে যাদের সংখ্যা অনেক কম।
৬. চিটিকার আরেকটি গুরুত্তপুর্ন দিক হল তাদের রেফারেল পোগ্রাম যার মাধ্যমে আপনি পাবলিশার বা এডভারটাইজার উভয়কেই রেফারেল করতে পারেন, বিনিময়ে তাদের ইনকামের ১০% আপনি পাবেন যা গুগলের নেই।
যদি আপনার ভালো মানের কন্টেন্ট এবং অনেক ভিজিটর থাকে তাহলে চিটিকা থেকে মাসে $১০০ - $ ১০০০ ইনকাম করা খুবই সম্ভব। তাই আপনাকে বলছি অযথা এডসেন্স বা অন্য কোন এডের জন্য সময় নষ্ট না করে আজকেই একটি চিটিকা একাউন্ট খুলুন এখান থেকে এবং ইনকাম শুরু করুন কালকে থেকেই।
টিউনটি তাদের উদ্দশ্যে করা যারা বারবার এডসেন্সে এপ্লাই করেও এপ্রোভাল পাচ্ছেননা, ব্যান খেয়েছেন, ব্লগিং করে টাকা কামাতে চান, একটি নির্ভরযোগ্য এড নেটত্তয়ার্ক খুঁজছেন, যারা টাকা আয় না করতে পেরে ব্লগিং করার চিন্তা বাদ দিয়েছেন। মনে রাখবেন কঠোর পরিশ্রম, ভালো মানের কন্টেন্ট এবং ভিজিটর থাকলে চিটিকাই আপনার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে। শুভকামনা রইল।

 কনো প্রশ্ন থাকলে ফেসবুক গ্রুপ