Showing posts with label Social Media Marketing. Show all posts
Showing posts with label Social Media Marketing. Show all posts

Thursday, November 5, 2015

পিনটারেস্ট যখন মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম – ২

সকল পাঠকবৃন্দকে আমার টিউটোরিয়ালে আবারো শুভেচ্ছা। আমি গত পর্বে খুব সাধারণ খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। যেখানে শুরুতে একজন বিগিনারের জন্য কিছু বেসিক গাইডলাইন দেয়া ছিল। আমার গত টিউটোরিয়াল দেখতে পাবেন এখানে। আজ কিছুটা বিস্তারিত আলোচনা করতে যাচ্ছি। তাহলে শুরু করা যাক।

১৮। Board: গত পর্বে Board Create নিয়ে কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম। আজ এর বিস্তারিত দেবার চেষ্টা করছি।
  • Board Name: এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ওয়েব সাইটের নামের বা প্রোডাক্টের নামের সাথে মিল রেখে আপনার বোর্ডের নাম দিন। কিন্তু কিছু ব্যাপার সবসময় ইউনিক হলে ভাল হয়। যেমন, কিছু আই ক্যাচিং নাম হতে পারে “Funny Stuff”অথবা “The SEO soft I like most”এই ধরণের নাম যেটা সাধারণত ভিজিটরের বা আপনার ফলোয়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কারণ, ভিজিটর আপনাকে হাজার জনের মাঝে থেকে কেনো ফলো করবে যেখানে হাজার রকমের পিনার বা বোর্ড আছে? নিশ্চই কিছু ইউনিক থাকা প্রয়োজন। আপনি নিজের ক্ষেত্রেই ভেবে দেখুন, গতানুগতিক বোর্ডকে আপনি ফলো করবেন না যেই বোর্ডের কিছু মজার নাম যেটা আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছে সেটাকে ফলো করবেন? প্রকৃতপক্ষে মানুষ সবসময় ভিন্ন রকম যেটা সচরাচর দেখা বা পাওয়া যায়না সেইসব বস্তু বা ঘটনার প্রতি আকৃষ্ট হয়। আর পূর্বেই বলে রেখেছি, আপনার বোর্ডের নামের সাথে মিল রেখে পিন করুন। আজেবাজে কন্টেন্ট পিন না করে বেছে বেছে মানসম্মত পিন করার চেষ্টা করুন।
  •  Cover: এক্ষেত্রে আপনার বোর্ডের একটি খুব আকর্ষনীয় কাভার ফটো হওয়া খুব জরুরী। কারণ, যখন ভিজিটর আপনার প্রোফাইলে আসবেন তখন তিনি আপনার বিভিন্ন বোর্ড ঘেঁটে দেখবেন অনেক সময় বিভিন্ন বোর্ডে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। কিন্তু সাধারণত ভিজিটর কোনো বোর্ডে প্রবেশ করলে তার পক্ষে সব পিন দেখা সম্ভব হয়না। এতে অনেকেই বোর্ডের কাভার ফটো দেখে ফলো দিয়ে যায়। তাই আকর্ষণীয় কাভার ফটো একটা জরুরী উপাদান। কাভার ফটো তৈরি করার জন্য canva এ দেখতে পারেন। এখানে একটি ভাল মানের আকর্ষণীয় পিন কিভাবে তৈরি করা যায় তার টিউটোরিয়াল দেয়া আছে। রেজিষ্ট্রেশন করে ডান পার্শ্বে + বাটনে চাপ দিয়ে দেখুন পিনটারেস্ট নামে অপশন আছে। সেখানে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন বিভিন্ন রকমের লেয়াউট দেয়া আছে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের লেয়াউট নিয়ে ইচ্ছামত ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। আর তাদের টিউটোরিয়াল দেয়া আছে Learn Design নামে অপশনে। সেটা দেখে নিলে খুব ভাল হয়। এছাড়াও, YouTube -এ canva ব্যবহার করে কিভাবে ডিজাইন করা যায় সে সম্পর্কে অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন। এখানে বলে রাখা ভাল, আপনি canva ছাড়াও নিজে নিজেই ডিজাইন করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, লম্বা বা Vertical ইমেজ পিনটারেস্টের জন্য সবসময় আকর্ষণীয়। যদি আপনি গ্রাফিকের কাজ টুকটাক পারেন তবে এই ক্ষেত্রে কিছু আকর্ষণীয় ইমেজ নিয়ে আপনি পিন তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে ইমেজের সাইজের অনুপাত পিক্সেল অনুসারে ২:৩ অর্থাৎ আপনি যদি প্রস্থ্যে ৮০০ পিক্সেলের ছবি নেন তাহলে লম্বায় ১৬০০ পিক্সেলের নিতে হবে। আবার ইচ্ছা করলে আপনি ছবি ১:৩.৫ অনুপাতে ডিজাইন করতে পারেন। যেমন, প্রস্থ্যে ৪০০ পিক্সেলের একটা ছবি লম্বায় ১৪০০ পিক্সেলে নিতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে ১:৩.৫ অনুপাতের ছবি পিন করার সময় একটু ভুল হলেই কেটে যেতে পারে। তাই এই অনুপাত না নেয়াই শ্রেয়। ছবি সংক্রান্ত বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে এই ভিডিওটা দেখতে পারেন এখানে থেকে 
  •  Interesting Facts: সবসময় গতানুগতিক বোর্ড তৈরি না করে ভিজিটর যাতে বিরক্ত বা একঘেঁয়ে না হয়ে যায় সেজন্য কিছু মজার বিষয় নিয়ে বোর্ড তৈরি করুন। যেমন, আমি বেড়াল আর পোষা প্রাণী নিয়ে একটা বোর্ড তৈরি করে রেখেছি। অনেক সময় এই বোর্ডে পিন করি। তাতে ভালই সাড়া পাই। আবার কার্টুন বা কোট শেয়ারের বোর্ড তৈরি করেও রাখতে পারেন।
 ১৯। Quality Image: এই সম্পর্কে আসলে বলার পূর্বেই হয়ত বুঝতে পারছেন। কারণ,  ছবির রেজুলেশন আর কোয়ালিটি ভাল না হলে সব কষ্ট বৃথা। সুতরাং, আপনার ছবির কোয়ালিটি অবশ্যই থাকতে হবে। যেমন, ছবি কম করে হলেও ৬০০-৮০০ পিক্সেল প্রস্থ্যে আর দৈর্ঘ্যে ১০০০ পিক্সেল হওয়া লাগবেই। কারণ, মানসম্মত ছবি আপনার পিনের রেপুটেশনই শুধু বাড়ায় না আপনার ব্যবসার রেপুটেশনও বাড়ায়। সুতরাং, দীর্ঘ সময় ধরে ছবি বেছে পিন করুন। যেনতেন ভাবে বাছাই করা ছবি না দেয়াই শ্রেয়। আর, ছবির আকৃতির দিকে অবশ্যই নজর দিন। কারণ, আপনি এমন একটা ছবি বাছাই করলেন যেটার আকৃতি খুব ছোট তাহলে সেটা শেয়ার হবার সম্ভাবনা খুব কম। এই সময় ভিজিটর আপনার ছবির চাইতে একই ছবি যদি অন্য ব্লগে বা বোর্ডে বড় আকারে বা ভাল রেজুলেশনে থাকে তাহলে সেটাই শেয়ার করবে।
 ২০। Make Image Shareable: ছবি অবশ্যই শেয়ার যোগ্য করে রাখুন। অনেক সময় দেখা যায় অনেকেই ছবিতে নিজের কোম্পানির লোগো, পন্যের মূল্য বা অন্য কিছু জলছাপ দিয়ে রাখেন। এই সকল ছবি খুব কমই শেয়ার হবে। এমনকি পিন করার যোগ্যতা হারালেও হারাতে পারে। আপনার পন্যের মার্কেটিং এর সবকিছুই ছবির উপর থেকে দূরে রাখুন। আপনার ছবি শেয়ার হলে আপনা-আপনিই আপনার পন্য শেয়ার হবে। কারণ, নিচে বর্ণনার স্থলে তো পন্যের সকল তথ্য থাকছেই। আসলে পিনটারেস্ট আপনার পন্যের সরাসরি বিজ্ঞাপনের জন্য নয়। এখানে ভিজিটর আকর্ষণীয় বিভিন্ন জিনিষ খুঁজে থাকেন।
২১। Use QR Code: যেহেতু পিনটারেস্টে আকর্ষনীয় ছবি বেশি সংখ্যক শেয়ার করা হয় তাই আপনি ইচ্ছা করলে QR Code তৈরি করে পিন করতে পারেন। এতে শেয়ারের মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য নিয়ে আপনা-আপনি বিজ্ঞাপণ প্রচার হয়ে যাবে। আসলে, QR Code দেখতে আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। এটা অনেকেই দেখতে পছন্দ করেন। ভিজিটর এটাকে আর্টওয়ার্ক মনে করে বলে শেয়ারের মাত্রা বেড়ে যেতেও পারে।
২২। Detail Description: আপনার পন্যের সকল বর্ণনা ছবির নিচে দিন। সঠিক KeyWord দিয়ে মানসম্মত বর্ণনা লিখলে আপনার ছবি খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ হবে। এতে আপনার ওয়েবসাইট আরো বেশি ভিজিটর আকৃষ্ট করতে পারবে। কারণ, যত Repin ততো ভিজিটর। যত বেশি পরিমানে লিখা শেয়ার করা যায় ততোই ভাল। যদিও Grid View –তে ১০০ শব্দের মত দেখা যায় তারপরও যারা ক্লিক করবেন তারা ৫০০ শব্দের কাছাকাছি শব্দের লিখা পড়তে পারবেন। এতে ভিজিটরের আপনার পন্যের সম্পর্কে একটা মোটামুটি ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।
আপনার পিনের প্রতি বা প্রোফাইলের প্রতি আকর্ষন বৃদ্ধি করার জন্য ভিজিটরকে সঠিক মেসেজ দেবার চেষ্টা করুন। প্রথম দিন থেকেই পন্যের প্রচার শুরু না করে ধীরে ধীরে করুন। এছাড়াও, বর্তমান ট্রেন্ডকে লক্ষ্য রাখুন। অর্থাৎ, বর্তমানে কোন ট্রেন্ড চলছে। কোন পিন গুলো বেশি শেয়ার হচ্ছে। তাহলেই সেগুলো Repin করার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোফাইলের ভিজিটর বা ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। Repin করার সময় শুধু Repin না করে তার নিচে আপনার ব্যক্তিগত অর্থাৎ আপনার প্রচার সংশ্লিষ্ট বর্ণনা দিয়ে দিন। এতে ভিজিটর অবশ্যই বাড়বে। তবে পিন করার জন্য আপনার ব্রাউজারে এখান থেকে পিনটারেস্ট বাটন যোগ করে নিতে পারবেন। এতে সহজেই যে কোন কিছু আপনি পিন করতে পারবেন।

আজ এই পর্যন্তই। পরের পর্বে আরো কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ্‌। আরো কিছু জানার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ Tunebdonline -এ জয়েন করতে পারেন। ভাল থাকুন আর আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয।
চলবে...

Wednesday, November 4, 2015

Facebook, Google Plus, Twitter এ লিংক শেয়ার করে আয় করুন খুব সহজে

প্রথমেই আমার সালাম জানিয়ে শুরু করছি। আপনার যদি ফেসবুকে, গুগল প্লাস ও টুইটার এর যে কোন একটা অথবা সবগুলো একাউন্ট থাকে তাহলেই আপনি শেয়ার করে সহজেই ভাল আয় করতে পারেন। প্রতিটি শেয়ারিং লিংক হতে একজন ভিজিটর এর জন্য আপনি ০.০৬$ ডলার পাবেন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনি যত বেশি শেয়ার করবেন আপনার তত বেশি আয় হবে। এই সাইট এ অ্যাকাউন্ট খুলার সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্ট এ ১ ডলার তারা বোনাস দিবে এবং মিনিমাম ২ ডলার হলে PayPal or Payza এর যেকোন একটিতে আপনি পে আউট করতে পারবেন। এটি ফেইক কোন সাইট না। নিচে আমার প্রেমেন্ট Proof দেওয়া আছে।
এখন চলুন কিভাবে একাউন্ট করবেন তা দেখিয়ে দেই। একাউন্ট করা খুব সহজ।

প্রথমে একাউন্ট তৈরি করার জন্য  এই লিংক ক্লিক করুন
http://bit.ly/1GLIvfB


এখন সেই Articles গুলো নিচে লোগো দেওয়া ফেসবুক, গুগল প্লাস ও টুইটার এ শেয়ার করুন এবং সেই Articles গুলো  ভিজিট করলে আপনি প্রতি ভিজিট এর জন্য সর্বোচ্চ ০.০৬$ ডলার পাবেন এবং প্রথম প্রেমেন্ট পাওয়ার জন্য মিনিমাম ১৮ বার  Articles ভিডিও টি ভিজিট হলেই আপনি প্রথম পেমেন্ট তুলতে পারবেন ২$ কারন তারা আপনাকে ১ ডলার পূর্বেই বোনাস দিয়েছিল। আপনি যদি প্রতি দিন ৫০০ ভিজিটর নিতে পারেন আপনার শেয়ার করা লিঙ্ক এ তাহলে আপনি ৫০০ * ০.০৬ =৩০ ডলার পাবেন এবং লিঙ্ক গুলো ও ভিজিটর অবশ্যই ফেসবুক, গুগল প্লাস ও টুইটার থেকে হতে হবে। আর একটি কথা ভিজিটর গুলো উন্নত দেশের হতে হবে। এজন্য উন্নত দেশের Group গুলোতে জয়েন্ট করে সেখানে লিংক গুলো শোয়ার করুন।

আসুন দেখি কিভাবে একটা পেজা একাউন্ট খুলবেন আর সেটি ভেরিফাই করবেন



Tuesday, November 3, 2015

পিনটারেস্ট যখন মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম – ১

“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম”শুরুতে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমি আজ পিনটারেস্ট প্রোফাইল খুলে কীভাবে বিজনেসের কাজে ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করবো। তাই আমার লিখার হেডিং দেখে নিশ্চই বুঝতে পারছেন পিনটারেস্ট যখন মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম। তাহলে চলুন কিছু বিষয় শেয়ার করা যাক।

১। Account Opening: শুরুতে Account Opening এর ক্ষেত্রে আপনি আপনার মেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড দিয়ে Sign Up এ চাপ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার কাজ শুরু করুন। এরপর Personal Profile না খুলে অর্থাৎ First and last name, Age, Sex না দিয়ে ঠিক নিচে খেয়াল করুন Continue as a business এ চাপ দিয়ে যা যা চায় তা পূরণ করুন। কেন Continue as a business বললাম তার কারণ, আপনি আপনার প্রোফাইলে গিয়ে যেখানে আপনার সেটিং অপশন দেখতে পাবেন সেখানে Log Out এর পূর্বে দেখুন Analytics নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করে দেখুন এখন তিনটা খালি ঘর দেখতে পাচ্ছেন। প্রথম ঘরের উপরে লিখা আছে Your Pinterest Profile - এর নিচে Avg. daily impressions আর তার পাশে Avg. daily viewers। Avg. daily impressions অর্থাৎ গড়ে কতবার আপনার প্রোফাইল থেকে করা পিনসমূহ কতবার পিনটারেস্টের হোম ফিডে, ক্যাটাগরি ফিডে এবং সার্চে এসেছে। Avg. daily viewers অর্থাৎ গড়ে দৈনিক কতজন আপনার করা পিনসমূহ দেখতে পাচ্ছে। এর পাশের ঘরে Your audience - এর নিচে দেখুন Avg. monthly viewers এর অর্থ হচ্ছে গড়ে মাসে কতজন আপনার করা পিনসমূহ তাদের ফিডে দেখতে পাচ্ছেন। Avg. monthly engage এর অর্থ গড়ে মাসিক কতজন আপনার পিন নিয়ে ব্যাস্ত থাকছে অর্থাৎ রিপিন করছে। Activity from YOUR WEBSITE – আপনি যেই ওয়েবসাইট এখানে যোগ করেছেন সেখান থেকে কতজন ভিজিটর আপনার পিনটারেস্ট প্রোফাইল ভিজিট করছেন। ওয়েবসাইট যোগ করা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পরে এইসব ঘর গুলোতে কোন কিছু শো করবেনা। কারণ, Analytics এর কাজ হচ্ছে পূর্বের ডাটার সাথে কম্পেয়ার করে একটা চিত্র তৈরি করা। কিন্তু আপনার সদ্য খোলা অ্যাকাউন্টে পূর্বে কিছুই করা হয়নাই। তাই এটার গ্রাফ দেখতে কিছুদিন অপেক্ষা করুন। এখান থেকে Analytics বিষয়ে পিনটারেস্টের নিজের কিছু উত্তর দেখুন- https://www.pinterest.com/bestwaystoearus/

২। Business Name and Profile Name: প্রথমে আপনি Pinterest এ অ্যাকাউন্ট খুলুন। এই সময় মনে রাখবেন আপনি যেই রকম প্রোডাক্টের মার্কেটিং করতে চাচ্ছেন অনেকটা তার সাথে সঙ্গতি রেখে আপনার Business Name সিলেক্ট করুন। এরপর আপনার User Name এর স্থলে আপনার Business Name এর সাথে মিল রেখে নাম দিন। (আমি প্রথমেই পরামর্শ দিব, আপনি যদি ফেসবুকে, টুইটারে আর অন্যান্য সোস্যাল প্লাটফর্মে আপনার এই Business অ্যাকাউন্ট বা পেজ চালান তবে সেই একই নাম এখানে ব্যবহার করবেন)।

৩। Business Type: এখানে আপনার প্রোডাক্টের ধরণের সাথে সঙ্গতি রেখে একটি সিলেক্ট করুন। সম্পূর্ণ মিল না পেলেও কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করুন। নাহলে Other দিন।

৪। Logo: আপনার সাইটের লোগো এখানে প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করুন। এতে আপনার সাইটের ভিজিটর যারা এখান থেকে আপনার সাইটে যাবেন তারা অনেক সহজেই আপনার সাইট এবং Pinterest অ্যাকাউন্ট একই যে তা বুঝতে পারবেন।

৫। Username: এই বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে গেলে আপনার অ্যাকাউন্টের প্রোফাইলে গিয়ে Edit Profile এ চাপ দিয়ে দেখুন সেখানে Business Name, Picture অর্থাৎ আপনার বিজনেস লোগোর ঠিক পরেই Username এর স্থানে https://www.pinterest.com/bestwaystoearus/ এর পরে একটি ফাঁকা ঘর দেখতে পাবেন যেখানে আপনার Business Name এর সাথে মিল রেখে অবশ্যই Username দিন। যেমন ধরুন আমার বিজনেস নেম Social Media Marketing BD। তাহলে https://www.pinterest.com/bestwaystoearus/ এর পরে https://www.pinterest.com/bestwaystoearus/ দিন। এতে যে কেউ আপনার প্রোফাইল খুব সহজেই আপনার বিজনেস নেমের সাথে মিল রেখে খুঁজে পাবে। অনেকটা ফেসবুকে নিজের পেজ নেমের মত।

৬। About You: এখানে আপনার ব্যবসার ধরণ মত সংক্ষিপ্ত আকারে ১৬০ শব্দের মধ্যে খুব আকর্ষনীয় করে বর্ণনা দিন, যাতে টার্গেটেড ভিজিটর কে আকৃষ্ট করে।

৭।  Location: আপনার ব্যবসার টার্গেটেড ভিজিটর হিসেবে লোকেশন দিন। আমি এ জন্যই বলবো কারন, অনেক সময় উন্নত দেশ গুলোর ভিজিটর আমাদের দেশের অনেক কিছুই এড়িয়ে চলে। যেমন ধরুন আপনার টার্গেটেড ভিজিটর ইউএসএ। তাহলে কী হবে নিশ্চই বুঝতে পারছেন?

৮। Website: আপনার যদি Website থাকে তবে তা ভেরিফাই করে নিন। এতে আপনার প্রোফাইলে Site Verified দেখাবে। যা আপনার ফলোয়ারের কাছে আপনার প্রোফাইলের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবে। এছাড়া, Analytics এ যেখানে Activity from YOUR WEBSITE আছে সেখানে গ্রাফ শো করবে।

৯। Search Privacy: অবশ্যই No করে রাখবেন। এতে সার্চ ইঞ্জিনের আপনার প্রোফাইল খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

১০। Board: এখন প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করলাম। এরপর Board Create করতে হবে। সব সময় মনে রাখবেন, আপনার বিজনেসের সাথে মিল রেখে বেশ কয়েকটি প্রোডাক্ট অনুযায়ী Board Create করুন। এর জন্য আপনি ঠিক বাম পাশে + নিচে লিখা Create Board button এ চাপ দিয়ে নতুন বোর্ড তৈরি করুন। এছাড়া ভবিষ্যতে অন্য প্রোডাক্টের মার্কেটিং এর কথা ভেবেও বোর্ড তৈরি করে রাখতে পারেন। এতে যখন আপনি সেই প্রোডাক্টের ব্যবসা শুরু করবেন সেখানে নিশ্চিন্তে ভিজিটর পাবেন। তাই মাঝে মাঝে যতক্ষণ আপনার প্রোডাক্ট না আসে ততক্ষণ অন্যের পিন আপনার প্রোডাক্টের সাথে সঙ্গতি রেখে উক্ত বোর্ডে পিন করতে থাকুন। এতে ভিজিটরের এনগেজমেন্ট বজায় থাকবে।

১১। Board Name: এখানে আপনি যেই প্রোডাক্টের মার্কেটিং করবেন সেই প্রোডাক্টের সাথে মিল রেখে Board Name দিন। অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনার প্রোডাক্ট যদি একাধিক ধরণের হয় তবে প্রোডাক্টের সাথে সঙ্গতি রেখে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন বোর্ড তৈরি করুন। যেমন ধরুন, আমার প্রোডাক্ট Weight Loss তাহলে সেই মত নামও দিব। আবার একই বিজনেসে আমার আরেকটা প্রোডাক্ট Make Money Online তাহলে বাকিটা কী হবে নিশ্চই বুঝতে পারছেন? অর্থাৎ, একই বোর্ডে একাধিক ভিন্ন প্রোডাক্ট পিন করা মোটেই বাঞ্চনীয় নয়। এতে অনেক ভিজিটর বিরক্ত হবে।

১২। Description: এখানে আপনার প্রোডাক্টের খুব সংক্ষিপ্ত আর আকর্ষনীয় করে বর্ণনা লিখুন। যাতে ভিজিটর খুব সহজেই আপনার বোর্ডের প্রোডাক্টের বর্ণনা পেয়ে যায়। তবে দয়া করে হ্যাসট্যাগ # ব্যবহার করবেন না। এতে সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। আমি আমার পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, অনেকেই একটা দায়সারা গোছের বর্ণনা লিখে একই বোর্ডে ১০ রকমের প্রোডাক্টের পিন করে। এখন আপনি নিজেই ভেবে দেখুন একজন ভিজিটর হিসেবে কারো বোর্ড এমন দেখলে আপনি কী করবেন?

১৩। Category: এখানে আপনি আপনার প্রোডাক্ট অনুযায়ী Category নির্বাচন করুন। যদি সম্পূর্ণ না মিলে তাহলে কাছাকাছি দেবার চেষ্টা করুন নাহলে Other দিন।

১৪। Map, Secret: যদি আপনি লোকাল কোন বিজনেস করেন তাহলে Map নির্বাচন করুন। অনেকটা Google Maps এর মত। ঠিক আপনার প্রতিষ্ঠানের স্থান খুঁজে সেখানে Mapping এর মত করে আপনার প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় Map করে দিন। এতে গ্রাহকের আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা খুঁজে পেতে সুবিধা হবে। Secret অপশনটা যেখানে আছে সেখানেই রাখুন।

১৫। Collaborator: এখানে আপনার এই বোর্ডে যদি আপনি চান যে আপনার সাথে আর কেউ (এই বোর্ডের মতই যার বোর্ড আছে) পিন করুক তাহলে তার ই মেইল ঠিকানা দিয়ে তাকে আপনার বোর্ডে পিন করার জন্য রিকোয়েষ্ট পাঠাতে পারেন। তবে প্রথম অবস্থাতে এই রকম না করাই ভাল। সব শেষে Save Button এ চাপ দিয়ে Save করুন।

১৬। Find Relevant Pinner: এখন আপনার কাজ হচ্ছে আপনার বোর্ডের/ব্যবসার সাথে মিল আছে এমন বোর্ড বা প্রোফাইলকে আপনি উপরের সার্চ বার থেকে সার্চ করে তাকে ফলো করা শুরু করুন। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল করবেন তার ফলোয়ার কত, তার পিন সংখ্যা কত। সেখানে একটা সামঞ্জস্য থাকবে। এভাবে ফলো করতে থাকেন। দেখবেন আপনার ফলোয়ার ও বাড়তে থাকবে। এখানে আমি আপনাদের জন্য একটি ওয়েব সাইটের ঠিকান দিচ্ছি যেখান থেকে আপনি আপনার ব্যবসার সাথে মিল রেখে বা বোর্ডের সাথে মিল রেখে পিনার বা বোর্ড খুজে পাবেন pingroupie এখানে পছন্দ মত Category সিলেক্ট করে কোন ধরণের বোর্ড খুঁজছেন তা Title এ লিখুন এবং চাইলে Description দিতে পারেন তাহলেই প্রায় ৮৭৯৯২ টি বোর্ডের মাঝে থেকে আপনার কাংখিত বোর্ড খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

১৭। Pin: বিভিন্ন বোর্ডে যারা পিন করছেন তাদের পিন থেকে আপনার বোর্ডে পিন করতে থাকুন। আপনি যাদের ফলো করছেন তাদের পিনকেই আবার পিন করুন। একে Repin বলে। আর তার সাথে আপনার নিজের সাইট থেকেও পিন করতে থাকুন। কিভাবে একটি সুন্দর আকর্ষনীয় পিন তৈরি করা যায় তা আরেকদিন বর্ণনা করবো ইন শা আল্লাহ। এছাড়াও আপনি আপনার বোর্ডে প্রবেশ করে তার বাম পাশে + চিহ্নিত Add a pin বাটনে চাপ দিলে একটি বক্স আসবে। সেখান থেকে আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটের পিন করতে চান তাহলে Pin From এ Web সিলেক্ট করে সেই ওয়েব সাইটের ঠিকানা দিলেই সেখানকার টিউনের ছবি সমূহের লিস্ট দেখতে পাবেন। তবে শুধু ঠিকানা যেমন, sitename.com দিবেন। তারপর আপনার বর্ণনা Description এর স্থলে দিয়ে নির্দিষ্ট বোর্ড সিলেক্ট করে পিন দিন। তবে কখনই হ্যাশ ট্যাগ # ব্যবহার করবেন না। পারলে আপনার সাইটের অ্যাড্রেস, বর্ণনার সাথে অ্যাড করে দিতে পারেন। অবশ্যই আপনার বোর্ডের পিনের সাথে সাইট সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে। বর্ণনার সাথে মিল নেই এই রকম একটি সাইটে আপনার ভিজিটরকে নিয়ে গেলে আপনার ভিজিটর বিরক্ত হবে এমনকি আপনাকে আনফলোও করে দিতে পারে। এছাড়াও Your Device Option এর উপর ক্লিক করে আপনার হার্ড ডিস্কে সংরক্ষিত ছবি থেকে আপলোড করে পিন করতে পারেন। এক্ষেত্রে বর্ণনার স্থলে আগের নিয়ম মত বর্ণনা দিতে পারেন।

সবসময় আমাদের একটি কথা মনে রাখা উচিত বলে আমি মনে করি। তা হচ্ছে, আপনি নিজে যেই রকম দেখতে পছন্দ করেন না, ঠিক সেই রকম ভিজিটরকেও দেখানোর চেষ্টা করবেন না। ভুল হলে ক্ষমা করবেন। সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে আরো জানতে আর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ফেসবুকে আমাদের Social Media Marketing BD গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আর কিছু যোগ বা বিয়োগ করার প্রয়োজন থাকলে দয়া করে টিউমেন্টে জানাবেন। আজ এই পর্যন্তই। পরের পর্বে আরো বিস্তারিত আলোচনা করবো বলে আশা রাখি।
আল্লাহ হাফেয

Monday, November 2, 2015

ভিজিটর আনা নাকি অনেক বেশী কঠিন ? চলুন কিছু Social Media তে ভিজিটর এর ঝর তুলি। Facebook + Tumblr + Instagram + Youtube। লুফে নিন Targatted ভালো মানের হাজারও কার্যকরী ভিজিটর।

পৃথিবীতে সব থেকে লাভজনক ব্যবসা হল যে ব্যবসা এর মাঝে সততা থাকে। কারন যারা সততা নিয়ে ব্যবসা করে তাদের লাভের পরিমান টা হয়ত এককালীন অল্প থাকে কিন্তু সেটা পরবর্তীতে হাজারো গুন বেরে যায় আর সৎ ব্যবসা হল স্থায়ি ব্যবসা। আর যারা ২ নম্বরি ব্যবসাতে জড়িত তাদের হয়ত এক কালীন অনেক লাভ হয় কিন্তু এক সময় গিয়ে এমন ভাবে মুচরে যায় যে, দাঁড়ানো আর সম্ভব হয় না।
কথা টা বললাম এই কারনে যে, আমরা হয়ত অনেকেই প্রোডাক্ট মার্কেটিং বা ব্লজ্ঞিং এর সাথে জড়িত। আমি দেখছি অনেক বেশী পরিমান Adult কিছু শেয়ার করে ভুলভাল কিছু ভিজিটর দের দেখিয়ে ভিজিটর গুলকে সাইট এ আনা হচ্ছে। এতে করে হয়ত তারা ভিজিটর পাচ্ছে কিন্তু আজিবন সেই ব্লগ টা সম্পর্কে একটা নেতিবাচক মনভাব ভিতরে থেকে যাচ্ছে। আপনি যদি spammer হন তাহলে আজীবন আপনাকে কষ্টই করতে হবে। আর যদি ভালো কিছু দিতে চান তাহলে ভালো মনমানসিকতা নিয়ে ব্লজ্ঞিং বা প্রোডাক্ট মার্কেটিং করেন তাহলে কষ্ট করতে হবে একবার, আর তার ফল আজীবন পেতে থাকবেন।
মার্কেটিং এর Main concept টা হল, আপনার প্রোডাক্ট বা ব্লগ বা আপনার লেখা সম্পর্কে পাঠককে বা ভিজিটরকে ভালো লাগানো। কারন যে একজনকে আপনি ভালো লাগালেন ঐ একজন মানুষ আপনার হয়ে আপনার সাইটটার জন্য অন্য কথাও আরও দশটা মানুষের কাছে মার্কেটিং করবে। এই বিষয়টা খেয়াল রাখলে আপনারা যে যায় করুন সফল হবেনই। আর পাঠককে বা ভিজিটর কে এটায় বুঝাবেন যে তারা আপনার ব্লগ বা সাইট থেকে কিছু নিতে আসছে, আপনি তার থেকে তেমন বেশী লাভ করছেন না। এই কাজ টা করতে পারলেই যথেষ্ট।
আসলে ভিজিটর Drive করানো কোন কষ্টের কাজ না। কষ্ট হল ভিজিটরকে ভালো লাগানো আপনার টিউনটা কে বা ব্লগ টা কে বা প্রোডাক্ট টা কে ভালো লাগানো।

আজ একটু বড় টিউন ই হয়ে যাবে, তাই যত অল্প কোথায় বেশী বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো। আর না বুঝলে গবেষণা চালান।
আপনি যদি অন্য সেক্টর থেকে ভিজিটর ড্রাইভ করাতে বেশী পারেন তাহলে টিউনটা দেখে আবার এই দিকে এসে আপনার strong sight কে দুর্বল করার দরকার নাই। কারন আপনি সব দিক থেকেই যদি ভিজিটর ড্রাইভ করানোর প্লান থাকে তাহলে কিছুই করতে পারবেন না। যে কোন এক দিক নিয়ে থাকতে হবে। আজ শুধু এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাইট গুলো নিয়ে আলোচনা করলাম। মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আর Practice করুন তারপর নিজে এই বিষয় গুলোর মাঝে থেকে নিজে কিছু আবিষ্কার করুন। তাবলীগ এ একটা সুন্দর কথা বলে সেটা হল “জানা জ্ঞানের উপরে আমল করিলে অনেক অজানা জ্ঞান হাছিল হয়” কথাটার গভীরতাটা বুঝে নিবেন।
আমি এখানে শুধু Secret ব্যপার গুলো শেয়ার করছি। আপনারা ভালোভাবে জেনে নিবেন। তারপর ট্রিক গুলো অ্যাপ্লাই করে ভিডিও রাঙ্ক করাবেন।

১. Youtube Marketing


ইউটিউব সম্পর্কে কিছু বলার নাই। সবায় এব্যাপারে জানেন। মিনিমাম ২৪ টা জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলবেন। আপনার যে কোন ভিডিও বা আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে সুন্দর ভিডিও কাটছাঁট করে তৈরি করবেন। তারপর আপনার যে keyword সেটা হেডলাইন এর মাঝে থাকবে কিন্তু সমানে বা প্রথমে কিছু ইউনিক জিনিস অ্যাড করবেন। যেমন “Make money online” এটা যদি আপনার কিওয়ার্ড হয় তাহলে এভাবে ইউনিক করতে পারেন “Three Proven ways to make money online” এভাবে আপনি করতে পারেন।
তারপর নিচে Description এর মাঝে keyword গুলো নিয়ে সুন্দর করে article লিখবেন ৬-৭ লাইন তারপর আপনি ঐ ভিডিও রিলাটেড আর্টিকেল আপনার ব্লগ এর যেখানে আছে সেই লিঙ্ক টা লাগাবনে। ভিডিও টা প্রথমে প্রাইভেট রাখবেন। তারপর ২দিন পর পাবলিক করবেন। তারপর আপনি ৩ দিনের মধ্যে ভিউ বারাবেন ৩০৭ টা।ভিউ বারাতে কিভাবে হয় সেটা গুগল থেকে খুজে জেনে নিন। আর তারপর ২৩ টা জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনার ভিডিও টা তে পজিটিভ টিউমেন্ট করেন। একেকটা একেক রকম।
এগুলো করলে ইনশাআল্লাহ্‌ আপনার ভিডিও টা রাঙ্ক করবে। আর এভাবে আপনি প্রত্যেক কিওয়ার্ড বা প্রোডাক্ট এর জন্য গবেষণা করে ভিডিও তৈরি করে optimize করবেন। ৩০৭ টা ভিউ পেলে আপনার ভিডিও টা হালাল হয়ে গেল। আপনার আর ঐ ভিডিও টা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। প্রাথমিক দিকে হয়ত কম ভিজিটর পাবেন কিন্তু একটা সময় গিয়ে আজীবন ঐ ভিডিও থেকে ফল পেতে থাকবেন।

২. Facebook

এই ফেছবুক সম্পর্কে বেশী কিছু বলার নেই। সবায় জানেন। বিলিয়ন ইউজার আছে তাদের। এখন কাজ হল কিভাবে আপনি এটা কে ব্যবহার করে ভালো পরিমান ভিজিটর।
একবারে সহজ কাজ। ১০ টা ফ্যক অ্যাকাউন্ট খুলুন তারপর বড় বড় ফ্যন পেজ বড় বড় গ্রুপ এ ঐ ফ্যক আইডি গুলো দিয়ে টিউমেন্ট করবেন। দেখবেন এমনি এমনি অনেক রিকুয়েস্ট আসতেছে। দিনে ৩০০ এর বেশী রিকুয়েস্ট accept করবেন না। আর এক এক আইডি তে ঢুকার সময় এক এক ব্রাউজার ব্যবহার করুন আর হ্যাঁ অবশ্যই প্রত্যেক ব্রাউজার এর প্রাইভ্যট উইন্ডো দিয়ে। কিছু ব্রাউজার এর নাম দিলাম এগুলো ব্যবহার করতে পারেন যেমনঃ Tourch, Opera, Safari, 300, wyzo, Thunderbird etc লাল এগুলোর প্রাইভ্যট উইন্ডো দিয়ে ঢুকবেন। আর অবশ্যই হিস্টরি সব সময় ক্লিন রাখবেন।

এখন কাজের কোথায় আসি কিভাবে ব্যবহার করবেন। ধরে নিলাম আপনার প্রত্যেক আইডি তে ৪০০০+ ফ্রেন্ড আছে। এখন আইডি তে ঢুকুন তারপর সুন্দর আকর্ষণীয় টিউন করুন তারপর সেই টিউন টা তে ১০০ জন কে ট্যাগ করুন। একটা ইভেন্ট করুন ঐ টিউন টা নিয়ে তারপর ঐ ইভেন্ট এ সবায় ক ইনভাইট করুন এতে করে আপনার ঐ টিউন সম্পর্কে সবার কাছে একটা নোটিফিকেশান যাবে। তারপর আপনি অ্যাক্টিভ ফ্রেন্ড দের ক নিয়ে ম্যাসেজ এ একটা গ্রুপ বক্স তৈরি করুন প্রতি গ্রুপ বক্স এ ৫০ জন করে অ্যাড করবেন এভাবে ম্যাসেজ গ্রুপ বক্স অ্যাক্টিভ মেম্বেরদের নিয়ে ৭ টি বানাবেন তারপর রেগুলার আপনার যে আকর্ষণীয় টিউন গুলো থাকবে সেই টিউন টা কে এই সাত টা ম্যাসেজ গ্রুপ বক্স এ দিবেন। তাহলে ম্যাসেজ গ্রুপ বক্স থেকে সবার কাছে ম্যাসেজ টা যাবে। তারপর আপনি ঐ টিউন টা ঐ আইডি এর সব গ্রুপ এ গিয়ে টিউন করে আসবেন। ১০০ গ্রুপে টিউন করলে বেশী ভালো ফল পাবেন। পারলে আরও বেশী করবেন। এভাবে একটা আইডি তে কাজ করলে আপনি কমপক্ষে একটা আইডি থেকে ৬০০/৭০০ ভিজিটর পাবেন।

আপনি যদি কষ্ট করে আইডি গুলো তৈরি করতে পারেন তাহলে ভালো। আর যদি আপনি আইডি কিনতে চান তাহলে আপনি আমার সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। আমি নিজের সাইট এর ভিজিটর এর জন্য একদল ভালো হ্যকার গ্রুপ থেকে আইডি কিনে কাজ চালাই। চাইলে আপনি ফেছবুক আইডি এর জন্য আমার সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। ফোন ০১৮৫৪৫১৬৭৭৪ আমার স্কাইপঃ prince.tuutuul


Tumblr:

http://howtomakemoneyonlinefreeus.blogspot.com
 
দারুন একটা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে আপনি যত খুশি তত অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। আপনার ব্লগ এর ভালো কোন টপিক নিয়ে মানে যে নিচ নিয়ে কাজ করতে চান সেই নিচ নিয়ে আপনি এক একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলে সুন্দর করে আপনার আইডি টা সাজাবেন তারপর দিন থেকে আপনি আপনার Targatted client দের Follow করবেন দেখা যাবে তারাও আপনাকে follow করবে। এখানে কাও কে Follow করলে Follow bcak পাওয়া যায় আর এর Ratio অনেক ভালো। নিচে একটা ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করা হল। অনেক সুন্দর একটা ভিডিও অবশ্যই দেখবেন। Tumblr দিয়ে কিভাবে ভালো মানের ভিজিটর আনতে পারবেন সে ব্যপারে ... Video Link   >  ভিডিও
আশা করছি ভিডিও টা দেখলে অনেক সুন্দর একটা ধারনা পাবেন।

Instagram: 


এটা একটি মোবাইল প্লাটফর্ম। বেশির ভাগ ফটো শেয়ার এর জন্য এই মিডিয়া টা ব্যবহার হয়। তবুও এর মিলিয়ন ইউজার। আপনাকে এটা কম্পিউটার এ ব্যবহার করতে Blue stack নামক সফটওয়্যার এর মাদ্ধমে করতে হবে। যাই হোক অ্যাকাউন্ট খলা তেমন কঠিন কাজ না। আপনি শুধু একটা হট কোন ছবি দিয়ে একটা সুন্দর করে অ্যাকাউন্ট টা তৈরি করবেন। তারপর কিছু ফটো দিয়ে প্রোফাইল টা কমপ্লিট করবেন। তারপর আপনার niche related পেজ search দিয়ে তাদের follow করবেন। বিনিময়ে তারাও আপনাকে follow করবে।

tumblr and instagram এই দুইটা এর ক্ষেত্রে আপনার যখন কমপক্ষে ১০০০ এর উপরে ফলওার হবে তখন আপনি দিনে একটা আকর্ষণীয় টিউন এর মধ্যে লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। আর অবশ্যই Informative টিউন হতে হবে।
ফেছবুক এ আমি