Showing posts with label SEO. Show all posts
Showing posts with label SEO. Show all posts

Thursday, November 5, 2015

পিনটারেস্ট যখন মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম – ২

সকল পাঠকবৃন্দকে আমার টিউটোরিয়ালে আবারো শুভেচ্ছা। আমি গত পর্বে খুব সাধারণ খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। যেখানে শুরুতে একজন বিগিনারের জন্য কিছু বেসিক গাইডলাইন দেয়া ছিল। আমার গত টিউটোরিয়াল দেখতে পাবেন এখানে। আজ কিছুটা বিস্তারিত আলোচনা করতে যাচ্ছি। তাহলে শুরু করা যাক।

১৮। Board: গত পর্বে Board Create নিয়ে কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম। আজ এর বিস্তারিত দেবার চেষ্টা করছি।
  • Board Name: এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ওয়েব সাইটের নামের বা প্রোডাক্টের নামের সাথে মিল রেখে আপনার বোর্ডের নাম দিন। কিন্তু কিছু ব্যাপার সবসময় ইউনিক হলে ভাল হয়। যেমন, কিছু আই ক্যাচিং নাম হতে পারে “Funny Stuff”অথবা “The SEO soft I like most”এই ধরণের নাম যেটা সাধারণত ভিজিটরের বা আপনার ফলোয়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কারণ, ভিজিটর আপনাকে হাজার জনের মাঝে থেকে কেনো ফলো করবে যেখানে হাজার রকমের পিনার বা বোর্ড আছে? নিশ্চই কিছু ইউনিক থাকা প্রয়োজন। আপনি নিজের ক্ষেত্রেই ভেবে দেখুন, গতানুগতিক বোর্ডকে আপনি ফলো করবেন না যেই বোর্ডের কিছু মজার নাম যেটা আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছে সেটাকে ফলো করবেন? প্রকৃতপক্ষে মানুষ সবসময় ভিন্ন রকম যেটা সচরাচর দেখা বা পাওয়া যায়না সেইসব বস্তু বা ঘটনার প্রতি আকৃষ্ট হয়। আর পূর্বেই বলে রেখেছি, আপনার বোর্ডের নামের সাথে মিল রেখে পিন করুন। আজেবাজে কন্টেন্ট পিন না করে বেছে বেছে মানসম্মত পিন করার চেষ্টা করুন।
  •  Cover: এক্ষেত্রে আপনার বোর্ডের একটি খুব আকর্ষনীয় কাভার ফটো হওয়া খুব জরুরী। কারণ, যখন ভিজিটর আপনার প্রোফাইলে আসবেন তখন তিনি আপনার বিভিন্ন বোর্ড ঘেঁটে দেখবেন অনেক সময় বিভিন্ন বোর্ডে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। কিন্তু সাধারণত ভিজিটর কোনো বোর্ডে প্রবেশ করলে তার পক্ষে সব পিন দেখা সম্ভব হয়না। এতে অনেকেই বোর্ডের কাভার ফটো দেখে ফলো দিয়ে যায়। তাই আকর্ষণীয় কাভার ফটো একটা জরুরী উপাদান। কাভার ফটো তৈরি করার জন্য canva এ দেখতে পারেন। এখানে একটি ভাল মানের আকর্ষণীয় পিন কিভাবে তৈরি করা যায় তার টিউটোরিয়াল দেয়া আছে। রেজিষ্ট্রেশন করে ডান পার্শ্বে + বাটনে চাপ দিয়ে দেখুন পিনটারেস্ট নামে অপশন আছে। সেখানে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন বিভিন্ন রকমের লেয়াউট দেয়া আছে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের লেয়াউট নিয়ে ইচ্ছামত ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। আর তাদের টিউটোরিয়াল দেয়া আছে Learn Design নামে অপশনে। সেটা দেখে নিলে খুব ভাল হয়। এছাড়াও, YouTube -এ canva ব্যবহার করে কিভাবে ডিজাইন করা যায় সে সম্পর্কে অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল পাবেন। এখানে বলে রাখা ভাল, আপনি canva ছাড়াও নিজে নিজেই ডিজাইন করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, লম্বা বা Vertical ইমেজ পিনটারেস্টের জন্য সবসময় আকর্ষণীয়। যদি আপনি গ্রাফিকের কাজ টুকটাক পারেন তবে এই ক্ষেত্রে কিছু আকর্ষণীয় ইমেজ নিয়ে আপনি পিন তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে ইমেজের সাইজের অনুপাত পিক্সেল অনুসারে ২:৩ অর্থাৎ আপনি যদি প্রস্থ্যে ৮০০ পিক্সেলের ছবি নেন তাহলে লম্বায় ১৬০০ পিক্সেলের নিতে হবে। আবার ইচ্ছা করলে আপনি ছবি ১:৩.৫ অনুপাতে ডিজাইন করতে পারেন। যেমন, প্রস্থ্যে ৪০০ পিক্সেলের একটা ছবি লম্বায় ১৪০০ পিক্সেলে নিতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে ১:৩.৫ অনুপাতের ছবি পিন করার সময় একটু ভুল হলেই কেটে যেতে পারে। তাই এই অনুপাত না নেয়াই শ্রেয়। ছবি সংক্রান্ত বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে এই ভিডিওটা দেখতে পারেন এখানে থেকে 
  •  Interesting Facts: সবসময় গতানুগতিক বোর্ড তৈরি না করে ভিজিটর যাতে বিরক্ত বা একঘেঁয়ে না হয়ে যায় সেজন্য কিছু মজার বিষয় নিয়ে বোর্ড তৈরি করুন। যেমন, আমি বেড়াল আর পোষা প্রাণী নিয়ে একটা বোর্ড তৈরি করে রেখেছি। অনেক সময় এই বোর্ডে পিন করি। তাতে ভালই সাড়া পাই। আবার কার্টুন বা কোট শেয়ারের বোর্ড তৈরি করেও রাখতে পারেন।
 ১৯। Quality Image: এই সম্পর্কে আসলে বলার পূর্বেই হয়ত বুঝতে পারছেন। কারণ,  ছবির রেজুলেশন আর কোয়ালিটি ভাল না হলে সব কষ্ট বৃথা। সুতরাং, আপনার ছবির কোয়ালিটি অবশ্যই থাকতে হবে। যেমন, ছবি কম করে হলেও ৬০০-৮০০ পিক্সেল প্রস্থ্যে আর দৈর্ঘ্যে ১০০০ পিক্সেল হওয়া লাগবেই। কারণ, মানসম্মত ছবি আপনার পিনের রেপুটেশনই শুধু বাড়ায় না আপনার ব্যবসার রেপুটেশনও বাড়ায়। সুতরাং, দীর্ঘ সময় ধরে ছবি বেছে পিন করুন। যেনতেন ভাবে বাছাই করা ছবি না দেয়াই শ্রেয়। আর, ছবির আকৃতির দিকে অবশ্যই নজর দিন। কারণ, আপনি এমন একটা ছবি বাছাই করলেন যেটার আকৃতি খুব ছোট তাহলে সেটা শেয়ার হবার সম্ভাবনা খুব কম। এই সময় ভিজিটর আপনার ছবির চাইতে একই ছবি যদি অন্য ব্লগে বা বোর্ডে বড় আকারে বা ভাল রেজুলেশনে থাকে তাহলে সেটাই শেয়ার করবে।
 ২০। Make Image Shareable: ছবি অবশ্যই শেয়ার যোগ্য করে রাখুন। অনেক সময় দেখা যায় অনেকেই ছবিতে নিজের কোম্পানির লোগো, পন্যের মূল্য বা অন্য কিছু জলছাপ দিয়ে রাখেন। এই সকল ছবি খুব কমই শেয়ার হবে। এমনকি পিন করার যোগ্যতা হারালেও হারাতে পারে। আপনার পন্যের মার্কেটিং এর সবকিছুই ছবির উপর থেকে দূরে রাখুন। আপনার ছবি শেয়ার হলে আপনা-আপনিই আপনার পন্য শেয়ার হবে। কারণ, নিচে বর্ণনার স্থলে তো পন্যের সকল তথ্য থাকছেই। আসলে পিনটারেস্ট আপনার পন্যের সরাসরি বিজ্ঞাপনের জন্য নয়। এখানে ভিজিটর আকর্ষণীয় বিভিন্ন জিনিষ খুঁজে থাকেন।
২১। Use QR Code: যেহেতু পিনটারেস্টে আকর্ষনীয় ছবি বেশি সংখ্যক শেয়ার করা হয় তাই আপনি ইচ্ছা করলে QR Code তৈরি করে পিন করতে পারেন। এতে শেয়ারের মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য নিয়ে আপনা-আপনি বিজ্ঞাপণ প্রচার হয়ে যাবে। আসলে, QR Code দেখতে আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। এটা অনেকেই দেখতে পছন্দ করেন। ভিজিটর এটাকে আর্টওয়ার্ক মনে করে বলে শেয়ারের মাত্রা বেড়ে যেতেও পারে।
২২। Detail Description: আপনার পন্যের সকল বর্ণনা ছবির নিচে দিন। সঠিক KeyWord দিয়ে মানসম্মত বর্ণনা লিখলে আপনার ছবি খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ হবে। এতে আপনার ওয়েবসাইট আরো বেশি ভিজিটর আকৃষ্ট করতে পারবে। কারণ, যত Repin ততো ভিজিটর। যত বেশি পরিমানে লিখা শেয়ার করা যায় ততোই ভাল। যদিও Grid View –তে ১০০ শব্দের মত দেখা যায় তারপরও যারা ক্লিক করবেন তারা ৫০০ শব্দের কাছাকাছি শব্দের লিখা পড়তে পারবেন। এতে ভিজিটরের আপনার পন্যের সম্পর্কে একটা মোটামুটি ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।
আপনার পিনের প্রতি বা প্রোফাইলের প্রতি আকর্ষন বৃদ্ধি করার জন্য ভিজিটরকে সঠিক মেসেজ দেবার চেষ্টা করুন। প্রথম দিন থেকেই পন্যের প্রচার শুরু না করে ধীরে ধীরে করুন। এছাড়াও, বর্তমান ট্রেন্ডকে লক্ষ্য রাখুন। অর্থাৎ, বর্তমানে কোন ট্রেন্ড চলছে। কোন পিন গুলো বেশি শেয়ার হচ্ছে। তাহলেই সেগুলো Repin করার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোফাইলের ভিজিটর বা ফলোয়ার বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। Repin করার সময় শুধু Repin না করে তার নিচে আপনার ব্যক্তিগত অর্থাৎ আপনার প্রচার সংশ্লিষ্ট বর্ণনা দিয়ে দিন। এতে ভিজিটর অবশ্যই বাড়বে। তবে পিন করার জন্য আপনার ব্রাউজারে এখান থেকে পিনটারেস্ট বাটন যোগ করে নিতে পারবেন। এতে সহজেই যে কোন কিছু আপনি পিন করতে পারবেন।

আজ এই পর্যন্তই। পরের পর্বে আরো কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ্‌। আরো কিছু জানার জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপ Tunebdonline -এ জয়েন করতে পারেন। ভাল থাকুন আর আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয।
চলবে...

Monday, November 2, 2015

ভিজিটর আনা নাকি অনেক বেশী কঠিন ? চলুন কিছু Social Media তে ভিজিটর এর ঝর তুলি। Facebook + Tumblr + Instagram + Youtube। লুফে নিন Targatted ভালো মানের হাজারও কার্যকরী ভিজিটর।

পৃথিবীতে সব থেকে লাভজনক ব্যবসা হল যে ব্যবসা এর মাঝে সততা থাকে। কারন যারা সততা নিয়ে ব্যবসা করে তাদের লাভের পরিমান টা হয়ত এককালীন অল্প থাকে কিন্তু সেটা পরবর্তীতে হাজারো গুন বেরে যায় আর সৎ ব্যবসা হল স্থায়ি ব্যবসা। আর যারা ২ নম্বরি ব্যবসাতে জড়িত তাদের হয়ত এক কালীন অনেক লাভ হয় কিন্তু এক সময় গিয়ে এমন ভাবে মুচরে যায় যে, দাঁড়ানো আর সম্ভব হয় না।
কথা টা বললাম এই কারনে যে, আমরা হয়ত অনেকেই প্রোডাক্ট মার্কেটিং বা ব্লজ্ঞিং এর সাথে জড়িত। আমি দেখছি অনেক বেশী পরিমান Adult কিছু শেয়ার করে ভুলভাল কিছু ভিজিটর দের দেখিয়ে ভিজিটর গুলকে সাইট এ আনা হচ্ছে। এতে করে হয়ত তারা ভিজিটর পাচ্ছে কিন্তু আজিবন সেই ব্লগ টা সম্পর্কে একটা নেতিবাচক মনভাব ভিতরে থেকে যাচ্ছে। আপনি যদি spammer হন তাহলে আজীবন আপনাকে কষ্টই করতে হবে। আর যদি ভালো কিছু দিতে চান তাহলে ভালো মনমানসিকতা নিয়ে ব্লজ্ঞিং বা প্রোডাক্ট মার্কেটিং করেন তাহলে কষ্ট করতে হবে একবার, আর তার ফল আজীবন পেতে থাকবেন।
মার্কেটিং এর Main concept টা হল, আপনার প্রোডাক্ট বা ব্লগ বা আপনার লেখা সম্পর্কে পাঠককে বা ভিজিটরকে ভালো লাগানো। কারন যে একজনকে আপনি ভালো লাগালেন ঐ একজন মানুষ আপনার হয়ে আপনার সাইটটার জন্য অন্য কথাও আরও দশটা মানুষের কাছে মার্কেটিং করবে। এই বিষয়টা খেয়াল রাখলে আপনারা যে যায় করুন সফল হবেনই। আর পাঠককে বা ভিজিটর কে এটায় বুঝাবেন যে তারা আপনার ব্লগ বা সাইট থেকে কিছু নিতে আসছে, আপনি তার থেকে তেমন বেশী লাভ করছেন না। এই কাজ টা করতে পারলেই যথেষ্ট।
আসলে ভিজিটর Drive করানো কোন কষ্টের কাজ না। কষ্ট হল ভিজিটরকে ভালো লাগানো আপনার টিউনটা কে বা ব্লগ টা কে বা প্রোডাক্ট টা কে ভালো লাগানো।

আজ একটু বড় টিউন ই হয়ে যাবে, তাই যত অল্প কোথায় বেশী বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো। আর না বুঝলে গবেষণা চালান।
আপনি যদি অন্য সেক্টর থেকে ভিজিটর ড্রাইভ করাতে বেশী পারেন তাহলে টিউনটা দেখে আবার এই দিকে এসে আপনার strong sight কে দুর্বল করার দরকার নাই। কারন আপনি সব দিক থেকেই যদি ভিজিটর ড্রাইভ করানোর প্লান থাকে তাহলে কিছুই করতে পারবেন না। যে কোন এক দিক নিয়ে থাকতে হবে। আজ শুধু এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাইট গুলো নিয়ে আলোচনা করলাম। মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আর Practice করুন তারপর নিজে এই বিষয় গুলোর মাঝে থেকে নিজে কিছু আবিষ্কার করুন। তাবলীগ এ একটা সুন্দর কথা বলে সেটা হল “জানা জ্ঞানের উপরে আমল করিলে অনেক অজানা জ্ঞান হাছিল হয়” কথাটার গভীরতাটা বুঝে নিবেন।
আমি এখানে শুধু Secret ব্যপার গুলো শেয়ার করছি। আপনারা ভালোভাবে জেনে নিবেন। তারপর ট্রিক গুলো অ্যাপ্লাই করে ভিডিও রাঙ্ক করাবেন।

১. Youtube Marketing


ইউটিউব সম্পর্কে কিছু বলার নাই। সবায় এব্যাপারে জানেন। মিনিমাম ২৪ টা জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলবেন। আপনার যে কোন ভিডিও বা আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে সুন্দর ভিডিও কাটছাঁট করে তৈরি করবেন। তারপর আপনার যে keyword সেটা হেডলাইন এর মাঝে থাকবে কিন্তু সমানে বা প্রথমে কিছু ইউনিক জিনিস অ্যাড করবেন। যেমন “Make money online” এটা যদি আপনার কিওয়ার্ড হয় তাহলে এভাবে ইউনিক করতে পারেন “Three Proven ways to make money online” এভাবে আপনি করতে পারেন।
তারপর নিচে Description এর মাঝে keyword গুলো নিয়ে সুন্দর করে article লিখবেন ৬-৭ লাইন তারপর আপনি ঐ ভিডিও রিলাটেড আর্টিকেল আপনার ব্লগ এর যেখানে আছে সেই লিঙ্ক টা লাগাবনে। ভিডিও টা প্রথমে প্রাইভেট রাখবেন। তারপর ২দিন পর পাবলিক করবেন। তারপর আপনি ৩ দিনের মধ্যে ভিউ বারাবেন ৩০৭ টা।ভিউ বারাতে কিভাবে হয় সেটা গুগল থেকে খুজে জেনে নিন। আর তারপর ২৩ টা জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনার ভিডিও টা তে পজিটিভ টিউমেন্ট করেন। একেকটা একেক রকম।
এগুলো করলে ইনশাআল্লাহ্‌ আপনার ভিডিও টা রাঙ্ক করবে। আর এভাবে আপনি প্রত্যেক কিওয়ার্ড বা প্রোডাক্ট এর জন্য গবেষণা করে ভিডিও তৈরি করে optimize করবেন। ৩০৭ টা ভিউ পেলে আপনার ভিডিও টা হালাল হয়ে গেল। আপনার আর ঐ ভিডিও টা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। প্রাথমিক দিকে হয়ত কম ভিজিটর পাবেন কিন্তু একটা সময় গিয়ে আজীবন ঐ ভিডিও থেকে ফল পেতে থাকবেন।

২. Facebook

এই ফেছবুক সম্পর্কে বেশী কিছু বলার নেই। সবায় জানেন। বিলিয়ন ইউজার আছে তাদের। এখন কাজ হল কিভাবে আপনি এটা কে ব্যবহার করে ভালো পরিমান ভিজিটর।
একবারে সহজ কাজ। ১০ টা ফ্যক অ্যাকাউন্ট খুলুন তারপর বড় বড় ফ্যন পেজ বড় বড় গ্রুপ এ ঐ ফ্যক আইডি গুলো দিয়ে টিউমেন্ট করবেন। দেখবেন এমনি এমনি অনেক রিকুয়েস্ট আসতেছে। দিনে ৩০০ এর বেশী রিকুয়েস্ট accept করবেন না। আর এক এক আইডি তে ঢুকার সময় এক এক ব্রাউজার ব্যবহার করুন আর হ্যাঁ অবশ্যই প্রত্যেক ব্রাউজার এর প্রাইভ্যট উইন্ডো দিয়ে। কিছু ব্রাউজার এর নাম দিলাম এগুলো ব্যবহার করতে পারেন যেমনঃ Tourch, Opera, Safari, 300, wyzo, Thunderbird etc লাল এগুলোর প্রাইভ্যট উইন্ডো দিয়ে ঢুকবেন। আর অবশ্যই হিস্টরি সব সময় ক্লিন রাখবেন।

এখন কাজের কোথায় আসি কিভাবে ব্যবহার করবেন। ধরে নিলাম আপনার প্রত্যেক আইডি তে ৪০০০+ ফ্রেন্ড আছে। এখন আইডি তে ঢুকুন তারপর সুন্দর আকর্ষণীয় টিউন করুন তারপর সেই টিউন টা তে ১০০ জন কে ট্যাগ করুন। একটা ইভেন্ট করুন ঐ টিউন টা নিয়ে তারপর ঐ ইভেন্ট এ সবায় ক ইনভাইট করুন এতে করে আপনার ঐ টিউন সম্পর্কে সবার কাছে একটা নোটিফিকেশান যাবে। তারপর আপনি অ্যাক্টিভ ফ্রেন্ড দের ক নিয়ে ম্যাসেজ এ একটা গ্রুপ বক্স তৈরি করুন প্রতি গ্রুপ বক্স এ ৫০ জন করে অ্যাড করবেন এভাবে ম্যাসেজ গ্রুপ বক্স অ্যাক্টিভ মেম্বেরদের নিয়ে ৭ টি বানাবেন তারপর রেগুলার আপনার যে আকর্ষণীয় টিউন গুলো থাকবে সেই টিউন টা কে এই সাত টা ম্যাসেজ গ্রুপ বক্স এ দিবেন। তাহলে ম্যাসেজ গ্রুপ বক্স থেকে সবার কাছে ম্যাসেজ টা যাবে। তারপর আপনি ঐ টিউন টা ঐ আইডি এর সব গ্রুপ এ গিয়ে টিউন করে আসবেন। ১০০ গ্রুপে টিউন করলে বেশী ভালো ফল পাবেন। পারলে আরও বেশী করবেন। এভাবে একটা আইডি তে কাজ করলে আপনি কমপক্ষে একটা আইডি থেকে ৬০০/৭০০ ভিজিটর পাবেন।

আপনি যদি কষ্ট করে আইডি গুলো তৈরি করতে পারেন তাহলে ভালো। আর যদি আপনি আইডি কিনতে চান তাহলে আপনি আমার সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। আমি নিজের সাইট এর ভিজিটর এর জন্য একদল ভালো হ্যকার গ্রুপ থেকে আইডি কিনে কাজ চালাই। চাইলে আপনি ফেছবুক আইডি এর জন্য আমার সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। ফোন ০১৮৫৪৫১৬৭৭৪ আমার স্কাইপঃ prince.tuutuul


Tumblr:

http://howtomakemoneyonlinefreeus.blogspot.com
 
দারুন একটা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে আপনি যত খুশি তত অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। আপনার ব্লগ এর ভালো কোন টপিক নিয়ে মানে যে নিচ নিয়ে কাজ করতে চান সেই নিচ নিয়ে আপনি এক একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। প্রথমে অ্যাকাউন্ট খুলে সুন্দর করে আপনার আইডি টা সাজাবেন তারপর দিন থেকে আপনি আপনার Targatted client দের Follow করবেন দেখা যাবে তারাও আপনাকে follow করবে। এখানে কাও কে Follow করলে Follow bcak পাওয়া যায় আর এর Ratio অনেক ভালো। নিচে একটা ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করা হল। অনেক সুন্দর একটা ভিডিও অবশ্যই দেখবেন। Tumblr দিয়ে কিভাবে ভালো মানের ভিজিটর আনতে পারবেন সে ব্যপারে ... Video Link   >  ভিডিও
আশা করছি ভিডিও টা দেখলে অনেক সুন্দর একটা ধারনা পাবেন।

Instagram: 


এটা একটি মোবাইল প্লাটফর্ম। বেশির ভাগ ফটো শেয়ার এর জন্য এই মিডিয়া টা ব্যবহার হয়। তবুও এর মিলিয়ন ইউজার। আপনাকে এটা কম্পিউটার এ ব্যবহার করতে Blue stack নামক সফটওয়্যার এর মাদ্ধমে করতে হবে। যাই হোক অ্যাকাউন্ট খলা তেমন কঠিন কাজ না। আপনি শুধু একটা হট কোন ছবি দিয়ে একটা সুন্দর করে অ্যাকাউন্ট টা তৈরি করবেন। তারপর কিছু ফটো দিয়ে প্রোফাইল টা কমপ্লিট করবেন। তারপর আপনার niche related পেজ search দিয়ে তাদের follow করবেন। বিনিময়ে তারাও আপনাকে follow করবে।

tumblr and instagram এই দুইটা এর ক্ষেত্রে আপনার যখন কমপক্ষে ১০০০ এর উপরে ফলওার হবে তখন আপনি দিনে একটা আকর্ষণীয় টিউন এর মধ্যে লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। আর অবশ্যই Informative টিউন হতে হবে।
ফেছবুক এ আমি

Saturday, October 31, 2015

ইন্সট্রাগ্রাম এর মাধ্যমে মার্কেটিং করার কিছু এক্সক্লোসিভ টিপস

চলুন শুরু করি আজকের টিউন পর্ব টি।আমরা অনেকেই আছি যারা ব্লগিং করতে চাই।কিন্তু  পর্যাপ্ত ভিজিটর এর অভাবে কিছু দিন পরেই সব কিছু অঙ্করেই বিনষ্ট হয়ে যায।আজ মি আপনাদেরকে দেখাব কিভাবে  ইন্সট্রাগ্রাম মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজের ব্লগ ও ব্যবসাকে সফল করে তুলবেন।চলুন শুরু করা যাক আজকের টিউন।

ইন্সট্রাগ্রাম হচ্ছে একটি সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট এবং খুব কম সময়ে অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে,তাদের বর্তমান ইউজার সংখ্যা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন।
ইন্সট্রাগ্রাম এর দ্রুত বৃদ্ধি নিম্নলিখিত কারণ গুলো হল-
ইন্সট্রাগ্রাম একাউন্ট করার জন্য কাউকে কোন জটিল সাহায্যের কিংবা  প্রশ্নাবলীর  সম্মুখীন হতে হয় না যা একজন ইউজারকে বিব্রত করে।
একজন ইউজারের জন্য এটি একটি ভার্চুয়াল ডায়েরী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে,যা অন্য সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট থেকে আলাদা।
চলুন কাজের কথায় আসা যাক-
ভাল কন্টেন্ট তৈরি করুন এবং হাই কোয়ালিটি ইমেজ ব্যবহার করুন কারন ইন্সট্রাগ্রাম ফেসবুকের মত আপনার ইমেজ কোয়ালিটি  কমিয়ে দিবে না।এমন কিছু শেয়ার করুন যা দেখে মানুষ আকর্ষিত হতে পারে,আপনি নিজেকে একজন কাষ্টমার হিসেবে টিউন দেয়ার চেষ্টা করুন,দেখবেন আপনি আপনার টার্গেটেট কাষ্টমার পেয়ে যাবেন।
আন্যদের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করুন তাদের টিউনে লাইক করুন এবং গঠনমুলক টিউমেন্ট করার চেষ্টা করুন,নিজের একটা কমিউনীটি তৈরি করুন,এতে করে সবাই আপনার ওপর ভরসা করতে শুরু করবে এবং আপনি পেয়ে যাবেন আপনার টার্গেটেট কাষ্টমার,আমি আমার ফাইবার এর ১ম সেল ইন্সট্রাগ্রাম থেকে পেয়েছিলাম।
আপনি নিজের ফলোয়ার বারানোর চেষ্টা করুন যদিও রাতারাতি এটা সম্ভব না,তথাপি লেগে থাকেন পেয়ে যাবেন,আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে গুছিয়ে লিখুন এবং রিলেটেড ইমেজ ব্যবহার ক্রুন,এমন কিছু শেয়ার করবেন না যেটা আপনার লুক নষ্ট করবে।
আজ এই পর্যন্তই,সবাই ভাল থাকবেন,সামনে আরো বিস্তারিত লিখার ট্রাই করব।
আমার টিউনটি ভাল লাগলে আমার টেমপ্লেট ডাউনলোড এর সাইটটি থেকে ঘুরে আসতে ভুলবেন না।
শেষ কথা- যেকোন প্রকার প্রিমিয়াম টেমপ্লেট এর ফ্রি ভার্সন কিংবা ওয়েব সাইট জনিত যেকোন সমস্যার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজে রিকুয়েস্ট করুন।আমরা চেষ্টা করব আপনাদের কে সাহায্য করার। লাইক দিতে ভুলবেন না কিন্তু।আল্লাহ হাফেজ।

Thursday, October 29, 2015

On page SEO এর ৭টি কার্যকরি টিপস

হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন?
আশা করি ভালো।আমি আজকে যে বিষয়টা নিয়ে কথা বলবো তা হচ্ছে On Page SEO.
আপনারা সকলেই নিশ্চয় জানেন SEO কি এবং কেন করতে হয়।
তাই আমি এতো ব্যাখ্যায় না গিয়ে সরাসরি মূল Topics এ চলে যাই।

ওন পেইজ এসইও কি?
ওন পেইজ এসইও হচ্ছে মূলতো একটা ওয়েভসাইটকে এসইও optimized করার জন্য সেই
সাইট এর ভিতরে যে change বা পরিবর্তনগুলা করতে হয় তাই
সাধারণত ওন পেইজ এসইও নামে পরিচিত।
তো আমরা এই টিউন এ ওন পেইজ এসইওর ৭টি প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে জানবো।
চলুন শুরু করা যাক।
টাইটেল ট্যাগ এর ব্যবহার।
প্রথমেই আসি টাইটেল ট্যাগ এর কথায়।আপনি গুগলে কোন কিছু লিখে সার্চ করলে
কিছু ওয়েবসাইট দেখায় আপনার সার্চ করা keyword সহ।
তার মানে যে কিওয়ার্ড (কি-ওয়ার্ড মানে আপনি গুগলে যা লিখে সার্চ করেন) লিখে সার্চ করেছেন তা সেই ওয়েভসাইটের টাইটেল ট্যাগ এবং Heading
হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।তাই ওন পেইজ এসইওর জন্য আপনার পোস্ট বা সাইট এর টার্গেট
কিওয়ার্ড যেন সেই ওয়েভসাইটের টাইটের ট্যাগ এবং Heading (h1) এর শুরুতে থাকে।
এসইও ফ্রেন্ডলি URL এর ব্যবহার।
এখন আসা যাক এসইও ফ্রেন্ডলি URL এর কথায়।
Example: www.site.com/123/23/post2 (এসইও আন ফেন্ডলি URL)
www.site.com/what-is-seo (এসইও ফেন্ডলি URL)
আশা করছি এসইও ফেন্ডলি URL এর ব্যপারটা উপরের Example দেখে মোটামুটি
বুঝতে পারছেন।
এসইও ফেন্ডলি URL এর মেইন ব্যাপারটা হচ্ছে আপনার সিলেক্ট করা কি-ওয়ার্ড
যেন আপনার পোস্ট বা সাইট এর URL বা লিঙ্ক এ থাকে।
মাল্টিমিডিয়া ব্যাবহার করা।
মাল্টিমিডিয়া বলতে আমি বুঝাতে চাচ্ছি আপনার সাইটে বা পোস্টে ছবি,ভিডিও ইত্যাদি এর
ব্যবহার করা।
এগুলোর ব্যবহার এর মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট এর ভিজিটরদের attention দরে
রাখতে পারবেন যার ফলে বাউন্স রেট কমবে।
প্রথমে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করা।
আপনার ওয়েবসাইট বা পোস্ট এর  ১০০ শব্দের মধ্যে আপনার selected কি-ওয়ার্ড ব্যবহার
করুন এবং h1 h2 ট্যাগে নুন্যতম একবার করে।আর কি-ওয়ার্ড টি অবশ্যই পোস্ট এর অন্যান্য ওয়ার্ডগুলোর থেকে আলাদা করে লিখবেন।(h1,h2 অথবা strong ট্যাগ এর ব্যবহারকে বুঝাচ্ছি)
যাতে গুগল বুঝতে পারে আপনি এই পোস্ট এর জন্য কোন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করছেন।
সাইট এর লোডিং স্পিড।
গুগল এর নতুন আপডেটে গুগল ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড এর উপর গুরুত্ত দিয়েছে।
তাই অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন যেন আপনার ওয়েবসাইটের হোমপেইজ দ্রুত লোড হয়।
দেখা গেছে কোন ওয়েবসাইট যদি ৭সেকেন্ড এর বেশি সময় নেয় লোড হতে তাহলে
ভিজিটর সেই ওয়েবসাইট এ আর প্রবেশ করতে চান না।
সোশাল শেয়ারিং বাটন এর ব্যবহার।
যত বেশি শেয়ার ততো বেশি ভোট।
অর্থাৎ প্রতেক্যটি শেয়ার গুগল আপনার সাইট এর একটি করে ভোট হিসেবে
ব্যবহার করে।এটা আপনার সাইট রেংঙ্কিং বাড়ানোর জন্য খুবই জরুরি।তাই লক্ষ্য রাখবেন
যেন Facebook,Google+,Twitter,Apple শেয়ার বাটন আপনার সাইটে থাকে।
বড় ধরনের কন্টেন্ট পাবলিশ করা।
আপনি গুগলের 1st পেইজ এ থাকা যেকোনো সাইটে ভিজিট করলে দেখতে পারবেন
যে তাদের পোস্ট এ কমপক্ষে ১৫০০+ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
পোস্ট যতো informative হবে তার রেঙ্কিং ভালো হওয়ার সম্ভাবনা ততো বেশি।তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন
যেনো আপনার যেকোনো পোস্টে কমপক্ষে ১৫০০ এর শব্দের চেয়ে বেশি শব্দ থাকে।
so আজ এ পর্যন্তই।আবার কোনো একদিন আরো ভালো কোনো Tune নিয়ে দেখা হবে।
কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট এ জানান।
ধন্যবাদ।