Showing posts with label ফ্রিল্যান্সিং. Show all posts
Showing posts with label ফ্রিল্যান্সিং. Show all posts

Thursday, August 27, 2015

ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে আয় শুরু করার জন্য গাইড লাইন।

  • ফ্রীল্যান্সিং কেন করব।
  • ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
  • আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
  • ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
  • আমার কি কি শিখা উচিত?
  • আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
  • আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করব।
  • আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না,।।
  • আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
  • কভার লেটার লেখার নিয়ম
  • টাকা কিভাবে পাবো?
  • টাকা কি সত্যিই পাবো?
  • টাকা কিভাবে খরচ করব

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কেন করব।

ফ্রীল্যান্সিং কেন করবেন, তার উত্তর পাবেন আমার আগের লেখা দুটি টিউনে। আমি এখানে লিঙ্ক দিয়েছি, আপনি যদি আগে পড়ে না থাকেন প্লিজ আগে পড়ে তার পর নিচের লেখা গুলো পড়বেন।

 এবার লিখব ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় তা নিয়ে।

একদম সহজ থেকে শুরু করি, আপনি যা জানেন তা দিয়েই কাজ শুরু করতে পারবেন। নিচে ওডেস্কে কি কি জব পাওয়া যায় তার একটা স্কিনসর্ট। ছবির উপর ক্লিক করলে বড় করে দেখা যাবে। 

এখানে ইল্যান্সে কি কি জব পাওয়া যায় তার একটা স্কিনসর্টঃ

Browse Jobs   Elance
এগুলো দেখে একটা ধারনা নেওয়া যাবে অনলাইনে কি কি কাজ পাওয়া যায়, কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে কাজটা ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় ফেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি  আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?

আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?

কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে পারেন। এ লেখাটি দেখতে পারেনঃ
একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রীল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রীল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথা গত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুনো ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ যেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্সের কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রীল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।

আমার কি কি শিখা উচিত?

আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব টিউন পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।

আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?

আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলে কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।

আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।।

কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। তখন স্মার্ট হয়ে কথা বলার চেষ্টা করবেন। যদি দেখেন আপনি স্মার্ট ভাবে কথা বললেও কাজে পেতে সমস্যা, তাহলে আপনার কথার মধ্যে বিনয়ী ভাব আছে কিনা তা দেখবেন।
যে কাজ আপনি ১০০% পারবেন বলে মনে করেন তা কম টাকায় করে দেওয়ার অফার করবেন। প্রথম প্রথম দুই একটা কাজের জন্য যত ইচ্ছে খাটুন। দেখবেন কোনএকদিন আপনার এ খাটার কষ্ট উঠে আসবে। একটা প্রবাদঃ “Wounded Mind most powerful then normal”
স্টিব জবসের “Stay Hungry, Stay foolish” এটা মনের মধ্যে গেথে ফেলুন। ক্ষুধা কিন্তু দুই ধরনের হয়, পেটের ক্ষুধা আর মনের ক্ষুধা। আপনার মনের ক্ষুধাকি জ্ঞানের? জ্ঞানের ক্ষুধা ছাড়া অন্য গুলো কিন্তু কাজে দিবে না। শেখার চেষ্টা করুন। আপনার জীবনের কষ্ট গুলো থেকেও।

কভার লেটার লেখার নিয়ম

আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে।  প্রথম প্রথম প্রয়োজনে দুই তিনটা মার্কেটপ্লেসে এক সাথে কাজের জন্য এপ্লাই করুন। সবাই চায় অভিজ্ঞতা।
কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব টিউনটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভারলেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে।
কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।

টাকা কিভাবে পাবো?

আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। সেখান থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন। ওডেস্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি মানিবুকার্স বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবে হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।
টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ড ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি ওডেস্ক বা ইল্যান্স থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য  পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

টাকা কি সত্যিই পাবো?

জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে ইনশাহ আল্লাহ, সত্যিই টাকা পাবেন। টাকা না, ডলার আরকি।
ধরে নিচ্ছি আপনি অনেক কিছু শিখছেন, তারপর কাজ শুরু করেছেন, অনেক টাকা রুজি করছেন, এবার তো খরচ করার সময় হয়েছে তাই না? কিভাবে খরচ করবেন তা বলে দিচ্ছি। একটা পার্টির ব্যবস্থা করুন। তারপর আমাকে দাওয়াত দেন এক সাথে আপনার টাকা গুলো খরচ করব।
দোয়া করি আপনার ফ্রীল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।

Saturday, August 8, 2015

স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রীলেন্সিং, আপনার জন্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইডলাইন

ফ্রীলেন্সিং-এর সূচনা
ফ্রীলেন্সিং এর জগতে হাতে খড়ি দিতে প্রয়োজন কিছু স্বচ্ছ ধারণা । আর তার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কিঞ্চিৎ সহযোগীতা করতে এ টিউন । এ টিউনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এগিয়ে চলা আরো সুদুর প্রসারী  ভুমিকা রাখতে পারে আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে । একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেয়ার লক্ষে এ এগিয়ে চলা সার্বিকভাবে চলমান রাখারও প্রত্যাশা সবসময়ের জন্য । অনলাইন আর্নিং এবং আউটসোর্সিং বিষয়ে যাদের আগ্রহ, তারাসহ নতুন, পুরনো সবার জন্য  এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র । আশা করি এ পর্যায়ে অনলাইন আয় বিষয়ক কিছু সচ্ছ ধারণা  পাওয়া যাবে।
 বাংলাদেশের অবস্থান

ফ্রীলেন্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য় । ভালো অবস্থান সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো অনেক পিছিয়ে । উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশের চাইতে অনেক এগিয়ে । তাই র্শীষ স্থানে পৌছাতে এখনো বাংলাদেশকে অনেক কাজ করতে হবে । দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে আরো অনেক নতুন নতুন ফ্রীল্যান্সার । কিন্তু ফ্রীল্যান্সার হওয়ার স্বপ্নে পা বাড়ালেই তৈরী হয় জল্পনা কল্পনা আর ভুল বোঝাবুঝি । কোন পথে আপনি সফল হবেন । কোন পথে গেলে স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রিলেন্সিং এর দ্বারপ্রান্তে পৌছতে পারবেন, তা নিয়ে যেন সংশয়ের শেষ নেই, রয়েছে যথেষ্ট দ্বিধাদন্দ, উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা ।
অনলাইনে আয়ের এ পথ, সে পথ :অনলাইনে আয়ের অনেক পথ, এ সম্পর্কে নতুনদের জানার ইচ্ছা অনেক, কিন্তু কিভাবে আর্নিং হবে, কোথা থেকে শুরু করা যায়, এ নিয়ে যেন জল্পনা কল্পনার শেষ নেই । তবু অনলাইন আর্নিং বিষয়ে জানার আগ্রহ সবসময়ই কম বেশি সবারই থাকে, সবাই চায় কিছু শিখে তার মাধ্যমে আয় করার একটি পথ তৈরী করতে । শুধু উপযুক্ত নির্দেশনার অভাবে কাজের আগ্রহ হারাচ্ছে নতুন করে আগত ফ্রি লেন্সার হতে আগ্রহী তরুণরা ।
অনেকের মুখে শুনি অনলাইন এর মাধ্যমে  টাকা ইনকাম করা যায়, কিন্তু কিভাবে করে? তার পদ্ধতি কি? অনলাইন এ অনেক কাজ আছে, কিন্তু আমি কি কাজ করব? কোনো কাজ ই তো ভালোভাবে পারিনা । কোন কাজে সফলতা আসবে, তা বুঝব কি করে? ব্যর্থতার ভয়ে সামনে এগুতে পারছিনা । দিধাদন্দ সংকোচ সব বাদ দিয়ে ধরে নিলাম আপনি কোনো কাজ জানেন না । সেক্ষেত্রে কি করবেন? শুরু থেকে আপনার করণীয়  কি হতে পারে আসুন একটু যাচাই করে  নেয়া যাক । শুরুতে যেসব কাজ করতে কোনো স্কীল এর প্রয়োজন হয়না, আপনি সেসব কাজ করতে পারেন । পাশাপশি চেষ্টা করতে পারেন কার্যকরী নতুন করে কিছু শেখার জন্য, যা আপনাকে আয় করতে সাহায্য করবে ।
অনলাইনে কোথায় কাজ পাবেন?
আপনি করতে পারেন এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি এর মত কাজগুলো । কোথায় পাবেন কাজগুলো? কাজগুলো পাওয়ার জন্য আপনাকে কয়েকটি ওয়েবসাইট এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে । আপনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন upwork এ সাইনআপ এর
মাধ্যমে । রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন Freelancer এ সাইনআপ এর মাধ্যমে । রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন Elance এ । এছাড়াও ছোট ছোট কাজ করতে Microworkers এ সাইনআপ করতে পারেন । সাইনআপ এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলেন, কিন্তু কাজ পাবেন কিভাবে? ধৈর্য ধরে বিষয়টি অনুধাবন করুন, আগেই টাকা তোলার চিন্তা করবেননা, টাকা ইনকাম করার পথটি আগে ক্লিয়ার করা উচিত ।
আপনি upwork এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । এখন আপনাকে একটি রেডিনেস টেস্ট দিতে হবে, যেটা দেয়ার মাধ্যমে আপনি কাজ পাওয়ার প্রাথমিক অনুমতি পাবেন । আপনার যদি কোনো প্রোগ্রাম ভালো জানা থাকে তবে সে বিষয়ে আপনি পরীক্ষা দিতে পারেন তারপর পরীক্ষায় পাশ করলে আপনি ওই বিষয়ে কাজের জন্য এপ্লাই করে কাজ পেতে পারেন । মনে করেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে এ বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিতে হবে । নয়তো গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজগুলো আপনি পাবেননা । আপনাকে এ পরীক্ষায় পাশ করার জন্য upwork সিলেবাস স্টাডি করুন। এরপর আপনি বিভিন্ন টেস্ট দিতে পারেন । যত বেশি  টেস্ট দিবেন আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা ততই বাড়বে, আপনার প্রোফাইল এর প্রগ্রেস ও র্স্টেটাস  বাড়তে থাকবে । কাজ পাওয়ার জন্য নিয়মিত অনলাইন এ থাকুন, বিড করতে থাকুন প্রতিনিয়ত । একসময় আপনি কাজ পাবেন, এটা নিশ্চিত । কাজ না পেয়ে আপনি হাল ছেড়ে দিলে ভুল করবেন । চেষ্টা করতে থাকুন, ইনশাআল্লাহ আপনি সফল হবেন ।
আপনি Freelancer এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । Freelancer এ কাজ করতে গেলে upwork এর মত প্রাথমিক টেস্ট যেটি দিতে হয় সেটা দিতে হয়না, তাই আপনি এ সাইট এ রেজিষ্ট্রশন করেই কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারেন । তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে আপনি আপনার প্রোফাইল কে সম্পূর্ণ করা কিংবা স্কীল টেস্ট  দেয়ার মাধ্যমে আপনার দক্ষতা বাড়াতে পারেন । যা আপনার কাজ পাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সহায়ক হবে ।  আপনি Elance এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । Elance এ কাজ করতে গেলে upwork এর মত প্রাথমিক টেস্ট যেটি দিতে হয় সেটা দিতে হয়না, তাই আপনি এ সাইট এ রেজিষ্ট্রশন করেই কাজের জন্য এপ্লাই করতে পারেন । তবে তার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করে নিতে হবে । কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে আপনি আপনার প্রোফাইলকে সম্পূর্ণ করা কিংবা স্কীল টেস্ট দেয়ার মাধ্যমে এখানেও একইভাবে আপনার দক্ষতা বাড়াতে পারেন ।  যা আপনার কাজ পাওয়ার ব্যাপারে আরো সহায়ক হবে ।
আপনি Microworkers এ রেজিস্ট্রেশন করলেন । Microworkers এ কাজ করতে কোন রকম টেস্টই দিতে হয়না । এখানে ছোট ছোট ব্যাপক কাজ রয়েছে । ছোট বালুকার কনা বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তলে মহাদেশ সাগর অতল । এ প্রবাদটি সামনে রেখে এ সাইট-এ নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন । ব্যালেন্স জমা হতে হতে যখন বড় একটি এমাউন্ট হবে তখন আপনি তোলার চিন্তা করবেন ।
কিভাবে কাজ পাবেন ?
অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে গভীর রাতে চেষ্টা করতে হবে। বিশেষ করে রাত ৩ টা থেকে সকাল ৮ টার মধ্যে যদি বিড করতে পারেন তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকবে ।  আর অবশ্যই কভার লেটারটাও সুন্দর করে সাজিয়ে লিখবেন ।  আপনি কি জানেন তা বায়ারের কাছে উপস্থাপন করুন, আপনার কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন । আপনার টাকার চেয়ে মার্কেটপ্লেসে ফীডব্যাকের গুরুত্ব বেশী এটা হাইলাইট করুন । আর অবশ্যই বায়ারের বাজেটের মধ্যে বিড করতে হবে ।
যা মনে রাখতে হবে ‍
অনলাইনে আয়ের সবচেয় ভালো দিক হচ্ছে মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে আয় করা, এজন্য বায়ার এর সাথে যোগাযোগটা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন । এতে আপনি ভালো ফল পাবেন । আপনি যে কাজ পারেন সে কাজের সাথে সম্পৃক্ত যত কাজ আছে সেগুলোতেই বিড করতে থাকুন। এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ফোরাম পোস্টিং, ওয়েব রিসার্চ, কপি পেস্ট, ডাটা এন্ট্রি এর মত কাজগুলো করার জন্য আপনার পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকার প্রয়োজন নেই । কাজের জন্য এপ্লাই করার ক্ষেত্রে ভেরিফাইড বায়ার দেখে এপ্লাই করা ফলপ্রসু হবে । আর ঘন্টাভিত্তিক কাজের জন্য আপনি ঘন্টার রেট উল্লেখ করে দিতে পারেন, ফিক্সড টাইমের কাজগুলোর পেমেন্টের নিশ্চয়তা কম আর এক্ষেত্রে পেমেন্ট নিতে হবে কাজের শেষে, ঘন্টাভিত্তিক কাজে পেমেন্ট ঘন্টায় ঘন্টায় পাবেন । সর্বোপরি  এসব কাজে লেগে থাকার কোনো বিকল্প নেই ।
আরো কি কি উপায় আছে ?
আপনি উপরের সবকটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মধ্যে কোনটিতেই সাইনআপ করলেননা, তো কি করবেন? ভেঙ্গে পড়বেননা  আপনার জন্য আরো পথ আছে । ক্লিক করে টাকা ইনকাম এর জন্য আমি আপনাকে পরামর্শ দিবনা, কেননা এ পথে টাকা আয়ের জন্য আপনি যতটা শ্রম দিবেন, তা যদি উপরের ৩টি সাইট এ দিতে পারেন, তবে আপনি একজন প্রফেশনাল ফ্রিলেন্সার হয়ে যাবেন এটা নিশ্চিত । সৃজনশীল কোনো কাজে সময় দিতে পারলে আপনার শ্রম
এবং দক্ষতা ২টি-ই কাজে আসবে ।  আপনি গুগল এর ব্লগার এর মাধ্যমে একটি ফ্রি সাইট তৈরী করতে পারেন । এ সাইটের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করেও আপনি আয় করতে পারেন । এজন্য ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করারও প্রয়োজন পড়ছেনা ।
এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নিচের সাইটগুলো আপনাকে সাহায্য করবে-
১। লিংক শেয়ার 
২। সিজে 
৩। এমাজন 
৪। ক্লিকব্যান্ক 
৫। শেয়ার এ সেল 
খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে পেপাল । আশা করি তখন আরো অনেক কাজ আমাদের হাতের নাগালে চলে আসবে ।
টাকা কিভাবে হাতে পাবেন ?
অনলাইনে আয় করা টাকা হাতে আনার বিভিন্ন উপায় আছে ।  প্রত্যেকটি মার্কেটপ্লেসেই পেমেন্ট মেখড সেট করে আপনি টাকা হাতে আনতে পারেন । এজন্য পছন্দ অনুযায়ী আপনি পেমেন্ট মেথড বেছে নিবেন । পাইওনিয়ার ডেবিট র্কাড, মাস্টার র্কাড, মানিবুর্কাস র্কাড এর মাধ্যমে আপনি টাকা আনতে পারেন । এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করা টাকা পেপাল একাউন্ট থাকলে তার মাধ্যমে তুলতে পারবেন । আর না থাকলে অন্য মেথড প্রয়োগ করে টাকা হাতে আনতে পারবেন । গুগল এডসেন্স এর ক্ষেত্রে ওয়্যার ট্রান্সফার টু ব্যাংক একাউন্ট নির্ধারণ করতে পারেন । এছাড়াও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও চেক এর মাধ্যমে টাকা গ্রহণের পদ্ধতিও আছে ।  ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়, চেক এর মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করলে আপনাকে ১-২ মাস অপেক্ষা করা লাগতে পারে।  কিন্তু ওয়্যার ট্রান্সফার টু ব্যাংক একাউন্ট মেথডটি ব্যবহার করলে মাত্র ৩-৪ ওয়ার্কিং ডে তেই আপনি টাকা হাতে পেয়ে যাবেন, তবে এজন্য ব্যাংক আপনার কাছ থেকে কাটবে ২৫ ডলার এর মত ।
কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হলে কি করবেন ?
অনলাইন আর্নিং এবং আউটসোর্সিংকিংবা ফ্রিলেন্সিং বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলে  এ কমিউনিটির বিজ্ঞ ভাইদের নক করতে পারেন ।   পাশাপাশি দেখতে পারেন টেক টিউন-এ প্রকাশিত অনলাইন আয়ের উপর মান সম্মত টিউনগুলো ।  এখন অনলাইন এ আয় বিষয়ক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সেমিনার হয়ে থাকে, সেগুলোতে অংশ গ্রহণ করেও কিছু জানা বুঝার  সুযোগ নিতে পারেন  ।
শেষ কথা:
অনলাইনে আয়ের জন্য কোন পথে যাবেন, কোখায় যাবেন, কিভাবে যাবেন, এবার নিজেই ঠিক করুন ।
স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রীলেন্সিং এর জগতে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাক
বাংলাদেশ… আরো এক ধাপ এগিয়ে যান আপনি নিজেই ।
সাফল্যের রাজ্যের কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা নেই । চুনে মুখ পুড়লে দইকেও ভয় পেতে হয়, যার বাপকে কুমিরে খেয়েছে তারতো ঢেকী দেখেও ভয় পাওয়ারই কথা । অনলাইন কাজের নামে যারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন তাদের বিভ্রান্ত না হয়ে স্বচ্ছ ধারণা এবং উপযুক্ত নির্দেশনার মাধ্যমে পুরোদমে কাজ করার সুযোগ এখনো আছে । হাত বাড়ালেই এ সুযোগের পুরো দাবীদার আপনিও হতে পারেন । হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে পারেন স্বপ্নের ক্যারিয়ার ফ্রিল্যান্সিং ।
আমি চেষ্টা করেছি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ একটি গাইড লাইন আপনাদের সামনে উপস্থাপনের জন্য, কতটুকু পেরেছি জানিনা, আশা করি এ চেষ্টা সম্পূর্ণ বৃথা যাবেনা ।
এছাড়াও আরো জানতে আমার “অনলাইন আয়ের এ পথ,  সে পথ, আপনি যাবেন কোন পথে” লেখাটি দেখতে পারেন…
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
সকলের সার্বিক কল্যান কামনায় আজকের মত এখানেই শেষ করছি।
শুভ কামনা রইলো ।
ভালো থাকবেন সবাই…

Saturday, May 9, 2015

ওয়েবপেজ বা ব্লগকে ১ দিনের মধ্যে গুগলে ইনডেক্স করুন (১০০% working)

এটা আমার এই ব্লগে লেখা প্রথম পোস্ট। জানিনা কেমন হবে, কে কিভাবে নিবেন। আজকে যে টিপস টা দিব তা সবার কাজে লাগবে আশা করি । আমরা আমাদের নতুন ওয়েবপেজ বা ব্লগকে গুগলে ইনডেক্স করার জন্য কত কিছুই না করি । কিন্তু গুগলে কি এত সহজেই আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ কে ইনডেক্স করে ফেলবে ! এর জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে । আমার মত যারা অলস তাদের জন্য এটা মহা মুশকিল । চিন্তার কিছু নেই । আপনার কিছুই করতে হবে না যা করার করবে একটা ওয়েবসাইট । তাও আবার কোন রকম কষ্ট ছাড়া । বিশ্বাস হয় না তা হলে নিচে দেখুন ।
প্রথমে এই লিংকের ওয়েবসাইট টি ওপেন করুন। দেখুন নিচের ছবির মতো একটা পেজ আসবে।

তারপর একটু নিচে দেখবেন কিছু বক্স সেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর নাম , কি ওয়ার্ড অ্যান্ড ২৫০০ দিয়ে সিলেক্ট করুন । এখানে দেখবেন (৫০,১০০,২৫০,৫০০,১০০০,২৫০০) বক্স আছে । এগুলা হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ অন্য পেজ এর সাথে যুক্ত হওয়ার সংখ্যা মানে আপনি যদি ৫০ দেন তাহলে মাত্র ৫০ টা পেজ এ আপনার সাইট যুক্ত হবে । এখানে ২৫০০ দিতে কারন সবগুলা পেজ ই dofollow না ।
এখন সাবমিট বাটন এ ক্লিক করুন এবং অপেক্ষা করুন । দেখবেন আপনার পেজ একে একে যুক্ত হচ্ছে । এটি করতে অনেক সময় লাগবে মানে ৫ ঘন্টার বেশি তাই এটি রাত্রে করা টাই বেটার ।

আশা করি সবার ভালো লেগেছে । আর কিছু না বুঝলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন । আর ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টি তে দেখবেন কারন আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে পোস্ট টি করেছি আর SEO বিষয়ক এটা আমার প্রথম পোস্ট । ধন্যবাদ সবাইকে।

Sunday, May 3, 2015

কম্পিউটার শিখার যত বই নিয়ে নিন সময় থাকতে

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি।
কম্পিউটার এ সেভ করে রাখা অনেক গুলো পিডিএফ বই পেলাম যেমন HTML, WordPress, Photoshope, Excel, freelancing, Microsoft Word সহ অনেক গুলো PDF বই সবগুলোই বাংলাতে লেখা তাই পড়তে এবং কাজ করতে কোন সমস্যা হবে না আশা করি।

১। HTML: HTML শিখার ৪টি বই ডাউনলোড
২। Excel : Excel শিখার ৪টি বই ডাউনলোড
৩। Photoshope: Photoshope শিখার ৫ টি বই ডাউনলোড
৪। WordPress : WordPress শিখার ৩ টি বই ডাউনলোড
৫। PowerPoint- MS access- Windows 7 Installation গাইড লাইন এবং Illustrator শিখার মোট ৪ টি বই ডাউনলোড
৬। freelancing শিখার গাইড লাইন ১টি ডাউনলোড
৭। এবং Javascript শিখার১টি বই ডাউনলোড এবং MS word শিখার ২টি বই ডাউনলোড  

Thursday, April 9, 2015

২০১৫ সালের ৬টি বেষ্ট অনলাইন আর্নিংস ট্রেন্ডস

অনলাইনে আয়ের বিষয়টি এখন আর জল্পনা/কল্পনা নয়, বাস্তব সত্য। বাংলাদেশের অনেকেই বর্তমানে ব্লগিং, ফ্রিল্যান্সিং, এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে হ্যান্ডসাম উপার্জন করছে। তবে অনলাইনে আয়ের ট্রেন্ড কিন্তু সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়।
এ পরিবর্তনে নিজেকে ফিট করে তোলাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, ২ বৎসর পূর্বেও যারা অনলাইনে ওয়েব ডিজাইনের কাজ করতেন তাদের রেসপনসিভ ওয়েব ডিজাইন না জানলেও হত। অথচ বর্তমানে রেসপনসিভ ওয়েব ডিজাইন একটি হট ট্রেন্ড। অনলাইনে এর চাহিদা এখন তুঙ্গে। আমি একটি ক্ষেত্রের কথা বললাম, এমনিভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অনলাইনে আয়ের ট্রেন্ডস পরিবর্তন হচ্ছে। নিম্নে আমি শেয়ার করছি ২০১৫ সালের ৫টি বেষ্ট অনলাইনে আয়ের ট্রেন্ডস।
. ব্লগিং
ব্লগিং এমন একটি পেশা যার চাহিদা অনলাইনে ২০১৫ সাল কেন আগামি ১০০ বছরেও কমবে কিনা সন্দেহ আছে।মূলতঃ দীর্ঘমেয়াদী ও হ্যান্ডসাম আয়ের জন্য ব্লগিং এর বিকল্প নেই।  তবে ব্লগিং করতে হলে আপনাকে কোমড় বেধেঁ নামতে হবে। আপনি যদি রাতারাতি বড়লোক হতে চান, তবে বলব Pls No Entry in Blogging world.

সঠিক ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা, ধৈর্য ও পরিশ্রম করার মানসিকতা আপনাকে ব্লগিং এ সফলতা এনে দিতে পারে। ব্লগিং থেকে আয়ের উৎস হতে পারে গুগল এ্যাডসেন্স, এফেলিয়েট মার্কেটিং, ইমেজ এ্যাডভার্টাইজিং ইত্যাদি। ব্লগিং এ আয়ের কোন লিমিট নেই। মাসে ১০০ থেকে ৫ হাজার ডলার বা তার উপরও হতে পারে। আপনার ব্লগিং টপিকস, ভিজিটরের পরিমান, মার্কেট ট্রেন্ডস, এসইও ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে আয়ের পরিমান নির্ধারণ হবে।
অতএব বলা যায়, ২০১৫ সালের বেষ্ট অনলাইন আর্নিংস ট্রেন্ড ব্লগিং। হ্যাপি ব্লগিং, হ্যাপি আর্নিংস।
. থিমফরেষ্টঃওয়েব টেমপ্লেট বিক্রয় করে আয়
বিশ্বের সর্বাধিক ও হাই কোয়ালিটি প্রিমিয়াম টেমপ্লেট ক্রয়/বিক্রয়ের মার্কেটপ্লেস থিমফরেষ্ট.নেট. এ সাইটে টেমপ্লেট এপ্রুভ করা খুব সহজসাধ্য নয়। তবে আপনার টেমপ্লেট যদি হাই কোয়ালিটি ও ইউনিক হয় তবে এপ্রুভ হবে। আর যদি একবার এপ্রুভ হয় তবে আপনাকে পায় কে? বিশ্বাস না হয় সাইটটি ভিজিট করেই দেখুন না . এক একটি টেমপ্লেট কয়েক হাজার বার বিক্রয় হয়ে থাকে। যতবার বিক্রি হবে ততবার বিক্রয়ের উপর পাবেন ৪০% থেকে ৭০% পর্যন্ত কমিশন। এ সাইটে সর্বাধিক বিক্রয় হয় ওয়ার্ডপ্রেস থিম। আপনি থিম বানিয়ে এ সাইটে জমা দিবেন আর ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আয় করবেন হাজার হাজার ডলার। ভাবছেন স্বপ্ন দেখাচ্ছি! নিচের লিংকে দেখুন ২০১২ এর আগষ্টে জমা দিয়েছে এ পর্যন্ত বিক্রয় হয়েছে ৬৮০৫৩ বার। ২ বছরে একটি থিম দিয়ে কয়েক কোটি টাকা আয় করেছে ডেভেলপার।

Avada | Responsive Multi-Purpose Theme

10 Top Selling WordPress Themes
তবে হ্যাঁ, থিমফরেষ্ট কোয়ালিটির থিম তৈরির জন্য আপনাকে স্টাডি করতে হবে প্রচুর, নিজেকে গড়ে তুলতে হবে প্রফেশনাল হিসাবে। শিখুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট অথবা জুমলা থিম ডেভেলপমেন্ট। এগুলো শিখতে আপনাকে জানতে হবে Html, Css, Php ইত্যাদি।
. অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট
কতদিন আগেই একটা খবর সাড়া জাগাল গোটা দুনিয়ায় । হোয়াটস অ্যাপ নামের স্মার্টফোনের একটি অ্যাপ্লিকেশন ফেসবুকের কাছে বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৯০০ কোটি ডলারে!

স্মার্টফোনের এই অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলা যায়, বার্তা পাঠানো যায় ।হালজমানার স্মার্টফোনে বিভিন্ন কাজ করতে অ্যাপ লাগে । আবার গেমেরও আছে অনেক অ্যাপ । অ্যাপ জনপ্রিয় হলে তার পরিণতি কী হোয়াটস অ্যাপের উদাহরণই এ জন্য যথেষ্ট । বাংলাদেশে মুঠোফোনের ব্যবহারকারী যেমন বেড়ছে, তেমনি এখন স্মার্টফোনের সংখ্যাও বাড়ছে । তাই গড়ে উঠছে অ্যাপসের বাজার । বাংলাদেশের তরুণেরও আকর্ষণীয় সব অ্যাপস বানাচ্ছেন । আপসের সুবিধা হলো, তৈরি হলেই এটা পেতে পারে বিশ্ববাজার ।দেশে মোবাইল অ্যাপস তৈরির প্রতিযোগিতা হচ্ছে, বিভিন্ন কর্মশালা প্রশিক্ষন কার্যক্রমও চলছে । তাই এখন অ্যাপস তৈরিকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া যায় সহজেই । অ্যাপস নিয়ে কাজ করছে এথিকস অ্যডভান্সড টেকনোলজি লিমিটেড (ইএটিএল) । নিজস্ব অ্যাপ ষ্টোরও চালু করেছে । ইএটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান জানালেন, বর্তমানে বাংলাদেশেই অ্যাপস কেনা যাচ্ছে নিজের মোবাইলের ব্যালেন্স দিয়ে । তাই যত বেশি অ্যাপস নির্মাতা বাড়বে, তেমনি বাড়েবে অ্যাপসের বাজার । এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়ছে অ্যাপসের । মোবাইল অ্যাপস আসলে একধরনের সফটওয়্যার, যা মোবাইল এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় । আবার ফেসবুকের জন্যও আছে আলাদা অ্যাপস । গেম, ক্যালেন্ডার, মিউজিক প্লে-য়ার থেকে শুরু করে যেকোনো কাজের জন্যই অ্যাপ  তৈরি হতে পারে । দীর্ঘদিন ধরে দেশের ও দেশের বাইরের অ্যাপস তৈরির সঙ্গে জড়িত এমসিসি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আশ্রাফ আবীর জানান, বর্তমানে সারা বিশ্বে অ্যাপসের বাজার রয়েছে এক হাজার ১০০ কোটি ডলারের, যা আগামী বছর হবে দুই হাজার ৬০০ কোটি ডলারের । এ বিশাল বাজারে কেউ যোগ দেওয়ার কথা চিন্তা করলেই তার সামনে পুরো বিশ্ব খুলে যাবে । অ্যাপসের আয়ের উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, বর্তমানে জনপ্রিয় গেম অ্যাপ অ্যাংরি বার্ডের বছরে আয় হয় ১৯ কোটি পাঁচ লাখ ডলার! একটি মাত্র আপ দিয়েই এ আয় করে এ অ্যাপের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোভেরিও । বাংলাদেশে ১০ কোটি লোক এখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে । মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও স্মার্টফোন খাত খুব দ্রুত বড় হওয়ায় এখন অনেকেই এ ক্ষেত্রে পেশা গড়তে চাইছেন । নিজে অ্যাপস বানাতে চাইলে তাঁকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং জানতে হবে । আবার নিজের সৃজনশীল কোন ধারণা নিয়েও কারিগরি একটা দল বানিয়ে অ্যাপস নির্মাণ প্রতিষ্ঠান খোলা যেতে পারে । মুক্ত সফটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তামিম শাহরিয়ার । তিনি জানান, চাইলে যে কেউ ফ্রিল্যান্স অ্যাপ নির্মাতা হিসেবেও কাজ করতে পারেন, আবার চাকরিও করতে পারবেন । তবে অবশ্যই অপারেটিং সিস্টেম ( অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ ইত্যাদি) অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রোগ্রামিং জানতে হবে । বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নানা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিয়মিত পুরস্কৃত হচ্ছেন । ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি বাজার হবে মোবাইল ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বাজারকেন্দ্রিক । যার কারণে প্রোগ্রামাররা এ খাতে নিজেদের পেশা গড়তে পারেন । 
. ফ্রিল্যান্সিং
অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে কারোই অজানা নয়। অমিত সম্ভাবনাময় এ সেক্টরে রয়েছে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার, যদি হতে পারেন দক্ষ আইটি প্রফেশনাল। ফ্রিল্যান্সিং এ বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। শুধুমাত্র ২০১৫ নয়, বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে আগামি কয়েক শতক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট মাতাবে বাংলাদেশ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বাংলাদেশের ইল্যান্স-ওডেস্কের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান জানান ২০১৩ সালে বাংলাদেশের মুক্ত পেশাজীবীরা (ফ্রিল্যান্সার) শুধু ইল্যান্স ও ওডেস্কের মাধ্যমে অনলাইন আউটসোর্সিং থেকে আয় করেছেন প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ ডলার।

অদূর ভবিষ্যতে আউটসোর্সিং খাত বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের একটি বড় খাত হিসেবে বিবেচিত হবে।
অতএব, ২০১৫ সাল সহ আগামি কয়েক শতকের হট অনলাইন আর্নিংস ট্রেন্ডস ফ্রিল্যান্সিং।
. ইকমার্স
উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ই-কমার্স ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। সেদিন বেশি দূরে নয়, ভোক্তাদের একটা বড় অংশ অনলাইনে তাদের কেনাকাটা সেরে ফেলবে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট রকমারি.কম, আজকের ডিল, ইত্যাদি সাইটসমূহ ইতিমধ্যে লাইমলাইটে চলে এসেছে। জানা গেছে, ভালই সেল হচ্ছে তাদের।
ই-কমার্স ব্যবসা করতে হলে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। কারণ যত লেট করবেন, পিছিয়ে পড়বেন। ২০১৫ সাল যদি হয় আপনার ই-কমার্স ব্যবসা শুরু, অর্থাৎ, সুন্দর একটি সাইট তৈরি, প্রোডাক্ট প্লান (কি ধরনের প্রোডাক্ট থাকবে, তার মার্কেট ডিমান্ড), কাষ্টমার সাপোর্ট সিস্টেম, এরপর আসবে সাইট মার্কেটিং/প্রোমশন ইত্যাদি। এরপর........২০১৬ সাল হতে শুরু হবে আপনার ব্যবসা/লাভ। তার পূর্বেও হতে পারে। এটা নির্ভর করে আপনার সাইটের প্রোডাক্ট, ভিজিটর, মার্কেটিং ইত্যাদি বিষয়ের উপর। কত লাভ/ইনকাম হবে মাসে? এটা বলা মুশকিল। তবে অনলাইন শপিং মল তো! যদি লক্ষাধিক ভিজিটর ঢুকাতে পারেন সাইটে, ভিজিটর তার কাঙ্খিত ও কোয়ালিটি জিনিষ পায়, তবে তো সারছে! মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাতে পারবেন আপনি। কত লক্ষ? সময়ই বলে দিবে।
ই-কমার্স ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল ইনভেষ্টমেন্ট কম এবং পর্যায়ক্রমে ইনভেষ্টমেন্ট (অর্থাৎ, অবস্থা বুঝে বিনিয়োগ), ফলে ঝুঁকি কম।
-কমার্স সাইট তৈরি করতে পারেন না, আপনি কি -কমার্স ব্যবসা করতে পারবেন?
হ্যাঁ, আপনিও পারবেন। তবে ই-কমার্স সাইট তৈরি শেখা কঠিন কিছু নয়। চেষ্টা করলে আপনিও শিখতে পারবেন। আর যদি নাও পারেন, কাওকে দিয়ে সুন্দর একটি সাইট তৈরি করে নিন। সাইট কিভাবে মেইনটেন করবেন, অর্থাৎ প্রোডাক্ট এড করা, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি টুকিটাকি বিষয় শিখে নেন। এরপর শুরু করে দিন ই-কমার্স বিজনেস। আল্লাহ সহায় থাকলে সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ।
আর হ্যাঁ, ই-কমার্স সাইট তৈরিতে দক্ষ হলে আপনি অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং সাইটেও প্রচুর কাজ করে আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটসমূহে একটু ঢু মারলেই বুঝতে পারবেন এ ধরনের কাজের পরিমান ও বাজেট। ধন্যবাদ সবাইকে, ভাল থাকবেন।

৬. এফ-কমার্স : ফেসবুক থেকে আয়

ফেসবুকভিত্তিক ই-কমার্সই এখন পরিচিত এফ-কমার্স নামে। এটি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের (এসএমএম) একটা শাখা। অল্প পুঁজিতে, এমনকি বিনা পুঁজিতে এ ব্যবসা করা যায়। কোনো দোকানঘর লাগে না, ব্যবসা পরিচালনা করা যায় ঘরে বসেই। দেশের যেখানেই থাকুন না কেন, ক্রেতার চাহিদামতো পণ্য ডেলিভারি দিতে পারলে এ ব্যবসায় সাফল্য আসবেই। এফ-কমার্সে সফলতা নির্ভর করবে সামাজিক যোগাযোগে আপনার পারদর্শিতার ওপর। আর এ কাজটির জন্য খরচার দরকার নেই। পেজের লাইক সংখ্যা যত বেশি হবে, আপনার পণ্য তত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছবে। লাইক বাড়াতে আপনার চেষ্টাই যথেষ্ট। শুরুর দিকে পরিচিতজনদের 'ইনভাইট' করুন, বেশি বেশি শেয়ার দিন।

Friday, June 6, 2014

এবার ফ্রিতে আয় করুন !! Dogecoin এর মাধ্যমে !! বিটকয়েন এর বিকল্প উপায়ে !!

সবায় ভাল আছেন । আজ আপনাদের জন্য নতুন একটি আয়ের উতসো তুলে ধরবো।
সবাই তো বিট কয়েন সম্প্রকে জানেন আসা করি।
এটা বিট কয়েন এর মতই একটি Currency।
Dogecoin , Bitcoin এর এই ছোট ভাই বলা চলে ।
কিন্তু dogecoin এর মুল্য bitcoin এর চেয়ে বেশি । আর সহজেই অনেক dogecoin আয় করা যাই। আর আপনি একই সমই দুটো থেকেই টাকা আয় করতে পারবেন।
আর টাকা আপনি যেকনো সমই তুলতে পারবেন payza okpay এর মাধ্যমে বা dogecoin ট্রান্সফার করতে পারবেন বিট কয়েন wallet এ।
টাকা উত্তলনের জন্য আপনার দরকার একটা okpay, একটা egopay আর একটা payza অ্যাকাউন্ট। আপনি আপনার ডোগে ফাস্ট okpay তে ডিপোজিট করবেন, তারপর okpay থেকে egopay তে withdraw করবেন পুরা ফ্রি তে । তারপর egopay থেকে payza তে withdraw করবেন, এটার জন্নে মাত্র ১% চার্জ কাটবে।
Dogecoin আয় করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি Dogecoin Wallet তৈরি করতে হবে।
Dogecoin wallet তৈরির জন্য এই লিংক টিতে প্রবেশ করুন। এটা আপনার টাকা উত্তলনের অ্যাকাউন্ট।
  • দরকারি ইনফর্মেশন দিয়ে একাউন্ট তৈরি করুন।
  • Capture1 899x508 এবার ফ্রিতে আয় করুন !! Dogecoin এর মাধ্যমে !! বিটকয়েন এর বিকল্প উপায়ে !!
  • ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন।
  • Caplture 899x448 এবার ফ্রিতে আয় করুন !! Dogecoin এর মাধ্যমে !! বিটকয়েন এর বিকল্প উপায়ে !!
    • আবার নতুন করে লগিন করুন।
    • লগিন করার পর নিচের চিত্রের মত দেখতে পাবেন।
    • Captuasre 899x462 এবার ফ্রিতে আয় করুন !! Dogecoin এর মাধ্যমে !! বিটকয়েন এর বিকল্প উপায়ে !!
  • এখন আপনি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করলে আপনার কয়েন এর পরিমান জানতে পারবেন, কয়েন সেন্ড করতে পারবেন। 

আপনার একাউন্ট তৈরি  শেষ এবার  আয় করবার  পালা। আপনি আপনার পিসি বা যেকোনো মোবাইল থেকে Dogecoin আর্ন করতে পারবেন।সবাই নিশ্চয়ই মোবাইলএ ফেসবুক বা বিভিন্ন ভাবে সময় পারকরি, প্রতি একঘণ্টা পর পর কি মাত্র ২ টা করে শব্দ লিখতে পারবেননা? জাভা ফোন থেকেও ভাল ভাবে করতে পারবেন । প্রতি ১ ঘণ্টাই ১ মিনিট সময় হলেই এনাফ।  আসুন দেখি তাহলে……।।
আর ১০০০ Dogecoin = ২৯.৬৳
  • প্রথমে  এই লিঙ্ক  এ যান এবং সাইনআপ করে লগিন করেন।
  • আপনার কাজ হচ্ছে  Captcha Word ২ টা প্রতি এক ঘণ্টা পরপর লিখে ROLL এ ক্লিক করা।আপনার গেম কয়েন উঠতেই থাকবে এমনকি ২০০ ডলার সমান কয়েনও পেতেপারেন ।আমি পেয়াছি এবং আমারপরিচিত অনেকে পেয়াছে ।রেফার করলে সকল রেফার আরনিংস এর ৫০%  বোনাস আপনি পাবেন।কয়েন রেট দেখলে সব পাবেন।

Thursday, May 15, 2014

এবার খুব সহজে বিটকয়েন উইথড্র(ক্যাশ) করুন বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংকে। {{১০০% নিশ্চিত উপায়}}

যারা এতদিন পর্যন্ত খুব টেনশনে আর দ্বিধাদন্দে ছিলেন যে বিটকয়েন থেকে আসলেই আয় করা যায় কিনা বা আপনাদের আয় করা করা বিটকয়েন আসলেই কোনদিন ক্যাশ করতে পারবেন কিনা, তাদের জন্য আজ আমি সুখবর নিয়ে এসেছি। আমি থাকতে আপনাদের কষ্ট কখনো বৃথা যাবেনা।
বি.দ্রঃ অনেকেই বিটকয়েন ক্যাশ করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইটে (BTC-e, Localbitcoin etc.) রেজিস্ট্রেশন করে সময় নষ্ট করেন। এতে টাকা পাওয়া সাবার জন্য সহজ হয়না অথবা অনেক দেরি হয়। তাই আমি আপনাদের জন্য নতুন পদ্ধতি নিয়ে হাজির হয়েছি।
আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে খুব সহজে বিটকয়েন উইথড্র(ক্যাশ) করতে পারবেন বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংকে। যেমন- ডাচ বাংলা ব্যাংক, ইউসিবি ব্যাংক, মারকেন্টাইল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক………… ইত্যাদি সকল অনলাইন ব্যাংক(শুধু বাংলাদেশ নয়, অন্নান্য দেশেও এই পদ্ধতি কাজ করবে)।
বি.দ্রঃ যারা আমার আগের পোস্টটি দেখেননি তারা এ ব্যাপারে কিছু বুঝবেননা।

তাই দয়া করে আগে আমার আগের পোস্ট দেখে আসুন- [[ খুব সহজে প্রতি ঘণ্টায় আয় করুন ফ্রি বিটকয়েন [1 BITCOIN = $819.36!!! ]]

এখন আসি আসল কথায়। 

টাকা ক্যাশ আউট/উইথড্র পদ্ধতিঃ

১ম ধাপঃ Payza:

বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফারের জন্য আপনার অবশ্যই একটি Payza একাউন্ট থাকতে হবে। কারন বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফার করার জন্য এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করা নির্ভরযোগ্য একটি সাইট।
যাদের Payza একাউন্ট নেই তারা এই লিংকে এ গিয়ে Sign up এ ক্লিক করে আপনার সঠিক তথ্য দিয়ে একটি একাউন্ট খুলুন। অর্থাৎ আপনার সঠিক নাম, ঠিকানা,ইমেইল, লোকেশন ইত্যাদি তথ্য সঠিক ভাবে দেবেন।

ধাপ ২: Exchange E-Currency:

এরপর আবার এই লিংকে ক্লিক করে আপনার সঠিক তথ্য দিয়ে একটি একাউন্ট খুলুন। এটি অনলাইনে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম। মূলত এই সাইটের মাধ্যমে আপনার বিটকয়েন ডলারে পরিনত হয়ে Payza একাউন্টে যাবে।


রেজিস্ট্রেশন করতে বাম পাশে +Sign up লেখাতে ক্লিক করুন। নিচের চিত্রের মত একটি পেজ আসবে। এখানে সব তথ্য দিয়ে পুনরায় Sign up লেখাতে ক্লিক করুন।
তারপর আপনার ইমেইল ইনবক্সে একটি ভেরিফিকেশন মেসেজ আসবে। এখান থেকে একাউন্ট ভেরিফাই করে নিন। এবং সাইটে লগ ইন করুন।
এরপর (1) Buy & Sell E-Currency তে ক্লিক করুন। তারপর (2)I send from =Bitcoin এবং I want to receive =Payza USD নির্ধারণ করে দিন। তারপর আপনার বিটকয়েন পরিমান (minimam 0.1 BTC) লিখে (3) Send বাটনে ক্লিক করুন।
বি.দ্রঃ আপনার coinbase একাউন্টে যে পরিমান BTC জমা হয়েছে তা উপরের দেখানো বিটকয়েন পরিমানে লিখবেন। কম বেশি হলে হবেনা।
তারপর নিচের মত একটি পেজ আসবে। এখানে আপনার Payza একাউন্টে যে ইমেইল এড্রেস দিয়ে সাইন আপ করেছেন সে ইমেইল আইডি লিখে Send বাটনে ক্লিক করুন।
খানে আপনাকে একটি বিটকয়েন এড্রেস দেয়া হবে। এটি কপি করে রাখুন, একটু পর কাজে লাগবে।

ধাপ ৩: Send Money:

এখন আপনার Coinbase একাউন্টে লগইন করুন। তারপর My Wallet=>Send Money তে ক্লিক করুন।
নিচের মত একটি পেজ দেখাবে। এখানে To: তে কিছুক্ষন আগে যে বিটকয়েন এড্রেস পেয়েছেন তা Paste করুন। Amount এ আপনার বিটকয়েনের পরিমান (যা GOLDUX সাইটে লিখেছিলেন) লিখে Send Moneyতে ক্লিক করুন। এখানে সার্ভিস চার্জ হিসাবে আপনার একাউন্ট থেকে কয়েনবেসে 0.002BTC কেটে রাখা হবে। তাই হিসাব করে Amount লিখুন।
আপনাকে Confirmation মেসেজ জানানো হবে।
আপাতত আপনার কাজ শেষ। অপেক্ষা করুন এবং চেক করে দেখুন আপনার Payza একাউন্টে টাকা জমা হয়েছে কিনা।  বেশিক্ষণ লাগার কথা নয়।
যখন আপনার Payza তে ডলার জমা হবে তখনি আপনি বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।

ধাপ ৪: Payza ক্যাশআউট পদ্ধতিঃ

এবার আপনার Payza একাউন্টে লগইন করে Withdraw Funds এ ক্লিক করে Bank Transfer সিলেক্ট করুন।
তারপর ধাপে ধাপে আপনার নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট সেটআপ করতে থাকুন।  তারপর Accept, add bank account এ ক্লিক করুন।
এভাবে পরের/৩য় ধাপে একাউন্ট সেটআপ সম্পন্ন করুন।
তারপর আবার Withdraw Funds এ গিয়ে আপনার ব্যাংক ট্রান্সফার সম্পন্ন করুন।
Account processing হতে কিছু সময় লাগবে।
কিছুদিনের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে।
এভাবেই আপনি আপনার বিটকয়েন হতে টাকা আয় করতে পারবেন।
****************************************************************
কি! এবার দুশ্চিন্তামুক্ত হল তো!??
তাই বলছি আপনারা ঘরে বসে না থেকে তারাতারি মাঠে নেমে পরুন। প্রথমে ফ্রি বিয়কয়েন আয় করুন। আর প্লিজ প্লিজ মিনিমাম ০.৫ BTC- ১.০ BTC না হওয়া পর্যন্ত টাকা তোলার কথা চিন্তা করবেননা। তাহলে তেমন লাভ পাবেননা। একটু সময় নিয়ে নিয়মিত কাজ করন। দেখবেন একদিন ঠিকই সফল হবেন।
আজ আপাতত এই পর্যন্ত। পরবর্তীতে আসব নতুন এক উপায় নিয়ে। কিভাবে আপনার কয়েন বেস এর ইনকাম বাড়াবেন তার উপায় নিয়ে।
অপেক্ষায় থাকুন। আর কোন সমস্যা হলে আমাকে কমেন্টে জানাবেন।
পোস্টটি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তবে প্লিজ ফেসবুকে শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

 

Saturday, March 22, 2014

মার্কেটপ্লেসে কাজ পাবনা তা কি হয় !!

প্রথম সমস্যা ও তার সমাধান :
কাজ না জেনেই বা এক্সপার্ট না হয়ে Freelancing নামক যুদ্ধে নেমে পরা। আরে ভাই আপনি কাজ জানেন না কিন্তু আপনি Freelancing করবেন এটা তো হতে পারে না।
তাই Freelancing শুরু করার আগে আপনি যে কোন বিষয়ে আগে এক্সপার্ট হন।তারপর কাজ করুন। আপনি SEO, SMM, Web Design, Graphic design, Article Writing, Email Marketing এর মধ্যে যে কোন একটিকে আগে নিজের আয়ত্তে আনুন।এই Category গুলোর JOB সকল মার্কেটপ্লেসে প্রচুর। একটা আয়ত্তে আনার পর ইচ্ছা করলে অন্যগুলো শিখতে পারেন।
২য় সমস্যা ও তার সমাধান :
কাজ জানার পরও সমস্যা থাকে তা হল, মার্কেটপ্লেস এ অ্যাপ্লাই করে কাজ না পাওয়া। অনেকে হয়তো অ্যাপ্লাই করছেন তো করছেন। একই Cover Letter কে কপি পেস্ট করছেন। কোনো মতে কাজ পাচ্ছেনই না।
এর জন্য আগে আপনি বায়ার এর Job Description আগে ভালো করে পরুন। তারপর খুঁজুন বায়ার আপনাকে কোন Question করেছে কিনা। তারপর উনার Description অনুযায়ী আপনার Cover Letter সাজান। উনার Question এর উত্তর গঠনমূলক ভাবে দিন। অনেক সময় বায়ার Job Description এ বলে দেয় যে, অমুক Word তোমার Cover Letter এ উল্লেখ কর যাতে আমি বুঝতে পারি তুমি আমার সম্পূর্ণ Job Description পড়েছ যে উল্লেখ  করবে না তার proposal Decline করে দেওয়া হবে তাই অ্যাপ্লাই করার আগে খুঁজুন বায়ার এ ধরনের কথা বলেছে কিনা।
Example:  "Please Put 'I am the Boss' on your cover letter so that I can ensure, you have read my whole job description."
এই ধরনের কথা বায়ার বলে থাকলে ঐ Word টা আপনার Cover Letter এ উল্লেখ করুন। আর তারাহুড়া করে অ্যাপ্লাই না করার থেকে বুঝে বুঝে অ্যাপ্লাই করুন। বায়াররা ও বোঝে যে অধিকাংশ Freelancer কপি-পেস্ট করে অ্যাপ্লাই করে। তাই তারা ওই Freelancer কেই Select করে যে তার মনের মত কথা Cover Letter এ উল্লেখ করেছে। সেহেতু কাজ পাওয়ার জন্য Cover Letter এ অধিক গুরুত্ব দিন।
আর আপনি যেহেতু নতুন সেহেতু আপনার Hourly Rate টা low রাখুন। তার মানে এই নয় যে আপনি ১$ এর নিচে অ্যাপ্লাই করবেন। প্রথম দিকে আপনি ১$-২$ এ অ্যাপ্লাই করুন পরবর্তীতে আপনি কোনো Project এ ভালো Feedback পেলে আপনার রেট বাড়িয়ে দিন।
৩য় সমস্যা ও তার সমাধান :
আবার অনেকে Reply অর্থাৎ Interview পান কিন্তু বায়ার আপনাকে Hire করছেনা। এর অনেক কারন আছে। প্রথম কারন হচ্ছে আপনি তার উত্তর সঠিক ভাবে দিতে পারছেন না। ২য় কারন হচ্ছে আপনি কাজটা পারেন কিন্তু তাকে বুঝাতে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৩য় কারন হচ্ছে আপনি বিলম্ব করে তার Reply দিচ্ছেন।
এর সমাধান হচ্ছে আপনি সবসময় আপনার Account চেক করুন। দেখবেন কোন বায়ার আপনার অ্যাপ্লাই এর Reply দিয়েছে কিনা। দিয়ে থাকলে বুঝে শুনে ধীরে সুস্থে বায়ার এর Reply এর উওর দিন। আপনি তার জন্য কি কি করবেন তা বিস্তারিত উল্লেখ করুন। দরকার হলে আপনার Work Strategy বায়ার এর  Reply এর সাথে Attest করুন। আর পারলে আপনার Skype & GTalkID দিবেন। অনেক বায়ার Skype & GTalk এর মাধ্যমে Contractor দের Details  Interview নেন। তাই আপনার সরাসরি ইংরেজী বলার অনুশীলন করতে হবে। আর প্রফেশনাল Chatting করা শিখতে হবে।
৪র্থ সমস্যা ও তার সমাধান :
অনেকে কাজ পাওয়ার পর মনে করেন কার্য সিদ্ধি হয়েছে। এবার কোন রকম কাজ করলেই হয়। যা তাদের সব থেকে বড় ভুল। আপনার একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে আপনার ভবিষ্যতে ও কাজ করতে হবে, আপনি যদি বাজে Feedback  পান তবে আপনার ঐ অ্যাকাউন্টে কাজ পেতে সমস্যা হয়ে যাবে। আর সবসময় বায়ার এর সাথে ভালো যোগাযোগ রাখতে হবে এবং বায়ারকে আপনার Weekly Work Report দিতে হবে। আপনি যদি কোন কাজ না পারেন তবে বায়ারকে আগে থেকে জানিয়ে দিন। এই সব Step Follow করলে আপনি ইনশা-আল্লাহ Positive Feedback পাবেন যা আপনার Freelancer Profile কে Strong করবে। আপনি ভবিষ্যতে ও অনেক Project পাবেন এবং নিজেকে একজন সফল Freelancer হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।
আশা করি আমার পোষ্ট সবাই বুঝতে পেরেছেন । কারো কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। আর আমার কোনো ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
Facebook এ আমি