Showing posts with label Top Earning 2015. Show all posts
Showing posts with label Top Earning 2015. Show all posts

Thursday, October 15, 2015

প্লাগিন ছাড়াই SEO সহায়ক ডাইনামিক টাইটেল ট্যাগ ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য

ওয়ার্ডপ্রেসে টাইটেল ট্যাগ ডাইনামিক করার বিভিন্নরকম পদ্ধতি আছে। তবে, সেটা হয়তো আপনার চাহিদাকে সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট হবে না। এজন্য, আপনাকে হয় প্লাগিনের উপর নির্ভর করতে হবে অথবা নিজে নিজে কোডিং করে নিতে হবে। মার্কেটে অনেক ভালো ভালো ফ্রি প্লাগিন আছে এই কাজের জন্য। এর মধ্যে All in One SEO Pack এবং WordPress SEO by Yoast উল্লেখযোগ্য। এগুলোর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা সহজেই বিভিন্ন পেজের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাস্টম শিরোনাম উল্লেখ করতে পারবে।

যাই হোক না কেন, অনেকেই আছে যারা চেষ্টা করে যতটা সম্ভব কম প্লাগিন ব্যবহার করার। আবার অনেকে আছে যারা নিজে নিজে কোডিং করতে ভালোবাসে। যারা প্লাগিন ছাড়াই নিখুঁতভাবে ওয়ার্ডপ্রেস টাইটেল ট্যাগ তৈরি করতে চান, আশা করি আজকের টিপসটি নিশ্চিতভাবে তাদেরকে তা করতে সাহায্য করবে।

প্রাথমিক ধারণা

টাইটেল ট্যাগ যেকোনো ওয়েবসাইটের <head> সেকশনের মধ্যে ব্যবহৃত হয়। ডাইনামিকভাবে তৈরিকৃত সাইট, যেমন ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা চালিত সাইটে বিভিন্ন ধরনের পেজ বিদ্যমান, এগুলোর মধ্যে হলোঃ
  • হোম পেজ
  • বিশেষ পেজ
  • সিঙ্গেল টিউন পেজ
  • তারিখ ভিত্তিক আর্কাইভ
  • ক্যাটাগরি আর্কাইভ
  • লেখক আর্কাইভ
  • ট্যাগ আর্কাইভ
  • সার্চ রেজাল্ট পেজ
  • 404 পেজ
...এবং আরও অনেকরকম। ওয়ার্ডপ্রেসে ডাইনামিক টাইটেল সাধারণত থিমের header.php ফাইলে জেনারেট করা হয়, (এক্স) এইচটিএমএল এবং পিএইচপি এর সমন্বয়ে। এবার আমরা দেখবো কিভাবে এইসকল পেজগুলোতে ডাইনামিক টাইটেল ট্যাগ জেনারেট করতে হয়।

জেনারেট ডাইনামিক টাইটেল ট্যাগ

ওয়ার্ডপ্রেসে টাইটেল ট্যাগ জেনারেট করার একটা বেসিক উদাহরণ হলোঃ
	<title><?php bloginfo('name'); ?><?php wp_title(); ?></title>
...যা প্রত্যেকটি পেজের জন্যই আলাদা টাইটেল দেখাবে নিচে উল্লেখিত ফরম্যাটেঃ
	Blog Name >> Title of Displayed Page
অবশ্যই, এই ফরম্যাটেই কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়, কিন্তু এটাকে আরও স্পষ্টভাবে উন্নত করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, পেজ টাইটেলকে ব্লগ টাইটেলের পূর্বে উল্লেখ করলে পেজের SEO মান বৃদ্ধি পায়। এটা পেজের উদ্দেশ্য পাঠকের কাছে আরও স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলে পেজের ব্যবহারযোগ্যতারও উন্নতি সাধন করে। কারন, পাঠকরা সবসময় একটি নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুর অনুসন্ধান করে, ব্লগের নাম না। নিচে ব্লগ নেম এবং পেজ টাইটেলের অবস্থা বিপরীত করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো, যা ওয়ার্ডপ্রেস ২.৫+ এর জন্য প্রযোজ্যঃ
	<title><?php wp_title('&raquo;','true','right'); ?><?php bloginfo('name'); ?></title>
...যা এখন হোম পেজ ব্যতীত প্রত্যেকটি পেজে টাইটেল দেখাবে নিচের মতো করেঃ
	Title of Displayed Page >> Blog Name
...এবং হোম পেজে শুধুমাত্র ব্লগের নাম প্রদর্শিত হবে।
২.৫ এর আগের ভার্শনে এই কোড কাজ করবে না। আগের ভার্শনে টাইটেল ডাইনামিক করতে চাইলে হয় নিচের কোডটি কাজ করবেঃ
	<title><?php wp_title(''); ?><?php if (!(is_404()) && (is_single()) || (is_page()) || (is_archive())) { ?> &raquo; <?php } ?><?php bloginfo('name'); ?></title>
অথবা, নিচের কোডটিঃ
	<title><?php wp_title(''); ?><?php if(wp_title('', false)) { echo ' &raquo; '; } ?><?php bloginfo('name'); ?></title>
ডিফল্টভাবে, wp_title() ট্যাগ পেজের ধরনের উপর নির্ভর করে নিচের তথ্যগুলো প্রদর্শন করেঃ
  • হোম পেজ - ফাঁকা
  • বিশেষ পেজ – পেজের শিরোনাম
  • সিঙ্গেল টিউন পেজ – টিউনের শিরোনাম
  • তারিখ ভিত্তিক আর্কাইভ – বছর এবং/অথবা মাসের নাম
  • ক্যাটাগরি আর্কাইভ – ক্যাটাগরি শিরোনাম
  • লেখক আর্কাইভ – লেখকের পাবলিক নাম
  • ট্যাগ আর্কাইভ – ট্যাগের নাম
  • সার্চ রেজাল্ট পেজ - অনুসন্ধান ফলাফল >> অনুসন্ধানের নাম
  • 404 পেজ – পাতাটি খুঁজে পাওয়া যায়নি
সুতরাং, আমরা ইতিমধ্যেই টাইটেল ট্যাগ মোটামুটি নিখুঁতভাবে কনফিগার করার পদ্ধতি শিখে ফেললাম। চাইলে এতটুকুর মধ্যেই সন্তুষ্ট থাকা যায়, কিন্তু এটাকে ঠিক পুরোপুরি নিখুঁত বলা যায় না। পুরোপুরিভাবে নিখুঁত করতে হলে আপনাকে প্রত্যেকটি পেজ উল্লেখ করে নির্দিষ্টভাবে টাইটেল ট্যাগ কনফিগার করতে হবে।

আরও নির্দিষ্ট করে টাইটেল ট্যাগ কনফিগার করা

এবার আমরা দেখবো আরও পরিনতভাবে কি করে টাইটেল ট্যাগ কনফিগার করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেসে বিভিন্ন পেজ নির্দিষ্ট করে বোঝানোর জন্য পেজ অনুযায়ী বিভিন্ন ফাংশন আছে, যেমনঃ
  • হোম পেজ - is_home() অথবা is_front_page()
  • বিশেষ পেজ – is_page()
  • সিঙ্গেল টিউন পেজ – is_single()
  • তারিখ ভিত্তিক আর্কাইভ – is_day() অথবা is_month() অথবা is_year()
  • ক্যাটাগরি আর্কাইভ – is_category()
  • লেখক আর্কাইভ – is_author()
  • ট্যাগ আর্কাইভ – is_tag()
  • সার্চ রেজাল্ট পেজ - is_search()
  • 404 পেজ – is_404()
এইসকল কোড ব্যবহার করে নির্দিষ্টভাবে একটি পেজকে চেনানো সম্ভব। এজন্য কন্ডিশনের মাধ্যমে কোডগুলোকে ব্যবহার করে প্রত্যেকটি পেজের জন্য নির্দিষ্ট করে টাইটেল ট্যাগ কনফিগার করতে হবে। এটি করার জন্য থিমের header.php ফাইলে head সেকশনের মধ্যে বিদ্যমান title ট্যাগকে নিচের কোডদ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবেঃ
	<title><?php
if (is_home() || is_front_page()) {
echo bloginfo('description');
} else {
if (is_category()) {
echo 'All posts by ' . single_cat_title('', false) . ' category | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_tax()) {
$post_type = get_post_type_object(get_post_type());
$queried_object = get_queried_object();
echo 'All posts by ' . $queried_object->name . ' category of ' . $post_type->labels->name . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_search()) {
echo 'Search results for ' . get_search_query() . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_day()) {
echo 'Archive page for ' . get_the_time('F') . ' ' . get_the_time('d') . ', ' . get_the_time('Y') . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_month()) {
echo 'Archive page for ' . get_the_time('F') . ' ' . get_the_time('Y') . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_year()) {
echo 'Archive page for ' . get_the_time('Y') . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_single() || is_page()) {
echo get_the_title() . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (!is_single() && !is_page() && get_post_type() != 'post' && !is_404()) {
$post_type = get_post_type_object(get_post_type());
echo 'Page for ' . $post_type->labels->name . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_tag()) {
echo 'All posts by ' . single_tag_title('', false) . ' post tag | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_author()) {
$author = get_queried_object();
echo 'Archive page for author ' . $author->display_name . ' | ' . bloginfo('name');
} elseif (is_404()) {
echo '404 error - page not found | ' . bloginfo('name');
}
if (get_query_var('paged')) {
if (is_category() || is_day() || is_month() || is_year() || is_search() || is_tag() || is_author() || is_tax()) echo ' - ';
echo __('page') . ' ' . eng_to_ban(get_query_var('paged'));
}
}
?></title>
আশা করি, উপরের কোডটুকু যথেষ্ট সহযোগিতা করবে নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী টাইটেল ট্যাগ কনফিগার করতে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার হয়তো হোম পেজের জন্য ভিন্নরকম শিরনামের প্রয়োজন। উপরের কোডের সাহায্যে খুব সহজেই হোম পেজে চাহিদা অনুযায়ী শিরোনাম উল্লেখ করা যাবে। উল্লেখ্য, এখানে আমি আর্কাইভ পেজকে (is_archive()) নির্দিষ্ট করে কল না করে day, month এবং year হিসেবে কল করেছি যাতে করে আরও স্পষ্টভাবে টাইটেল ট্যাগ কনফিগার করা যায়। আপনি চাইলে শুধু is_archive() ব্যবহার করেও এই কাজ করতে পারেনঃ
		} elseif (is_archive()) {
wp_title(''); echo ' Archive | '; bloginfo('name');
}
এছাড়াও, নির্দিষ্টভাবে কোন কাস্টম টিউন টাইপ পেজকে উল্লেখ করতে চাইলে নিচের কোডটি লিখতে পারেনঃ
		} elseif (get_post_type() == 'custom-post') {
$post_type = get_post_type_object(get_post_type());
echo 'Page for ' . $post_type->labels->name . ' | ' . bloginfo('name');
}
যাই হোক, উপরের কোডের সহযোগিতায় এখন আপনি খুব সহজেই কাস্টম টাইটেল ট্যাগ জেনারেট করতে পারবেন নিজের চাহিদা অনুযায়ী। আমাকে কিন্তু অনেক কষ্ট করতে হয়েছে এই কোডটুকু লিখতে। অনেকগুলো সাইট ঘেঁটে ঘেঁটে আমাকে এই কোডটুকু বের করতে হয়েছে, যা আপনি এখন সহজেই পেয়ে গেলেন!
আজকের মতো এ পর্যন্তই, আশা করি টিপসটি আপনাদের উপকারে লাগবে। আগামীতে ইন-শা-আল্লাহ আরও নতুন কোন টিপস নিয়ে হাজির হবো।

Friday, August 28, 2015

গুগল এডসেন্স এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান রিভিনিউহিটস,ইনকাম করুন এডসেন্সের থেকে বেশি।

আমরা প্রায় সকল ওয়েবমাস্টারই কম বেশি গুগল এ্যডসেন্স একাউন্টের জন্য অনেক চেষ্টা করি। কেউ খুব সহজেই পেয়ে যাই আবার কেউ অনেক চেষ্টা করেও পাননা। গুগল এ্যডসেন্স এখন ডিম পাড়া মুরগির মতন। গুগল এ্যডসেন্স একাউন্ট পাওয়া যতটা কঠিন, একাউন্টটিকে ঠিকঠাক রাখা তার চেয়েও কঠিন। কেননা গুগলের অনেক বাধ্যবাধকতা আছে। যা মেনে চলা অনেক কঠিন। অনেক ক্যাটাগরির সাইট বিশেষ করে এডাল্ট, কপি-পেস্ট, ডাউনলোডিং সাইটেতো গুগল এ্যডসেন্স ব্যবহারই করা যাবেনা। ব্যবহার করলেই একাউন্ট ব্যান হবে। তাই আজকে আমি Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান সাইট সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। সাইটটির নাম RevenueHits. নিচে সাইটটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করছি। কিভাবে রিভিনিউহিটস ব্যবহার করবেন সেটা একদম টিউনের শেষে পাবেন। তবে তার আগে রিভিনিউহিটস সম্পর্কে জেনে নিন।

RevenueHits কি ?

RevenueHits একটি ইসরাইল ভিত্তিক অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যা একটি ওয়েবসাইটের ট্রাফিক থেকে অর্থ উপার্যন করতে সহায়তা করে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে। এটি ইসিপিএম এর মধ্যে সর্বোচ্চ $30 পর্যন্ত বহন করে এবং এটি একটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। এরা বিজ্ঞাপনদাতার চাহিদার তুলনায় প্রকাশকের আনা ট্রাফিকের ওপর নির্ভর করে অফার বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে। এটি দেশ ভিত্তিক লক্ষপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।

RevenueHits কিভাবে অর্থ প্রদান করে ?

RevenueHits সম্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এটি এড ইম্প্রেশন বা ক্লিকে অর্থপ্রদান করেন না। এটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যেমন- কর্ম ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে সিপিএ নেটওয়ার্ক গুলো বিজ্ঞাপন ইম্প্রেশন বা ক্লিকের ওপর অর্থ দেয়না বরং ব্যবহারকারীর কর্মের ওপর অর্থ দেয়। ব্যবহারকারীর কর্ম যেকোন ধরনের হতে পারে যেমন, ওয়েবসাইট ভিজিট, ইউজার ইমেইল, আইডি, মোবাইল নম্বর, অন্যান্য তথ্য, কোন সফটওয়্যার ইনিস্টল বা একাউন্ট তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি যা বিজ্ঞাপনদাতা চায়। সুতরাং বিভিন্ন ফোরাম সাইটে বল্গারদের টিউন বা টিউমেন্টে আপনার দ্বিধাবোধ হতে পারে যে 10000 ভিজিটরে প্রতিদিন $50 - $60 ইনকাম হয় আবার অন্য দিন বা অন্য ব্লগারের কোন ইনকামই হয়না। তবে একটা কথা বলে রাখি রিভিনিউহিটস কিন্তু রিভিনিউ দেখায় 2 দিন পরে। প্রথম দিনই আপনার মনে হতে পারে যে এটি ফেইক। কারন আপনি যখন ড্যাসবোর্ডে ঢুকবেন তখন আপাকে রিভিনিউহিটস দেখাবে আপনার সাইটে কতগুলা ইম্প্রেশন হয়েছে, কতটা ক্লিক হয়েছে এবং কত রিভিনিউ হয়েছে। সেখানে দেখবেন ইম্পেশন এবং ক্লিক হয়েছে অনেক, কিন্তু রিভিনিউ এ কোন টাকা দেখাচ্ছেনা। এটা দেখে চিন্তার কিছু নাই। পরের দিন ঠিকই আপনার টাকা দেখাবে।
RevenueHits ব্যবহার করে অনেকেই অল্প ট্রাফিক বা ভিজিটর দিয়ে দিনে $5 - $10 ইনকাম করছে।
তবে RevenueHits এর বিশেষ একটি দিক হচ্ছে এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান। মনে করুন আপনি ইউ.কে তে আছেন আপনার কাছে কখনই ইউ.এস ভিত্তিক আমাজনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হবেনা। আপনার কাছে ইউ.কে ভিত্তিক কোন লক্ষ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে। ফলে ইসিপিএম রেটটাও বেশি থাকবে এবং সর্বোচ্চ উপার্যনের সুযোগ থাকবে।

RevenueHits পেমেন্ট বা টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ?

RevenueHits এর টাকা উত্তোলনের পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পেপাল, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার।
সর্বনিম্ন পেমেন্ট $20
পেমেন্ট ফ্রিকুয়েন্সি: NET.30
পেমেন্ট ফ্রিকুয়েন্সি: NET.30

RevenueHits পাবলিশার রিফারেলে বোনাস আছে ?

RevenueHits পাবলিশার রিফারেলে ১০০ ইউ.এস ডলার পর্যন্ত পাবার সুযোগ আছে। কিভাবে পাবেন তা ও বলছি। আপনার রিফারেলের কোন পাবলিশার যখন $10 ইনকাম করবে তখন আপনিয় $10 পাবেন। আরও $40 পাবেন যখন সেই পাবলিশারের $50 ইনকাম হবে। শুধু এইটুকুই নয়, সেই পাবলিশারের যদি $100 ইনকাম হয় তাহলে আপনি আরও $50 বোনাস পাবেন। তাহলে মোট $100 আপনি অতিরিক্ত পাচ্ছেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে শুধু যদি ভাল মানের পাবলিশার রিফার করতে পারেন তাহলেই আপনার পকেট গরম হওয়া ঠেকায় কে ? নিচের ছবিটিতে দেখুন রিফারেল বোনাস 20 ডলার পেয়েছে।

RevenueHits কি কি ধরনের বিজ্ঞাপন সাপোর্ট করে ?

ব্যানার এ্যডস
পপআন্ডার এ্যডস
স্যাডো বক্স এ্যডস
সস্নাইডার এ্যডস
টপ / বটম / সাইড ব্যানার এ্যডস
বাটন এ্যডস
মোবাইল এ্যডস

RevenueHits এ্যকাউন্ট করা সহজ নাকি কঠিন ?

শুরুতেই বলেছিলাম গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া অনেক কঠিন কাজ। তাছাড়া বিভিন্ন সনামধণ্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে যা অনেক ওয়েবমাস্টারের পক্ষ্যে সম্ভব হয়না। ফলে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। কিন' RevenueHits এর ক্ষ্যেত্রে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। মাত্র ৫ মিনিটেই আপনার একাউন্ট রেডি।
আপনি যদি নতুন ব্লগার হয়েথাকেন তাহলে আমি সাজেশন দিবো আপনি নির্দিধায় RevenueHits ব্যবহার করুন।

RevenueHits VS Google Adsense বা অন্যন্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান কোনটা বেশি ভাল ?

আমি এখানে শুধু এ্যডসেন্স এর সঙ্গে রিভিনিউহিটসের তুলনা করবো। কেননা আমরা সবাই জানি যে গুগল এ্যডসেন্স ই সেরা। তাই বাকি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের (ClickSor, InfoLinks,Chitika, Bidvertiser) সঙ্গে তুলনা করে শুধু শুধু সময় নষ্ট করছি না। তাহলে আসুন দেখি দুইটার মিল ও পার্থক্য।

RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে মিল-

১. রিভিনিউহিটস ও অ্যাডসেন্স দুইটায় লক্ষ্যপূর্ণ বা কাঙ্খিত ভিজিটরদের টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখায়।
২. দুইটাই ইসিপিএম, ক্লিক, ইম্প্রেশন (মাঝেমাঝে), রিভিনিউ ইত্যাদিতে টাকা দেয়।
৩. দুইটাই বিভিন্ন সাইজের মানাসই বিজ্ঞাপন সাইজ সাপোর্ট করে।
৪. ব্যবহার খুবই সহজ।

RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে পার্থক্য-

১. অ্যাডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে সাইটের বয়স কমপড়্গে ৬ মাস বয়স হতে হবে। কিন' রিভিনিউহিটস একাউন্ট পেতে মাত্র ৩ মিনিট সময় লাগতে পরে।
২. অ্যাডসেন্স ফেইক ট্রাফিক সাপোর্ট করেনা এবং ফেউক ট্রাফিকের কারনে একাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে। কিন' রিভিনিউহিটস ফেইকট্রাফিকেউ অনেক সময় পে করে থাকে।
৩. অ্যাডসেন্স ব্যবহারে অনেক বাধ্যবাধকতা আছে কিন' রিভিনিউহিটসে কোন বাধ্যকতা নাই।
৪. অ্যাডসেন্স কপিরাইট সাইট সাপোর্ট করেনা। রিভিনিউহিটস কপিরাইটে প্রবলেম করেনা।
৫. অ্যাডসেন্সে পিন ও এড্রেস ভেরিফিকেসন করতে হয় কিন' রিভিনিউহিটসে কোন ভেরিফিকেসনের ঝামেলা নাই।
৬. এ্যডসেন্সের সাথে পপ অ্যাডস বা অন্য কোন অ্যাডস ব্যবহার করা যায়না। রিভিনিউহিটসে তেমন কোন সমস্যা নাই।
৭. অ্যাডসেন্স পেপাল বা পেওনিয়র সাপোর্ট করেনা। শুধুমাত্র ব্যাংক চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে। কিন' রিভিনিউহিটস পেপাল, পেওনিয়র, ব্যাংক সাপোর্ট করে।
৮. অ্যাডসেন্স ১০০ ডলার হলে টাকা দিয়ে থাকে কিন' রিভিনিউহিটস মাত্র ২০ ডলার হলে টাকা দেয়।
৯. রিভিনিউহিটস কোষ্ট পার একশান হিসেবে টাকা পে করে। যদিও রিভিনিউহিটস ইম্প্রেশন বা ক্লিকে টাকা দেয়না এখানে একটা প্রশ্ন থাকতে পারে যে খুব কম ভিজিটরই কোষ্ট একশান শর্ত পূরন করেন। তাহলে আর্ন হবে কি করে ? বিষয়টা হচ্ছে এমন যে অনেক ধরনের অ্যাডস আছে যেগুলা শুধু ভিজিট বা ইম্প্রেশন রিকুয়ার্ড। তবে যেইসকল বিজ্ঞাপনদাতা দের শর্ত বেশি তাদের শর্ত পূরন হলে ইনকামও বেশি। অ্যাডসেন্স এর বিষয়টা ঠিক ভালো ভাবে যানা নাই।
এখন আপনি নিজেই ভেবে দেখুন কোনটা ভাল ?

কিভাবে রিভিনিউহিটস এ্যকাউন্ট করবেন বা ব্যবহার করবেন ?

প্রথমে এই লিঙ্কে যান। তারপর "Join Now" বাটনে ক্লিক করুন। একটি ফর্ম আসবে তাতে ফাস্ট নেম, লাস্ট নেম, সাইট নেম, সাইট ইউআরেল, সাইট ট্রাফিক (WEB), এবং সাইট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে "Next Step" বাটনে ক্লিক করুন। এবার দ্বিতীয় ধাপে ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ইমেইল, মোবাইল নম্বর কান্ট্রিকোড সহ, সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর এবং টার্মস এনড কন্ডিশনের বক্স টিক দিয়ে "Submit" বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন। আপনার অ্যাকাউন্ট রেডি। আপনার একাউন্টের ড্যাসবোর্ড এ "New Placement" এ ক্লিক করে অ্যাডস সেটআপ করুন এবং আপনার সাইটে যুক্ত করুন।

RevenueHits একাউন্ট তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন।


জেনে নিন সোশ্যাল বুকমার্কিং কি এবং এর সুবিধা এবং ৫০ টি সাইট লিস্ট।

সোশ্যাল বুকমার্কিং কি?

সোশ্যাল বুকমার্কিং এর গুরুত্ব ওয়েব মাস্টাররা সবাই জানেন, সাইটের seo করতে এর বিকল্প নেই। সোশ্যাল বুকমার্কিং হচ্ছে মূলতঃ ভার্চুয়াল লিংক ডায়েরী। সাধারণতঃ আমরা যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট বা ওয়েবলিংক খুজে পাই তখন সেটা ব্রাওজারে সেইভ করে বা বুকমার্ক করে রাখি। ঠিক একই কাজ আমরা সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটেও করতে পারি। তবে এক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে লিংকটি আমরা যে কোন যায়গা থেকেই প্রবেশ করতে পারি এবং খুব সহজেই বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করতে পারি।
আর তাই সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের ঠিকানাও জানা দরকার। ওয়েব মাস্টার দের কথা মনে রেখেই আমার এই টিউন। এখানে 50 -রও বেশি সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের ঠিকানা দেয়া আছে। আশা করি কাজে আসবে সবার।
লিংক সংরক্ষণ ও শেয়ারের ধরণ অনুযায়ী সোশ্যাল বুকমার্কিং তিন প্রকারের হয়ে থাকে।
  • ১। Private Social Bookmarking Site– এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে সংরক্ষিত লিংকগুলো যিনি সংরক্ষণ করেছেনে শুধুমাত্র তিনি দেখতে পারেন। সাধারনত Google Bookmarks এই ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।
  • ২। Open Social Bookmarking Site –এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটে শেয়ার করা লিংক গুলো সবার জন্যই উন্মুক্ত থাকে। ফলে যে কেওই অন্যদের শেয়ার করা লিংক থেকে উপকৃত হতে পারেন। Digg হচ্ছে এই ধরণের সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের সব চেয়ে বড় উদাহরণ।

সোশ্যাল বুকমার্কিং এর সুবিধা সমূহ কি কি?

বর্তমানে সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটগুলো শুধুমাত্র বুকমার্কিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এতে যুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের নানা সেবা। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নিন্মে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর প্রধান প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হল-
  •  খুব সহজেই যেকোন ধরনের লিংক শেয়ার ও সংরক্ষণ করা যায়।
  • প্রযোজনীয় লিংকগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যাবস্থাপনা করা বা সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা যায়।
  • “DoFollow Backling” পাওয়া যায়।
  • মানসম্পন্ন ভিজিটর পাওয়া যায়।
  • অন্য সদস্যদের সাথে বার্তা আদান প্রদান বা যোগাযোগ করা যায়।
  • গ্রুপ গঠন যায় এবং যেকোন গ্রুপে যোগদান করা যায়।
  • সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন এর মাধ্যমে যে কোন সাইট থেকেই খুব সহজেই লিংক বুকমার্কিং করা যার।
  • অন্যদের শেয়ার করা লিংক থেকে খুব সহজেই নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পাওয়া যায়।
  • যেকোন লিংকের মানদন্ড বিচার করা যায় এবং অতিরিক্ত তথ্য ও টিউমেন্ট যোগ করা যায়।

50 Social Bookmark Site List

FreeSubmition.Com
FreeBacklinksiteList.Com
FreeBacklinkCreate.Com
CreateFreeBacklink.Com
MakeFreeBacklink.Com
BookmarkWebsiteList.Com
SocialBookmarkWeb.Com
FreeLinkSubmition.Com
Web2Backlink.Com
MakeBacklink.Com
FreeBookmarkWeb.Com
BookmarkSiteList.Com
FreeBookmarkk.Com
aFreeBookmark.Com
BookmarkLtd.Com
BestFreeBookmark.Com
BOOKMARK2SEO.COM
BACKLINKMAKE.COM
GoogleFreeBookmark.Com
QuickBookmark.Com
MakeaBookmark.Com
MySEObookmark.Com
HqBookmark.Com
MasterBookmark.Com
TopSeoLtd.Com
TopSEOInc.Com
BacklinkLtd.Com
WikipediaBookmark.Com
BookmarkHQ.Com
BookmarkCreate.Com
PeopleBookmark.Com
PostBookmark.Com
BookmarkCare.Com
LivePublicBookmark.Com
SEOLinkWeb.Com
InstaBookmark.Com
99Bookmark.Com
aPublicBookmark.Com
BacklinkHome.Com
SEObacklinkHome.Com
Free-Bookmark.Com
BookmarkDot.Com
BookmarkTech.Com
OnlineBookmarkWeb.Com
Global-Bookmark.Com
GeneralBookmark.Com
SocialBookmarkLab.Com
SocialBookmarkPlus.Com
VipSocialBookmark.Com
OwnBookmark.Com

Monday, August 24, 2015

যাদের WiFi রাউটার নাই আজ তাদের জন্য নিয়ে এলাম Virtual WiFi রাউটার,

বন্ধুরা কেমন আছেন, আজ আমি একটা কষ্টের কথা বলব, গ্রামীন ফোন আমাদের এলাকাতে কিছুদিন হলো ৩জি নেট দিয়েছে কিন্তু আমার রুমের ভেতরে নেট পাইনা তাই কেবলের মাধ্যমে বাহিরে রাউটার বসিয়ে নেট ব্যবহার করা শুরু করি। কিন্তু গতকাল সন্ধায় বৃষ্টি হয়েছিল আমার মনে নেই আমার রাউটার যে বাহিরে তাই রাউটারটি বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি এটার জন্য, কিন্তু আমিতো রাউটার ব্যবহার করে অভ্যাস মডেম দিয়ে আমার কোন কাজ হবেনা, তাছাড়া মোবাইলে নেট ব্যবহার করতে পারছিলামনা তাই নেটে অনেক খুজে একটা ব্যাবস্থা করেছি, তাই ভাবলাম এটা আপনাদের মাঝে শেয়ার করি, যদি আমার মতো কারো কোন উপকার হয়।এটা একটি Virtual wifi রাউটার software এটা উইন্ডোজ 7, উইন্ডেজ 8 এ কাজ করবে, খুব সহজে এটা ইনষ্টল করতে পারবেন। ইনষ্টল হয়ে গেলে wifi setting থেকে আপনার wifi name and passward দিয়ে ok করবেন, ব্যাস হয়ে গেল, আপনি হয়ে গেলেন একজন wifi রাউটারের মালিক। এখন মোবাইলের wifi open করে সার্স দেন দেখবেন আপনার wifi name show করছে, আপনি আপনার দেয়া  passward প্রবেশ করে আরামে wifi ব্যবহার করতে থাকেন।

http://adf.ly/1NEygJ
 ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন তাহলেই ডাউনলোড হয়ে যাবে।যদি কারো উপকার হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্ট করে জানাবেন, তাহলে আমার কষ্ট বৃথা যাবেনা, ব্যবহার করতে যদি কারো সমস্যা হয তাহলে আমাকে জানাবেন, আমি চেষ্ঠা করবো সমাধান করতে। অবশেষে আপনাদেরকে আবার শুভ কামনা জানিয়ে আজকের টিউন এখানেই শেষ করলাম। ভাল থাকবেন সবাই।

Saturday, August 8, 2015

Online Earning এর সেরা ৫টি পথ

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
Internet ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।
Google adsense সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের Blogger ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা। ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর Visitor ভিজিট করবেন। এধরনের Website তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।Google Adsense এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই। আরো কয়েকটি আনিং এর ধাপ দেখতে

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন Affiliete marketing এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে। এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।
৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে। ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই। http://www.freelancer.com ,  
Upwork  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।
৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে। আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।
৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।
আজ তাহলেই এখানেই শেষ করছি। কমেন্টস না করলে ভাল লাগে না। তাই কমেন্টস করবেন।

Wednesday, July 15, 2015

যাদের নিজের WEB সাইট আছে,আজ হতে তারা আয় শুরু করুন। 200-500 USD(নতুনদের জন্য)

গুগল অ্যাডসেন্স - এ আবেদন করতে করতে আজ ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? তার পরও ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে চান তাহলে নিজের এনার্জি কে রিচার্জ করে এদিকে আসুন। এবার আপরনাদের সামনে তুলে ধরছি একটি জনপ্রিয় টেক্সট লিংক অ্যাডভার্টাইজিং সম্পর্কে। প্রশ্ন করতে পারেন ইন টেক্সট অ্যাডভার্টাইজিং আবার কি? ইহা খায় নাকি পড়ে? তাহলে তো বিস্তারিত বলতেই হয়। তাহলে জেনে নিন-কি


ইন টেক্সট অ্যাডভার্টাইজিং কি এবং কিভাবে কাজ করে?

ইন টেক্সট অ্যাডভার্টাইজিং হলো একটি অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম যা ব্লগ বা ওয়েব সাইটের টেক্সট বা কনটেন্ট এর উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে থাকে। একটি উদাহরনের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে পারেন। ধরা যাক আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটে Norton Antivirus নামে টেক্সট আছে। এ অবস্থায় আপনি যদি কোন ইন টেক্সট অ্যাডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন তাহলে এই টেক্সটি লিংক হিসেবে দেখাবে। যা আপনার সাইটে থাকা লিংকের চাইতে হবে ভিন্ন। এখন আপনার সাইটের ভিজিটর যদি লিংকটির উপর কার্সর নিয়ে যান তাহলে একটি বিজ্ঞাপন সামনে দৃশ্যমান হবে। এভাবে ইন টেক্সট অ্যাডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।

ইনফোলিংকস্‌ কি?


ইনফোলিংকস্‌ হচ্ছে একটি জনপ্রিয় ইন টেক্সট অ্যাডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম। এটি ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করে। যাত্রা শুরুর প্রথম দিকে জনপ্রিয়তা না থাকলেও এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। সর্বোচ্চ রেভনিউ শেয়ার করার প্রতশ্রুতি নিয়ে ইনফোলিংকস্‌ বিশ্বের সকল প্রান্তের পার্টনারদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ইনফোলিংকস্‌ এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

ইনফোলিংকস্‌ থেকে আয়ের জন্য কি কি প্রয়োজন?

ইনফোলিংকস্‌ থেকে আয়ের জন্য প্রথমত প্রয়োজন হবে একটি নিজস্ব ব্লগ বা ওয়েবসাইট। আর দ্বিতীয়ত প্রয়োজন হবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটটিতে প্রচুর পরিমানে কোয়ালিটি কনটেন্ট। আপনার সাইটে যদি প্রচুর পরিমানে টেক্সট না থাকে তাহলে ইনফোলিংকস্‌ আপনার আবেদন গ্রহন নাও করতে পারে। তাই আবেদনের পূর্বে সাইটে প্রচুর পরিমানে টেক্সট সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করুন। ইফোলিংকস্‌ কোয়ালিটি দেখেনা দেখে কোয়ানটিটি।

ইনফোলিংকস এর পেমেন্ট পদ্ধতি কি?

অন্যান্য অ্যাডভার্টাইজিং প্রতিষ্ঠানের মতো ইনফোলিংকস্‌ প্রচলিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে। এগুলো হলো - PayPal, Payoneer Prepaid Debit MasterCard®, Bank Wire, ACH, Western Union। তবে আমাদের দেশের জন্য শুধু মাত্র Payoneer এবং চেক। চেক পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে মিনিমাম ১০০ ইউএস ডলার হতে হবে। আর Payoneer Prepaid Debit MasterCard® এর ক্ষেত্রে ৫০ ইউএস ডলার হতে হবে। বাকী গুলো অর্থাৎ PayPal, Bank Wire, ACH বাংলাদেশ সাপোর্ট করে না। ৪৫ দিনের মধ্যে ইনফোলিংকস্‌ থেকে পেমেন্ট দিয়ে থাকে।

ইনফোলিংকস্‌ - এ রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া ঃ

ইনফোলিংকস্‌ - এর সার্ভিস ব্যবহারের জন্য প্রথমে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য এই লিংক এ ক্লিক করুন অথবা ভিজিট করুন। উক্ত লিংকে গেলে আপনার ব্রাউজারে ইনফোলিংকস্‌ এর Join US পেজ আসবে। অর্থাৎ নিচের ছবির মতো একটি রেজিসেট্রশন পেজ আসবে।

এখানে আপনার কাছে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হবে। তথ্য গুলো হলো ওয়েব সাইট ইউআরএল, ওয়েবসাইট ল্যাংগুয়েজ, আপনার নামের প্রথম অংশ, আপনার নামের শেষ অংশ, আপনার ইমেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি। তথ্য গুলো যথা স্থানে দিন। নিচের দিকে থাকা ইউজার এগ্রিমেন্টে একসেপ্ট করার জন্য চেকমার্ক বক্সটিতে টিক দিন এবং ক্যাপচা পূরন করুন। সবশেষে Join বাটনটিতে ক্লিক করে আপনার অ্যাপলিকেশনটি সাবমিট করুন।
পরবর্তি পেজে আপনাকে নিচের মতো একটি কোড দেওয়া হবে -
<script type="text/javascript">
var infolink_pid = 000000;
var infolink_wsid = 0;
</script>
<script type="text/javascript" src="http://resources.infolinks.com/js/infolinks_main.js"></script>
এই কোডটি আপনার সাইটে বসাতে হবে। পেজের ডান পাশে বিভিন্ন প্লাটফর্মের আইকন দেখতে পাবেন। এগুলোর মধ্য থেকে আপনার ওয়েসবাইটের প্লাটফর্ম অনুযায়ী কোড সাইটে বসাতে পারবেন। এবার নিচের দিকে থাকা Doneবাটনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। প্রথম ধাপে রেজিস্ট্রেশন করার অর্থ হলো অ্যাপলিকেশন সাবমিট করা। ইনফোলিংকস্‌ আপনার অ্যাপলিকেশনটি রিভিউ করবে তারপর অ্যাপু্রভ হলো ইমেইলে জানাবে। তারপর আপনি ইনফোলিংকস্‌ এর Main এরিয়া অ্যাক্সেস করতে এবং কাস্টমাইজ করতে পারবেন। তাহলে ইনফোলিংকস্‌ এর উত্তরের অপেক্ষায় থাকুন। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রিপ্লে পাবেন ইনশাল্লাহ্‌।
আগামীতে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ইনফোলিংকস্‌ এর Main এরিয়া এবং বিভিন্ন কাস্টমাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে। সবাইকে ধন্যবাদ।
ইচ্ছে হলে এখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

Thursday, July 9, 2015

আসুন দেখি কিভাবে একটা পেজা একাউন্ট খুলবেন আর সেটি ভেরিফাই করবেন।

পেজা অনলাইন ভিত্তিক একটি প্রতিষ্টান যার মাধ্যমে আপনার অনলাইন থেকে ইনকাম করা অর্থ বাংলাদেশে আনতে পারবেন । অনলাইনে অনেক সাইট আছে যারা আপনাকে পেজার মাধ্যমে পেমেন্ট করবে । তাই অনলাইনে যারা কাজ করতে চান তাদের জন্য পেজা আকাউন্ট থাকা অনেক সুবিধাজনক । আজকে আমরা দেখবো কিভাবে একটা পেজা একাউন্ট করা যায় আর সেটি ভেরিফাই করা যায় ।
প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন  www.Payza.com । তারপর sign up বাটনে ক্লিক করুন । এরপর আমার দেওয়া স্টেপ গুলো ফলো করুন।


Step 1
Sign Up বাটনে ক্লিক পর দেখুন এমন একটি পেজ আসবে এখান থেকে আপনি Personal এ ক্লিক করুন ।

Step 2
Personal এ ক্লিক করার পর আপনার নাম  বসান (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী ) Email , Password বসান । Get Started বাটনে ক্লিক করুন।

Step 3
Get Started বাটনে ক্লিক করার পর আপনাকে Email Verification করতে হবে ।

Step 4
আপনার Email চেক করুন দেখবেন আপনাকে Email এ একটা Mail এসেছে Payza থেকে Mail  টা  Open করুন এবং Validate my email লিংকে ক্লিক করুন । এবার দেখুন আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে এখান থেকে Complete profile setup ক্লিক করুন আর আপনার বাকি তথ্য গুলো বসান। ঠিকানা অবশ্যই Bank Statement এর সাথে হুবহু মিল রেখে পুরন করবেন। লক্ষ্য রাখবেন কোন বানান যেন ভুল না হয় ।

Step 5
Complete Profile Setup কাজ শেষ এবার আমরা একাউন্ট ভেরিফাই  করবো । একাউন্ট ভেরিফাই  করার জন্য আপনার Full Name এর উপর ক্লিক করুন দেখবেন নিচে একটা Menu মত এসেছে এখান থেকে Verification  লেখাতে ক্লিক করুন ।

Step 6
Verification  লেখাতে ক্লিক করার পর দেখবেন ২ টা অপশন এসেছে । এখান থেকে অপশন A  ক্লিক করুন ।

অপশন A  ক্লিক করার পর আপনার ভোটার ID কার্ড সাথে Bank Statement Scan করে Upload   করুন । ( Bank Statement ১ মাসের  বেশি পুরনো যেন না হয় )। Bank Statement পাবার জন্য আপনার যে ব্যাংকে একাউন্ট আছে সেই ব্যাংকে যোগাযোগ করুন । ভোটার ID কার্ড আর Bank Statement Upload করা হলে দেখবেন ২-৩ দিনের মধ্যেই আপনার একাউন্ট Verified হয়ে গেছে । তারপর আপনি বাংলাদেশের যে ব্যাংকে টাকা আনতে চান সেই ব্যাংকটি যুক্ত করুন পেজাতে ।
কোন সমস্যা হলে জানাবেন । ধন্যবাদ সবাইকে ।
FACEBOOK ।।

ADF.LY দিয়ে খুব সহজেই আয় করুন মাসে ৫০-১০০ ডলার (১০০% পেমেন্ট))

আমরা যারা অনলাইনে টাকা ইনকাম করার চেষ্টা করছি তাদের জন্য পোষ্টটি খুব কাজে লাগবে আশা করি। আজ আমি এমন একটা সাইট নিয়ে আলোচনা করব যা আপনাদের অতি পরিচিত আবার কেউ কেউ এটা সম্পর্কে জানেন না । যার নাম adf.ly


এই সাইটের মাধ্যমে সাইটের লিঙ্কগুলো ছোট করা হয়।
এই লিঙ্কগুলো বিভিন্ন সাইটে শেয়ার করতে হয়। যত লোক এই লিঙ্কে প্রবেশ করবে এবং Skip Ad এ ক্লিক করবে সেই ভিত্তিতে আপনি টাকা পাবেন। এটা দিয়ে আপনি কমপক্ষে নেট বিলের টাকা আয় করতে পারবেন । আর যদি একটু সময় দিতে পারেন তাহলে মাসে ৫০ – ১০০ ডলার আয় করতে পারবেন । অনেকে এটা দিয়ে মাসে ২০০ ডলার আয় করছেন । আমি নিজেও এই সাইট থেকে আয় করছি । আপনাকে প্রথমে এখানে
ক্লিক করে একাউন্ট খুলেন ।
http://adf.ly/?id=2299326
সাধারনভাবে প্রতি হাজার ভিজিটের জন্য ০.৫ ডলার থেকে ৪.৭ ডলার। পুরো পৃষ্ঠা বিজ্ঞাপনের জন্য প্রতি ১০০০ ক্লিকে ৩ ডলার দেয়া হয়। একে সামান্য মনে হতে পারে। বাস্তবে ভিজিটর যত বেশি আয় তত বেশি এই নিয়মে একসময় এটা যথেষ্ট হতে পারে। ব্যানার বিজ্ঞাপনগুলি দেখা যায় ওয়েবপেজের ওপরের দিকে। এগুলির জন্য প্রতি হাজার ক্লিকে ২ ডলার দেয়া হয়। এর বাইরে দেশ অনুযায়ী টাকা কমবেশি হয়। যেমন আমেরিকার ভিজিটরের জন্য বেশি টাকা।
এফিলিয়েটেড প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের প্রচার করেও আয় করতে পারেন। আয়ের শতকরা ২০ ভাগ হারে টাকা দেয় তারা।
৫ ডলার হলেই adf.ly ডলার তুলতে পারবেন paypal এবং alertpay মাধ্যমে । প্রতি মাসের ১ তারিখ ডলার তুলতে পারবেন ।

Thursday, July 2, 2015

আপনার সাইটে লক্ষ লক্ষ ভিজিটর নিন।আর আয় করুন হাজার হাজার টাকা।

আপনার সাইটে কি ভিজিটর একদম কম তাহলে, ২-৩দিনে লক্ষ লক্ষ ভিজিটর নিয়ে হাজার হাজার টাকা আয় করুন।
যদি আপনি আপনার সাইটে ভিজিটর পেতে চান তাহলে নিচের পোস্টি ভালো করে পড়ুন।এটা ১০০% কাজ করে আপনি নিজেই পরিক্ষা কররে দেখেন।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রহীম।
আস্সালামু আলাইকুম। আমাদের
সাইটের পক্ষ থেকে সবাইকে রমজান
মোবারক। কেমন আছেন সবাই? আশা
করি সবাই ভাল আছেন রোজা
রেখেছেন। আপনাদের দোয়া আমি
ভাল আছি। তাই আপনাদের জন্য নিয়ে
এলাম আজ নতুন একটি অবিশ্বাস ট্রিক..
এটা দ্বারা আপনি আপনার সাইটে
হাজার হাজার ভিজিটর পাবেন।
আপনাকে বেশি কিছু করতে হবে না।
চলুন কাজ করি।
তারপর আপনি
সেখানে Signup ক্লিক করে একটি
autosurf
Account খুলুন। তারপর My Sites এ ক্লিক করে
আপনার সাইট সেখানে এড করুন। কিছু
সময় পরে আপনের সাইট Active করা হবে।
তারপর আপনি ২০০ Credit পাবেন। আপনি
পরে আরো Credit আয় বা কিনতে করতে
পারবেন। এখন আপনি Easy Distribution
ক্লিক করে ইচ্ছা মতো আপনার Credit
দিয়ে ভিজিটর নিতে পারবেন।
তাহলে আর কি?? হাজার হাজার
ভিজিটর নিন। আর আমাদের সাথেই
থাকুন।
আমার সাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন http://bit.ly/19It7QU

Wednesday, May 20, 2015

ওয়েব ডিজাইনিং শেখার ৮টি দারূণ ওয়েবসাইট ও কয়েকটি অনলাইন টুলস

ওয়েব ডিজাইনিং একটি সৃজনশীল কর্ম। অনেকে ওয়েব ডিজাইনিংকে প্রোফেশন হিসেবে বেছে নিয়েছে। ওয়েব ডিজাইনিং এর রয়েছে বিস্তর সীমা। এক একটি প্রোজেক্টে কাজ করার জন্য চাই প্রচুর সময়, নিষ্ঠা ও আবেগ। ওয়েব হল নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরার, নিজেকে চেনানোর একটি মাধ্যম। এই ওয়েবেই প্রচুর মানুষ নিজের নিষ্ঠা ও সময় ব্যয় করে ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ডেভলপিং এর মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও মেধার পরিচয় দিয়েছে।

ডিজাইনিং এর এই বিস্তর পরিসরে একজন ডিজাইনারকে অনেক জিনিস শিখতে হয়,বিভিন্ন বিষয়ের আপডেট রাখতে হয়। একজন সফল ওয়েব ডিজাইনারের প্রয়োজন প্রচুর রিসোর্স যা তাকে একটি প্রোজেক্ট অতি সাধারণ রূপে উপস্থাপন করতে সহায়তা করবে। অনলাইনে এরকম অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা এইসব ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য প্রচুর রিসোর্স সংকলন করছে। চলুন জানি সেই রকম কয়েকটি ওয়েবসাইট সম্পর্কে।

স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন
smashing-mag-logo
স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন হল ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য একটি আল্টিমেট সাইট। ওয়েব ডিজাইনিং এর প্রায় সকল শাখার ওপর রিসোর্স খোঁজ করলে পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটিতে। অভিজ্ঞ ওয়েব ডিজাইনাররা নিয়মিত এই ওয়েবসাইটি পড়েন। স্ম্যাশিং ম্যাগাজিনে ফটোশপ,গ্রাফিক্স,ওয়ার্ডপ্রেস,এইচটিএমএল,সিএসএস,কাস্টম কোডিং,বিভিন্ন টুলস সহ আরো অনেক উপকরণ আছে যা একজন ওয়েব ডিজাইনারকে বহুলাংশে সহায়তা করে। স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন তার পাঠকদেরকে বিভিন্ন ফ্রীবাইস দিয়ে থাকে।
ফুয়েল ব্রান্ড নেটওয়ার্ক
fuel_logo
ফুয়েল ব্রান্ড নেটওয়ার্কে ওয়েব ডিজাইনিং সম্পর্কিত বিভিন্ন আপডেট, টুলস, বিভিন্ন খবরাখবর দেওয়া হয়। ব্লগিং,ফটোগ্রাফী,ভেঞ্চার, প্রোডাক্ট ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন সহ আরোও চারটি বিভাগ রয়েছে যেখানে ওয়েব ডিজাইনিং এর বিভিন্ন শাখায় আলোচনা করা হয়েছে। মজার ব্যাপার হল প্রতিটা বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা ওয়েবসাইট রয়েছে। মূলত এদের সব কয়টি ওয়েবসাইট মিলেই তৈরী হয়েছে ফুয়েল ব্রান্ড নেটওয়ার্ক।
সিক্স রিভিশনস
six-revisions-w320
সিক্স রিভিশনস হল স্ম্যাশিং ম্যাগাজিনের মতই একটি ওয়েবসাইট। এটি মূলত স্ম্যাশিং নেটওয়ার্কেরই আওতাভুক্ত আরো একটি সাইট। জ্যাকব গিউওব নামের একজন প্রোফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার সাইটটি তৈরী করেন। সিক্স রিভিশনসে প্রচুর আর্টিকেল রয়েছে। রয়েছে প্রচুর পরিমানে টিউটোরিয়াল। মেধাবী ওয়েব ডিজাইনারদের লেখায় সমৃদ্ধ এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত আপডেট করা হয়।
পিএসডি টাট+
psdtuts
পিএসডি টাট+ ফটোশপ ভিত্তিক সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহৎ ওয়েবসাইট। সম্পূর্ণ ওয়েবসাইটটি ফটোশপ কেন্দ্রিক করে তৈরী করা হয়েছে। ফটোশপ ওয়েব ডিজাইনিং এর একটি অত্যাবশ্যকীয় সফটওয়্যার। প্রচুর অ্যাডভান্স এই সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত করতে প্রয়োজন প্রচুর শিক্ষা উপকরণ যা এই ওয়েবসাইটটি সরবরাহ করে থাকে। আপনার যদি ধারণা থাকে আমি ফটোশপ সম্পর্কে সব জানি তাহলে আপনি এই ওয়েবসাইটিতে একবার হলেও ঢুঁ মারবেন। দেখবেন আপনি ফটোশপ সম্পর্কে কেবলমাত্র জানতে শুরু করেছেন। শত শত টিউটোরিয়ালে পরিপূর্ণ এই ওয়েবসাইটি আর্দশ ভাবা ভুল হবে না।
ওয়েব ডিজাইনার লেজার
webdesignledger
ওয়েব ডিজাইনার লেজার একটি প্রকাশনামূলক ব্লগসাইট। প্রোফেশনাল মানের ওয়েব ডিজাইনাররা এই ব্লগে লিখে থাকেন শুধু মাত্র ওয়েব ডিজাইনারদের জন্যই। পোস্টের উচ্চ মান নিশ্চিত করতে এরা অনেক তৎপর। ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত রিসোর্স ও জ্ঞান বিতরণ করাই এদের মূল উদ্দেশ্য। হেনরি জোনসের এই ওয়েবসাইটটি স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন এর আওতাভুক্ত। কিছু দিন পর পরই সাইটটি আপডেট করা হয়।
ফোলিও ফোকাস
foliofocus.com
ফোলিও ফোকাস পোর্টফোলিও ডিজাইনারদের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক ওয়েবসাইট। অসাধারণ পোর্টফোলিও সাইটগুলোর গ্যালারি হল এই ওয়েবসাইটটি। ফোলিও ফোকাসে ওয়েব ডিজাইনার,ফটোগ্রাফার,গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের এক একটি অনন্য উদাহরণ আপনি খুঁজে পাবেন।
ব্লগ ডিজাইন হিরোস
blogdesignheroes
ব্লগ ডিজাইন হিরোস ও ফোলিও ফকাস এরা একই নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। দুইটা সাইটই একই রকম ও অনুপ্রেরণামূলক। তবে ওয়েবসাইট দুইটির মূল পার্থক্য হল ফোলিও ফোকাস পোর্টফোলিও সাইটগুলোর ডিজাইন প্রর্দশন করে এবং ব্লগ ডিজাইন হিরোস ভালো ভালো ব্লগের ডিজাইনের গ্যালারী প্রর্দশন করে। অত্যন্ত সমৃদ্ধবান ওয়েবসাইটটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে পরবর্তীতে আপনার ব্লগের ডিজাইনের জন্য অনুপ্রেরণা খুঁজতে পারেন।
দ্য বেস্ট ডিজাইনস
thebestbig
বেস্ট ডিজাইনস ওয়েব ডিজাইনিং এর ওপর আর একটি তথ্য সমৃদ্ধ ওয়েবসাইট। ২০০১ সালে শুরু হওয়া ওয়েবসাইটটির পূর্ববর্তী ভার্সনে ৪০০০ হাজার ওয়েবসাইটের বিশাল সংকলন ছিল। বর্তমানটি এই সংখ্যা আরো অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়েবসাইটিতে উচ্চমান সম্পন্ন বিভিন্ন উপকরণ আছে।

অনলাইন টুলস

ওয়েব ডিজাইনিং এর ক্ষেত্রে রিসোর্সের যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি কাজের সুবিধার জন্য দরকার বিভিন্ন টুলস। ওয়েবের কল্যাণে বর্তমানে ওয়েব ডিজাইনারদের সুবিধার জন্য প্রচুর টুলস তৈরী করা হচ্ছে। চলুন জানি তেমনই কয়েকটি টুলসের কথা।

Artypapers Buttons

প্রচুর কাস্টমাইজেবল বাটন রয়েছে। প্রজেক্ট তৈরীতে অনেক কাজে দেবে।

Form Style Generator

ওয়েবসাইটিতে সিএসএস ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েব ফর্ম তৈরী করা যায়।

Favicon Generator & Gallery

ফেভিকন তৈরী করতে পারবেন কিংবা এদের শোকেস থেকে বিভিন্ন ফেভিকন সংগ্রহ করতে পারবেন।

NicEdit

নাইস এডিট একটি WYSIWYG এডিটর।

colordb

চমৎকার একটি কালার প্যালেট জেনারেটর সাইট।

pForm

স্বল্প সময়ে এইচটিএমএল ফর্ম তৈরীর ওয়েবসাইট।

Saturday, May 9, 2015

খুব সহজে প্রতি ঘণ্টায় আয় করুন ফ্রি বিটকয়েন [1 BITCOIN = $454.36!!!]

বিটকয়েন কি?

বিটকয়েন হল ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা। বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বা নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয় না। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার বা গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে বা মোবাইলে । বিটকয়েনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে অথবা কোন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ।
বর্তমানে ১টি বিটকয়েনের মূল্য প্রায় ৪৫৪.৩৬ ডলার ।



অর্থাৎ BITCOIN = $454.36 !!!

বিটকয়েন একাউন্টঃ

আপনাকে প্রথমে একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করা লাগবে । এই অ্যাড্রেস সাধারনত ৩৪ Character -এর হয় । এই কারনেই এটা এতো বেশি সিকিউর ।

ধাপঃ

১। প্রথমে এই লিঙ্কে যান । এরপর নিচের মত একটা পেজ আসবে ।

২।  এরপর Wallet(1) এ ক্লিক করুন। তারপর Create my free wallet(২) এ ক্লিক করুন। নিচের মত আরেকটি পেজ আসবে।

3। Email এর বক্সে আপনার মেইল অ্যাড্রেস এবং Password এর বক্সে আপনার পাসওয়ার্ড (মিনিমাম ১০ সংখ্যা) দিয়ে এবং ক্যাপচা পূরণ করে  Continue এ ক্লিক করুন ।

Continue তে ক্লিক করুন।

4। এরপর Login পেজ আসবে। আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

5। এখানে দেখবেন আপনার জন্য একটি নতুন বিটকয়েন এড্রেস তৈরি হয়েছে । এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে বিটকয়েন জমা হবে।

এটাকে সেভ করে অথবা কপি করে রাখুন পরে কাজে লাগবে ।

বিটকয়েন আয়ঃ

ধাপঃ

১। প্রথমে এই লিঙ্কে যান । নিচের মত একটা পেজ আসবে ।
এখান থেকেঃ (১নং অংশে)
Your Bitcoin Address – এ কিছুক্ষণ আগে যে বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরি করলেন সেটা দিন ।
Password For Your Account – এখানে আপনার পাসওয়ার্ড দিন ।
Repeat Password – এখানে পুনরায় একই পাসওয়ার্ড দিন ।
Your Email – এখানে আপনার ইমেইল দিন ।
ব্যাস এরপর SIGN UP বাটনে ক্লিক করুন । আপনার একাউন্ট হয়ে গেছে । ইমেইল ভেরিফাই করা লাগবে না ।

২। এরপর ওপরের চিত্রে ২নং চিহ্নিত অংশের ঘরগুলো পুরন করুন এবং কেপচা দিয়ে LOGIN বাটনে ক্লিক করুন । এরপর নিচের মত পেজ আসবে । এরপর ১নং চিহ্নিত অংশের কেপচা দেখে ২নং চিহ্নিত বক্স পূরণ করে ROLL!(3) এ ক্লিক করুন ।

৩। এরপর যদি নিচের চিত্রের মত টাইমার(2) উঠা শুরু করে তাহলে তাহলে আপনি Success । আর যদি Invalid Code লেখা আসে তাহলে আবার TRY করুন হয়ে যাবে । এভাবে প্রতি ঘণ্টায় আপনি বিটকয়েন আর্ন করতে পারবেন । আবার ১ ঘন্টা পর আসুন এবং কেপচা পূরণ করে ROLL-এ ক্লিক করুন । দেখবেন একাউন্টে বিটকয়েন যোগ হয়েছে । এভাবে ১ ঘণ্টা পর পর ওয়েব সাইটে যান এবং আর্ন করতে থাকুন । নিচের চিত্রে দেখুন ৩নং চিহ্নিত অংশে আমার আর্ন দেখাচ্ছে ।

পেমেন্টঃ

এবার আসি পেমেন্টের কথায় । এটা  ১০০% পে করে কারন আমি দুইবার পেমেন্ট পেয়েছি ।
এরা প্রতি সোমবার পে করে । আপনার একাউন্ট Balance যদি 0.00005460 বিটকয়েনের বেশি হয় তাহলে সেটা অটোমেটিকভাবে সোমবারে আপনার একাউন্টে চলে যাবে । আপনার কিছু করতে হবে না ।
আর হ্যাঁ আপনি রেফার করেও আর্ন করতে পারবেন । আপনার Homepage-থেকে Refer বাটনে ক্লিক করলে আপনার রেফারেল লিঙ্ক দেখতে পারবেন ।
আজ আপাতত এ পর্যন্ত।
***পরবর্তী পোস্টে দেখাবো কিভাবে আপনার আয় করা বিটকয়েন বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংকে Withdraw করবেন তার বিস্তারিত বর্ণনা নিয়ে।

আর্টিকেল লিখে আয় করার ভিন্নধর্মী ৩ ওয়েবসাইট

বর্তমানে আউটসোসিং নিয়ে বেশি খবর হয়ত শুনে থাকবেন আপনি ব্লগ , খবর কিংবা মিডিয়াতে। এগুলো শুনে নিশ্চয় আপনার আউটসোসিং করে অনেক টাকা আয় করতে ইচ্ছা করবে। কিন্তু আউটসোসিং এ শর্টকাট কোন উপায় নেই টাকা আয় করার জন্য। আপনাকে অবশ্যই কাজে দক্ষতা ও জ্ঞান সবশের্ষ পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকবে হবে। তবে আউটসোসিং এ কাজ করতে হলে কোন বিষয়ে আপনি কাজ করবেন তা আপনাকে নিধারণ করতে হবে। যদি আপনি লেখালেখি করতে ভালবাসেন তাহলে এটিকেই পেশা হিসেবে গ্রহন করতে পারেন।
ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ডটকমের পাশাপাশি আরও অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আর্টিকেল লিখে ভালো আয় করা যায়। জনপ্রিয় এই মার্কেটপ্লেস ছাড়াও আরও কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে সেগুলো আর্টিকেল লিখে ভালো আয় করা যায়। এই রকম না জানি তিনটি ওয়েবসাইট সম্পর্কে তুলে ধরা হলো।
স্কুইডু
পেইজ ও আর্টিকেল প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। বিভিন্ন ধরণের আর্টিকেল লিখে এই ওয়েবসাইট থেকে আয় করা যায়। এটার একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্লাটফর্মও রয়েছে, যার মাধ্যমে কনটেন্টগুলো লাখ লাখ মানুষের কাছে শেয়ার করা যায়। যখনই কোনো ব্যবহারকারীর লেখা জনপ্রিয় হতে শুরু করবে তখনই আয় শুরু হবে
ই-কপিরাইটার্স
অনলাইনে লেখালেখি করে আয় করার আরেকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো ই-কপিরাইটার্স। মূলত যারা কনটেন্ট রাইটিংয়ে দক্ষ তাদের জন্যই এই ওয়েবসাইটটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি অন্যান্য ওয়েবসাইটের তুলনায় বেশি পে করে থাকে।
ট্রিওন্ড
কনটেন্ট লিখে আয় করার সবচেয়ে পুরাতন ও সুপরিচিত ওয়েবসাইট হলো ট্রিওন্ড। ভালোমানেন কনটেন্ট হলে এই ওয়েবসাইটে দ্রুত সেটি প্রকাশ করা হয়। এটিও জনপ্রিয়তার ভিত্তিকে লেখককে পে করে থাকে।
এছাড়া লেখালেখির কাজটা একটি শিল্পিক কাজ। অনেক ধৈর্য এবং সময় নিয়ে করতে হয়। তাই হয়ত অনেক টপিক ভুলে যেতে পারেন লেখালেখি করতে গিয়ে।তবে ভালোভাবে ও সহজে কাজ করতে চাইলে দক্ষতার পাশাপাশি টুলসের ব্যবহার জানাও জরুরী। টুলস একদিকে যেমন বিভিন্ন তথ্যের উৎস, তেমনিভাবে কাজের ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক। আর্টিকেল রাইটার কিংবা ফ্রিল্যান্স রাইটারদের জন্য সহায়ক এমনই অনেক টুলস রয়েছে। যেমন: রাইটিং ডটকম, গুগল ক্যালেন্ডার, এভারনোট ইত্যাদি।এছাড়া আরও বিভিন্ন টুলস সর্ম্পকে জানতে এই লিখাটি সহায়ক হতে পারে।

অনলাইনে আয় করুন ফাইল শেয়ারিং করে – পোষ্ট টি গুরুত্ব দিয়ে পড়ুন – (না দেখেল মিস করবেন)

অন্যান্য দেশের খবর তেমন একটা না জানলেও নিজের দেশের শতকরা ৭০ ভাগ (ধারণার উপর বললাম) ইন্টারনেট ইউজারই যে কোন না কোন ভাবে নিজের সময়ের মূল্যবান অংশ ব্যয় করছেন ইন্টারনেটে আয় করার পিছনে এটুকু সিউর। অনেকেই হয়তো সফল হয়েছেন তাদেরকে সাধুবাদ জানাই, তবে সিংহভাগই যে ব্যর্থ সেটা মুখ ফুটে বলার প্রয়োজন হয়না… যারা টেকনলজী বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান রাখেন মাত্র তারাও আপাদ-মস্তক চিন্তা-ভাবনা না করেই ছুটছেন আয়ের পিছে, অতঃপর নিজের মূল্যবান সময় অপচয় করে অনলাইনে আয় সম্পর্কে ভুল ধারণা লাভ করছেন।জানাবো কিভাবে আপনি ফাইল শেয়ারিং করে করে প্রতিদিন আয় করতে পারবেন।তবে চেষ্টা করলে ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব।
আয় করা সাধারণ বিষয় না, দুনিয়ার সকল প্রকার মানুষ কাজ করে কিছু টাকা আয়ের জন্যই। হোক সেটা অনলাইনে আর হোক সেটা ব্যবসা বা চাকরির মাধ্যমে, যেভাবেই আপনি আয় করতে চান না কেন আপনাকে কষ্ট করতেই হবে, বিনা কষ্টে কেউ আপনাকে টাকা দেবে না। ইন্টারনেট ব্যবহারে যারা নতুন তারা কোনভাবে কারও কাছে ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে শুনেই নেমে পড়েন আয়ের উদ্দেশ্যে, কিন্তু সেটা যদি এতোই সহজ হত তবে কোন মানুষই আর গরীব থাকতো না।
কি অবাক হচ্ছেন? ফাইল আপলোড করে আবার কি ভাবে আয় করা যায়? অবিশ্বাস হলেও সত্যি। এরকমই একটি সাইট গ্লোবাল সেয়ার ডট কম। এখানে আয় করতে হলে আপনাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করুন।ফাইল আপলোড করুন। এবং আপনার আপলোডকৃত ফাইল গুলো যে কেউ শেয়ারিং করলে সাথে সাথে আপনার আয় আসতে শুরু করবে। এর পর সাইন ইন থাকা অবস্থায় আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড করুন।যত ভিউ, টিউমেন্ট আর লাইক হবে, এই সাইট আপনাকে প্রতিটিতে ১ সেন্ট করে দিবে।যখন আপনার ৩০ ডলার জমা হবে, তারা আপনাকে পে করবে।
 এখানে ফাইল পোষ্ট করলেও আয় পাবেন, ভিউ করলেও পাবেন। অবশ্যই এটা খুব ভালো একটা ফিগার! আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে দিন। আশা করি টাকা দিয়ে কোথাও অ্যাকাউন্ট খোলার চেয়ে এটা বাংলাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। সাইটে ওদের একটি ভিডিও আছে। দেখলেই বাকি সব বুঝবেন আশা করি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে আমি তো আছিই।এই লিংক থেকে ১০০ View/Like/Comments হলেই আপনি পাবেন ২০ ডলার পর্যন্ত । আর নুন্যতম 2 ডলার হলেই আপনি টাকা উঠাতে পারবেন।

তাহলে দেরি কেন একুনি রেজিষ্ট্রেশন করুন। তবে এটি অ্যাডসেন্স এর মত পরিক্ষিত । কারন ৩০ ডলার হলেই পে করে। তাই দয়া করে খারাপ মন্তব্য করবেন না।আপনি এরপর আপনার ইউনিক লিংক টি ছড়িয়ে দিন। অন্নকেও অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে উৎসাহিত করুন।

Friday, May 8, 2015

ফ্রিতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করুন সেল পাবেন ১০০%

প্রথমেই একটা বিষয় জেনে নিন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি আপনার জন্য ভাল হবে কিনা। আফিলিয়ায়েট মার্কেটিং এ ভাল করার জন্য আপনার অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই ইংরেজি তে ভাল দক্ষতা থাকতে হবে। সহজ ভাবে বলা যায় – বাংলায় বললে যেভাবে বুঝেন, ইংরেজি ও একই ভাবে বুঝতে হবে, আর আপনি যেভাবে আপনার মনের ভাব বাংলায় লিখে প্রকাশ করতে পারেন – ঠিক সেভাবে আপনার ইংরেজি তেও লিখতে পারতে হবে। Spoken এর কোনো দরকার হয় না, কিন্তু বুঝতে ও লিখতে পারতে হবে।

Create A Account From Here

যারা নতুন মারকেটার আমরা খুঁজি কিভাবে ফ্রিতে মার্কেটিং করে ভালো আয় করা যায়!!

ফ্রি মেথড গুলির ভেতর আছে (YouTube ,Twitter, Facebook , SEO, Guest Blogging, Delicious, LinkedIn , Yahoo Answers, Blog Commenting, Reddit ,Article Marketing, Google+, P interest , google alert ) ইত্যাদি এর মাধ্যমে!!
এখন বেশি মারকেটার হয়ে যাওয়ায় ফেসবুক গ্রুপ গুলতে একি পোস্ট বার বার হতে থাকে, এর ফলে আসল ক্রেতা খুঁজে খুব পাওয়া কষ্ট এবং তারাও ঝামেলার ভেতর কিনতে চায় না!!
‎তবে Affiliate Marketing‬ নিয়ে আজকে এমনটা ইনফো দিবো , আমি নিশ্চিত আপনারা ফেসবুক আর টুইটার মার্কেটিং করেন আপনি যেই সেল পান তার থেকে অনেক বেশি সেল পাবেন!!
‪Affiliate Markets‬ দের জন্য খুবী সম্ভাবনাময় একটা যায়গা Tsu ! কারন এখানে প্রচুর USA, UK, Canadian, Australian,Europe ইত্যাদি দেশের লোক প্রচুর !! আমি Tsu হতে নিয়মিত সেল পাচ্ছি ………য়ার টার্গেট ক্লাইন্টট পাওয়া খুবি সহজ। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম!!!
‪Tsu‬ কি?
Tsu হল একটা নতুন সোসাল সাইট USA এর headquartered in New York, ,সম্পূর্ণ ফেসবুকের মতো…কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফেসবুক থেকে অনেক ভালো! এখানে বাংলাদেশী খুবী কম, বেশির ভাগই আমেরিকান,কানাডিয়ান, ইত্যাদি দেশের …Facebook আর Twitter এর সাথে পাল্লা দিতে নতুন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট…… আমার কাছে দারুন লাগছে!!! এখানে একাউন্ট করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কারো রেফারেলে অথবা কারো ইনভাইটেশন এর মাধমে জয়েন করতে হবে!! কারো Invitation অথবা রেফারেল লিঙ্ক লাগলে বলবেন!!
আপনি  এটা রেফারাল আইডি হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন।
https://www.tsu.co/earnfre

 https://www.tsu.co/earnfre
 #Tsu সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতেঃ Wikipedia:Wikipedia Link
YouTube: Youtube Video
Facebook Group: Tsu

Monday, May 4, 2015

অনলাইনে ঘরে বসে adf ly থেকে সহজেই আয় করুন। একটু পরিশ্রম করেই আয় করতে পারেন ডলার। না দেখলে চরম মিস!

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় অনেক ভাল আছি। আজ আপনাদের দেখাব অনলাইনে ইনকামের একটি ওয়েবসাইটের বিস্তারিত। আমরা জানি যে, বর্তমানে অনেক ভূয়া ptc সাইট দেশে বিদেশে গড়ে উঠেছে। তারা click করার মাধ্যমে টাকা পেমেন্ট করে বলে জোর দাবি করে। কিন্তু ভিজিটররা এতে অনেকেই প্রতারিত হন। ফলে অনেক পরিশ্রম করে নির্ধারিত পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তাই আজ আপনাদের এমন একটি সাইটের বর্ননা দেব যেটি থেকে অনেক ভাল ইনকাম করতে পারবেন। 
প্রথমে রেজিস্টার করুন এখান থেকে ।।
কিভাবে রেজিস্ট্রশন করবেন সেটা আমার মনে হয় বলার দরকার নাই, যদি কারো রেজিস্ট্রশন করতে সমস্যা হয় coment করবেন অবশ্বই। রেজস্ট্রশন শেষ হলে আপনি বিভিন্ন ওয়েব সাইটের লিংক কপি করে এনে নিচে দেখানো চিত্রের মত বক্সে পেস্ট করে shrink এ click করুন। দেখবেন লিংকটি অটোমেটিক শর্ট হয়ে গেছে।
assss
এবার এই লিঙ্ক এ কোন ভিসিটর ক্লিক করলে তাকে ৫মিনিটের একটা এড দেখাবে এবং Skip Add এ ক্লিক করতে বলবে।
আর যখন একজন ভিসিটর আপনার লিঙ্ক এ ক্লিক করে Skip Add করবে তখন ই আপনি টাকা আর্ন করতে পারবেন। এছাড়া আরও অনেক Tools আছে যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই প্রতি মাসে ৫০-১০০$ ইনকাম করতে পারবেন। যাদের ব্লগ সাইট আছে তাদের আর্ন করার সুযোগ আরও বেশি।
আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে Adf.ly
এর পেমেন্ট মেথড Payza সার্পোট করে।
পোস্টে এইভাবে আপনার অনেকে নাও বুঝতে পারেন। সমস্যা নাই, আপনাদের জন্য ভিডিও টিউটোরিয়াল দেওয়া আছে। ওইখানে কিভাবে কি করবেন বিস্তারিত সব দেওয়া আছে।
                         ভিডিও পার্ট ১
                         ভিডিও পার্ট ২
এবার ভিডিও টিউটোরিয়াল গুলো দেখে নিন।
আর হ্যা এই ভিডিও টিউটোরিয়াল গুলো লাজুক ভাইয়ের। তাই টিউটোরিয়াল গুলোর সকল ক্রেডিট লাজুক ভাইয়ের প্রাপ্য। এই ভিডিও গুলোতে বিস্তারিত সব দেওয়া আছে এবং

Facebook 

ব্ল্বগে ভিজিটর কম থাকলেও আয় করুন সহজে।

ব্ল্বগে ভিজিটর কম থাকলেও আয় করুন সহজে।
আমরা অনেকেই ব্লগ করে থাকি, কিন্তু ভিজিটর কম তাই আয় তেমন একটা হয় না বললে চলে, আর অনেকেই গুগল অ্যাডসেন্সএর অনুমোদন পাই না। আর যাদের বাংলা ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট আছে তারা তো গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করতে পারে না। তাই তাদের জন্য নিয়ে এলাম গুগল অ্যাডসেন্স এর বিকল্প। সাইটটির নাম popcash
এটি একটি পপ-আপ অ্যাড সাইট। এতে ভিজিটরদের বিরক্ত হওয়ার কোনো কারণ নাই, কারণ এটি শুধু সারাদিনে একবার অ্যাড শো করবে প্রতি কম্পিউটারে।
এই লিংকে গিয়ে  আপনি একাউন্ট করার পর আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট যোগ করুন। ২৪ ঘন্টার মধ্যে এপ্রোভ করবে। তারপর get code এ ক্লিক করে কোডটি নিয়ে আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েব সাইটে বসিয়ে দিন।
আপনার কাজ শেষ। এখন থেকে আয় করুন সহজে।
আমার ব্লগ সাইটে ঘুরে আসতে পারেন

ফেইসবুক পেজ লিংক 


ফ্রী ইনকাম করুন ২ - ১০ ডলার প্রতেক দিন কনো কাজ না করে ( Automatic )

ফ্রী ইনকাম করুন  ২ - ১০ ডলার প্রতেক দিন কনো কাজ না করে ( Automatic )
 
প্রত্যেকদিন ইনকাম করুন ২ - ১০ ডলার + অটোমেটিক কনো কাজ না করে।।
যদি আপনারা আমার এই মেথড ব্যাবহার করে কাজ করতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।।
আমি আপনাদের যথা সাধ্য চেষ্টা করবো Help করার...

STEP 1
প্রথমে এইখানে একটি একাউন্ট খুলুন  Local Dogecoin

তারপর আপনার একাউন্টে লগিন করে Wallet এ গিয়ে Dogecoin Wallet ID কপি করে নোটপ্যাড এ সেভ করে রাখুন।।

STEP 2
এইখানে একটি একাউন্ট খুলুন  Free Dogicoin  

তারপর আপনার নোটপ্যাড এ সেভ করা  Dogecoin Wallet ID ইমেইল PASSWORD ব্যাবহার করে একটি একাউণ্ট ওপেন করুন।
প্রত্তেক ১ ঘন্টা পর পর ফ্রী রোল করে DOGICOIN ইনকাম করুন।। 

বি দ্র :  STEP 2 তে একাউন্ট খোলার সময় আমার রেফারেলে একাউন্ট খুলবেন  Please..  আর আপনারা যদি আমার এই অটো মেটিক সিস্টেম ব্যাবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন।। আমাদের সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে একটা লাইক দিবেন।

আমাদের ফেসবুক পেজ  Facebook

Call  01771-502800 / 01919-921601

 আরো কিছু Dogi coin ইনকামের সাইট লিস্ট 

 1. 777 Dogi

2. Moon Dogi

3.  Box Dogi

4. Dogi Free 

5. Free Dogi

6. Dogi Ran  

সর্ব শেষ কথা আপনি যদি ঠিকমত কাজ করেন তাহলে দিনে ১০ - ২০ ডলার ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজে কনো কাজ না করে...

আপনারা যদি Automatic System এ কাজ করতে চান তাহলে এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করবেন
 http://adf.ly/1F7QBz


আমাদের ফেসবুক পেজ  Facebook

Call  01771-502800 / 01919-921601

Sunday, May 3, 2015

ব্লগ থেকে আয় করতে চান ? কিন্তু গুগল অ্যাডসেন্স পাচ্ছেন না… নিয়ে নিন বিকল্প পদ্ধতি

আমরা ব্লগ খুলি মূলত কিছু টাকা আয় করার জন্যে। আর ব্লগ থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হইল গুগুল অ্যাডসেন্স। কিন্তু গুগল মামু তো সবাইকেই অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট দেয় না। তাই বলে কি তারা ব্লগ থেকে আয় করতে পারবে না ?
 অবশ্যই পারবে

গুগল অ্যাডসেন্স এর বিকল্প হিসেবে রয়েছে পপক্যাশ
আপনার ব্লগে পপক্যাশ অ্যাড করলে এটি পপআপ এর মাধ্যমে অ্যাড শো করবে...
তবে চিন্তার কোন কারন নে। কেননা এটি একজন ইউজারের ক্ষেত্রে বারবার অ্যাড শো করবে না...
কাজেই আপনার ব্লগের ইউজারও তেমন বিরক্ত বোধ করবে না।
আর এর আরও একটি সুবিধা হচ্ছে ইউজার আপনার ব্লগে প্রবেশ করলে অ্যাডে ক্লিক পড়বেই...
কোন মিস হবে না।
তাহলে ক্লিক পড়বে কি না পড়বে সে চিন্তা থেকে আপনি মুক্ত।

এবার চলুন দেখি কিভাবে এটি আপনার ব্লগে অ্যাড করবেন
http://popcash.net/register/18698
  • রেজিস্ট্রেশন করা হলে লগইন করুন
  • এরপর নিচের চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করুন
http://popcash.net/register/18698
  • এখন নিচের ছবিতে লাল রঙে মার্ক করা স্থানে ক্লিক করে আপনার ডোমেন লিংক Add করুন
  • Add হয়ে গেলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কালো রঙে মার্ক করা জায়গার মত Approved লেখা আসলে নীল রঙে মার্ক করা জায়গায় ক্লিক করে HTML Code কপি করুন।
http://popcash.net/register/18698
  • এখন আপনার ব্লগারে প্রবেশ করে Template এ গিয়ে HTML এ যান।
  • এখন একদম নিচে গিয়ে নিচের ছবির মত মার্ক করা জায়গায় HTML Code টি পেস্ট করে সেভ দিন।
  • ব্যাস আপনার কাজ শেষ। আপনার ব্লগে পপক্যাশ অ্যাড হয়ে গেছে
  • এখন নাকে তেল দিয়ে ঘুমান আর আরামছে আয় করতে থাকুন

সবাই ভালো থাকবেন