Wednesday, May 20, 2015

ব্লগিং এর বিষয়বস্তু নির্বাচনে আর জটিলতা নয়

অনেকদিন ব্লগিং করার পর প্রায় ব্লগারই একটা সমস্যায় পড়েন। সেটা হল বিষয়বস্তু নির্বাচনে জটিলতা। দেখা অনেক দিন ব্লগ লেখার পর নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসে না। কি নিয়ে লিখব সেই চিন্তায় মস্তিষ্ক হয়ে যায় বিভর। তবে আজকে কয়েকটি কৌশল আলোচনা করব যা অনুসরন করলে ভবিষ্যতে লেখার উপাদানের অভাব অনেকটা দূর হবে।


জনপ্রিয় ব্লগগুলো বিশ্লেষন করুন
যখন একান্তই লেখার উপকরেনের অভাব হবে তখন বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্লগগুলো ঘেটে, সেইসব ব্লগের বিভিন্ন পোস্ট পড়ে নতুন বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা লাভ করা সম্ভব। তাদের লেখাগুলো বোঝার চেষ্টা করুন, তারা কি বিষয়ের ওপর লিখছে সেই সমস্ত বিষয়গুলো আচঁ করুন এবং সেই সমস্ত বিষয় সম্পর্কে নিজের আলোকে লেখার চেষ্টা করুন। দেখবেন লেখার টপিকের অভাব হবে না। 

ওয়েব ডিজাইনিং শেখার ৮টি দারূণ ওয়েবসাইট ও কয়েকটি অনলাইন টুলস

ওয়েব ডিজাইনিং একটি সৃজনশীল কর্ম। অনেকে ওয়েব ডিজাইনিংকে প্রোফেশন হিসেবে বেছে নিয়েছে। ওয়েব ডিজাইনিং এর রয়েছে বিস্তর সীমা। এক একটি প্রোজেক্টে কাজ করার জন্য চাই প্রচুর সময়, নিষ্ঠা ও আবেগ। ওয়েব হল নিজেকে সবার সামনে তুলে ধরার, নিজেকে চেনানোর একটি মাধ্যম। এই ওয়েবেই প্রচুর মানুষ নিজের নিষ্ঠা ও সময় ব্যয় করে ওয়েব ডিজাইনিং কিংবা ডেভলপিং এর মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও মেধার পরিচয় দিয়েছে।

ডিজাইনিং এর এই বিস্তর পরিসরে একজন ডিজাইনারকে অনেক জিনিস শিখতে হয়,বিভিন্ন বিষয়ের আপডেট রাখতে হয়। একজন সফল ওয়েব ডিজাইনারের প্রয়োজন প্রচুর রিসোর্স যা তাকে একটি প্রোজেক্ট অতি সাধারণ রূপে উপস্থাপন করতে সহায়তা করবে। অনলাইনে এরকম অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা এইসব ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য প্রচুর রিসোর্স সংকলন করছে। চলুন জানি সেই রকম কয়েকটি ওয়েবসাইট সম্পর্কে।

স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন
smashing-mag-logo
স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন হল ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য একটি আল্টিমেট সাইট। ওয়েব ডিজাইনিং এর প্রায় সকল শাখার ওপর রিসোর্স খোঁজ করলে পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটিতে। অভিজ্ঞ ওয়েব ডিজাইনাররা নিয়মিত এই ওয়েবসাইটি পড়েন। স্ম্যাশিং ম্যাগাজিনে ফটোশপ,গ্রাফিক্স,ওয়ার্ডপ্রেস,এইচটিএমএল,সিএসএস,কাস্টম কোডিং,বিভিন্ন টুলস সহ আরো অনেক উপকরণ আছে যা একজন ওয়েব ডিজাইনারকে বহুলাংশে সহায়তা করে। স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন তার পাঠকদেরকে বিভিন্ন ফ্রীবাইস দিয়ে থাকে।
ফুয়েল ব্রান্ড নেটওয়ার্ক
fuel_logo
ফুয়েল ব্রান্ড নেটওয়ার্কে ওয়েব ডিজাইনিং সম্পর্কিত বিভিন্ন আপডেট, টুলস, বিভিন্ন খবরাখবর দেওয়া হয়। ব্লগিং,ফটোগ্রাফী,ভেঞ্চার, প্রোডাক্ট ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন সহ আরোও চারটি বিভাগ রয়েছে যেখানে ওয়েব ডিজাইনিং এর বিভিন্ন শাখায় আলোচনা করা হয়েছে। মজার ব্যাপার হল প্রতিটা বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা ওয়েবসাইট রয়েছে। মূলত এদের সব কয়টি ওয়েবসাইট মিলেই তৈরী হয়েছে ফুয়েল ব্রান্ড নেটওয়ার্ক।
সিক্স রিভিশনস
six-revisions-w320
সিক্স রিভিশনস হল স্ম্যাশিং ম্যাগাজিনের মতই একটি ওয়েবসাইট। এটি মূলত স্ম্যাশিং নেটওয়ার্কেরই আওতাভুক্ত আরো একটি সাইট। জ্যাকব গিউওব নামের একজন প্রোফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার সাইটটি তৈরী করেন। সিক্স রিভিশনসে প্রচুর আর্টিকেল রয়েছে। রয়েছে প্রচুর পরিমানে টিউটোরিয়াল। মেধাবী ওয়েব ডিজাইনারদের লেখায় সমৃদ্ধ এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত আপডেট করা হয়।
পিএসডি টাট+
psdtuts
পিএসডি টাট+ ফটোশপ ভিত্তিক সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহৎ ওয়েবসাইট। সম্পূর্ণ ওয়েবসাইটটি ফটোশপ কেন্দ্রিক করে তৈরী করা হয়েছে। ফটোশপ ওয়েব ডিজাইনিং এর একটি অত্যাবশ্যকীয় সফটওয়্যার। প্রচুর অ্যাডভান্স এই সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত করতে প্রয়োজন প্রচুর শিক্ষা উপকরণ যা এই ওয়েবসাইটটি সরবরাহ করে থাকে। আপনার যদি ধারণা থাকে আমি ফটোশপ সম্পর্কে সব জানি তাহলে আপনি এই ওয়েবসাইটিতে একবার হলেও ঢুঁ মারবেন। দেখবেন আপনি ফটোশপ সম্পর্কে কেবলমাত্র জানতে শুরু করেছেন। শত শত টিউটোরিয়ালে পরিপূর্ণ এই ওয়েবসাইটি আর্দশ ভাবা ভুল হবে না।
ওয়েব ডিজাইনার লেজার
webdesignledger
ওয়েব ডিজাইনার লেজার একটি প্রকাশনামূলক ব্লগসাইট। প্রোফেশনাল মানের ওয়েব ডিজাইনাররা এই ব্লগে লিখে থাকেন শুধু মাত্র ওয়েব ডিজাইনারদের জন্যই। পোস্টের উচ্চ মান নিশ্চিত করতে এরা অনেক তৎপর। ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত রিসোর্স ও জ্ঞান বিতরণ করাই এদের মূল উদ্দেশ্য। হেনরি জোনসের এই ওয়েবসাইটটি স্ম্যাশিং ম্যাগাজিন এর আওতাভুক্ত। কিছু দিন পর পরই সাইটটি আপডেট করা হয়।
ফোলিও ফোকাস
foliofocus.com
ফোলিও ফোকাস পোর্টফোলিও ডিজাইনারদের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক ওয়েবসাইট। অসাধারণ পোর্টফোলিও সাইটগুলোর গ্যালারি হল এই ওয়েবসাইটটি। ফোলিও ফোকাসে ওয়েব ডিজাইনার,ফটোগ্রাফার,গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের এক একটি অনন্য উদাহরণ আপনি খুঁজে পাবেন।
ব্লগ ডিজাইন হিরোস
blogdesignheroes
ব্লগ ডিজাইন হিরোস ও ফোলিও ফকাস এরা একই নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। দুইটা সাইটই একই রকম ও অনুপ্রেরণামূলক। তবে ওয়েবসাইট দুইটির মূল পার্থক্য হল ফোলিও ফোকাস পোর্টফোলিও সাইটগুলোর ডিজাইন প্রর্দশন করে এবং ব্লগ ডিজাইন হিরোস ভালো ভালো ব্লগের ডিজাইনের গ্যালারী প্রর্দশন করে। অত্যন্ত সমৃদ্ধবান ওয়েবসাইটটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে পরবর্তীতে আপনার ব্লগের ডিজাইনের জন্য অনুপ্রেরণা খুঁজতে পারেন।
দ্য বেস্ট ডিজাইনস
thebestbig
বেস্ট ডিজাইনস ওয়েব ডিজাইনিং এর ওপর আর একটি তথ্য সমৃদ্ধ ওয়েবসাইট। ২০০১ সালে শুরু হওয়া ওয়েবসাইটটির পূর্ববর্তী ভার্সনে ৪০০০ হাজার ওয়েবসাইটের বিশাল সংকলন ছিল। বর্তমানটি এই সংখ্যা আরো অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়েবসাইটিতে উচ্চমান সম্পন্ন বিভিন্ন উপকরণ আছে।

অনলাইন টুলস

ওয়েব ডিজাইনিং এর ক্ষেত্রে রিসোর্সের যেমন প্রয়োজন রয়েছে তেমনি কাজের সুবিধার জন্য দরকার বিভিন্ন টুলস। ওয়েবের কল্যাণে বর্তমানে ওয়েব ডিজাইনারদের সুবিধার জন্য প্রচুর টুলস তৈরী করা হচ্ছে। চলুন জানি তেমনই কয়েকটি টুলসের কথা।

Artypapers Buttons

প্রচুর কাস্টমাইজেবল বাটন রয়েছে। প্রজেক্ট তৈরীতে অনেক কাজে দেবে।

Form Style Generator

ওয়েবসাইটিতে সিএসএস ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েব ফর্ম তৈরী করা যায়।

Favicon Generator & Gallery

ফেভিকন তৈরী করতে পারবেন কিংবা এদের শোকেস থেকে বিভিন্ন ফেভিকন সংগ্রহ করতে পারবেন।

NicEdit

নাইস এডিট একটি WYSIWYG এডিটর।

colordb

চমৎকার একটি কালার প্যালেট জেনারেটর সাইট।

pForm

স্বল্প সময়ে এইচটিএমএল ফর্ম তৈরীর ওয়েবসাইট।

যেভাবে শুরু করবেন এসইও ক্যারিয়ার!

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হচ্ছে এমন একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনগুলো (যেমন গুগল এবং বিং) থেকে ওয়েবসাইটের জন্য টার্গেটেড ফ্রি ট্রাফিক বা ভিজিটর আনা যায়। সার্চ ইঞ্জিন থেকে ট্রাফিক পাওয়ার উপর একটা সাইটের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করে, হতে পারে সাইটটি এডসেন্স কিংবা এফিলিয়েট মার্কেটিংকে টার্গেট করে কিংবা নিজস্ব পন্য বা সেবা বিক্রি করার জন্য। অনলাইনে সফল প্রায় সকল ওয়েবসাইটই এসইও এর মাধ্যমে অধিকাংশ ট্রাফিক পেয়ে থাকে। ওয়েবসাইটে যত বেশি ট্রাফিক আসবে সেখানে প্রোডাক্ট বিক্রয় কিংবা সেবা প্রদানের হার তথা আয় বাড়ার সম্ভাবনা তত বেশী। কথাটি চিরন্তন সত্য, ট্রাফিক=রেভিনিউ!
সার্চ ইঞ্জিনগুলো সেসব ওয়েবসাইটকেই প্রথমে প্রদর্শন করে সেগুলোকে বিভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করে প্রথম দিকে রাখে। এক কথায় বলা যায়, সার্চ ইঞ্জিন যেভাবে একটি কনটেন্টকে দ্রুত খুঁজে পেতে পারে, সহজে পড়তে পারে এবং ইউজারের সার্চ অনুসারে সবার উপরে অর্থাৎ প্রথম পাতায় দেখাতে পারে সে ধরণের বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা করার সামষ্টিক প্রক্রিয়াকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয়।
এসইও শিখে বিশ্বব্যাপী আকর্ষনীয় ক্যারিয়ার গঠনের করার সুযোগ রয়েছে। যেমন ব্লগিং এফিলিয়েট মার্কেটিং কিংবা নিজস্ব ব্যবসা দাড় করানোর মধ্যমে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা ছাড়া কোনভাবেই এ ক্ষেত্রগুলোতে সফলতা পাবেন না। আর ফ্রিল্যান্সিংয়েও এসইওর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ওডেস্ক.কম বা ফ্রিল্যান্সার.কম এর মতো অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতিমূহুর্তে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিষয়ক শত শত প্রজেক্ট আসছে। কাজ জানা থাকলে যে কেউ সে কাজগুলো করে। বাংলাদেশী দেশে এসইও নিয়ে অনেকেই কাজ করছেন, যারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হিসেবে গড়ে তুলেছেন সময়ের স্মার্ট ক্যারিয়ার। বেশ সফলও বটে তারা। যথাযথ গাইডলাইন নিয়ে শুরুতে শিখে কাজ নামতে পারলে ক্যারিয়ার মসৃণ হবে তাতে কোন সংশয় নেই।
এসইও যা যা শিখতে হবে
এসইও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন বিষয় আছে যা ধাপে ধাপে শিখতে হয়।

Monday, May 18, 2015

যে কারণে আমি আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পছন্দ করি

যখন আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শব্দটি শোনেন, কোন নামটি আপনার মনে প্রথম নাড়া দেয়?
আপনার যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে কোন জানাশোনা থাকে তাহলে প্রথম যে নামটি মনে আসবে, সেটি ক্লিকব্যাংক। আফটার অল, এটিই অ্যাফিলিয়েট ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বড় নাম। সাইটটির প্রোডাক্ট সংখ্যা অফুরন্ত, আর এর কমিশনের পরিমাণও অনেক বড় (অনেক ক্ষেত্রে ৭৫% পর্যন্তও কমিশন দেয় সাইটটি!), একটু খোঁজ করলে রিকারিং কমিশন সহ অনেক প্রোডাক্টের খোঁজও মিলবে। আর এক্ষেত্রে উক্ত প্রোডাক্টের ক্রেতা যতদিন প্রোডাক্টটি ব্যবহার করবেন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারও ততদিনই কমিশন পেতে থাকবেন!
ওয়াও!
এত্তসব সুবিধা রেখে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা কেনই বা অন্যকোন সাইটের কিংবা স্পেসিফিক প্রোডাক্টের অ্যাফিলিয়েট করবেন? না না- অন্যকোথাও যাওয়ার কোন মানেই নেই!
আর আমাজন ডটকম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং? কোন মানেই হয় না! আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং না করার অনেকগুলো কারণ আছে। সেগুলোর কয়েকটা আসলে আলোচনা করি।

অনেক কম কমিশন রেট

একটু আগেই যেমন বলেছি, ক্লিকব্যাংক অনেক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দেয়! আর আমাজনের অ্যাভারেজ কমিশন রেট মাত্র ৬.৫ শতাংশ! কেবলমাত্র কিছু ডাউনলোডেবল এবং স্পেসিফিক প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে আমাজন সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দেয়। আবার অনেক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার রয়েছে যারা আমাজন থেকে মাত্র ৪ শতাংশ হারে কমিশন পান! ক্লিকব্যাংকের তুলনায় এটি নিতান্তই কম।

কঠিন প্রচারণা নীতি

ক্লিকব্যাংকের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা যেভাবে ইচ্ছা পণ্যের প্রচারণা চালাতে পারেন, ওয়েবসাইট- বিজ্ঞাপন- ইমেইল – সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্রই। খুব বড় ডিজাস্টার না হলে ক্লিকব্যাংকের অ্যাকাউন্ট কখনো বাদ হয়না। কিন্তু আমাজন এক্ষেত্রে বড্ড বেরসিক। আপনি চাইলে যেকোনভাবেই পণ্য প্রচারণা করতে পারবেন না। একটু নীতির বাইরে গেলেই আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে!

আসলে কি তাই? আমাজন কি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য খুব খারাপ?

আসলে লেখাটি যখন শুরু করেছি তখন নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই আমাজন হেটার হওয়ার একটা চেষ্টা ছিল, তবে এই দুটি নেগেটিভ পয়েন্ট ছাড়া আমাজন অ্যাফিলিয়েটের আর কোন নেগেটিভ পয়েন্ট খুঁজে পেলাম না। সত্যি কথা বলতে, এই দুটি কারণে যদি আপনি আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকে নেতিবাচক ভাবে নেন, তাহলে বলতেই হয় আপনি ‘মানি অন দ্যা টেবিল’ মিস করছেন!

তবুও আমি আমাজনেই…

আমাজন কম কমিশন দিলেও আমি খুশি। ক্লিকব্যাংক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তাই খুব একটা চেষ্টা করিনি কোনদিন। আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকে ভালবাসার কয়েকটি কারণ বলছি!

লোয়ার কমপিটিটিভ প্রোডাক্ট

পৃথিবীতে পাওয়া যায়, এমন অলমোস্ট সব প্রোডাক্টই আমাজন ডটকমে অ্যাভেইলেবল! ক্লিকব্যাংকের প্রোডাক্টগুলো খুবই কম্পিটিটিভ, বিক্রি করাও অনেক কঠিন। আমাজন ডটকমের ইলেকট্রনিক্স প্রডাক্ট ক্যাটেগরি ছাড়া অন্যসব প্রোডাক্টই মিড লেভেল কমপিটিটিভ। এমন কি কিছু ক্যাটেগরির প্রোডাক্ট আছে যেগুলো অনেক কম কমপিটিটিভ। সহজেই তাই আমাজনের প্রোডাক্ট বিক্রি করা যায়।
আর প্রাথমিকভাবে সহজেই ক্লিকব্যাংকে সফলতা পাওয়া যতটা না কঠিন, আমাজন ডটকমের প্রথম সেল আসা তত কঠিন নয়।

এক্স্যাক্ট ম্যাচ কিওয়ার্ড টার্গেট

ধরুন ক্লিকব্যাংকের একটা প্রোডাক্ট প্রমোট করবেন, ‘ওয়েট লস’ ইনফরমেশন প্রোডাক্ট। আপনি কোনভাবেই সরাসরি উক্ত প্রোডাক্টের নামে সার্চ ভলিউম খুঁজে পাবেন না। কিন্তু অধিকাংশ আমাজন প্রোডাক্টের নিজেরই সার্চ ভলিউম আছে। যেমন: আপনি ধরুন আপনি একটি ব্লগ তৈরি করেছেন যেখানে মাউন্টেন বাইক (সাইকেল) নিয়ে লেখালেখি করেন। আপনি আপনার ব্লগটিতে মাউন্টেন বাইক রিলেটেড কিওয়ার্ডে ট্রাফিক তো ড্রাইভ করাতে পারবেনই, সরাসরি মাউন্টেন বাইকের যে স্পেসিফিক ব্র্যান্ডগুলো আছে, সে ব্র্যান্ডনেমেও অনেক সার্চ ভলিউম আছে। আপনি চাইলে স্পেসিফিক সেই ব্যান্ডের নাম দিয়েও ট্রাফিক ড্রাইভ করাতে পারবেন। আর এক্ষেত্রে ট্রাফিক থেকে বায়ার কনভার্সন রেট অনেক ভাল থাকে।

অনেক ভাল কনভার্সন রেট পাওয়া যায়

ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিন্তু আমাজন ডটকমের নাম শোনেননি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না, বিশেষ করে আমাদের মূল টার্গেট মার্কেটে (যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের দেশগুলো)। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রচুর মানুষের আমাজনে অ্যাকাউন্ট আছে। ইন্টারনেটে কেনাকাটার জন্য আমাজন পৃথিবীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত নাম। আর তাই যখনই কেউ আমাজন ডটকমের কোন প্রোডাক্ট রেকমেন্ড করে, তখন ভিজিটররা সেটি অনেক বেশি বিশ্বাস করে, কেনার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়। অ্যাফিলিয়েট গুরু দের মতে, ক্লিকব্যাংক প্রোডাক্টগুলোর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি কনভার্সন রেট, এটি পরীক্ষিত।

বাল্ক প্রোডাক্ট বিক্রি

এটাই আমাজনের সবচেয়ে মজার বিষয়। ধরুন, আপনি একটি মাউন্টেন বাইক বিক্রির ওয়েবসাইট করেছেন, সেখানে সার্চ ইঞ্জিন থেকে, কিংবা অন্যান্য ফ্রি বা পেইড ট্রাফিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে আপনি সাইকেল প্রমোট করছেন। সাধারণত, যারা ক্রেতা, তাঁরা কেবল একটা সাইকেল কিনলেই চলবে না, এরসঙ্গে তাকে হেলমেট, অন্যান্য সাইক্লিং গিয়ারস এবং বডি গিয়ারস কিনতে হবে। আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের মজা হচ্ছে তিনি প্রচারণা চালাচ্ছেন কেবল সাইকেলের, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য প্রোডাক্টসমূহ [কারণ আগেই বলেছি, পৃথিবীর অলমোস্ট সব প্রোডাক্টই আমাজন ডটকমে পাওয়া যায়]। আর আমাজনে যেহেতু ফিজিক্যাল প্রোডাক্টই বেশি, অনেক ক্ষেত্রেই ক্রেতারা একের অধিক পণ্য কিনে থাকেন। যেটি ক্লিকব্যাংক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ক্ষেত্রে কখনো ঘটেই না বলতে গেলে। আর আমাজনে আপনার বিক্রির ভলিউম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাজনও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের কমিশন বাড়িয়ে দেয়।

রিলেটেড প্রোডাক্ট

আমাজন ডটকম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের কমিশন দেয় তার পাঠানো ভিজিটরের পণ্য কেনার পরিমাণের উপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ আপনি যদি কোন ভিজিটরকে আমাজন ডটকমে পাঠান, তাহলে উক্ত ভিজিটর মোট যত টাকার পণ্য কিনবেন আপনি ঐ সম্পূর্ণ টাকার উপর একটি কমিশন পাবেন। উপরের উদাহরণ ধরেই বলি, আপনি সাইকেল কিনতে চাচ্ছেন এমন একজন ভিজিটরকে আমাজন ডটকমে পাঠালেন। উনি অনেক ঘুরে ফিরে সাইকেল আর কিনলেন না, কিনলেন বডি বিল্ডিংয়ের কিছু ইনস্ট্রুমেন্টস!
এতে একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসাবে কিন্তু আপনার কোন লস হচ্ছে না, আপনি উক্ত ভিজিটর যে প্রোডাক্টই কিনুন না কেন, আপনি সেই অ্যামাউন্টের উপর ভিত্তি করে কমিশন পাবেন। আমাজন যেহেতু এই প্ল্যানেটের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট, আর এতে পৃথিবীর অলমোস্ট সব প্রোডাক্টই পাওয়া যায় তাই ক্রেতাও দেখা যায় কিছু না কিছু কিনেই আমাজন ছাড়ছেন!
ক’দিন আগেই আমার রিলেটেড প্রোডাক্ট এক্সামপল নিয়ে একটা পোস্ট লিখেছিলাম ফেইসবুকে, দেখতে পারেন। :)

 আমাজন প্রোডাক্ট পেইজ নিজেই একটা সেলস পেইজ!

আমাজন ডটকমের প্রোডাক্ট পেইজগুলো কখনো লক্ষ্য করেছেন? ফুল অব ইনফরমেশন! একজন ক্রেতা বায়িং ডিসিশন নেয়ার জন্য সাধারণত যে ধরণের তথ্যগুলো প্রয়োজন তা আমাজন ডটকমে রয়েছে। রয়েছে ইউজার রিভিউ, রেটিং থেকে শুরু করে প্রোডাক্টের একাধিক ছবি কিংবা ভিডিও। আর আমাজনের পেইজটা বেশ কনভার্সন ফ্রেন্ডলি, ভিজিটররা সহজেই তাই বায়ারে কনভার্ট হয়ে যায় এই সাইটে।
আজ মূলত আলোচনা করলাম আমাজন ডটকম অ্যাফিলিয়েট কেন আমি পছন্দ করি, আগামী পর্বে আলোচনা করবো কিভাবে আমাজন ডটকমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারবেন। সে পর্যন্ত, ভাল থাকুন।

নিস সাইট করবো নাকি অথোরিটি?

লগিংয়ে আপনি নতুন, শুরু করতে চাচ্ছেন তবে ভাবছেন কেমন সাইট বানাবেন, নিশ সাইট নাকি অথোরিটি সাইট? তাহলে আমার আজকের এই লেখাটি আপনারই জন্য। আসুন শুরুতেই জেনে নেই নিস সাইট এবং অথোরিটি সাইট কি, কেমন হয় এসব নিয়ে!
নিস সাইট
নিস সাইট তৈরি হয় যেকোনো একটি নিদিষ্ট বিষয় এর উপর ভিত্তি করে, হতে পারে সেটি অ্যামাজন বা অন্য কোন মার্কেটের প্রোডাক্ট ভিত্তিক। নিস সাইট গুলা খুব তাড়াতাড়ি গুগলে রাঙ্ক করানো যায় আর এতে করে সাইট থেকে আর্নিংটা তাড়াতাড়ি আসে। একটি নিস সাইটে সাধারণত দুই ভাবে আর্নিং হয়ে থাকে, ১ গুগল অ্যাডসেন্স ২ অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে। এছাড়াও অনেকেই অনেক ভাবেই সাইট মানিটাইজ করে।
অথরিটি সাইট
যখন কেউ আথরিটি তৈরি করে তখন সে যেকোনো একটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। এক্ষেত্রে তার চিন্তা ভাবনা থাকে সুদূর প্রসারী। সে চায় তার একটি ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে। নিস সাইটের মতো খুব অল্প সময়ে আর্নিং না আসলেও সময়ের ব্যাবধানে সে অনেক ভালো ফিডব্যাক পেয়ে থাকে।
 
  আমার কিছু কথা!
কিছু মানুষের কথা শুনে আমাদের মধ্যে একটা ধারনা কাজ করে, অথরিটি সাইট তৈরি করার চেয়ে নিশ সাইট নিয়ে নামাই ভালো, হয়তো তাদের কাছে অনেক যুক্তিই আছে। জানি খুব অবাক হবেন যদি বলি, বাংলাদেশে আমরা নিশ সাইট নিয়ে যখন মেতে উঠলাম (২০১২-১৩ মাঝামাঝি) তারও ২/৩ বছর আগে বাহিরের মার্কেটারটরা এর ক্রিম সম্পূর্ণ নিয়ে ফেলেছিলো।
আমি আর আমার বন্ধু যখন শুরু করেছিলাম নিশ ব্লগিং/ব্যবসায় তখনো এখানে তেমন সাড়া পড়েনি। সর্বোপরি সার্চ ইঞ্জিন গুলোর বেশ কিছু পরিবর্তনের সাথে সাথে কৌশল গুলোও কম কাজ করছে। আমি এমন অনেক নিশ সাইট বিল্ডারকে দেখেছি যারা এখন নিশ বাদ দিয়ে অথোরিটি ব্লগিং নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। জানি, পাশাপাশি কাজ করছেন নিশ সাইটের নতুন কৌশল রপ্ত করা নিয়ে, নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছেন এক্সপেরিমেন্ট।
ব্লগিং শুরুর দিকে নিজের ব্লগে টেক বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করতাম, ব্লগিং এর বিভিন্ন বিষয় গুলো জানাশুনা বাড়লো পাশাপাশি প্রমোশন স্ট্রেটেজি গুলো আয়ত্ব আনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে তাই তখন আমরা দীর্ঘ মেয়াদি প্লানে এগিয়েছি। নিয়মিত shamimnasir.com এ লিখতাম আমি, এছাড়াও বেশ কয়েক বছর আমার পছন্দের এড়িয়া “টেক্স টাইল” বিষয়ক ব্লগে লিখেছি, আস্তে আস্তে অথোরিটি ব্লগ দ্বার করিয়েছি, সফলতা আসতে লাগলো। নিশ সাইট নিয়ে তখনো ভাবিনি, কারন আমার জানার শুনার স্টেজ প্রাইমারিতে। নিজেকে সময় দিতে চেয়েছি… শুরু বছর ২ পরেই যখন অভিজ্ঞতা বাড়তে লাগলো, নিশ থিওরি গুলো রপ্ত করলাম, প্রমোশন স্ট্রেটেজি গুলো নিয়ে বিস্তারিত বুঝলাম শুরু করলাম নিশ সাইট!
এখানে একটা কথা বলে নেওয়া ভালো, আমরা তখন ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে পাইনি যিনি নিশ সাইটের ব্যাপারে সারাসরি গাইড করবেন। আমি নিজেই প্রথম ২/৩ টা প্রজেক্টে খুব একটা সফলতা পাইনি, অনেক গুলো কারনে। তবে এখন দিন পাল্টিয়েছে, অনেক ব্লগ আছে যারা নিয়মিত নিশ ব্লগিংয়ের স্ট্রেটেজি, ক্যাস স্ট্যাডি শেয়ার করছে পাশাপাশি নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের অনেক ছেলেই এখন নিশ ব্লগিং করছেন। বেশ ভালোও করছেন এমন অনেকের সাথেই পরিচয় আছে আমার। আমি নিজেও অনেককে পার্সোনালি, অফিসিয়ালি শিখিয়েছি।
niche-marketing-destroyed
নিশ সাইট নাকি অথোরিটি সাইট, কোনটা ভালো হবে?
আমি লেখাটিতে চেষ্টা করবো যুক্তি দিয়ে নিশ সাইট ও অথোরিটি সাইট তৈরির পজিটিভ দিক গুলো তুলে ধরতে। এবং সর্বোশেষ আপনার ব্যক্তিগত প্রেক্ষাপট কি কি হতে পারে সেটার উপর ভিত্তি করে কোনটা আপনি শুরু করবেন সেই বিষয়ে আমার নিজে মতামত ব্যক্ত করবো।
অথোরিটি সাইটের পক্ষে যুক্তি…
# অথোরিটি সাইট মানেই ব্রান্ড
– যখন কেউ অথোরিটি সাইট বানাবে তার লক্ষ হবে একটি ব্রান্ড প্রতিষ্ঠা করা এবং স্থায়ি ভাবে সেই সাইট থেকে আয় জেনারেট করা। আমার কাছে মনে হয় নিচের এই কারন গুলো আমাকে ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে যা আস্তে আস্তে আমাকে অথোরিটিতে রুপান্তর করবে। পয়েন্ট গুলো দেখুন…
  • অথোরিটি সাইটে বিষয় ভিত্তিক অনেক ইনফরমেশন/কন্টেন্ট থাকবে। মানুষ চাহিদা মত তাদের তথ্যবহুল কন্টেন্ট খুঁজে নিবে। প্রোডাক্ট ভিত্তিক হলে, লিস্টে অনেক অনেক প্রোডাক্ট থাকবে এবং ক্রেতারা যাচাই বাছাই করে পছন্দমত প্রোডাক্ট কিনতে পারবে।
  • অনেক গুলো নিশকে বাছাই করে ক্যাটাগরি করে এগুনো যাবে।
  • বিষয় ভিত্তিক এবং নিয়মিত কন্টেন্ট ডেভেলপের ফলে ইউজারদের এঙ্গেজমেন্ট বাড়বে সাথে সাথে তারা নির্ভরযোগ্য সাইট হিসেবে সাইটটা অন্যের কাছে রেফার করবো।
  • কন্টেন্ট এরিয়া বড় হওয়ায় অনেক বেশি ট্রাফিক পাওয়া যাবে, আর ট্রাফিক বাড়লে আয়ও তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে।
  • ট্রাস্টেড সাইট কিন্তু সব সময়ই অন্যরের রিকমেন্ডেশন পায়, যা আয় বাড়াবে নিঃসন্দেহে।
  • এক কথাই বলতে গেলে অথোরিটি সাইট হচ্ছে কচ্ছপের মতো আর দিন শেষে কিন্তু খরগোশের তুলনায় কচ্ছপই বিজয়ি হয়। 
# দেরি হলেও রিটার্ন ভালো আসে
শুরুতে একটি অথোরিটি সাইট বানাতে কিন্তু আপনাকে খুব বেশী ইনভেস্ট করতে হয় না, তুলনামূলক সময় দিতে থাকলে আয় অনেক বেশি হয়।
# নতুনদের জন্য নিস সাইট কিন্তু একটু রিস্কি
কি আমার কথা শুনে অবাক হচ্ছেন? হা এটাই সত্য কথা। কেন রিস্কি?
  • আপনার অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে। নিশ সাইট তৈরিতে যেমন স্ট্রেটেজিক প্লান আর কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন সেটার তুলনায় আপনার জ্ঞান অপ্রতুল।
  • নিত্যই সার্চ ইঞ্জিন গুলোর অ্যালগোরিদম পরিবর্তন হচ্ছে, প্রাইমারি কিওয়ার্ডে বেশি দিন যে আপনি টিকে থাকতে পারবেন অথবা প্যানাল্টি খেলে ব্যক করতে পারবেন সেটা কিন্তু নিশ্চিন্তে বলা যাবে না।
  • গুরুত্বপূর্ন সময়ে মানিটাইজের ঝামেলায় ভুগতে পারেন।
  • অনেক সময় ডিরেক্ট কোন প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করতে গেলে মার্কেটপ্লেসে প্রডাক্ট এভেইলএবল নাও থাকতে পারে।
এক্ষেত্রে অথোরিটি সাইট শুরু করা অনেক এগিয়ে আছে। আমি শুধু এত টুকুই বলবো আপনি যথেস্ট সময় পাবেন নিজেকে শুধরে নিয়ে ওয়েবমাস্টারিও ভাষায় এগিয়ে চলতে।
চলবে…

ডাউনলোড করুন কিছু মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম।

আসসালামুআলাইকুম। প্রিয় বন্ধুরা নিশ্চয় আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমিও দয়াময়ের মেহেরবাণীতে ভালো আছি।
আজকে কিছু উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে আমার সামান্য একটা পোস্ট। আমাদের দেশের অভ্যন্তরের মানুষের জন্যে এটা তেমন কোন আহামরি পোস্ট না। কারন এখানে ৩০-৫০ টাকায় যেকোন অপারেটিং সিস্টেম পাওয়া যায়। এটা প্রবসী ভাইদের জন্যে হয়তো কিছুটা উপকার করতে পারে, সাধারনত যে দেশে কপিরাইট আইন খুবই কার্যকর।
1. Windows XP SP-3 Build 5512 Final
http://adf.ly/1HNiBJ

2. Zorin OS 5.2 Core
3. Linux-Mint 12 Lisa
4. Ubuntu 11.10
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ISO ফাইলটি DVD বা CD তে রাইট করুন। Install করার জন্য এই ব্লগে অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন অথবা Google এ Search দিন: How to install Linux or Ubuntu or Zorin OS.

Sunday, May 17, 2015

নাইজেরিয়ায় মানুষের মাংস বিক্রি করায় রেস্তোরাঁ বন্ধ

 
নাইজেরিয়ার এনামব্রা'র একটি রেস্তোরাঁ মানুষের মাংস বিক্রির দায়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এ ঘটনায় জড়িত ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। খবর বিবিসির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

জানা গেছে, এনামব্রা'র ওই রেস্তোরাঁয় মানুষের মাংস বিক্রি হচ্ছে- স্থানীয়দের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে হোটেলের ভেতর থেকে মানুষের রক্তাক্ত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ছাড়াও রক্ত পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত পলিব্যাগও উদ্ধার করা হয়। অভিযানে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, গ্রেনেড এবং সেলফোনও জব্দ করা হয়। 

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, প্রতিদিনই তিনি সেখানে যেতেন এবং হোটেলে অদ্ভুত কার্যক্রম দেখতেন। হোটেলের লোকজন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পরে কাজ করতেন না।

উল্লেখ্য, গত বছর অস্ট্রেলিয়ান সেফ মার্কাস ভলকি তার বান্ধবীকে হত্যা করে রান্না করার অভিযোগে আটক হন। একই বছর, ব্রাজিলে সম্ভাব্য আয়া প্রার্থীকে হত্যা করে রান্না করার অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশ।